রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন

পত্রদূত রিপোর্ট: সারা দেশের ন্যায় সাতক্ষীরায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন) সকালে স্বাস্থ্য বিভাগ, সাতক্ষীরার আয়োজনে শহরের লাবসা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য বিভাগের যুগ্ম সচিব মোঃ আবদুছ ছালাম।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ আব্দুস সালাম, স্বাস্থ্য বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল মনসুর, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ ইসমত জাহান সুমনা,
সদর উপজেলার স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ ফরহাদ জামিল সহ আরো অনেকে।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে নির্ধারিত বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মাধ্যমে শিশুদের রাতকানা রোগ প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষা এবং সুস্থ স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলার ৭টি উপজেলা ও ২টি পৌরসভার মোট ১,৯৩৮টি কেন্দ্রে একযোগে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

 

জেলায় মোট ২ লাখ ৫৩ হাজার ৭২৩ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৭ হাজার ৯২১ জন শিশুকে নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ লাখ ২৫,৮০২ জন শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

 

Ads small one

বৃদ্ধা মাকে পিটিয়ে দাঁত ভাঙার অভিযোগের মামলায় মাদ্রাসা শিক্ষক ছেলে গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
বৃদ্ধা মাকে পিটিয়ে দাঁত ভাঙার অভিযোগের মামলায় মাদ্রাসা শিক্ষক ছেলে গ্রেপ্তার

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে বৃদ্ধা মায়ের মুখে লাথি মেরে দাঁত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে শ্যামনগর থানা পুলিশ।

গত শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের কলবাড়ি গ্রামে এ হামলার ঘটনার পর রোববার (২৮ জুন) অভিযুক্ত বড় ছেলে মনিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

মামলার বাদী আনোয়ারা বেগম (৭২) অভিযোগ করেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তার বড় ছেলে মনিরুল ইসলাম তাকে মুখে লাথি মারেন। এতে তার সামনের একটি দাঁত ভেঙে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হন।

পরিবারের সদস্যরা আহত অবস্থায় আনোয়ারা বেগমকে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে তিনি ছেলে মনিরুল ইসলাম ও পুত্রবধূ ফেরদৌসি ইসলাম ঝর্ণার বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়ের করেন।

ভুক্তভোগীর ছোট ছেলে আফতাবুজ্জামান জানান, তার বড় ভাই মনিরুল ইসলাম বুড়িগোয়ালিনী দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার একজন সহকারী শিক্ষক। একই বাড়িতে বসবাসের কারণে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মা বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় তুচ্ছ একটি পারিবারিক বিষয়কে কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে মনিরুল ইসলাম তার মায়ের মুখে লাথি মারেন। এতে তার সামনের একটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরে তিনি আইনের আশ্রয় নেন।

এবিষয়ে বুড়িগোয়ালিনী দারুসসুন্নাত দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল্লাহ আল-মামুন কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি শুনেছি মাস্টার মনিরুল ইসলাম তার মায়ের মুখে লাথি মেরে একটি দাঁত ভেঙেছে এবং পরবর্তীতে থানায় মামলা হয়। মনিরুল ইসলামকে পুলিশ আটক করে আদালতে পাঠিয়েছেন।

শ্যামনগর থানার ওসি (তদন্ত) পিয়ার উদ্দীন জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। মামলার অভিযুক্ত মনিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

দেবহাটা বিএনপির নেতৃবৃন্দের হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
দেবহাটা বিএনপির নেতৃবৃন্দের হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সাবেক সংসদ সদস্য ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, মতবিনিময় এবং ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।

রবিবার অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে নেতৃত্ব দেন দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, বর্তমান সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক সভাপতি শেখ সিরাজুল ইসলাম এবং দেবহাটা উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা আব্দুল হাবিব মন্টু। এ সময় দেবহাটা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী রাজনৈতিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ড পরিচালনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। নেতৃবৃন্দ আগামী দিনে দলকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও জনমুখী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বক্তারা বলেন, হাবিবুল ইসলাম হাবিবের আন্তরিক নেতৃত্ব, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং জনকল্যাণে নিবেদিত মানসিকতা দীর্ঘদিন ধরে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও তিনি সাতক্ষীরা জেলার সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষা, অবকাঠামো, কর্মসংস্থান এবং জনসেবামূলক কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাবেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে নেতৃবৃন্দ হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং দেবহাটা উপজেলা বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসককে নিয়ে সংসদে কটূক্তির প্রতিবাদে তালায় মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ৪:১৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসককে নিয়ে সংসদে কটূক্তির প্রতিবাদে তালায় মানববন্ধন

‎তালা প্রতিনিধি: ‎সাতক্ষীরার নারী জেলা প্রশাসককে নিয়ে মহান জাতীয় সংসদে করা কটূক্তির প্রতিবাদে তালায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎রোববার (২৮ জুন) সকাল ১১টায় তালা প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল, তালা উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক মেহেরুন নেছা মিনি। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান সাঈদ।

‎মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন তালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃনাল কান্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ সেখ শফিকুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা দলের নেত্রী মিলি খাতুন ও নাজনীন আক্তার কেয়া, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মির্জা আতিয়ার রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম দাদুভাই, বিএনপি নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, ফারুক হোসেন এবং তালা থানা ছাত্রদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান।

‎এ সময় উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আগত মহিলা দল, বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

‎এসময় বক্তারা বলেন, জাতীয় সংসদের মতো সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠানে একজন নারী জেলা প্রশাসককে নিয়ে অশালীন, কুরুচিপূর্ণ ও অবমাননাকর মন্তব্য অত্যন্ত নিন্দনীয় ও দুঃখজনক। তারা বলেন, নারীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো নারী কর্মকর্তা বা নারীকে নিয়ে এ ধরনের অবমাননাকর মন্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তারা।