মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

লাবসা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে টিআইবি-সনাকের অধিপরামর্শ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
লাবসা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে টিআইবি-সনাকের অধিপরামর্শ

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র অনুপ্রেরণায় সনাক কর্তৃক উপজেলা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সাথে লাবসা ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উন্নয়নকল্প বিষয় নিয়ে একটি অধিপরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। বিশেষ করে ঔষধের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিচ্ছন্নতার উন্নতি এবং চাহিদা অনুযায়ী ভবন সংস্কারের বরাদ্দ প্রাপ্তির বিষয়গুলো ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়াও কেন্দ্রটির সেবার মান আরও উন্নত করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়। এর মধ্যে রয়েছেÑসপ্তাহে অন্তত একদিন মেডিকেল অফিসারের উপস্থিতি নিশ্চিত করা, তথ্য বোর্ডে প্রয়োজনীয় তথ্য হালনাগাদ রাখা, রোগীদের জন্য জেন্ডার-বান্ধব টয়লেটের ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ খাবার পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা, মেইন গেট নির্মাণ এবং রোগীদের জন্য প্রেসার ও ডায়াবেটিস পরিমাপের যন্ত্র ও সেবা চালু করা। এসব বিষয়ে কার্যকর সমাধান নিশ্চিত করতে পরিকল্পনা ও কর্ম-কৌশল নির্ধারণ করা হয়।

সাতক্ষীরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ ফরহাদ জামিল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন সনাকের স্বাস্থ্য বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক ডা. সুশান্ত কুমার ঘোষ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন পরিসংখ্যানবিদ সাব্বির সালেহীন, শেখ মহিবুর রহমান (এম.টি.ই.পি.আই), সনাক স্বাস্থ্য বিষয়ক উপকমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক ভারতেশ্বরী বিশ্বাস ও কল্যাণ ব্যানার্জি এবং লাবসা এসিজি’র সদস্য ইয়াসমিন নাহার ও সাপিয়া খাতুনসহ অন্যান্যরা।

সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, বিভিন্ন প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও লাবসা ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি কমিউনিটির মানুষের জন্য সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি আলোচনায় উত্থাপিত বিষয়গুলো দ্রুত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

 

Ads small one

পাটকেলঘাটায় ৩ ফসলী সরকারী জমির মাটি কেটে ইট ভাটায় বিক্রির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় ৩ ফসলী সরকারী জমির মাটি কেটে ইট ভাটায় বিক্রির অভিযোগ

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটায় তিন ফসলী জমির মাটি কেটে ইট ভাটায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। থানার কুমিরা মৌজার কপোতাক্ষ নদের বেড়ি থেকে প্রতিনিয়ত উক্ত মাটি কাটা হয়। এসব মাটি পাশ্ববর্তী ইট ভাটায় বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করছে একটি প্রভাবশালী মহল।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, কপোতাক্ষ নদের পাশ্ববর্তী উক্ত জমি সরকারী খাস খতিয়ানভুক্ত। রাজনৈতিক পরিচয়ে পরিচিত জনৈক আশরাফ এর নেতৃত্বে প্রতিদিন গভীর রাতে স্কেভেটর মেশিন দিয়ে উক্ত জমির মাটি কাটা হয় এবং উক্ত মাটি ডাম্পারে করে পাশ্ববর্তী ইট ভাটায় পৌছে দেওয়া হয়।

 

প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন অবৈধ কাজ চলমান থাকলেও অদৃশ্য কারনে এখানে আইনের কোন প্রয়োগ হচ্ছেনা। স্থানীয়রা অবিলম্বে মাটি কাটা বন্ধ করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী জানিয়েছে।

সুন্দরবনের হরিণ ধরার ৪২ টি মালা ফাঁদ উদ্ধার করেছে বনবিভাগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনের হরিণ ধরার ৪২ টি মালা ফাঁদ উদ্ধার করেছে বনবিভাগ

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন মুন্সিগঞ্জ টহল ফাঁড়ির সদস্যদের নিয়মিত টহল চলাকালে হরিণ ধরার ৪২ টি মালা ফাঁদ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দূপুরে মুন্সিগঞ্জ টহলফাঁড়ির অধীনে সুন্দরবনের বেলায়েতের ভারানি ও ছেড়ার খাল থেকে এ ফাঁদ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান, বুড়িগোয়লিনী স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা ফজলুল হক।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মুন্সিগঞ্জ টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা জাহিদ এর নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বনের ভেতরে পেতে রাখা ৪২টি হরিণ শিকারের ‘মালা ফাঁদ’ উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ টহলফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা জাহিদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকাল থেকে সুন্দরবনের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই ফাঁদগুলো উদ্ধার করি। তাছাড়া ফাঁদগুলো এমনভাবে পাতা ছিল, যাতে বনাঞ্চলে বিচরণরত হরিণ সহজেই আটকা পড়ে শিকারিদের হাতে প্রাণ হারায়।

সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা ফজলুল হক জানান, সুন্দরবন শুধু দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, এটি বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ। তাই এখানে বসবাসকারী বন্যপ্রাণী, বিশেষ করে হরিণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতি রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে। ফজলুল হক সাধারণ জনগণকে বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেউ যদি এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ডের তথ্য পেয়ে থাকেন, তাহলে দ্রুত বন বিভাগকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে, এবং তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রাখা হবে।

স্থানীয় আমিরুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবনে দীর্ঘদিন ধরেই অসাধু শিকারি চক্র সক্রিয় রয়েছে। তবে বন বিভাগের নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারির ফলে এসব কর্মকান্ড অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তারপরেও কিছু চক্র বন বিভাগের নজর এড়িয়ে এ সমস্ত কাজ করে চলেছে। আমাদের দাবি তাদেরকে আইনের আওতায় এনে হরিণ শিকার চিরতরে বন্ধ করতে হবে।

 

খুলনায় নারীদের মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র বাস্তবায়নে কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
খুলনায় নারীদের মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র বাস্তবায়নে কর্মশালা

নারীদের জন্য জাতীয় মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে আর্থিক প্রাক্কলনসহ কর্মপরিকল্পনা ২০২৫ বাস্তবায়ন ও অবহিতকরণের লক্ষ্যে কর্মশালা আজ (মঙ্গলবার) খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মজুমদার।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, জাতীয় মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র বাস্তবায়ন কর্মপরিকল্পনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। এক্ষেত্রে সরকারের একার পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব নয়। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা ও জনগণকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি আরও বলেন, স্যানিটারী ন্যাপকিন উৎপাদন ও আমদানিতে ভ্যাট-ট্যাক্স মওকুফ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। সরকারি-বেসরকারি দপ্তর সংস্থার নিজস্ব উদ্যোগে নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় সকল সুযোগ-সুবিধাসহ পৃথক ওয়াশরুমের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। প্রত্যেক দপ্তরের সেবা গ্রহণকারী নারীদের মাঝে মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করাও জরুরি।

প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি, সকল স্কুলে মেয়েদের জন্য পরিবর্তন রুম নামে আলাদা কক্ষ, স্যানিটারী ন্যাপকিন উৎপাদন, আমদানি ও সরবরাহ’র ক্ষেত্রে ভ্যাট-ট্যাক্স কমানো/ফ্রি করা, স্বল্পমূল্যে স্যানিটারী ন্যাপকিন বিতরণসহ বিভিন্ন পরামর্শ কর্মশালায় উঠে আসে।

খুলনা বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ নাজমুল হকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সিফাত মেহনাজ, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, খুলনা ইউনিসেফ এর চীফ মোঃ কাওসার হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনা কৌশলপত্র বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশেষজ্ঞ মোঃ মনিরুজ্জামান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব সুয়ে মেন জো। ইউনিসেফ-এর সহযোগিতায় স্থানীয় সরকার বিভাগ এ কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তথ্যবিবরণী