সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশেই উন্মুক্ত হল ব্যাংদহা স্লুইস গেট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশেই উন্মুক্ত হল ব্যাংদহা স্লুইস গেট

সংবাদদাতা: বুধবার সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের ব্যাংদহা স্লুইস গেট উন্মুক্ত করা হয়েছে। পলি জমে গেটটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এলাকার পানি নিস্কাশন বাধাগ্রস্ত হয়। অবশেষে দীর্ঘদিন পর সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্তের নির্দেশে গেটটি উন্মুক্ত করা হয়। এসময় অপসারণ করা হয়েছে গেটের সামনে জমে থাকা পলিমাটি।

ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর মোঃ আবু ছালেক জানান, ব্যাংদহা স্লুইস গেটটি দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে অবরুদ্ধ ছিল। যে কারণে কৃষকরা আমন ধান থেকে বঞ্চিত হত এব্ং মৎস্য চাষিরা পড়ত বিপাকে। প্রবল বর্ষণে জনাবদ্ধতার কবলে পড়তে হত সাধারণ জনগণকে। জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে অনেকের কাঁচা ঘরবাড়ি ভেঙে পড়ত এবং বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হত।

মোঃ আবু ছালেক আরো জানান, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্তের নির্দেশেই ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সার্বিক সহযোগিতায় ব্যাংদহা স্লুইস গেটটির দুটি পাটা খুলে দেওয়া হয়েছে এবং অপসারণ করা হয়েছে পলিমাটি।

এদিকে কাজটি সম্পন্নের পর সরজমিনে পরিদর্শন করেন ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ লুৎফর রহমান, মেম্বর সাংবাদিক মোঃ আবু ছালেক, জাহিদুজ্জামান বাবু, আবু সাঈদ মোল্লা প্রমুখ।

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় মানবাধিকার পরিষদের দ্বি-মাসিক সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় মানবাধিকার পরিষদের দ্বি-মাসিক সমন্বয় সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে এমএসপি ও এমএনপি সদস্যদের দ্বি-মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘স্বদেশ’ সংস্থার বাস্তবায়নে এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্র, সুইজারল্যান্ড দূতাবাস, গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় পরিচালিত ‘নাগরিকতা: সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড (সিইএফ)’ প্রোগ্রামের অধীনে এ সভার আয়োজন করা হয়। শিবপুর মানবাধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক ফরহাদ আমিন সিয়াম ও মানবাধিকার নারী পরিষদের আহ্বায়ক খাদিজা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নারী-শিশু পাচার, বাল্যবিয়ে, জন্মনিবন্ধন ও সাইবার অপরাধসহ সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় স্থানীয় জনগণকে সচেতন করতে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

প্রাণসায়ের খাল সংলগ্ন এলাকা বর্জ্য ও মাদকমুক্ত করার উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
প্রাণসায়ের খাল সংলগ্ন এলাকা বর্জ্য ও মাদকমুক্ত করার উদ্যোগ

শেখ আব্দুল আলিম: সাতক্ষীরা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বাজার কমিটির সক্ষমতা বাড়াতে এক পরামর্শ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহরের ম্যানগ্রোভ সভাকক্ষে উন্নয়ন সংস্থা ‘রূপান্তর’-এর উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় সাতক্ষীরা পৌর এলাকা ও প্রাণসায়ের খাল পাড়ের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন বক্তারা। তাঁরা জানান, প্রাণসায়ের খালের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও যাতায়াতের জন্য যে পথটি তৈরি করা হয়েছে, তা বর্তমানে গরু-ছাগল চলাচল, ময়লা-আবর্জনা এবং মাদকসেবীদের দখলে চলে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি নিরসনে পুরো এলাকাটিকে ধূমপান ও মাদকমুক্ত ঘোষণা করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি সচেতনতা বাড়াতে লিফলেট বিতরণ ও নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার জন্য ঝুড়ি (বাস্কেট) স্থাপনের প্রস্তাব রাখা হয়।
অনুষ্ঠানে রূপান্তরের প্রতিনিধি রতœা খাতুন, অণিক দত্ত এবং কর্মসূচি সঞ্চালক নাসরিন সুলতানা মৌ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন সাতক্ষীরা বড়বাজার কমিটির সভাপতি আব্দুর রব, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রতিনিধি মো. ইদ্রিস আলি, মো. রাশেদ, আব্দুল আলিম, ফরিদ আহম্মেদ ময়না এবং প্রাণসায়ের খাল সংলগ্ন ব্যবসায়ীরা।
আলোচনা পর্ব শেষে সাতক্ষীরা শহর ও প্রাণসায়ের খাল সংলগ্ন এলাকাকে পরিচ্ছন্ন ও মাদকমুক্ত রাখতে সর্বস্তরের নাগরিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান পৌর প্রতিনিধি মোঃ ইদ্রিস আলি ও রূপান্তরের প্রতিনিধি নাসরিন সুলতানা মৌ।

সাতক্ষীরায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকট, স্তব্ধ জনজীবন ও বাণিজ্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকট, স্তব্ধ জনজীবন ও বাণিজ্য

নিজস্ব প্রতিনিধি: জ্বালানি সংকটের প্রভাবে সাতক্ষীরা জেলায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকট দেখা দিয়েছে। দিনে-রাতে মিলিয়ে অর্ধেকেরও বেশি সময় বিদ্যুৎ না থাকায় দৈনন্দিন জীবনের পাশাপাশি স্তব্ধ হয়ে পড়েছে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষিভিত্তিক শিল্প। দীর্ঘ লোডশেডিং ও ভোল্টেজ ওঠানামার কারণে বাসাবাড়ির ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছে শিক্ষার্থীরা।
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলায় সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকসংখ্যা প্রায় সাড়ে ছয় লাখ। পিক আওয়ারে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা থাকে প্রায় ১৫৮ মেগাওয়াট। তবে আবহাওয়াভেদে গড় চাহিদা প্রায় ১২০ মেগাওয়াট। জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না পাওয়ায় ১০ থেকে ২০ শতাংশ, এমনকি ক্ষেত্রভেদে আরও বেশি লোডশেডিং করতে হচ্ছে।
মাঠপর্যায়ে এলাকাভেদে দিনে মাত্র তিন থেকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ মিলছে। শ্যামনগরের কাশিমাড়ি ও আশাশুনির গদাইপুর এলাকার বাসিন্দারা জানান, দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর মাত্র এক ঘণ্টার জন্য বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। ফলে সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ধানের মিল, মুড়ির মিল ও খাবার পানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাজ স্থবির হয়ে পড়েছে। বরফ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় আশাশুনির মৎস্য খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ব্যাটারিচালিত যানবাহনের চালকেরাও জীবিকা সংকটে পড়েছেন।
সাতক্ষীরা সুন্দরবন প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ জানান, ভোল্টেজ পরিবর্তনের কারণে ফ্রিজসহ মূল্যবান সরঞ্জাম বিকল হয়ে যাচ্ছে। এতে কোল্ড স্টোরেজ ও ফ্রিজনির্ভর ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। সামনে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা থাকলেও বিদ্যুতের অভাবে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বিঘিœত হচ্ছে।
সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ভারপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার মুহাঃ আজিজু রহমান সরকার জানান, গ্যাস ও জ্বালানি সংকটের কারণে জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। স্বাভাবিক নিয়মে এক ঘণ্টার বেশি লোডশেডিং হওয়ার কথা নয়; তবে কোথাও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকলে তা কারিগরি ত্রুটি বা স্থানীয় সমস্যার কারণে হতে পারে।