বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

শার্শায় জাল সনদে চাকরি, এক শিক্ষক কারাগারে, তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ
শার্শায় জাল সনদে চাকরি, এক শিক্ষক কারাগারে, তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

বাগআঁচড়া (শার্শা) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শায় জাল সনদে চাকরি করা মামলায় আত্মসমর্পণকারী সহকারী শিক্ষক ইদ্রিস আলীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। একই সাথে মামলার অপর দুই সহকারী শিক্ষক ও সাবেক চেয়ারম্যানসহ মোট তিনজন আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত (৯ জুলাই) বৃহস্পতিবার যশোরের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী রুহিন বালুজ।

আসামিরা হলেন, সহকারী শিক্ষক ইদ্রিস আলী, তিনি ঝিকরগাছা উপজেলার পাঁচপোতা গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে। সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, সহকারী শিক্ষিকা (কৃষি) সালেহা খাতুন, এবং কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকু।

মামলা সূত্রে জানা যায়, যশোরের শার্শা উপজেলার ৭নং কায়বা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকু চালতাবাড়িয়া আর ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি থাকাকালীন তার সহযোগিতায় সহকারী শিক্ষক পদে তিনজন চাকরি করার সুযোগ করে দেন।

তৎকালীন কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস চেয়ারম্যান থাকাকালীন স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে জাল সনদে তিনজন সহকারী শিক্ষক চাকরি করছেন বলে অভিযোগ পান। পরে উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও কায়বা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান ফিরোজ আহমেদ টিংকুসহ ১০/১৫ জন অজ্ঞতনামা ব্যক্তি রুহুল কুদ্দুসের বাড়িতে গিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি না করতে খুন জখমের হুমকি ধামকি দেন বলে বাদী মামলার অভিযোগে উল্লেখ করেন।

গত ৫ আগস্ট বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনের পর সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস বাদী হয়ে যশোর আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলা তদন্ত শেষে সিআইডি পুলিশ যশোরের এসআই বখতিয়ার রহমান ওই তিন শিক্ষকের সনদপত্র জাল ও সাবেক চেয়ারম্যানের সহযোগিতার প্রমাণ পাওয়ায় আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। প্রতিবেদনের উপর শুনানি শেষে বিচারক আসামিদের প্রতি সমন জারির আদেশ দিয়েছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার মামলার ধার্য দিনে ইদ্রিস আলী আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। বিচারক জামিন আবেদনের শুনানি শেষে নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় অন্য তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল আটক

পত্রদূত ডেস্ক: মঙ্গলবার ও বুধবার (২৫ ও ২৬ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ মাদরা ও কুশখালি বিওপির টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, শাড়ি ও বাংলাদেশী পাট আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কুশখালি বিওপির আভিযানে সদর থানার চৌরঙ্গী হতে ৪ লাখ ১১ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, মাদরা বিওপির পৃথক দুইটি আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি ও চান্দা হতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ি ও বাংলাদেশী পাট আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৫ লাখ ৩১ হাজার টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

সাতক্ষীরা সদরের কাশেমপুর রাস্তা জনগনের মরণফাঁদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সদরের কাশেমপুর রাস্তা জনগনের মরণফাঁদ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাশেমপুর সিটি কলেজ মোড় হতে সাংবাদিক সেলিম হোসেনের বাড়ির সামনে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পিচ ও ইটের খোয়া উঠে গিয়ে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। ফলে প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় ধীরে ধীরে এর অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে গর্তে পানি জমে পথচারী ও যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও ভ্যানচালকদের প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, কাশেমপুরের এই সড়কটি স্থানীয়দের পাশাপাশি শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ পথ। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

স্থানীয়রা দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ ও চলাচল উপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সংস্কার করা না হলে আগামী দিনে সড়কটির দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। দ্রুত সংস্কারের জন্য মাননীয় সংসদ সদস্য সহ সংশ্লিষ্টদের কাছে হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

শ্যামনগরে হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটির উদ্যোগে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটির উদ্যোগে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি

সংবাদদাতা: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং বৃক্ষরোপণে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটি-এর উদ্যোগে বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে চিংড়াখালী বিদ্যানিকেতন (কালমেঘা মাধ্যমিক বিদ্যালয়) প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কল্যাণপুর কালমেঘা স্কুলের প্রধান শিক্ষক বাবু জয়দেব মন্ডল এবং যাদবপুর মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ আবুজার গিফারী।

হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি এস. এম. রবিউল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান ও দপ্তর সম্পাদক মোঃ আনিসুর রহমান। এছাড়াও স্বেচ্ছাসেবী রাসেল রানা, আশিকুর রহমান, জাকারিয়া, মোঃ আশরাফ হোসেনসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচির একপর্যায়ে আমন্ত্রিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আগত প্রতিনিধিদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেন প্রধান অতিথি আলহাজ্ব মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ। এ সময় অতিথিরা পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে উপস্থিতদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা ও সচেতনতামূলক বক্তব্য দেন।

বক্তারা বলেন, উপকূলীয় জনপদে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি কমানো এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য শুধু চারা বিতরণ নয়, রোপণের পর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণেও সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

আয়োজক হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটি জানায়, পরিবেশ সুরক্ষা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে সংগঠনটি বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণের মতো পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা সংগঠনের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে তরুণদের নেতৃত্বে পরিবেশ সংরক্ষণমূলক উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হলে একটি সবুজ ও বাসযোগ্য সমাজ গঠনে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পরিবেশ বাঁচাতে বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার প্রত্যয় নিয়ে শেষ হয় হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটির এ বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি।