বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

লোগো বদলালেই কি বদলে যাবে বিটিভি, যা বলছেন সংস্কৃতিজনরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ
লোগো বদলালেই কি বদলে যাবে বিটিভি, যা বলছেন সংস্কৃতিজনরা

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) সাড়ে পাঁচ দশকের পুরনো ঐতিহ্যবাহী লাল-সবুজ লোগো পরিবর্তনের সাম্প্রতিক উদ্যোগকে কেন্দ্র করে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আগস্টের শেষের দিকে বিটিভির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘ফিরছে নতুন রূপে বিটিভি’ শিরোনামে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। সেখানে সাধারণ নাগরিকদের কাছ থেকে নতুন লোগোর ডিজাইন ও আইডিয়া আহ্বান করা হয়। এরপরই এই বিতর্কটি সামনে আসে।

দেশের সংস্কৃতিকর্মীদের একটাই প্রশ্ন লোগো বদলালেই কি বদলে যাবে বিটিভি? দেখে নেওয়া যাক সংস্কৃতিজনদের কে কী বলেছেন-

খ.ম. হারূন (সাবেক উপমহাপরিচালক ও নন্দিত টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব)

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘বিটিভির স্বর্ণালী সময়ের একটি আবেগ এখনও টিকে আছে, সেটি হলো বিটিভির লোগো। এই লোগোকে আরও আকর্ষণীয় করা যেতে পারে, কিন্তু সেটা হতে হবে ঐতিহাসিক ‘লোগো’টিকে টিকিয়ে রেখে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘এখন এনালগ থেকে ডিজিটাল মাধ্যমে রূপান্তরিত হয়ে গেছে বিটিভি। প্রতিদিন প্রযুক্তি আরও আধুনিক হচ্ছে। কিন্তু আমরা আমাদের সম্প্রচার কর্মীদের সেভাবে প্রস্তুত করতে পারিনি এটা আমাদের ব‍্যর্থতা।’

আবুল হায়াত (অভিনেতা)

বিটিভির লোগো পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত আমার কাছে পাগলামি মনে হয়। এটা একটা হাস্যকর বিষয়। কাউকে দামি পোশাক পরালে কি সে কখনো জ্ঞানী হয়? এর আগেও আমরা বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করতে দেখেছি, পোশাক পরিবর্তন করতে দেখেছি। কিন্তু নাম ও পোশাক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে কী আমরা ভালো কিছু পেয়েছি?

বিটিভির কর্তৃপক্ষের উচিত দর্শক কেন বিটিভি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে, কেন দর্শকের বিটিভির ওপর আস্থা নেই এসব বিষয় নিয়ে কাজ করা। লোগো নিয়ে পড়ে না থেকে অনুষ্ঠান বা কনন্টের মান বাড়ানো উচিত বিটিভির। এই লোগো যদি গত ৫০ বছর থাকতে পারে তাহলে আগামীতে থাকতে সমস্যা কোথায়? লোগোর মধ্যে তো আমরা কোনও সমস্যা দেখি না। যেসব বিষয়ে সমস্যা আছে সেগুলো চিহিৃত করে ঠিক করতে পারলেই মানুষ বিটিভিমুখী হবে আমি মনে করি।

ডলি জহুর (অভিনেত্রী)

আমার প্রশ্ন হলো এই লোগো কেন পরিবর্তন করতে হবে। বিটিভি কর্তৃপক্ষ যদি এই কেন প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারে তাহলে পরিবর্তন নিয়ে আমার আপত্তি নেই। লোগো পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে তো বিটিভির অন্য কিছুতে পরিবর্তন হবে না। বিটিভির মানহীন অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে আরও অনেক কিছু পরিবর্তনের সুযোগ আছে। আমি মনে করি কর্তৃপক্ষকে সে সব বিষয়ের দিকে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। বিটিভিকে দর্শকমুখী করার জন্য লোগোর পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। দর্শক কী চায় সেই বিষয়গুলো সঠিকভাবে কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারলেই চলবে।

শেখ সাদী খান (সংগীত পরিচালক ও সুরকার)

সামাজিক যোগামযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘একটা কিছু না করলে নাম থাকবে কেমন করে? এ ধরনের নতুন কিছু করতে গেলে প্রথমে একটা বিজ্ঞ কমিটি গঠন প্রয়োজন! সেই কমিটির যুক্তি মতামতকে প্রাধান্য দিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত! এটা তো কারও ব্যক্তিগত সংসার না। এসব চিন্তা ছেড়ে মান সম্মত অনুষ্ঠান এবং সুস্থ সমাজ গড়ার দিকে নজর দিলে দেশ ও জাতির মঙ্গল হবে! সবচেয়ে আগে বিটিভির স্বচ্ছতা প্রয়োজন। অভিশপ্ত জাতির মঙ্গল হোক।’

আশরাফ বাবু (গীতিকার ও সুরকার)

লোগো চেঞ্জ করে কি বিটিভির মান ঠিক করা যাবে? আবার আরেক সরকার এসেই লোগো আবার চেঞ্জ করবে। বরং সাধারণ জনগণ থেকে আইডিয়া নিতে পারে কি ধরনের কি মানের প্রোগ্রাম তারা দেখতে চায় । বিটিভিরমান পরিবর্তনে অনেক কিছু করণীয় দরকার।

যা বললেন বিটিভির বর্তমান মহাপরিচালক

এদিকে তীব্র সমালোচনার মুখে বিটিভির বর্তমান মহাপরিচালক কাজী জেসিন বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, লোগো পরিবর্তনের কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি। কেবল তরুণ প্রজন্ম (জেন-জি) এবং সাধারণ দর্শকদের দৃষ্টিভঙ্গি ও আইডিয়া জানতেই এই বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘লোগো পরিবর্তনের উদ্যোগটি বিটিভির সার্বিক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার একটি অংশ মাত্র। এর পাশাপাশি নতুন কনটেন্ট তৈরি, আর্কাইভ আধুনিকায়ন, কর্মীদের সম্মানী কাঠামো এবং বিলিং পলিসিতেও বড় ধরনের সংস্কারের কাজ চলছে।’

Ads small one

সাতক্ষীরায় শফিকুল ইসলাম শফিকের ‘খোলপেটুয়া’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শফিকুল ইসলাম শফিকের ‘খোলপেটুয়া’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় সুন্দরবন থিয়েটারের পরিচালক ও কবি মো. শফিকুল ইসলাম শফিক রচিত ‘খোলপেটুয়া’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাহিত্য ও সংস্কৃতিপ্রেমীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সঞ্চয় সমিতি ও ঋণদান প্রকল্পের সহ-সভাপতি গৌরাঙ্গ সরকার।

বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কবি, লেখক ও সৃজনশীল সংগঠক শেখ সিদ্দিকুর রহমান। তিনি ‘খোলপেটুয়া’ কাব্যগ্রন্থের বিষয়বস্তু, কবির সাহিত্যচর্চা এবং সাতক্ষীরার সাহিত্য-সংস্কৃতির পরিমন্ডলে এ ধরনের প্রকাশনার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, একটি জনপদের নদী, প্রকৃতি, মানুষ, জীবন-সংগ্রাম ও অনুভূতির সঙ্গে সাহিত্যের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ‘খোলপেটুয়া’ নামের মধ্যেও সাতক্ষীরার নদী-প্রকৃতি ও জনজীবনের একটি নিজস্ব আবহ ফুটে উঠেছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চলচ্চিত্রের নৃত্যশিল্পী এইচ কে হাসান এবং আরিফুল ইসলামসহ অন্যরা। বক্তারা কবি মো. শফিকুল ইসলাম শফিকের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের প্রশংসা করেন এবং ‘খোলপেটুয়া’ কাব্যগ্রন্থের সাফল্য কামনা করেন।

বক্তারা বলেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চা মানুষের মননশীলতা বিকাশের পাশাপাশি সমাজের অসংগতি, মানুষের সুখ-দুঃখ এবং জীবনবাস্তবতাকে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাতক্ষীরার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকা মো. শফিকুল ইসলাম শফিকের নতুন এই কাব্যগ্রন্থ পাঠকদের মধ্যে সাড়া ফেলবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে কবি মো. শফিকুল ইসলাম শফিক তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করেন এবং কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশের পেছনের ভাবনা ও সাহিত্যচর্চার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কবি মৃত্যুঞ্জয় কুমার বিশ্বাস। সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: সপ্তাহের ৬ দিন বন্ধ ওটি, নামে তালপুকুর-ঘটি ডোবেনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: সপ্তাহের ৬ দিন বন্ধ ওটি, নামে তালপুকুর-ঘটি ডোবেনা

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক না থাকায় সপ্তাহের ছয় দিনই বন্ধ থাকছে অপারেশন থিয়েটার (ওটি)। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রসূতি ও জরুরি অস্ত্রোপচারের রোগীরা। জটিল পরিস্থিতিতে রোগীদের প্রায় ৬৬ কিলোমিটার দূরে খুলনা শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে নিতে হচ্ছে। এতে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয় ও ঝুঁকি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন ডা. জহিরুল ইসলাম। তবে তিনি সংযুক্তিতে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সপ্তাহে ৪ দিন এবং কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ দিন দায়িত্ব পালন করেন। পাইকগাছায় তিনি সপ্তাহে মাত্র ১ দিন দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে ওই দিন ছাড়া অন্য ৬ দিন হাসপাতালে অস্ত্রোপচার বন্ধ থাকে। প্রতিদিনই অস্ত্রোপচারের জন্য রোগী আসেন। বিশেষ করে প্রসূতি রোগীদের জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলেও অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক না থাকায় তাঁদের অন্যত্র পাঠাতে হচ্ছে।

গত জুলাই মাসে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে প্রসূতি বিভাগে ১৫৫ জন রোগী ভর্তি হন। তাঁদের মধ্যে ১৯ জনের স্বাভাবিক প্রসব এবং ১১ জনের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব হয়। চলতি আগস্ট মাসের ২৪ তারিখ পর্যন্ত ১২৫ জন প্রসূতি ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনের স্বাভাবিক প্রসব এবং ৮ জনের সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার হয়েছে। জুলাই মাসে জরুরি বিভাগে ১ হাজার ৬৯৭ জন রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। দৈনিক গড়ে রোগী ভর্তি হয়েছেন প্রায় ৬৮ জন। আগস্টের ২৪ তারিখ পর্যন্ত জরুরি বিভাগে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৪১৫ জন। এ সময়ে দৈনিক গড়ে ৫৯ জন রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, আগে এই হাসপাতালে প্রতি মাসে গড়ে ২০ থেকে ৩০টি অস্ত্রোপচার হতো। অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসকের সংকটে বর্তমানে অস্ত্রোপচারের সংখ্যা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) সাকিলা আফরোজ বলেন, এখানে প্রতিদিন অপারেশনের জন্য অনেক রোগী আসেন। কিন্তু অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক না থাকায় আমাদের নানা জটিলতার মুখে পড়তে হয়।

অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক ডা. জহিরুল ইসলাম বলেন, প্রায় আড়াই বছর ধরে তিনি পাইকগাছা হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে তাঁর স্ত্রী ও সন্তান অসুস্থ। এ কারণে খুলনা শহরের কাছাকাছি থাকার জন্য তিনি পরিচালকের কাছে আবেদন করেন। মানবিক দিক বিবেচনা করে তাঁর আবেদন অনুমোদন করা হয়েছে। এরপরও তাঁকে পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সপ্তাহে ১ দিন করে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ বলেন, অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক ডা. জহিরুল ইসলাম এই হাসপাতালে পদায়িত থাকলেও সংযুক্তিতে ফুলতলা হাসপাতালে ৪ দিন কাজ করছেন। তিনি পাইকগাছায় ১ দিন ও কয়রায় ১ দিন দায়িত্ব পালন করছেন। হাসপাতালে সার্বক্ষণিক একজন অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক দেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। আশা করছি, দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

এলাকাবাসীর দাবি, পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স শুধু এ উপজেলার মানুষ নয়, আশপাশের কয়রা, দাকোপ, আশাশুনি ও তালা উপজেলার অনেক মানুষও এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। তাই দ্রুত একজন নিয়মিত অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক পদায়ন করে অস্ত্রোপচার কার্যক্রম স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

মেজাজ হারালেন কারিনা, পাপারাজ্জিরা বলছেন ‘জয়া বচ্চনের বোন’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
মেজাজ হারালেন কারিনা, পাপারাজ্জিরা বলছেন ‘জয়া বচ্চনের বোন’

‘দায়রা’র ট্রেলার লঞ্চে মেজাজ হারালেন বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর। সে সময় পাপারাজ্জিদের ওপর চরম বিরক্তি প্রকাশ করেন তিনি। অনেকেই কারিনার এমন আচরণকে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী জয়া বচ্চনের সঙ্গে তুলনা করেন।

কারিনা কাপুরের সিনেমা ‘দায়রা’র ট্রেলার লঞ্চের কয়েকটি ক্লিপিং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

সেখানে দেখা যায়, পাপারাজ্জিরা কারিনাকে নানান ভঙ্গিমায় পোজ দেওয়ার আবদার করেন। প্যাপেদের অনুরোধে কয়েকবার এদিক থেকে ওদিক গিয়ে ক্যামেরার পোজও দেন তিনি। বেশ কয়েকটি অ্যাঙ্গেলে ছবি তোলার পর কারিনার চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ দেখা যায়।

একটা সময় ধৈর্য হারিয়ে জুতোর দিকে ইশারা করেন তিনি। পাপারাজ্জিদের বোঝাতে চেয়েছিলেন, হিল পরেছেন। তাই এত হাঁটাহাঁটি করা সম্ভব হচ্ছে না। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে শোনা যাচ্ছে বেবো বলছেন, ‘হিলস পরেছি।’ এরপরও কয়েকজন ছবিশিকারি কারিনার আরও কিছু ছবি তোলার চেষ্টা চালিয়ে যান।

‘পুষ্পা ২’-এ নারীর বেশ, কেন এমন ঝুঁকি নিয়েছিলেন আল্লু অর্জুন‘পুষ্পা ২’-এ নারীর বেশ, কেন এমন ঝুঁকি নিয়েছিলেন আল্লু অর্জুন
বারবার জায়গা বদলানোর পরামর্শ দিতে থাকলে মেজাজ হারান কারিনা। সুর চড়িয়ে বলে ওঠেন, ‘কখনও এদিকে কখনও ওদিকে, হিলস পরেছি।’ ভিডিওটি সামনে আসতেই সোশাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই কারিনার এমনন আচরণকে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী জয়া বচ্চনের সঙ্গে তুলনা করেন। এক নেটিজেনের খোঁচা, ‘জয়া বচ্চনের বোন।’

অপর এক নেটাগরিকের রসিকতা, ‘আরেক জয়া বচ্চন আসছে।’ কেউ আবার ‘বয়সের প্রভাব’ বলেও কটাক্ষ করেছেন।