বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩

সেই খালেদা রাব্বানীকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী, কথা শুনে আবেগাপ্লুত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
সেই খালেদা রাব্বানীকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী, কথা শুনে আবেগাপ্লুত

মৌলভীবাজার সফরকালে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির প্রবীণ নেত্রী খালেদা রাব্বানীর বাসভবনে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলে ‘ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ’ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ শেষে তিনি মৌলভীবাজার শহরের শাহ মোস্তফা রোডে অবস্থিত প্রবীণ এই নেত্রীর বাসভবনে যান।

সাক্ষাৎকালে খালেদা রাব্বানী প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানসহ তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের নানা স্মৃতিচারণ করেন এবং পুরোনো ছবি দেখান। এই আবেগঘন মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে সন্তানের মতো স্নেহে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দেন এবং আশ্বস্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী খালেদা রাব্বানীর সঙ্গে বেশ কিছু সময় কাটান। তিনি এই প্রবীণ নেত্রীর চিকিৎসা ও সার্বিক শারীরিক অবস্থার বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

খালেদা রাব্বানী বিএনপির রাজনীতিতে একজন অত্যন্ত ত্যাগী ও প্রবীণ ব্যক্তিত্ব। তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন।
তিনি একাধিক মেয়াদে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন (২য়, ৫ম, ৬ষ্ঠ সংসদে আসন-২৫ এবং ৮ম সংসদে আসন-১০)।

প্রধানমন্ত্রীর এই সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তার সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মাহিদুর রহমান, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, জেলা পরিষদ প্রশাসক মিজানুর রহমান মিজানসহ স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

Ads small one

রোগীবান্ধব হাসপাতাল গড়তে সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ করলেন সদর এমপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
রোগীবান্ধব হাসপাতাল গড়তে সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ করলেন সদর এমপি

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও রোগীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে প্রথম সভায় সভাপতিত্ব করেছেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বেলা ১১টায় হাসপাতালের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জনবল সংকট নিরসন, ওষুধ সরবরাহ, পরিচ্ছন্নতা এবং রোগীদের সার্বিক সেবার মান বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভার শুরুতেই হাসপাতালের বর্তমান কার্যক্রম, বিভিন্ন বিভাগে চিকিৎসাসেবার অবস্থা, রোগীর চাপ, জনবল সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরিচালনা কমিটিকে অবহিত করেন। এরপর উপস্থিত সদস্যরা হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়নে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন।

সভাপতির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, “সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল জেলার লাখো মানুষের চিকিৎসার প্রধান ভরসাস্থল। এখানে আগত প্রতিটি রোগী যেন সম্মানজনক ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পান, তা নিশ্চিত করতে হবে। চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা এবং জবাবদিহিতা আরও বাড়াতে হবে।

 

হাসপাতালের যেসব সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকার জনগণের দোরগোড়ায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “হাসপাতালের পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং রোগীদের সঙ্গে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশত করা হবে না। রোগীদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা নিতে হবে।”

সভায় হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রিপন বিশ্বাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শহিদুল ইসলাম, পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা, হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, চিকিৎসক, বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং পরিচালনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে সংসদ সদস্য ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন। তিনি চিকিৎসাধীন রোগীদের শয্যাপাশে গিয়ে তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসাসেবা নিয়ে তাদের মতামত শোনেন। এ সময় রোগীদের অভিযোগ ও পরামর্শ মনোযোগ দিয়ে শুনে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোর পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবহার, রোগীদের জন্য ওষুধের প্রাপ্যতা এবং সার্বিক সেবার পরিবেশও পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। হাসপাতালকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে পরিচালনা কমিটি নিয়মিত তদারকি ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলেও সভায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

 

কৃষ্ণনগরের ইয়ার আলী, বাহার আলী ও রেজাউলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
কৃষ্ণনগরের ইয়ার আলী, বাহার আলী ও রেজাউলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের হওয়া বিচারাধীন মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি, আসামিদের জামিন বাতিল এবং আদালতের রায়ের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন সর্বস্তরের জনগণ এর ব্যানারে একদল মানুষ।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয় । এতে কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন নারী-পুরুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের ইয়ার আলী, বাহার আলী ও রেজাউলের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, জমি দখল ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তাদের দাবি, ইয়ার আলীর বিরুদ্ধে ৩৫টি, বাহার আলীর বিরুদ্ধে ৩১টি এবং রেজাউলের বিরুদ্ধে ৪১টি মামলা রয়েছে।

বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, রাজগুল, আনিসুর ও পলাশ ওই চক্রের সহযোগী। তাদের মধ্যে রাজগুল ও পলাশ এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। এ ছাড়া বিভিন্ন গ্রামে ওই চক্রের আরও সদস্য সক্রিয় রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মামলাগুলোর বিচারকাজ চললেও এখনো নিষ্পত্তি না হওয়ায় ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

মানববন্ধন থেকে বিচারাধীন মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং আদালতের রায়ের ভিত্তিতে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

গর্ত আর কাদা-পানিতে বেহাল শহরের তুফান মোড়-পিএন স্কুল সড়ক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১:০২ পূর্বাহ্ণ
গর্ত আর কাদা-পানিতে বেহাল শহরের তুফান মোড়-পিএন স্কুল সড়ক

oplus_0

নিজস্ব প্রতিনিধি: বুধবার সকাল সাড়ে আটটা। শহরের দোকানপাট সবে খুলতে শুরু করেছে। কর্মজীবী মানুষ ছুটছেন নিজ নিজ গন্তব্যে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও রওনা হয়েছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্দেশে। এমন সময় শুরু হলো গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। কিছুক্ষণের মধ্যেই সাতক্ষীরা শহরের তুফান মোড় থেকে পিএন স্কুল মোড় পর্যন্ত সড়কে জমে গেল পানি।
ব্যস্ততম এই সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ একটি ইজিবাইকের চাকা পানিভরা গর্তে পড়ে যায়। এতে নোংরা পানি ছিটকে গিয়ে ভিজে যায় পাশ দিয়ে যাওয়া একটি ভ্যানের যাত্রীদের পোশাক। তুফান মোড় থেকে পিএন স্কুল মোড় পর্যন্ত মাত্র ১৫০ থেকে ২০০ মিটারের এই সড়কে এমন ভোগান্তি এখন নিত্যদিনের চিত্র।
শহরের অন্যতম জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে পুরোপুরি বেহাল দশা তৈরি হয়েছে। পুরো সড়ক জুড়ে তৈরি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে পানি জমে ডোবার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই কাদা-পানি মাড়িয়েই চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে রিকশা, ইজিবাইক, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন। সড়কের দুপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনের অংশও কাদায় ঢেকে গেছে।
এ রাস্তায় যাতায়াতকারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানান, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। বিশেষ করে স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দুর্ভোগ এখন চরমে পৌঁছেছে। গর্তে চাকা পড়ে প্রতিনিয়ত রিকশা বা ইজিবাইক উল্টে ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। নোংরা পানিতে জামাকাপড় নষ্ট হওয়া এখানে নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৃষ্টি হলে এই পথ দিয়ে হেঁটে যাওয়ারও কোনো উপায় থাকে না।
সড়কের পাশের ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, রাস্তার এই জরাজীর্ণ অবস্থার কারণে ক্রেতারা দোকানে আসতে চান না। কাদা আর নোংরা পানির ছিটায় দোকানের মালামাল নষ্ট হয়। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির এই অবস্থা থাকলেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।
ব্যস্ততম এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে কাদা-পানির এই নাকাল হওয়া থেকে মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট পৌর কর্তৃপক্ষের কার্যকর ও জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পৌরবাসী।