শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

সংরক্ষিত নারী আসন: ৪৯টি বৈধ, একটির কী হবে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসন: ৪৯টি বৈধ, একটির কী হবে

অনলাইন ডেস্ক: আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন। এই লক্ষ্যে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই কার্যক্রম ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশনে (ইসি)। যাচাই-বাছাই শেষে ৫০টি আসনের ৪৯টি বৈধ বলে ঘোষণা করেছে ইসি। এর মধ্যে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করে কমিশন। ফলে এই আসনে কী হবে সেটিই এখন আলোচনায় এসেছে।

কোন দলের প্রার্থী কতজন

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে অংশ নিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন জোট থেকে ৩৬টি মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয় নির্বাচন কমিশনে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট থেকে ১৩টি মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়। আর স্বতন্ত্র মোর্চা থেকে একটি মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়; তার নাম সুলতানা জেসমিন।

এছাড়া আরও তিনজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন ইসিতে। তারা হলেন— শাহীনা আক্তার, মোসাম্মদ মেহরুন্নেসা ও মাহবুবা রহমান। এই তিনজন কোনও দল বা জোট থেকে নয়, আবেদন করেছিলেন স্বতন্ত্রভাবে। এর মধ্যে মাহবুবা রহমান মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

এদিকে এই নির্বাচনে অংশ নিতে নির্ধারিত সময়ের পরে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নুসরাত তাবাসসুম।

কীভাবে ফাঁকা হলো একটি আসন

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে অংশ নিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট থেকে ৩৬টি মনোনয়নপত্র দাখিল করা হলে আজ এর সবগুলোই বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান। একইসঙ্গে স্বতন্ত্র মোর্চা থেকে দাখিল করা সুলতানা জেসমিনের মনোনয়নও বৈধ করে ইসি।

অপরদিকে, সাধারণ নির্বাচনে প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত আসনের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের জন্য ১৩টি আসন বরাদ্দ করে ইসি। এর মধ্যে বুধবার ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। আর এই জোটে থাকা এনসিপির মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম স্থগিত করে। আর আজ তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করে ইসি।

মনোনয়ন বাতিলের কারণ জানিয়ে মঈন উদ্দিন খান বলেন, “বুধবার (২২ এপ্রিল) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় আমরা উল্লেখ করেছিলাম যে মনিরা শারমিনের কিছু ডকুমেন্টে ঘাটতি ছিল। সেগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমাদের কাছে জমা দেন। আমরা সংরক্ষিত মহিলা আসন সংক্রান্ত আইন এবং আরপিওর প্রাসঙ্গিক ধারাগুলো পর্যালোচনা করেছি। এতে দেখা যায়, তিনি একটি স্ট্যাটিউটরি পাবলিক অথরিটি অর্থাৎ, কৃষি ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন। এ ক্ষেত্রে আরপিও ১৯৭২-এর ১২ (চ) ধারা অনুযায়ী, কোনও পাবলিক স্ট্যাটিউটরি অথরিটিতে কর্মরত ব্যক্তি চাকরি থেকে অব্যাহতি নেওয়া বা অবসর গ্রহণের পর কমপক্ষে তিন বছর অতিক্রান্ত হতে হয়। কিন্তু, তার ক্ষেত্রে এই তিন বছর অতিক্রান্ত হয়নি। বিধায় এই মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।”

যদিও মনোনয়ন বাতিলের পর মনিরা শারমিন বৃহস্পতিবার বলেছেন, “আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবো।”

জানা যায়, জামায়াত জোটের শরিক এনসিপির নেত্রী মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। গত বছরের ডিসেম্বরে তিনি চাকরি ছাড়েন। অর্থাৎ, চাকরি ছাড়ার চার মাস পেরিয়েছে তার।

এমন পরিস্থিতিতে আইন বলছে, কোনও দল বা জোটের জন্য বণ্টন করা আসন সংখ্যার চেয়ে মনোনয়নপত্র কম হলে সংশ্লিষ্ট আসনটি সংসদের প্রতিনিধিত্বকারীদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়।

আসন উন্মুক্ত হলে কী হবে

কোনও আসন মুক্ত হলে কী হবে এই প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশন বলছে, মনোনয়ন বাতিল হওয়া আসনটি উন্মুক্ত থাকবে। পরবর্তীতে ওই আসনের জন্য নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল ও জোট আইন অনুযায়ী অংশ নিতে পারবে।

এই বিষয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির উপ-সচিব মো. মনির হোসেন বলেন, “যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনও আসন শূন্য থাকে তাহলে পরবর্তীতে তা উন্মুক্ত হয়ে যাবে। জাতীয় সংসদ মহিলা সংরক্ষিত আসন-২০০৪ এ বলা আছে, বাতিল হওয়া আসনটি পরে উন্মুক্ত হয়ে যাবে। সেই আসনের নির্বাচনে তখন সকল জোট প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পাবে।”

যদি কারও প্রার্থিতা বাতিল হয় সেক্ষেত্রে ওই আসনে কি হবে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “যদি কারও প্রার্থিতা বাতিল হয় এবং কোনও আসন ফাঁকা হয়ে থাকে সেক্ষেত্র আসনটি সব দলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। কমিশন একটি নতুন তফসিল ঘোষণা করবে এবং দল বা জোটগুলো নতুন প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। পরে ওই আসনে আবার নির্বাচন হবে। ওখানে সব পার্লামেন্ট মেম্বাররা ভোট দেবেন। সংরক্ষিত আসনের জন্য প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন।”

উল্লেখ্য, যাচাই-বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল সকাল ১১টা থেকে শেষ না হওয়া পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। প্রতীক বরাদ্দ হবে ৩০ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে শেষ না হওয়া পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

Ads small one

ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে যা জানালো আইভ্যাক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৯:০০ অপরাহ্ণ
ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে যা জানালো আইভ্যাক

ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদন চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (আইভ্যাক)। ভিসা আবেদনের জন্য কিছু নির্দেশনা দিয়েছে তারা।

আইভ্যাক বলছে, সব আবেদনকারীকে অবহিত করা হচ্ছে যে, ঢাকার হাইকমিশন এবং চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনায় সহকারী হাই কমিশনের মাধ্যমে ভারত সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে রবিবার (২৮ জুন) থেকে ট্যুরিস্ট ভিসা পুনরায় চালু হবে।

সোমবারের (২৯ জুন) ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লটগুলি রবিবার ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলির (আইভিএসি) অফিসিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

ভিসার জন্য সাইন-আপ এবং ওয়েবফাইল আপলোডের সুযোগ দেওয়া হবে দুপুর ২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং শুধু বিকাল ৫টায় খোলা হবে। শুধু যারা তাদের ওয়েবফাইলগুলো সফলভাবে আপলোড করেছেন তাদের জন্য স্লট খোলা থাকবে।

‘সামথিং বিগ’ নিয়ে আসছেন জাজের ‘ডানাকাটা’ পরী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৮:৪৫ অপরাহ্ণ
‘সামথিং বিগ’ নিয়ে আসছেন জাজের ‘ডানাকাটা’ পরী

ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমণি আবারও নতুন প্রজেক্টের ইঙ্গিত দিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার সঙ্গে তার সম্ভাব্য নতুন কাজ ঘিরে তৈরি হয়েছে কৌতূহল। দীর্ঘ বিরতির পর এই খবর ভক্তদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে।

পরীমণি ২০১৫ সালে বড়পর্দায় অভিষেক করেন। এরপর ২০১৬ সালে জাজ মাল্টিমিডিয়ার প্রযোজনায় নির্মিত ‘রক্ত’ চলচ্চিত্রে তার উপস্থিতি তাকে আলোচনায় নিয়ে আসে। অ্যাকশন-রোম্যান্টিক ঘরানার এই ছবিতে তার গ্ল্যামার ও পর্দার উপস্থাপনা তাকে ‘ডানাকাটা পরী’ ইমেজ গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

এই ছবিরই সেই সাড়া জাগানো আইটেম গান— “স্ট্যাটাস আমার সিঙ্গেল দেখে, লাগায় হুড়োহুড়ি, হায়রে কি যে করি, আমি ডানা কাটা পরী”— দুই বাংলায় দেখিয়েছিল গ্ল্যামারের ঝলক। জাজ মাল্টিমিডিয়ার সাথে পরীমনির সে একটি চলচ্চিত্রের পর এবার ফের নতুন সম্ভাবনার ডাক এসেছে।

এরপর ধীরে ধীরে পরীমনির ক্যারিয়ারে আসে একাধিক উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র। ২০১৮ সালে গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘স্বপ্নজাল’ তার ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এরপর তিনি অভিনয় করেন ‘বিশ্বসুন্দরী’ (২০২০), ‘গুণিন’ (২০২১), ‘স্ফুলিঙ্গ’ (২০২১) এবং ‘মুখোশ’ (২০২২) চলচ্চিত্রে।

সবশেষে বড়পর্দায় তাকে দেখা যায় ‘অপারেশন সুন্দরবন’-এ, যার পর থেকে তিনি কিছুটা বিরতিতে থাকেন। ব্যক্তিগত জীবন, মাতৃত্ব এবং নানা চ্যালেঞ্জের কারণে চলচ্চিত্রে তার উপস্থিতি কমে যায়।

সম্প্রতি ‘বিশ্ব পরী দিবস’ উপলক্ষে জাজ মাল্টিমিডিয়ার প্রযোজক আব্দুল আজিজ পরীমনির বাসায় যান। সেখানে পরীমনির সন্তান রাজ্যের সঙ্গে কেক কাটার মুহূর্তও দেখা যায়। পরীমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে লেখেন— “সেলিব্রেটিং সামথিং বিগ! কামিং সুন!! জাজ মাল্টিমিডিয়া এক্স পরীমনি এগেইন”।

তবে নতুন এই প্রজেক্ট নিয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু জানাতে রাজি নন জাজের প্রযোজক আব্দুল আজিজ। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “এ বিষয়ে এখনই আমরা কিছু বলতে চাই না। অফিসিয়ালি ঘটা করে জানাবো।”

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও জাজের সঙ্গে নতুন কাজের ইঙ্গিত পাওয়ায় প্রশ্ন উঠছে— দর্শক যে ‘ডানাকাটা পরী’কে একসময় বড়পর্দায় দেখেছিল, তিনি কি আবারও স্বরূপে ফিরতে পারবেন?

পরীমণিও মুখে কুলুপ এঁটেছেন। এ বিষয়ে এখনই মুখ খুলছেন না তিনিও। তবে, ‘সামথিং বিগ’ কিছু যে আসছে, তার ইঙ্গিত তো তিনি দিয়েছেনই।

ভক্তদের প্রত্যাশা, নতুন এই প্রজেক্টের মাধ্যমে পরীমনি আবারও শক্তিশালী উপস্থিতি নিয়ে বড়পর্দায় ফিরবেন।

৩ বছর পর খুললো গাজার চোখের ক্লিনিক, তবু কাটছে না সংকট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৮:৪৪ অপরাহ্ণ
৩ বছর পর খুললো গাজার চোখের ক্লিনিক, তবু কাটছে না সংকট

প্রায় তিন বছর পর আবার চালু হয়েছে গাজার একমাত্র কৃত্রিম চোখের ক্লিনিক। ক্লিনিকটি পুনরায় চালু হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য নিবন্ধন করেছেন শত শত মানুষ। তবে প্রয়োজনীয় কৃত্রিম চোখের সরঞ্জামের সংকট দেখা দিয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদক ইব্রাহিম আল-খালিলি জানান, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় মাত্র ১৪০টি কৃত্রিম চোখ প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অথচ ক্লিনিকটি পুনরায় চালু হওয়ার প্রথম দুই সপ্তাহেই চিকিৎসার জন্য নিবন্ধন করেছেন ৮৫০ জনের বেশি রোগী।

কৃত্রিম চোখ বিশেষজ্ঞ সাবরি হাজাজ বলেন, যেসব কৃত্রিম চোখ পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোর কিছু রোগীদের প্রয়োজনীয় আকারের সঙ্গে মিলছে না। অনেক ক্ষেত্রে রঙও উপযুক্ত নয়।

ইবোলা শঙ্কায় বদলে গেল ভারতে প্রবেশের নিয়মইবোলা শঙ্কায় বদলে গেল ভারতে প্রবেশের নিয়ম
তিনি আরও জানান, কিছু রোগীর ক্ষেত্রে চোখের গহ্বরের অবস্থান সামান্য ভিন্ন হওয়ায় কৃত্রিম চোখ ঠিকভাবে বসানো সম্ভব হচ্ছে না। আবার অস্ত্রোপচারের পর জটিলতার কারণে কিছু রোগীর ক্ষেত্রে কৃত্রিম চোখ লাগানোই সম্ভব হচ্ছে না।