শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

শুভ মহালয়া আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
শুভ মহালয়া আজ

ন্যাশনাল ডেস্ক: বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের পুণ্য লগ্ন শুভ মহালয়া আজ। এদিন মহালয়া উদযাপনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার ক্ষণগণনা শুরু হবে।

মহালয়া তিথি শুধু শারদীয়া দেবীর পূজা শুরুর তিথি তা নয়, এই তিথি পরলোকগত পূর্বপুরুষের আত্মার শান্তির উদ্দেশ্যে তর্পণ (জলদান) করে শ্রদ্ধা জানানোরও।

পক্ষকাল পিতৃপক্ষের অবসানের পরে শুরু হয় দেবীপক্ষ। পিতৃপক্ষ এবং দেবীপক্ষের সন্ধির তিথি হলো মহালয়া। মহালয়া অমাবস্যা, শারদীয়া দেবী দুর্গার অমাবস্যার বিহিত পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয় শারদীয়া দুর্গাপূজা। শাস্ত্রমতে দেবী দুর্গা মহিষাসুর নিধনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন এই মহালয়া তিথিতে। এই তিথিতেই শারদীয়া দেবী দুর্গা মর্ত্যে আগমন করেন। ভোরের আলো ফুটে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে পিতৃপক্ষ শেষে শুরু হচ্ছে দেবীপক্ষ। সকালে চন্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে মর্ত্যে দেবী দুর্গাকে জানানো হবে আহ্বান।

মহালয়া উপলক্ষ্যে চন্ডীপাঠ ছাড়াও বিভিন্ন মন্দির ও ম-পে মহালয়ার ঘট স্থাপন ও বিশেষ পূজা করা হবে। মূলত মহালয়া মানেই দুর্গাপূজার দিন গণনা শুরু হয়ে যাওয়া।

মহালয়া দুর্গোৎসবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পুরাণে আছে- দুর্গোৎসবের তিনটি পর্ব মহালয়া, বোধন আর সন্ধিপূজা। মহামায়া অসীম শক্তির উৎস। পুরাণ মতে, মহালয়ার দিনে, দেবী দুর্গা মহিষাসুর বধের দায়িত্ব পান। শিবের বর অনুযায়ী কোনো মানুষ বা দেবতা কখনো মহিষাসুরকে হত্যা করতে পারবে না। ফলে অসীম ক্ষমতাশালী মহিষাসুর দেবতাদের স্বর্গ থেকে বিতাড়িত করে এবং বিশ্বব্রহ্মা-ের অধীশ্বর হতে চায়। তাই ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব ত্রয়ী সম্মিলিতভাবে ‘মহামায়া’র রূপে অমোঘ নারীশক্তি সৃষ্টি করলেন এবং দেবতাদের ১০টি অস্ত্রে সুসজ্জিত হয়ে সিংহবাহিনী নিয়ে দেবী দুর্গা ৯ দিনব্যাপী যুদ্ধে মহিষাসুরকে পরাজিত ও হত্যা করে। মহালয়ার ভোর থেকেই শুরু হয় পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে তর্পণ করা। সনাতন ধর্মে বলা হয়, পিতৃপক্ষে প্রয়াত আত্মারা স্বর্গ থেকে মর্ত্যলোকে আসেন। মৃত আত্মীয়পরিজন ও পূর্বপুরুষদের আত্মার মঙ্গল কামনা করেন অনেকে। পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে জল-তিল-অন্ন উৎসর্গ করে তর্পণ করা হয়।

আগামী ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠীপূজার মাধ্যমে দুর্গাপূজা শুরু হলেও মূলত আজ থেকেই দুর্গাপূজার আগমনধ্বনি শোনা যাবে। দুর্গাপূজার এই সূচনার দিনটি সারা দেশে বেশ আড়ম্বরপূর্ণভাবে উদযাপিত হবে। মহালয়া উপলক্ষ্যে বিভিন্ন মন্দির ও পূজা কমিটি বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে। আগামী ২১ অক্টোবর ‘বিজয়া দশমী’র মাধ্যমে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।

Ads small one

মাদকমুক্ত সমাজ ও শ্যামনগর গড়ার আহ্বান পুলিশ কর্মকর্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
মাদকমুক্ত সমাজ ও শ্যামনগর গড়ার আহ্বান পুলিশ কর্মকর্তার

শ্যামনগর প্রতিনিধি: মাদকমুক্ত সমাজ ও পরিচ্ছন্ন শ্যামনগর গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী। বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি অনঙ্গ কুমার ম-লের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রুস্তম আলী, বিএনপি নেতা মোজাম মোল্লাসহ স্থানীয় মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাফিউল ইসলাম বলেন, সমাজ থেকে মাদককে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে মাদকসেবী ও কারবারিদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। মাদক সমাজকে গ্রাস করে চলেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাদকের ভয়াবহতার কারণে সন্তান জন্মদাতা মা-বাবাকে পর্যন্ত মারধর কিংবা হত্যার মতো জঘন্য অপরাধ ঘটাচ্ছে। অতীতে মাদকাসক্তির কারণে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

শারদীয় দুর্গাপূজার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে মানুষের বিবেককে সর্বাগ্রে কাজে লাগাতে হবে। ধর্ম ভিন্ন হলেও সুষ্ঠু সমাজ গঠনে হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে এবারের শারদীয় উৎসব উদযাপিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পূজা উদ্যাপনকে কেন্দ্র করে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে বা মাদকদ্রব্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলে তাকে কঠোর আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। এ সময় তিনি দেশ ও রাষ্ট্রবিরোধী সব ধরনের অপপ্রচার থেকে দূরে থাকার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

সদরের ইন্দারায় পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা, ২ নারীসহ আহত ৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
সদরের ইন্দারায় পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা, ২ নারীসহ আহত ৩

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদরের আগরদাঁড়ি ইউনিয়নের ইন্দারা গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় দুই নারীসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। মারাত্মক জখম অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ১০ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। হামলায় আহতরা হলেন মোছা. হামিদা খাতুন (৬৫), লাভলী পারভীন (৩৮) এবং মো. আব্দুল গফুর (৪৩)।
হাসপাতালের শয্যায় চিকিৎসাধীন আব্দুল গফুর জানান, জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে স্থানীয় আবাদের হাট বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। আগে থেকে ওত পেতে থাকা তাঁর আপন সেজ ভাই পাটকেলঘাটা পূবালী ব্যাংক শাখার নিরাপত্তাকর্মী আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে ৬-৭ জনের একদল উগ্র কিশোর ও যুবক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অতর্কিত আক্রমণ চালায়। এ সময় আঘাত সামলাতে না পেরে তিনি ড্রেনের মধ্যে পড়ে যান। তাঁর আত্মচিৎকারে মা হামিদা খাতুন ও স্ত্রী লাভলী পারভীন বাঁচাতে এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদের ওপরও চড়াও হয়। লোহার রডের আঘাতে আব্দুল গফুরের মাথা ফেটে যায় এবং বাঁ হাতের দুটি আঙুল ভেঙে যায়।
এ ঘটনায় রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে তাঁরা শঙ্কামুক্ত বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জামিরুল মারামারির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে।

মৌচাক সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বিশেষ অনুষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
মৌচাক সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বিশেষ অনুষ্ঠান

সংবাদদাতা: মৌচাক সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সাহিত্যকর্মের ওপর এক বিশেষ আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

‘নজরুল বর্ষ’ উদ্যাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী তুফান কনভেনশন সেন্টার ও লেকভিউ প্রাঙ্গণে এই মহতী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিকেলে “মৌচাক সাহিত্য পরিষদ, সাতক্ষীরা”-এর ব্যানারে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ডা. আবুল কালাম বাবলা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক, কবি ও নাট্যকার আব্দুল ওহাব আজাদ।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. জাহারুল ইসলাম (টুটুল)। তিনি তাঁর বক্তব্যে জাতীয় কবির বিদ্রোহী চেতনা ও তাঁর সাহিত্যিক অবদান বর্তমান প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে কবির জীবন ও সৃষ্টির নান্দনিক দিক নিয়ে গভীর ও তাত্ত্বিক আলোচনা করেন সম্মানিত আলোচকদ্বয়Ñযশোর ও বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের সাবেক কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর মো. আবু নসর এবং সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৌচাক সাহিত্য পরিষদের উপদেষ্টা আব্দুর রব ওয়ার্ছি, মাওলানা আনোয়ারুল হাসান, মুসা করিম, সহসভাপতি শেখ মোসফিকুর রহমান মিলটন, প্রভাষক মহিনুর ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মো. মছরুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ, সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মুন্না, জেলা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি কবি শহীদুর রহমান, ড. মুফতি আখতারুজ্জামান, সংগীতশিল্পী আবু আফফান রোজ বাবু এবং কবি পল্টু বাশারসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করে দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রুফাইয়া রহমান মাইসা, শেখ মিফাতাহুল জান্নাত ও সানজিদা সুরাইয়া শেফা।