শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩

মানহীন রেস্টুরেন্টের ছড়াছড়ি : আশাশুনিতে প্রতারিত হচ্ছেন ভোক্তারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
মানহীন রেস্টুরেন্টের ছড়াছড়ি : আশাশুনিতে প্রতারিত হচ্ছেন ভোক্তারা

আশাশুনি সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে বিভিন্ন হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও ফাস্টফুড দোকানের সংখ্যা। তবে প্রশাসনের নিয়মিত তদারকির অভাবে এসব প্রতিষ্ঠানের একটি অংশে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন, অতিরিক্ত দাম আদায়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না এবং মেয়াদোত্তীর্ণ বা নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ উঠছে। ফলে প্রতিদিনই প্রতারিত হচ্ছেন সাধারণ ভোক্তারা এবং স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।

 

উপজেলার বুধহাটা, আশাশুনি সদর, প্রতাপনগর, গুনাকরকাটি, কুল্যার মোড, দরগাপুর, কাদাকাটি, কালীবাড়ি, আনুলিয়া ও খাজরা বাজারের কয়েকটি রেস্টুরেন্ট ও ফাস্টফুড দোকানে গিয়ে দেখা যায়, অনেক জায়গায় খাবার প্রস্তুত ও সংরক্ষণের পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত নয়। রান্নাঘর অপরিষ্কার, পুরোনো তেল বারবার ব্যবহার করা হচ্ছে এবং ফ্রিজে দীর্ঘদিন সংরক্ষিত মাংস ও মাছ দিয়ে বিভিন্ন খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে স্থানীয় কয়েকজন ভোক্তা অভিযোগ করেন।

 

আশাশুনি সদর বাজারের এক ভোক্তা, পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক, বলেন, “মেন্যুতে যেভাবে খাবারের বর্ণনা দেওয়া থাকে, বাস্তবে খাবারে সেই উপকরণ পাওয়া যায় না। চিকেনের পরিবর্তে হাড় বেশি, সবজির পরিবর্তে অতিরিক্ত সস ব্যবহার করা হয়। দামও তুলনামূলক বেশি নেওয়া হয়।” আরেকজন কলেজ শিক্ষার্থী জানান, অনেক ফাস্টফুড দোকানে বারবার একই তেল ব্যবহার করে চিকেন ফ্রাই, বার্গার ও অন্যান্য ভাজাপোড়া তৈরি করা হয়। এতে খাবারের স্বাদ যেমন নষ্ট হয়, তেমনি স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ে।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ফ্রিজে রাখা মাংস, মাছ কিংবা বারবার ব্যবহৃত তেলে রান্না করা খাবার শরীরে নানা ধরনের রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। এসব খাবার থেকে খাদ্যে বিষক্রিয়া, গ্যাস্ট্রিক, লিভারের সমস্যা এবং দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসারের ঝুঁকিও সৃষ্টি হতে পারে।

 

স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ, উপজেলার অনেক রেস্টুরেন্ট ও খাবারের দোকানে ট্রেড লাইসেন্স, স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য পরিবেশনের সনদ, অগ্নিনিরাপত্তা ছাড়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়মিত নবায়ন করা হয় না। তবুও এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তেমন কোনো অভিযান বা নিয়মিত মনিটরিং চোখে পড়ে না। এ বিষয়ে আশাশুনি উপজেলার কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, অধিকাংশ ব্যবসায়ী স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে খাবার পরিবেশনের চেষ্টা করেন। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে পুরো খাতের সুনাম ক্ষুণœ হচ্ছে।

 

নিয়মিত প্রশাসনিক নজরদারি হলে অনিয়ম অনেকটাই কমে আসবে। সচেতন মহলের দাবি, উপজেলা প্রশাসন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, খাদ্যের মান পরীক্ষা এবং লাইসেন্স যাচাই করা প্রয়োজন। পাশাপাশি ভোক্তাদের অভিযোগ গ্রহণ ও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য ভোক্তার মৌলিক অধিকার। তাই জনস্বাস্থ্য রক্ষায় অনিয়মকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সচেতনতামূলক কার্যক্রমও জোরদার করা জরুরি।

 

Ads small one

শ্যামনগরে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সভাপতি বিষ্ণুপদ ও সম্পাদক কিরণ শংকর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সভাপতি বিষ্ণুপদ ও সম্পাদক কিরণ শংকর

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগরে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ শ্যামনগর উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল উৎসবমুখর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ত্রিবার্ষিক কাউন্সিলে সভাপতি বিষ্ণু পদ মন্ডল ও সাধারণ সম্পাদক পদে কিরণ শংকর চ্যাটার্জী নির্বাচিত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৬ জুন) বেলা ১১টায় শ্যামনগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের তৃতীয় তলার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ কাউন্সিলে উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধি এবং সংগঠনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

শ্যামনগর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক বিষ্ণুপদ মন্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু। প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ ঘোষ, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতিমন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সোমনাথ ব্যানার্জী, শ্যামনগর উপজেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বিধুশ্রুবা মন্ডল, জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ শিবপদ গাইন, কোষাধ্যক্ষ রায় দুলাল চন্দ্র, শ্যামনগর উপজেলা শাখার প্রাক্তন চেয়ারম্যান অমল কৃষ্ণ মন্ডল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক অসীম কুমার দাস।

আলোচনা সভায় বক্তারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার সংরক্ষণ এবং সামাজিক ঐক্য জোরদারে সংগঠনের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য বজায় রেখে মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

পরে কাউন্সিলের দ্বিতীয় অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে নতুন উপজেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে বিষ্ণুপদ মন্ডল সভাপতি এবং কিরণ শংকর চ্যাটার্জী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সংগঠনের প্রতি সকলের আস্থা ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, শ্যামনগরে সম্প্রীতি রক্ষা, সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করা এবং সকল ধর্মাবলম্বী মানুষের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় তারা আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক কিরণ শংকর চ্যাটার্জী।

 

শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে জামায়াতের র‌্যালি ও সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে জামায়াতের র‌্যালি ও সমাবেশ

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: “মাদক সমস্যার বৈশ্বিক চিত্র: অমীমাংসিত সমস্যা, নতুন চ্যালেঞ্জ এবং উদ্ভাবনী পদক্ষেপ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের যুব ও ক্রীড়া বিভাগের উদ্যোগে শ্যামনগর ঈদগাহ ময়দান থেকে একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শ্যামনগর জেসি কমপ্লেক্স চত্ত্বরে এসে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শ্যামনগর উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি সাইদি হাসান বুলবুল। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবদুর রহমান। বক্তব্য দেন উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা মঈনুদ্দিন মাহমুদ, অধ্যাপক ফজলুল হক, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা গোলাম মোস্তফা, সহকারী সেক্রেটারি মাস্টার রেজাউল ইসলাম, মাওলানা আমিনুর রহমান, অধ্যাপক গাজী আব্দুল হামিদ, অধ্যাপক মহসিন আলম, ইমাম হাসান, আব্দুর রশিদ, আসাদুজ্জামানসহ উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। বর্তমানে মাদকের ভয়াবহ বিস্তারের কারণে তরুণ সমাজ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মাদকাসক্তির ফলে নৈতিক অবক্ষয়, অপরাধপ্রবণতা, পারিবারিক অশান্তি ও সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই মাদক নির্মূলে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

 

ধর্মের নামে বাড়াবাড়ি সমাজের জন্য অশনিসংকেত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
ধর্মের নামে বাড়াবাড়ি সমাজের জন্য অশনিসংকেত

প্রতিকী ছবি

গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎‎ধর্ম মানুষের আত্মিক শান্তি, নৈতিকতা এবং মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়। একজন প্রকৃত ধর্মপ্রাণ মানুষ সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি, ন্যায়বিচার ও পরমতসহিষ্ণুতার বার্তা ছড়িয়ে দেন। কিন্তু বর্তমান সময়ে ‘ধর্মপ্রাণতা’ এবং ‘ধর্মান্ধতা’ এই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়কে একাকার করে দেখার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়, যা সমাজে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে।

 

ধর্মান্ধতা বলতে ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা ও উদ্দেশ্য না বুঝে অন্ধ অনুসরণ, গোঁড়ামি এবং অসহিষ্ণুতাকে বোঝায়। ধর্মান্ধ ব্যক্তি নিজের মতকেই একমাত্র সত্য মনে করেন এবং অন্যের মতামত বা বিশ্বাসকে সম্মান করতে চান না। এর ফলে সমাজে বিভেদ, বিদ্বেষ, উগ্রতা ও অশান্তির জন্ম হয়। অথচ কোনো ধর্মই এ ধরনের আচরণ সমর্থন করে না।

 

অন্যদিকে প্রকৃত ধর্মপ্রাণতা মানুষকে সত্য, ন্যায়, সংযম, মানবতা ও পরোপকারের শিক্ষা দেয়। ইসলাম নিজেকে মানবজাতির জন্য আল্লাহর মনোনীত একমাত্র ধর্ম হিসেবে ঘোষণা করেছে (সূরা আলে ইমরান: ১৯)। ইসলামের প্রকৃত অনুসারী ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সা.) এর নির্দেশনা মেনে চলেন এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ভারসাম্য ও মধ্যপন্থা অবলম্বন করেন। বর্তমান সময়ে অনেক ক্ষেত্রে দ্বীনদার মুসলিমদের ‘ধর্মান্ধ’ বলে আখ্যায়িত করা হয়।

 

অথচ ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা মানুষকে উগ্রতা নয়, বরং প্রজ্ঞা, ন্যায়পরায়ণতা ও ভারসাম্যের দিকে আহ্বান করে। মানুষের জ্ঞান সীমিত, কিন্তু আল্লাহর জ্ঞান অসীম। তাই কোনো বিষয় মানুষের বোধগম্যতার বাইরে থাকলেও আল্লাহর বিধানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা একজন মুসলিমের ঈমানের অংশ।

 

পবিত্র কুরআনে মুসলমানদের ‘সর্বোত্তম উম্মত’ (সূরা আলে ইমরান: ১১০) এবং ‘মধ্যপন্থী জাতি’ (সূরা আল-বাকারা: ১৪৩) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) ও জীবনের সকল ক্ষেত্রে মধ্যপন্থা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন। তাই বাড়াবাড়ি কিংবা শিথিলতা উভন্তয় চরমপন্থা থেকে দূরে থেকে ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপনই ইসলামের শিক্ষা।

 

সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য যুবসমাজকে সঠিক ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ, সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা এবং ইতিবাচক সামাজিক কর্মকান্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। ধর্মকে বিভেদ নয়, মানবকল্যাণ ও নৈতিক উন্নতির মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

‎আসুন, আমরা গোঁড়ামি ও অসহিষ্ণুতা পরিহার করে প্রকৃত ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হই। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও ভালোবাসার মাধ্যমে একটি শান্তিময়, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণকর সমাজ গড়ে তুলি।