শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩

সংরক্ষিত নারী আসন: ৪৯টি বৈধ, একটির কী হবে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসন: ৪৯টি বৈধ, একটির কী হবে

অনলাইন ডেস্ক: আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন। এই লক্ষ্যে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই কার্যক্রম ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশনে (ইসি)। যাচাই-বাছাই শেষে ৫০টি আসনের ৪৯টি বৈধ বলে ঘোষণা করেছে ইসি। এর মধ্যে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করে কমিশন। ফলে এই আসনে কী হবে সেটিই এখন আলোচনায় এসেছে।

কোন দলের প্রার্থী কতজন

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে অংশ নিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন জোট থেকে ৩৬টি মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয় নির্বাচন কমিশনে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট থেকে ১৩টি মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়। আর স্বতন্ত্র মোর্চা থেকে একটি মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়; তার নাম সুলতানা জেসমিন।

এছাড়া আরও তিনজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন ইসিতে। তারা হলেন— শাহীনা আক্তার, মোসাম্মদ মেহরুন্নেসা ও মাহবুবা রহমান। এই তিনজন কোনও দল বা জোট থেকে নয়, আবেদন করেছিলেন স্বতন্ত্রভাবে। এর মধ্যে মাহবুবা রহমান মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

এদিকে এই নির্বাচনে অংশ নিতে নির্ধারিত সময়ের পরে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নুসরাত তাবাসসুম।

কীভাবে ফাঁকা হলো একটি আসন

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে অংশ নিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট থেকে ৩৬টি মনোনয়নপত্র দাখিল করা হলে আজ এর সবগুলোই বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান। একইসঙ্গে স্বতন্ত্র মোর্চা থেকে দাখিল করা সুলতানা জেসমিনের মনোনয়নও বৈধ করে ইসি।

অপরদিকে, সাধারণ নির্বাচনে প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত আসনের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের জন্য ১৩টি আসন বরাদ্দ করে ইসি। এর মধ্যে বুধবার ১২ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। আর এই জোটে থাকা এনসিপির মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম স্থগিত করে। আর আজ তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করে ইসি।

মনোনয়ন বাতিলের কারণ জানিয়ে মঈন উদ্দিন খান বলেন, “বুধবার (২২ এপ্রিল) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় আমরা উল্লেখ করেছিলাম যে মনিরা শারমিনের কিছু ডকুমেন্টে ঘাটতি ছিল। সেগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমাদের কাছে জমা দেন। আমরা সংরক্ষিত মহিলা আসন সংক্রান্ত আইন এবং আরপিওর প্রাসঙ্গিক ধারাগুলো পর্যালোচনা করেছি। এতে দেখা যায়, তিনি একটি স্ট্যাটিউটরি পাবলিক অথরিটি অর্থাৎ, কৃষি ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন। এ ক্ষেত্রে আরপিও ১৯৭২-এর ১২ (চ) ধারা অনুযায়ী, কোনও পাবলিক স্ট্যাটিউটরি অথরিটিতে কর্মরত ব্যক্তি চাকরি থেকে অব্যাহতি নেওয়া বা অবসর গ্রহণের পর কমপক্ষে তিন বছর অতিক্রান্ত হতে হয়। কিন্তু, তার ক্ষেত্রে এই তিন বছর অতিক্রান্ত হয়নি। বিধায় এই মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।”

যদিও মনোনয়ন বাতিলের পর মনিরা শারমিন বৃহস্পতিবার বলেছেন, “আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবো।”

জানা যায়, জামায়াত জোটের শরিক এনসিপির নেত্রী মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। গত বছরের ডিসেম্বরে তিনি চাকরি ছাড়েন। অর্থাৎ, চাকরি ছাড়ার চার মাস পেরিয়েছে তার।

এমন পরিস্থিতিতে আইন বলছে, কোনও দল বা জোটের জন্য বণ্টন করা আসন সংখ্যার চেয়ে মনোনয়নপত্র কম হলে সংশ্লিষ্ট আসনটি সংসদের প্রতিনিধিত্বকারীদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়।

আসন উন্মুক্ত হলে কী হবে

কোনও আসন মুক্ত হলে কী হবে এই প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশন বলছে, মনোনয়ন বাতিল হওয়া আসনটি উন্মুক্ত থাকবে। পরবর্তীতে ওই আসনের জন্য নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল ও জোট আইন অনুযায়ী অংশ নিতে পারবে।

এই বিষয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির উপ-সচিব মো. মনির হোসেন বলেন, “যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনও আসন শূন্য থাকে তাহলে পরবর্তীতে তা উন্মুক্ত হয়ে যাবে। জাতীয় সংসদ মহিলা সংরক্ষিত আসন-২০০৪ এ বলা আছে, বাতিল হওয়া আসনটি পরে উন্মুক্ত হয়ে যাবে। সেই আসনের নির্বাচনে তখন সকল জোট প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পাবে।”

যদি কারও প্রার্থিতা বাতিল হয় সেক্ষেত্রে ওই আসনে কি হবে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “যদি কারও প্রার্থিতা বাতিল হয় এবং কোনও আসন ফাঁকা হয়ে থাকে সেক্ষেত্র আসনটি সব দলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। কমিশন একটি নতুন তফসিল ঘোষণা করবে এবং দল বা জোটগুলো নতুন প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। পরে ওই আসনে আবার নির্বাচন হবে। ওখানে সব পার্লামেন্ট মেম্বাররা ভোট দেবেন। সংরক্ষিত আসনের জন্য প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন।”

উল্লেখ্য, যাচাই-বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল সকাল ১১টা থেকে শেষ না হওয়া পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। প্রতীক বরাদ্দ হবে ৩০ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে শেষ না হওয়া পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

Ads small one

কয়রার হোগলা বাজার জামে মসজিদের কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৫ অপরাহ্ণ
কয়রার হোগলা বাজার জামে মসজিদের কমিটি গঠন

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: কয়রা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হোগলা বাজার জামে মসজিদের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে মুসুল্লীদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ ইমদাদুল হক পাড় এবং সাধারণ সম্পাদক হলেন মোঃ জিল্লুর রহমান।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) মুসুল্লীদের প্রত্যক্ষ ভোটে সুষ্ঠু, সুন্দর, উৎসবমুখর পরিবেশে এই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যনরা হলেন, সহসভাপতি মোঃ মুজাহিদুর রহমান বাপ্পা ও সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফেজ সিদ্দিকুর রহমান, এবং কোষাধ্যক্ষ মোঃ মিনারুল ইসলাম।

বোরো ধানের বাম্পার ফলনেও দাম নিয়ে শঙ্কায় দেবহাটা উপজেলার কৃষক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫০ অপরাহ্ণ
বোরো ধানের বাম্পার ফলনেও দাম নিয়ে শঙ্কায় দেবহাটা উপজেলার কৃষক

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: দেবহাটা উপজেলায় চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, কৃষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে মাঠজুড়ে সোনালি ধানের সমারোহ দেখা গেছে। এতে একদিকে যেমন কৃষকের মনে স্বস্তি ফিরেছে, অন্যদিকে ধানের বাজারদর নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন দুশ্চিন্তা।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বছর উৎপাদন ভালো হওয়ায় বাজারে ধানের সরবরাহ অনেক বেড়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় দাম সন্তোষজনক নয়। ফলে অধিক উৎপাদন সত্ত্বেও আশানুরূপ লাভ পাচ্ছেন না কৃষকরা। সার, বীজ, সেচ ও শ্রমিক খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন ব্যয়ও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। এতে কম দামে ধান বিক্রি করলে অনেক কৃষক লোকসানের আশঙ্কা করছেন।

কাজীমহল্লা গ্রামের আব্দুল মাজেদ, শফিকুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন বাপ্পি জানান, বর্তমান বাজারদরে ধান বিক্রি করলে খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হবে। অনেকেই বাধ্য হয়ে কম দামে ধান বিক্রি করছেন, কারণ পর্যাপ্ত গুদামজাত সুবিধা না থাকায় দীর্ঘদিন ধান সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, বাজারে সরবরাহ বেশি থাকলে দাম কিছুটা কমে যাওয়াটা স্বাভাবিক। তবে কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন। সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে এই সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

এ বিষয়ে দেবহাটা উপজেলার কৃষকদের দাবি, মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমিয়ে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করতে হবে। পাশাপাশি আধুনিক গুদামজাত সুবিধা বৃদ্ধি করা হলে কৃষকরা তাৎক্ষণিকভাবে কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হবেন না।

সব মিলিয়ে, দেবহাটা উপজেলায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য আশাব্যঞ্জক হলেও, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত না হলে কৃষকের কষ্ট লাঘব হবে না। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয় কৃষকরা।

 

প্রেসক্লাব পাইকগাছা এর ত্রৈ-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৪৪ অপরাহ্ণ
প্রেসক্লাব পাইকগাছা এর ত্রৈ-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: প্রেসক্লাব পাইকগাছা এর ত্রৈ-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ এপ্রিল জুলাই শনিবার সকালে প্রেসক্লাব পাইকগাছা এর কার্যলয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান।

ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম জালাল উদ্দীন এর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ আজিজুল ইসলাম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম আজাদ, কার্য নির্বাহী সদস্য মোঃ আহমেদ আলী (বাঁচা), মোঃ ফারুক হোসেন, মোঃ নুরুল আমিন পলাশ, মোঃ আওছাফুর রহমান, মোঃ জিনারুল ইসলাম প্রমুখ।

সভায় সংগঠনের সভাপতি প্রকাশ ঘোষ বিধান প্রেসক্লাবের সকল সদস্যকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি দেশ ও জনকল্যানে কাজ করার জন্য গুরুত্ব আরোপ করেন।