বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরার গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরার গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি

চীফ রিপোর্টার: চলতি অর্থবছরে সাতক্ষীরার গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। জেলায় চরমভাবে বালু সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও বিটুমিনের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির মধ্যেও গুণগত মান রক্ষা করে গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরে অন্তত ২৬ ভাগ বেশি কাজ সম্পন্ন করেছে দপ্তরটি।

জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দপ্তরটির কাজের সামগ্রিক গড় অগ্রগতির হার ছিল ৫৩ দশমিক ৫ শতাংশ। যা চলতি অর্থবছরে বৃদ্ধি পেয়ে ৮৯.৩৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
সূত্র মতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সাতক্ষীরা জেলায় গ্রামীণ সড়ক কার্পেটিংয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৩৭ কিলোমিটার। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১৪৮ দশমিক ৫ কিলোমিটার সড়কের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। চলমান রয়েছে ৮৮ দশমিক ৫ কিলোমিটার কাজ। যা আগামী শীত মৌসুমের মধ্যেই শেষ হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। চলমান কাজের অগ্রগতিসহ লক্ষ্যমাত্রার ৭৮ ভাগ কাজ সম্পন্ন করেছে দপ্তরটি। একই সময়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ছিল ৫২ শতাংশ।
এলজিইডি সাতক্ষীরার নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জেলায় ছয়টি বক্স কালভার্ট, ২৫০ মিটার ব্রিজ সংস্কার, ১৫টি হাট বাজারের উন্নয়ন, দুইটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণ, তিনটি স্কুলের প্রাচীর নির্মাণ, ১৩টি স্কুলের প্রধানশিক্ষকের কক্ষ নির্মাণ, আটটি স্কুল সংস্কার, তিনটি স্কুলের নতুন ভবন নির্মাণ এবং দুই হাজার ৩১১টি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। যার শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে।
এছাড়া ১০টি ব্রিজ নির্মাণের মধ্যে চারটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। চলমান ছয়টির কাজসহ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ৭৬ শতাংশ। ১৬টি ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ কাজের মধ্যে একটি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। চলমান ১৫টির কাজসহ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ৬৩ শতাংশ। ৩২টি মসজিদ ও মন্দির উন্নয়নের কাজের মধ্যে ২৮টির কাজ শেষ হয়েছে। চলমান চারটির কাজসহ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ৮৮ শতাংশ। ৪০৫ মিটার ড্রেনের মধ্যে ২৯৭ মিটার ড্রেন নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। চলমান কাজসহ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ৭৩ শতাংশ। পাঁচ দশমিক চার কিলোমিটার খালের মধ্যে চার দশমিক ২৪ কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন হয়েছে। চলমান কাজসহ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ৭৮ শতাংশ। ২৭টি পুকুরের মধ্যে ২০ খননের কাজ শেষ হয়েছে। চলমান ৭টির কাজসহ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ৭৪ শতাংশ।
খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার গোয়ালডাঙ্গা জিসি টু প্রতাপনগর জিসির ২ দশমিক ৮ কিলোমিটার, খাজরা ইউপি টু বড়দল সড়কের প্রায় ৭ কিলোমিটার, তালার দলুয়া জিসি টু বুধহাটা জিসির ৪.১ কিলোমিটার, দেবহাটার সুর্বনবাদ জিসি টু কোমরপুর জিসির ছয় কিলোমিটার, দেবহাটা ইউপি অফিস টু ভাতশালা কোমরপুর সড়কের ২ কিলোমিটার, নাংলা বাজার টু পানির কল পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার, বদরতলা টু গাজীরহাট ১.৮ কিলোমিটার, কালিগঞ্জের বাশতলা বাজার টু কাশিমাড়ি সড়কের ২ কিলোমিটার, কালিগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড টু তারালী সড়কের দেড় কিলোমিটার, কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হতে মথুরেশপুর ইউপি সড়কের ১.৩ কিলোমিটার, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কদমতলা টু কাথন্ডা জিসির ২.৫ কিলোমিটার, কলারোয়ার তুলসীডাঙ্গা হতে কুশোডাঙ্গা ইউপি অফিসের ৩.৭ কিলোমিটার, শ্যামনগরের গ্যারেজ বাজার থেকে হরিনগর বাজার পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার, বুড়িগোয়ালিনী ইউপি টু নীলডুমুর ঘাট সড়কের ৩.৩ কিলোমিটার সহ প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকার গ্রামীণ শতাধিক সড়কের কাজ দ্রুততম সময়ে শেষ হওয়ায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে লাখ লাখ মানুষ।
যেখানে পূর্বে সড়ক উন্নয়নের নামে রাস্তা খুড়ে বছরের পর বছর ফেলে রাখা হতো, সেখানে চলতি অর্থবছরে এলজিইডির কর্মতৎপরতায় কাজ সম্পন্নের হার ৮৯.৩৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই এসব গ্রামীন সড়কের কাজ শেষ হওয়ায় একদিকে যেমন জনগনের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে অপর দিকে গ্রামীন অর্থনীতিতেও বিরাট ভূমিকা রাখবে।
শ্যামনগরের কচুখালী গ্রামের গৌর মন্ডল বলেন, আমার বয়স ৭০ বছর হয়েছে। এর আগে শ্যামনগরের গ্যারেজ বাজার থেকে হরিনগর বাজার রাস্তায় তিন বার কাজ হতে দেখেছি। কিন্তু এবারই প্রথম আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার করে কাজ হতে দেখলাম। আমার বাড়ি রাস্তার পাশেই। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আমি রাস্তার কাজ দেখেছি। এতো দ্রুত কাজটি শেষ হবে আমরা ভাবতেও পারিনি। সবচেয়ে বড় কথা কাজটি দ্রুত করায় সাধারণ মানুষের কোনো ভোগান্তি হয়নি। এতে আমরা খুশি। রাস্তাটি মেরামত হওয়ার ফলে এ অঞ্চলের কয়েকটি গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ উপকৃত হয়েছে।
হরিনগর বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, পূর্বে এ রাস্তা দিয়ে মালামাল আনতে খুবই অসুবিধা হতো। তাছাড়া শ্যামনগর থেকে মুন্সিগঞ্জ হয়ে হরিনগর বাজারে আসতে কয়েক কিলোমিটার পথ ঘুরে আসতে হতো, তাতে আমাদের পরিবহন খরচও অনেক বেড়ে যেতো। কিন্তু রাস্তাটি দ্রুত মেরামত করার ফলে আমরা সহজে মালামাল পরিবহন করতে পারছি। এতে আমাদের খরচ অনেক কম হচ্ছে।
একই সাথে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও কোনো অগ্রগতি অর্জন না হওয়ায় কেবিএস (খুলনা বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা) প্রকল্পের অনেক কাজে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে দপ্তরটি।
কাজ বাস্তবায়নকারী কয়েকটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিকের সাথে কথা বলে জানা যায়, জেলায় চরমভাবে বালু সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও বিটুমিনের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির কারণে কাজ বাস্তবায়ন করতে হিমসিম খেতে হয়েছে। তারপরও কাজের গুণগত মান রক্ষা করে প্রায় শতাধীক গ্রামীণ সড়কের কাজ শেষ করা হয়েছে। এসব কাজ শেষ করার ফলে জেলার উন্নয়নসহ গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
এ বিষয়ে এলজিইডি সাতক্ষীরার নির্বাহী প্রকৌশলী এ.এস.এম তারিকুল হাসান খান বলেন, চলতি অর্থবছরে কাজ করা অনেক চ্যালেঞ্জের ছিল। জেলায় চরমভাবে বালু সংকট, জ্বালানি সংকট ও বিটুমিনের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির পরও নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কাজের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুত কাজ শেষ করে জনগণকে স্বস্তি দেওয়ার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে।
দাপ্তারিক নানা সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এলজিইডির উপজেলা অফিসগুলোতে জনবল সংকট রয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলীদের কোনো যানবাহন না থাকায় নিয়মিত তদারকির বিষয়টিও বিঘিœত হয়। কারণ অর্থের অংকে কম হলেও উপজেলাগুলোতে স্কিম সংখ্যা অনেক বেশি। তাই এলজিইডির কর্মতৎপরতা বৃদ্ধির জন্য দপ্তরগুলোতে জনবল বৃদ্ধি এবং উপজেলা প্রকৌশলীদের যানবাহন সরবরাহ করা উচিত।
মাঠ পর্যায়ে কাজ বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি সাতক্ষীরায় এসেছি মাত্র ১১ মাস। যোগদানের পর প্রতিটি কাজই সর্বোচ্চ তদারকির মাধ্যমে শেষ নামানো হয়েছে। কিন্তু মানুষ বুঝে না বুঝে অপপ্রচার চালায়। বিশেষ করে রাস্তায় কার্পেটিংয়ের পর পিচ জমাট বাধতে স্বাভাবিক হতে একটা নিদিষ্ট সময়ের প্রয়োজন হয়। কিন্তু এক শ্রেণীর মানুষ পিচ দেওয়ার এক দুই দিন পরেই তা তুলে ফেলে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলে। পরে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা মেলে না। কিন্তু এমন অপপ্রচারে অহেতুক সরকারের দুর্নাম হয়।

Ads small one

গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন ও টেকসই সমৃদ্ধির সম্ভাবনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন ও টেকসই সমৃদ্ধির সম্ভাবনা

একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হলো উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদের সড়কগুলোর আধুনিকায়ন কেবল মানুষের যাতায়াতকেই সহজ করে না, বরং গ্রামীণ অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে। সম্প্রতি উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃক গ্রামীণ সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়নে যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক খবর।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সাতক্ষীরা জেলায় বালু সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও বিটুমিনের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির মতো নানাবিধ প্রতিকূলতা সত্ত্বেও লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৮৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। যেখানে গত অর্থবছরে কাজের সামগ্রিক গড় অগ্রগতি ছিল মাত্র ৫৩ দশমিক ৫ শতাংশ, সেখানে এক বছরের ব্যবধানে এই বিপুল অগ্রগতি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মতৎপরতা ও মাঠপর্যায়ে নিবিড় তদারকিরই প্রমাণ দেয়। জেলার প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকার শতাধিক সড়ক, যেমন—আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গা-প্রতাপনগর, তালার দলুয়া-বুধহাটা, কিংবা শ্যামনগরের গ্যারেজ বাজার-হরিনগর বাজার সড়কগুলোর কাজ দ্রুততম সময়ে শেষ হওয়ায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে স্থানীয় লাখ লাখ মানুষ।
পূর্বে যেখানে সড়ক উন্নয়নের নামে রাস্তা খুঁড়ে বছরের পর বছর ফেলে রাখার সংস্কৃতি ছিল, সেখানে বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে দ্রুততম সময়ে গুণগত মান বজায় রেখে কাজ শেষ করা একটি প্রশংসনীয় দৃষ্টান্ত। এর ফলে শুধু যে জনগণের ভোগান্তি লাঘব হয়েছে তা-ই নয়, বরং কৃষিপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল পরিবহনের খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। এই উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা সুন্দরবনাঞ্চলের পর্যটন, মৎস্য শিল্প এবং গ্রামীণ ব্যবসা-বাণিজ্যকে আরও শক্তিশালী করতে দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা রাখবে।
তবে এই দৃশ্যমান সফলতার পাশাপাশি কিছু প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। এলজিইডির উপজেলা অফিসগুলোতে তীব্র জনবল সংকট এবং উপজেলা প্রকৌশলীদের সরকারি যানবাহনের অভাব নিয়মিত তদারকিকে বিঘিœত করছে। দেশের গ্রামীণ সড়কগুলোর স্থায়িত্ব ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে মাঠপর্যায়ের এই দাপ্তরিক সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। একই সঙ্গে, যেসব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও কাজে অবহেলা করেছে বা অগ্রগতি দেখাতে পারেনি, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।
আরেকটি দুঃখজনক বিষয় হলো, অনেক সময় যথাযথ কারিগরি জ্ঞান ছাড়াই সদ্য সমাপ্ত সড়কের গুণগত মান নিয়ে অহেতুক নেতিবাচক প্রচার চালানো হয়। কার্পেটিংয়ের পর পিচ জমাট বাঁধার নির্দিষ্ট সময় দেওয়ার আগেই অতি-উৎসাহী আচরণ অনেক সময় মাঠপর্যায়ের কাজের পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করে। এই ক্ষেত্রে স্থানীয় জনসাধারণের সচেতনতা ও সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব একান্ত কাম্য।
উন্নয়নের এই ধারাকে টেকসই করতে হলে শুধু রাস্তা নির্মাণ করলেই চলবে না, বরং এর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণও নিশ্চিত করতে হবে। আমরা আশা করি, সাতক্ষীরা এলজিইডি সব সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে জেলার গ্রামীণ জনপদের এই উন্নয়নের গতি ধরে রাখবে এবং একটি সমৃদ্ধ, টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতি বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

শ্যামনগরে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে অংশিজনের মতবিনিময় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে অংশিজনের মতবিনিময় সভা

সংবাদদাতা: ব্যারাক ও গুচ্ছগ্রামে বসবাসরত জনগোষ্ঠীর আয়োজনে ও সিডিও এর ব্যবস্থাপনায় শ্যামনগর উপজেলা বুড়িগোয়ালি ইউনিয়নে ব্যারাক, পানখালী গুচ্ছগ্রাম ও চুনা গুচ্ছগ্রামে বসবাসরত জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে অংশিজনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৪ জুন দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষেদ এর হল রুমে এই মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সিডিও নির্বাহী পরিচালক গাজী আল ইমরান। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুজ্জাহান কনক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি রাশেদ হোসাইন, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রোকৌশলী আব্দুস সামাদ, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লবের সভাপতি সামিউল আজম মনির প্রমুখ। এলাকার সরকার কর্তৃক প্রাপ্ত ঘর ও জমির মালিক গণ ঘর ও জমির দলিল পাইবার দাবিতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শ্যামনগরে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক কর্মশালা

সংবাদদাতা: ২৪ জুন দুপুর ১টায় শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ হলরুমে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থার সাথে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশারার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি এর উপজেলা কোয়াডিনেটর স্টিভ রায় রুপন। পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন সিসিডিবি এর ম্যানেজার রেজিটিয়েন্স বিল্ডিং সামিউল আলিম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা শামসুজ্জাহান কনক, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারিদ বিন শাফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রোকৌশলী আব্দুস সামাদ উপজেলা প্রেসব্লাবের সভাপতি সামিউল আজম মনির, রিপোটার্স ইউনিটের সভাপতি ও এনজিও সমন্বয় কারী গাজী আল ইমরান প্রমুখ।