বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

মহেশ্বরকাটি মৎস্য সেটে ব্যবসায়ীকে ‘সম্মোহিত’ করে টাকা লোপাট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ণ
মহেশ্বরকাটি মৎস্য সেটে ব্যবসায়ীকে ‘সম্মোহিত’ করে টাকা লোপাট

আশাশুনি প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বৃহত্তম মৎস্য সেট মহেশ্বরকাটিতে এক মুদি ব্যবসায়ীকে ‘সম্মোহিত’ করে ৬৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এ ঘটনায় আশাশুনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও সাবেক ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম জানান, গত বুধবার দুপুর তিনটার দিকে তিনি তাঁর মুদি দোকান বন্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় একটি ঢাকা মেট্রো-গ-৪৩-৭৬৬ নম্বরের প্রাইভেট কারে চড়ে কয়েকজন ব্যক্তি বাজারের দোকানের সামনে আসেন। গাড়ি থেকে নেমে বিদেশি চেহারার এক ব্যক্তি অর্ধেক খোলা দোকানের ভেতরে ঢুকে ইংরেজিতে মালামালের নাম জিজ্ঞাসা করেন। এরপর তিনি একটি ২০০ টাকার নোট দিয়ে ভাঙতি চান এবং ইংরেজি ১০০০ টাকার নোট দেখতে চান। ব্যবসায়ী সরল বিশ্বাসে তাঁর ক্যাশবাক্সের ৬৫ হাজার টাকার বান্ডিল থেকে একটি ১০০০ টাকার নোট বের করে দিলে ওই ব্যক্তি বিদেশি ভঙ্গিতে টাকাটি দেখতে থাকেন। ধারণা করা হচ্ছে, এ সময় কৌশলে টাকাটিতে কোনো রাসায়নিক বা বিশেষ কিছু মাখিয়ে দেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পর তারা গাড়ি নিয়ে চলে যায়। পরদিন বৃহস্পতিবার পাইকারি মালামাল কিনতে গিয়ে ব্যবসায়ী দেখতে পান তাঁর ক্যাশবাক্সের পুরো ৬৫ হাজার টাকাই গায়েব।
স্থানীয় এক যুবক কৌতুহলবশত ঘটনার সময় ওই প্রাইভেটকার ও দুই ব্যক্তির দোকানে ঢোকার ভিডিও ধারণ করেছিলেন, যা এখন পুলিশ খতিয়ে দেখছে। এর আগে ওই চক্রটি পাশের আরেকটি দোকানেও একই কায়দায় টাকা দেখার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু কর্মচারী ইংরেজি বুঝতে না পারায় তারা সফল হয়নি। আশাশুনি থানা-পুলিশ জানায়, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

Ads small one

গাবুরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত সাইদুল ইসলামের শয্যাপাশে রোদেলা ফাউন্ডেশন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
গাবুরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত সাইদুল ইসলামের শয্যাপাশে রোদেলা ফাউন্ডেশন

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারাত্মক আহত সাইদুল ইসলাম দীর্ঘ দুই মাস ২৫ দিন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। ঢাকার জাতীয় বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন থাকার পর তাঁর বাড়ি ফেরার খবরে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

রোদেলা ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে সাইদুল ইসলাম ঢাকার জাতীয় বার্ন ইউনিটে দীর্ঘ সময় চিকিৎসা গ্রহণ করেন। প্রায় তিন মাসের চিকিৎসা ও পরিচর্যা শেষে তিনি সুস্থ হয়ে নিজ বাড়িতে ফিরেছেন।

সাইদুল ইসলামের বাড়ি ফেরার খবর পেয়ে তাঁকে দেখতে যান রোদেলা ফাউন্ডেশন এর পরিচালক ও সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির কৃষক দলের নেতা সালাউদ্দিন লিটন। এ সময় তিনি সাইদুল ইসলামের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

উল্লেখ্য, গাবুরা ইউনিয়নে গত (২০ জুলাই ২০২৬) তারিখে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাইদুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পর তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ইউনিটে নেওয়া হয়। সেখানে দীর্ঘ দুই মাস ২৫ দিন চিকিৎসা শেষে তিনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন।

সাইদুল ইসলামের সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার মধ্য দিয়ে তাঁর পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তাঁর দ্রুত আরোগ্য ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার প্রত্যাশা করছেন শুভাকাঙ্খীরা।

সাতক্ষীরায় ২৪ অক্টোবর থেকে সম্পূর্ণ ফ্রিতে সাঁতার প্রশিক্ষণ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ২৪ অক্টোবর থেকে সম্পূর্ণ ফ্রিতে সাঁতার প্রশিক্ষণ শুরু

সাতক্ষীরায় আগামী ২৪ অক্টোবর থেকে মাসব্যাপী (অ-১৪) ফ্রি সাঁতার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভার বিকাশ, বালক-বালিকাদের মধ্যে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ পুকুরে জীবন রক্ষাকারী এ সাঁতার প্রশিক্ষণ শুরু হতে যাচ্ছে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবে।

 

সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিদপ্তর অনুমোদিত ২০২৬-২৭ সালের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচির আওতায় এ সাঁতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। যোগাযোগ-সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান। যোগাযোগের নম্বর-০১৭২১৩৮৯৪২৭।

 

প্রতিবছর অনেক শিশু পানিতে ডুবে মারা যাচ্ছে। খেলা করতে গিয়ে পুকুরে পড়ে বা সাঁতার না জানার কারণে এসব মৃত্যু ঘটছে। খেলা-ধূলায় শারীরিক ফিটনেস ঠিক হয় এবং শরীর সুস্থ রাখে। সাঁতার একমাত্র জীবন রক্ষাকারী খেলা। সাঁতার শিখলে জীবন রক্ষা করা যায়। এজন্য প্রত্যেককে সাঁতার শেখা জরুরী।” প্রেসবিজ্ঞপ্তি

আঠারো মাইলে ইমাদ পরিবহনের ধাক্কায় মাছ ব্যবসায়িসহ দু’জন নিহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ
আঠারো মাইলে ইমাদ পরিবহনের ধাক্কায় মাছ ব্যবসায়িসহ দু’জন নিহত

পত্রদূত ডেস্ক: ঢাকা থেকে সাতক্ষীরাগামি ইমাদ পরিবহনের ধাক্কায় মটর সাইকেল আরোহী এক মাছ ব্যবসায়িসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সাতক্ষীরা-চুকনগর সড়কের ১৮ মাইল নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘাতক পরিবহনটি আটক করছে সাতক্ষীরা পুলিশ।

নিহতরা হলেন, খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার নরনিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল বারী গাজীর ছেলে মাছ ব্যবসায়ি রাফিউর রহমান রউফ (৪৩) ও একই গ্রামের আব্দুল মালেক সরদারের ছেলে ইউনুস আলী (২৫)।

নিহত রাফিউর রহমানের ভাই আব্দুল হামিদ জানান, তার ভাইয়ের চুকনগর বাজারে মাছের সেট রয়েছে। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে তিনি ইউনুসকে নিয়ে হিরো মটর সাইকেলে সাতক্ষীরার তালায় যান। কয়েকটি পূজা ম-প ঘুরে ও ব্যক্তিগত কাজ মিটিয়ে রাত দেড়টার দিকে বাড়ি ফেরার সময় ১৮ মাইল নামক স্থানে পৌঁছালে ঢাকা থেকে সাতক্ষীরাগামি ইমাদ পরিবহন (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-৫২৫৯) তাদের মটর সাইকেলে ধাক্কা মারে। এতে মটর সাইকেল থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়ে গেলে দু’জনকেই চাপা দিয়ে চলে যায় ওই পরিবহনটি। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশের খর্ণিয়া ফাঁড়ির উপপরিদর্শক খালিদ হোসেনের মাধ্যমে ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি সাপেক্ষে বাড়িতে এনেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ইমাদ পরিবহনের যাত্রী পুরাতন সাতক্ষীরার মালেকা পারভিন জানান, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে গুলিস্তান থেকে তিনি সাতক্ষীরাগামি ইমাদ পরিবহনে ওঠেন। একই সময়ে টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসটিও ছাড়ে। ইমাদ পরিবহনটির চালক খুব খারাপভাবে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে চুকনগরে এসে টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসকে ওভারটেক করে। রাত দেড়টার দিকে ১৮ মাইলে এসে তালা থেকে চুকনগরগামি একটি মটরসাইকেলকে সজোরে ধাকা মেরে দ্রুত গতিতে চলে আসে। কাটিয়া আমতলা এলাকায় ওই পরিবহনটি আটক করে পুলিশ। এ সময় চালক ও সুপারভাইজার পালিয়ে যায়। পরে ওই মটর সাইকেলে থাকা চালক ও আরোহী মারা গেছে মর্মে তারা জানতে পারেন।

খর্ণিয়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক খালিদ হোসেন বলেন, লাশ দুটি উদ্ধার করে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে ময়না তদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি দিয়ে নিহত রাফিউর রহমান রউফের ভাই আব্দুল হামিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আব্দুল হামিদ ডুমুরিয়া থানায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি মামলা না করলে পুলিশ বাদি হয়ে মামলা করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঘাতক পরিবহনটি সাতক্ষীরা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

ডুমুরিয়া থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, নিয়ম অনুযায়ি হাইওয়ে পুলিশ মামলার বাদিকে সঙ্গে করে নিয়ে আসার কথা। তবে বুধবার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত এ নিয়ে থানায় কেউ মামলা করতে আসেনি।