সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

শেয়াল ঢুকেছে খোঁয়াড়ে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
শেয়াল ঢুকেছে খোঁয়াড়ে

আমিন আজাদ
খোঁয়াড়ের মাঝে শেয়াল পড়েছে ঢুকে
সতর্ক হও, দাঁড়াতেই হবে রুখে।

এ শেয়াল চলে রিমোট কন্ট্রোলে
রিমোট চালায় কারা?
ভিনদেশী প্রেত যারা।
একতাবদ্ধ সম্প্রীতি নিয়ে
করে যায় পাঁয়তারা।

শেয়ালের হয়ে খাটাস ছড়ায়
মিথ্যা প- বোল,
শান্ত খোঁয়াড়ে ব্যস্ত শেয়াল
বাধাতে গন্ডগোল।

দেয়ালে এখন শেয়াল পড়েছে ঢুকে
সময় এখন ডেকে যায় সম্মুখে।

Ads small one

জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষে আহত ১

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষে আহত ১

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাড়ী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রুহুল আমিন নামের এক ব্যক্তির ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১ সেপ্টেম্বর ভোরে জমিতে পাট শুকানোকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে কয়েকজন ব্যক্তি রুহুল আমিনের ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

মাদক ও অনলাইন জুয়ার ভয়াল থাবা: প্রয়োজন সমন্বিত সামাজিক প্রতিরোধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
মাদক ও অনলাইন জুয়ার ভয়াল থাবা: প্রয়োজন সমন্বিত সামাজিক প্রতিরোধ

সম্পাদকীয়

সাতক্ষীরায় শহরাঞ্চল থেকে শুরু করে গ্রামপর্যায় পর্যন্ত তরুণ ও যুবসমাজের একটি বড় অংশ মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিপজ্জনক আসক্তিতে পথ হারাচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত বিভিন্ন খবরে উঠে এসেছে কিভাবে এই ভয়াল নেটওয়ার্ক জেলাজুড়ে বিস্তৃত হচ্ছে। প্রযুক্তির সহজলভ্যতা এবং অবৈধ মাদকের অবাধ প্রবাহের সুযোগে কেবল প্রাপ্তবয়স্করাই নন, কিশোরেরা পর্যন্ত জড়িয়ে পড়ছে অনলাইন জুয়া ও মাদকের নীল চক্রে। এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জনজীবনে; আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ।

মাদক ও অনলাইন জুয়া কেবল কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির শারীরিক বা মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে না, তা একটি পুরো পরিবারকে অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া করে সামাজিক কাঠামো ভেঙে দিচ্ছে। এসব অনৈতিক অভ্যাসের টাকা জোগাড় করতেই অপরাধের পথে নামছে আসক্ত যুবকেরা, যার ফলে সাধারণ মানুষকে নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে। জেলাজুড়ে প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া অপরাধপ্রবণতা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এখনই কঠোর ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এক চরম অন্ধকারের দিকে ধাবিত হবে।

এই সংকট নিরসনে সামাজিক ও প্রশাসনিক উভয় স্তরেই জোরালো উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। প্রথমত, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে মাদক সরবরাহকারী ও অনলাইন জুয়ার চক্রগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ও আপসহীন অভিযান পরিচালনা করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি এলাকায় শিক্ষক, পুলিশ, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ‘প্রতিরোধ কমিটি’ গড়ে তোলা যেতে পারে, যা স্থানীয় পর্যায়ে নজরদারি নিশ্চিত করবে।

তবে কেবল আইন প্রয়োগ করেই এ ধরনের সামাজিক ব্যাধি পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়। তরুণদের মেধা ও শক্তিকে সুস্থ ধারার শিক্ষা, খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকা-ে যুক্ত করতে হবে। সন্তান কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে বা ডিজিটাল মাধ্যমে কী করছেÑসে বিষয়ে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। মাদক ও অনলাইন জুয়ার হাত থেকে যুবসমাজকে বাঁচাতে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

কোর্ট ফি জালিয়াতি মামলার পুন:তদন্তভার সিআইডিতে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
কোর্ট ফি জালিয়াতি মামলার পুন:তদন্তভার সিআইডিতে

সংবাদদাতা: কোটি কোটি টাকার কোর্ট ফি জালিয়াতির মূল হোতা সাতক্ষীরার তালা সহকারী জজ আদালতের অফিস সহায়ক (পিয়ন) মো. সিরাজুল ইসলামকে এক দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা, অপরাধ ও তদন্ত শাখার উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম তাকে আদালতে হাজির করলে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হয়েও পরবর্তীতে বিচারক বিলাস ম-লের খাসকামরায় গিয়ে অস্বীকৃতি জানান। গ্রেপ্তার সিরাজুল ইসলাম সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার জয়নগর গ্রামের বাসিন্দা এবং বর্তমানে শহরের ফুড অফিস মোড় এলাকায় বসবাস করছেন।
২০২১ সালের ১ জুলাই সদর থানায় কালিগঞ্জ সহকারী জজ আদালতের সেরেস্তাদার মমতাজ বেগমের করা মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই বছরের ২৯ এপ্রিল একটি মামলায় দুটি ক্রমিকে তিন হাজার টাকা করে মোট ছয় হাজার টাকার জাল কোর্ট ফি দাখিল করা হয়। ট্রেজারি অফিসের প্রতিবেদনে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ওই ফি ট্রেজারি থেকে উত্তোলন করা হয়নি।
মামলাটির পর পুলিশ আইনজীবী সহকারী কেরামত আলীকে গ্রেপ্তার করে। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়ে জানান, স্ট্যাম্প ভেন্ডর রাজীবুল্লাহর কাছ থেকে ওই ফি কেনা হয়, যা রাজীবুল্লাহ তার দুলাভাই পিয়ন সিরাজুলের কাছ থেকে পেয়েছিলেন। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সিরাজুলকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দিলেও তদন্ত কর্মকর্তা তাকে খুঁজে পাননি বলে উল্লেখ করেন। পরবর্তীতে আদালতের আদেশে পরোয়ানা জারির পর গত ২০ মে সিরাজুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ২৭ আগস্ট আদালত মামলাটি পুনরায় ২৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত করার জন্য সিআইডি সাতক্ষীরাকে নির্দেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা তাকে এক দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে সোপর্দ করেন।
এদিকে ২০০৪ সালে নৈশপ্রহরী হিসেবে ১,৫০০ টাকা বেতনে যোগ দেওয়া সিরাজুল ইসলাম বর্তমানে অফিস সহায়ক হিসেবে ১৯,৩২০ টাকা বেতন পান। তবে গত কয়েক বছরে তিনি ৪৫ লাখ টাকায় জমি কিনে পাঁচতলা বাড়ি নির্মাণ, ২৫ কাঠা জমি ক্রয়সহ বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তাঁর এমন অস্বাভাবিক আয়ের উৎস নিয়ে শহরজুড়ে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।