হিট স্ট্রোক প্রতিরোধে কী খাবেন
গরম যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি। অতিরিক্ত তাপমাত্রায় প্রয়োজন ছাড়া রোদে বের না হওয়াই সবচেয়ে ভালো। পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসেও কিছু পরিবর্তন আনলে শরীরকে ঠান্ডা রাখা এবং পানিশূন্যতা এড়ানো সহজ হয়। আপনি কী খাচ্ছেন, তার ওপর অনেকটাই নির্ভর করে শরীরের প্রতিক্রিয়া। তাই এসময় জলীয় উপাদানসমৃদ্ধ খাবার ও ইলেক্ট্রোলাইট পূরণকারী পানীয় বেশি গ্রহণ করা জরুরি।
জলীয় উপাদানসমৃদ্ধ ফল ও সবজি
তরমুজ (প্রায় ৯২% পানি): শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে, পাশাপাশি ভিটামিন A ও C সরবরাহ করে।
শসা (৯৫–৯৬% পানি): শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর, উচ্চ ফাইবারও রয়েছে।
লেবুজাতীয় ফল: কমলা, লেবু ইত্যাদি ভিটামিন C সরবরাহ করে এবং শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে।
শাক-সবজি: বিভিন্ন শাকে প্রচুর পানি ও প্রয়োজনীয় খনিজ থাকে।
বেরি জাতীয় ফল: স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ, যা প্রদাহ কমাতে সহায়ক।
ইলেক্ট্রোলাইট পূরণকারী খাবার ও পানীয়
ডাবের পানি: পটাশিয়াম ও প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইটের চমৎকার উৎস।
ঘোল বা দই: প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ, যা অন্ত্র ভালো রাখে এবং শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
লেবুর শরবত: পানি, লবণ ও সামান্য চিনি মিশিয়ে তৈরি শরবত ঘামের কারণে হারানো ইলেক্ট্রোলাইট পূরণ করে।
পুদিনা পাতা: শরীরে সতেজ ও শীতল অনুভূতি আনে।
যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন
ডুবো তেলে ভাজা, অতিরিক্ত মসলাদার ও তৈলাক্ত খাবার।
অতিরিক্ত ভারী বা উচ্চ-প্রোটিনযুক্ত খাবার, যা শরীরের তাপমাত্রা বাড়াতে পারে।
আরো কিছু পরামর্শ
একবারে বেশি পানি না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার পানি পান করুন।
খাদ্যতালিকায় কাঁচা ও হালকা খাবার রাখুন।
ঘোল বা লাচ্ছিতে জিরা বা হালকা মসলা ব্যবহার করলে হজম ভালো হয় এবং শরীর ঠান্ডা থাকে।












