শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

‘রোনালদোর জন্য বিশ্বকাপ জিততে চাই’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
‘রোনালদোর জন্য বিশ্বকাপ জিততে চাই’

 

রেকর্ড সর্বোচ্চ ষষ্ঠবার ফুটবল বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আগামী জুন-জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় হতে যাওয়া এই মেগা ইভেন্টটি হতে যাচ্ছে তার শেষ আসর। ব্যক্তিগত ও ক্লাব ক্যারিয়ারে সম্ভাব্য সব–ই জিতেছেন রোনালদো। অপূর্ণতা বলতে জাতীয় দলের হয়ে অধরা ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ট্রফি। জাতীয় দলের সতীর্থরা তাই বিদায় বেলায় সিআরসেভেনকে বিশ্বকাপ উপহার দিতে চান।
বিশ্ব ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ এই প্রতিযোগিতায় অন্যতম ফেভারিট হিসেবে খেলতে নামবে পর্তুগাল। আক্রমণ, মাঝমাঠ ও রক্ষণ মিলিয়ে তাদের স্কোয়াডে বৈচিত্র এবং ভারসাম্য রয়েছে। যাকে কাজে লাগিয়ে মাঠের পারফরম্যান্সে পুরো ফায়দা তুলতে চায় রবার্তো মার্টিনেজের দল। বিশ্ব ফুটবলে রোনালদোর অবদানের প্রতিদান হিসেবে এবারের বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের প্রত্যাশা জানিয়েছেন পর্তুগিজ মিডফিল্ডার ব্রুনো ফার্নান্দেজ।

ইংল্যান্ড ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক তারকা ওয়েইন রুনির সঙ্গে সংবাদমাধ্যম বিবিসি’র এক অনুষ্ঠানে যুক্ত হন ফার্নান্দেজ। এ সময় তিনি বলেন, ‘শেষ বিশ্বকাপটা জয়ের মাধ্যমে ক্রিস্টিয়ানো (রোনালদো) ক্যারিয়ারের ইতি টানতে পারলে সেটি অসাধারণ এক ব্যাপার হবে। আমি সত্যিই আশাবাদী যে আমরা তা করতে পারব। এটি কেবল পর্তুগালের জন্য নয়, ফুটবল এবং বিশ্বকে ক্রিশ্চিয়ানো যা দিয়েছে তার জন্যও।’

এখনই ফুটবলবিশ্বের অন্যতম কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছেন রোনালদো। বয়সটা ৪১–এর কোঠা পেরিয়ে এগিয়ে চললেও, নিজের স্বপ্ন পূরণের প্রচেষ্টা থামিয়ে রাখেননি। ছুটে চলেছেন পেশাদার ক্যারিয়ারে ১০০০তম গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার দিকে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে রেকর্ড সর্বোচ্চ ১৪৩ করা এই তারকা বিশ্বকাপ জিততে না পারার আক্ষেপটা পূর্ণ করতে চান আসন্ন ২৩তম আসরে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই ফরোয়ার্ড পর্তুগালকে ২০১৬ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জিতিয়েছেন। দু’বার জিতেছেন উয়েফা নেশন্স লিগও। আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে রোনালদোর পর্তুগাল পড়েছে ‘কে’ গ্রুপে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ডিআর কঙ্গো, উজবেকিস্তান ও কলম্বিয়া। গ্রুপপর্বে যথাক্রমে তিনটি দলের সঙ্গে ১৭, ২৩ ও ২৭ জুন মুখোমুখি হবে পর্তুগিজরা।

Ads small one

এই শীতে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
এই শীতে

মকবুল মাহ্ফুজ
উলের সোয়েটার পরে আছে ওষুধের দোকান
নতুন বছরের ক্যালেন্ডারের গায়ে শীতের চাদর।

এই শীতে গাছেরা কুঁজো হয়ে আছে।
হাড় কাঁপানো শীত এ বছর
আগুনে সেঁকতে হচ্ছে হাত। পা রোজ।
কার যেন কবিতায় পড়েছিলাম
‘কথা বললেই শীত কম লাগে।’
ইস্, এরা যদি কথা বলতে পারত!

মিছামিছি লোভ দেখাচ্ছে
বাবুর আলী গোলদার
কিছু ইতর প্রাণী মলমূত্র ত্যাগ করছে,
দুর্গন্ধ নাকে আসছে।
নারী কী পুরুষ চেনা দায় হচ্ছে,

সর্বাঙ্গ ঢাকা আছে।
বিরতিহীন হাঁটছে,
এপাড়া-ওপাড়া যাচ্ছে।
ফিসফিসিয়ে বলছেÑ
অনন্তকাল সুখভোগের লোভ দেখাচ্ছে।
বাহ্! সুখ যেন ওদের হাতে,
মিছামিছি লোভ দেখাচ্ছে।
সরলমনা মানুষগুলো কি বুঝতে পারছে?

 

আমি তোমার বন্ধু হতে চাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
আমি তোমার বন্ধু হতে চাই

জহুরুল হক জুলু
সকালের রোদের চিকমিক সোনা গায়ে মেখে
যে নতুন দিনের জন্ম দেয়,
আর সন্ধ্যার আকাশে
আবিরের রঙ ছড়িয়ে

অস্তাচলে রেখে যাওয়া শেষ স্বাক্ষরÑ
শিল্পীর তুলিতে আঁকা রঙিন স্বপ্নের মতো;
আমি তার বন্ধু হতে চাই।
শীতের ভোরে
ঘাসের ডগায় জেগে থাকা শিশিরকণা

টুপটাপ ঝরে পড়ে নীরবে,
যেন একান্ত আপন ভেবে
বেদনার ভাষা জানাতে চায়Ñ
হৃদয় নিংড়ানো স্বচ্ছ সে কথা;
আমি তার বন্ধু হতে চাই।
সৌন্দর্যের ডালি সাজিয়ে, সুগন্ধ বিলিয়ে
যে নীরবে পৌঁছে যায় হৃদয়ের মনিকোঠায়,

অবশেষে একদিন
ঝরে পড়ে নিঃশব্দে,
নিজেকে নিঃশেষ করে দিয়েÑ
আমি সেই ফুলটিকে ধরে রাখতে চাই
সযতেœ স্মৃতির পাতায়;
আমি তার বন্ধু হতে চাই।
ঘুম ভাঙে কিচিরমিচির ডাকে,

হৃদয়ে জাগে অচেনা আলোড়ন।
কেউ দূর নীল আকাশে ভেসে যায়,
খাদ্যের সন্ধানে ব্যস্ত উড়াল;
সন্ধ্যা নামলে আবার
কুলায় ফেরে তৃপ্ত হৃদয়ে।
তাদের এই সহজ জীবনযাত্রা
কার না মন কাড়ে?
আমি সেই পাখিদের বন্ধু হতে চাই।

সবুজ ফসলের মাঠ মনকে ভুলিয়ে দেয়,
আলো-ছায়ার লুকোচুরি খেলায়
বাতাস দোলে ছন্দে ছন্দে;
তার ঢেউ এসে আছড়ে পড়ে
আমার হৃদয়ের তীরে।
আমি তারও বন্ধু হতে চাই।
তুমিও তবে হাত বাড়াওÑ
দিগন্ত-বিস্তৃত উন্মুক্ত হাত।

এসো, আমরা বন্ধু হই

এই সৌন্দর্যের, এই জীবনের,

এই অনন্ত মমতার।

শীতল বাতাসের এক অনুরোধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
শীতল বাতাসের এক অনুরোধ

শাহাবুদ্দীন
সবকিছুর বিনিময়ে তুমি ভালো থেকোÑ
যেমন ভোরের কুয়াশা তার অদৃশ্য আঙুল দিয়ে
ঘাসের ডগায় হেঁটে যায়,
শুধু নিঃশব্দে কিছু নরম আলো রেখে যায়।
আমি যত দিইÑ
শব্দ, সময়, স্মৃতি, অদৃশ্য আঙুলের স্পর্শÑ
সবই যেন মাটির নিচে সরে যায়;
কিন্তু তুমি ভালো থাকো,
এটাই আমার প্রার্থনা।
যেমন ঝড়ের পর একা পাতার ওপর
সন্ধ্যার আলো নেমে আসে,
তেমনি তোমার মুখে যেন
শান্তির নরম ছাপ থাকেÑ

যেখানে কেউ আহত হয় না, কেউ হারায় না।
আমি জানি, আমার দেওয়া সবকিছু
অদৃশ্য নদীর মতো বয়ে যাবে;
শুধু তুমি ভালো থেকো,
এই ভেবে নদীও থেমে যায়,
এক মুহূর্তের জন্য নিজেকে দাঁড় করায়।
তুমি ভালো থেকোÑ
যেমন হেমন্তের শেষে
শিশিরের নিচে একাকী ফুল;
শুধু নিজের উপস্থিতি দিয়ে
সমস্ত মাঠকে ভরিয়ে রাখে।
সবকিছুর বিনিময়ে,
যদি এই পৃথিবীর সমস্ত শব্দ,
সমস্ত নীরবতা, সমস্ত আকাশ
আমার হাতে এসে গলে যায়Ñ
তবু একটাই চাওয়া থাকবে:
তুমি ভালো থেকো,
যেমন নক্ষত্র নিজের আলো দিয়ে
রাত্রিকে আলোকিত রাখে,
অচল, অমোঘ, অদূর।