সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩

ফুটবল নিয়ে বাংলা সিনেমার যত গান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ
ফুটবল নিয়ে বাংলা সিনেমার যত গান

বাঙালি আর ফুটবল—এই দুইয়ের সম্পর্ক রক্তের। মাঠের সবুজ ঘাসে চামড়ার গোলকটি যখনই গড়ায়, বাঙালির বুকে তখন ঝড় ওঠে। এই ফুটবল আবেগকে শুধু গ্যালারির গণ্ডিতেই আটকে রাখা যায়নি; তা যুগে যুগে স্থান করে নিয়েছে বাংলা চলচ্চিত্রে এবং তার কালজয়ী সংগীতে। সিনেমার সেলুলয়েডে ফুটবল মাঠের দৃশ্যকে জীবন্ত করতে, চরিত্রের আবেগ বা দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তুলতে কিংবা পুরো একটি দলকে অনুপ্রেরণা জোগাতে সৃষ্টি হয়েছে চমৎকার সব গান।

বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ফুটবল নিয়ে গান তৈরির ইতিহাস বেশ দীর্ঘ। কখনো তা সত্তর দশকের নস্টালজিয়া আর ঐতিহ্যের স্মারক, কখনো আবার একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক স্পোর্টস ড্রামার রক অ্যান্থেম। দুই বাংলার চলচ্চিত্রে ফুটবলের সেই কালজয়ী সুর ও উন্মাদনা নিয়ে নিউজপোর্টালের পাঠকদের জন্য আজকের এই বিশেষ আয়োজন। সরাসরি গানগুলো শুনতে শিরোনামগুলোর নিচে দেওয়া লিংকগুলোতে ক্লিক করুন।

সব খেলার সেরা বাঙালির তুমি ফুটবল (চলচ্চিত্র: ধন্যি মেয়ে, ১৯৭১)
বাংলা চলচ্চিত্রে ফুটবল নিয়ে তৈরি হওয়া সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং কালজয়ী গান এটি। ১৯৭১ সালের বিখ্যাত ‘ধানী মেয়ে’ চলচ্চিত্রে গানটি ব্যবহার করা হয়। সুধীন দাশগুপ্তের সুর ও কথায় এই গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী মান্না দে। সিনেমার পর্দায় জয়া ভাদুড়ী ও অনুপ কুমারের ফুটবল খেলার দৃশ্যে গানটি এক অদ্ভুত দোলা দিয়েছিল, যা আজও যেকোনো ফুটবল ম্যাচের উদ্বোধনী আবহে বাঙালির প্রথম পছন্দ।

 

খেলা ফুটবল খেলা (চলচ্চিত্র: ধন্যি মেয়ে, ১৯৭১)
ফুটবল মাঠের ভেতরের উত্তেজনা, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ, ড্রিবলিং আর গ্যালারির দর্শকদের উদ্দীপনাকে ছন্দের জাদুতে ফুটিয়ে তুলতে একই চলচ্চিত্রে (ধানী মেয়ে) মান্না দে গেয়েছিলেন আরেকটি চমৎকার গান। এই গানটি মূলত মাঠের ভেতরের গতিশীল খেলাটিকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলে।

 

জাগো বাংলাদেশ (চলচ্চিত্র: জাগো, ২০১০)

বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ফুটবলকে কেন্দ্র করে নির্মিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ স্পোর্টস ড্রামা সিনেমা ‘জাগো’। স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস থেকে অনুপ্রাণিত এই চলচ্চিত্রের নাম ভূমিকায় থাকা এই গানটি ছিল মূলত একটি খাঁটি স্টেডিয়াম অ্যান্থেম। গ্যালারির দর্শকদের চিৎকার, ড্রামের গর্জন এবং দলকে চিয়ার-আপ করার চমৎকার আবহ নিয়ে গানটি তৈরি করা হয়। অরূপ ও একঝাঁক তরুণ শিল্পীর কণ্ঠে গানটি সিনেমাটির প্রতিটি ফুটবল ম্যাচে ব্যাকগ্রাউন্ডে দারুণ উত্তেজনা তৈরি করেছিল।

 

দামাল – টাইটেল ট্র্যাক (চলচ্চিত্র: দামাল, ২০২২)
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ফুটবল নিয়ে নির্মিত সবচেয়ে আলোচিত সিনেমা রায়হান রাফি পরিচালিত ‘দামাল’। ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’-এর সত্য ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত এই ছবিতে দেশাত্মবোধ, মুক্তিযুদ্ধ এবং ফুটবলের এক অনন্য মেলবন্ধন দেখানো হয়েছে। প্রীতম হাসানের সুর ও সংগীতে মমতাজ বেগমের গাওয়া এই টাইটেল ট্র্যাকটি খেলোয়াড়দের মাঠের উন্মাদনা ও লড়াইয়ের মানসিকতাকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে যায়।

 

যুদ্ধং দেহি (চলচ্চিত্র: গোলন্দাজ, ২০২১)
ওপার বাংলার (কলকাতা) ব্লকবাস্টার স্পোর্টস ড্রামা চলচ্চিত্র ‘গোলন্দাজ’। ভারতীয় ফুটবলের জনক নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারীর জীবন এবং ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ফুটবলকে হাতিয়ার করে বাঙালির লড়াইয়ের সত্য গল্প নিয়ে এটি নির্মিত হয়, যেখানে মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন অভিনেতা দেব। বিক্রম ঘোষের সংগীতে এই সিনেমার “যুদ্ধং দেহি” ট্র্যাকটি ফুটবল ম্যাচের দৃশ্যগুলোতে দর্শকদের গায়ের লোম খাড়া করে দেওয়ার মতো উদ্দীপনা তৈরি করেছিল।

 

খেলা ফুটবল খেলা (চলচ্চিত্র: সাহেব, ১৯৮১)
নস্টালজিক বাংলা সিনেমার কথা বললে তাপস পাল অভিনীত কালজয়ী চলচ্চিত্র ‘সাহেব’-এর নাম আসবেই। একান্নবর্তী পরিবারের এক তরুণ ফুটবলারের সংগ্রাম ও আবেগ নিয়ে এটি নির্মিত হয়েছিল। বাপ্পি লাহিড়ীর দুর্দান্ত সংগীতে এই ছবির ফুটবলার হয়ে ওঠার পেছনের আবহ ও গানগুলো সরাসরি সাহেবের জীবনের উত্থান-পতনের সাথে জড়িয়ে ছিল।

ফুটবল ফুটবল (চলচ্চিত্র: অগ্নিপরীক্ষা)
পেছনে তাকালে দেখা যায়, পঞ্চাশের দশকের কালজয়ী চলচ্চিত্রেও ফুটবলের আবহ ছিল। মহানায়ক উত্তম কুমার ও সুচিত্রা সেন অভিনীত বিখ্যাত ‘অগ্নিপরীক্ষা’ চলচ্চিত্রে ফুটবল ও খেলার মাঠের উল্লেখ সংবলিত গান ব্যবহার করা হয়েছিল। অনুপম ঘটকের সুরে তৈরি এই গানটি সেই সময়ে দুই বাংলার সিনেমা হলগুলোতে দারুণ সাড়া ফেলেছিল।

রূপালি পর্দার ফ্রেমে বলের গতি যেমন দর্শকদের চোখ আটকে রাখে, তেমনি চলচ্চিত্রের এই গানগুলোও প্রজন্ম ধরে বাঁচিয়ে রাখছে বাঙালির আসল ফুটবল স্পিরিটকে। মাঠ আর সিনেমা—দুই জগতের এই মেলবন্ধন বাংলা সংস্কৃতির এক অনন্য দলিল।

Ads small one

ভারতের ‘কাঁঠাল রাজধানী’ পানরুটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
ভারতের ‘কাঁঠাল রাজধানী’ পানরুটি

মুচমুচে চিপস, সুগন্ধি তরকারি থেকে শুরু করে জিভে জল আনা মিষ্টি কিংবা স্মুদি; সবখানেই ভারতীয় রান্নাঘরে কাঁঠালের কদর বহু পুরোনো। গাছের সবচেয়ে বড় ফল হিসেবে পরিচিত এই কাঁঠাল ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে উৎপাদিত হলেও একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল তার বিশাল উৎপাদন এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কারণে এক অনন্য স্বীকৃতি পেয়েছে। স্থানটি হলো তামিলনাড়ুর কুড্ডালোর জেলার পানরুটি শহর, যাকে বলা হয় ভারতের ‘কাঁঠাল রাজধানী’।

যদিও এটি কোনও প্রাতিষ্ঠানিক খেতাব নয়, তবুও ব্যাপক চাষাবাদ ও জমজমাট বাণিজ্যের কারণে পানরুটি ভারতের কাঁঠাল রাজধানী হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত। এখানকার উষ্ণ আবহাওয়া ও উর্বর মাটি কাঁঠাল চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। পানরুটির কাঁঠালের বিশেষত্ব হলো এর প্রাকৃতিক মিষ্টি স্বাদ, শক্ত ও রসালো কোয়া, তীব্র সুগন্ধ এবং বিশাল আকৃতি। এখানকার কাঁঠাল শুধু কাঁচা বা পাকা ফল হিসেবেই বিক্রি হয় না, বরং এটি দিয়ে চিপস ও হরেক রকমের মিষ্টিও তৈরি করা হয়।

ভরা মৌসুমে পানরুটির পাইকারি বাজার, রাস্তার ধারের দোকানগুলো কাঁঠালে ভরে ওঠে এবং তা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করা হয়। কেরালা, কর্ণাটক বা আসামের মতো রাজ্যেও প্রচুর কাঁঠাল উৎপাদিত হয়, তবে পানরুটি তার সুনির্দিষ্ট চাষ পদ্ধতি এবং শক্তিশালী বাজার নেটওয়ার্কের কারণে আলাদা। এখানকার বহু কৃষক পরিবারের কাছে কাঁঠাল চাষের ঐতিহ্য প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসছে। কাঁঠালের পাশাপাশি পানরুটি কাজুবাদাম চাষের জন্যও বিখ্যাত, যা তামিলনাড়ুর অন্যতম প্রধান কৃষি কেন্দ্র হিসেবে এই অঞ্চলের পরিচয়কে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

সূত্র: এনডিটিভি

আর্জেন্টিনার জার্সি পরে রাস্তায় ১৩ ‘চারপেয়ে’ ফুটবল ভক্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
আর্জেন্টিনার জার্সি পরে রাস্তায় ১৩ ‘চারপেয়ে’ ফুটবল ভক্ত

বিশ্বকাপ ফুটবলের জ্বরে কাঁপছে পুরো আর্জেন্টিনা। শুক্রবার শেষ ৩২-এর ম্যাচে কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে জিতে শেষ ষোলতে জায়গা করে নিয়েছে লিওনেল মেসির দল। শিরোপা ধরে রাখার এই মিশনকে কেন্দ্র করে আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেসের রাস্তায় দেখা মিললো এক অদ্ভুত ফুটবল ভক্ত দলের। তবে এই ১৩ জন ভক্ত দুই পায়ে হাঁটে না, তারা চার পায়ে চলে এবং মাঝে মাঝে ঘেউ ঘেউ করে ডাক ছাড়ে!

পেশায় ডগ ওয়াকার ৩৩ বছর বয়সী নাহুয়েল মেনেঘিনি (যিনি ‘নানো’ নামে পরিচিত) আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের জার্সি, কলার ও লিশ (কুকুর বাঁধার দড়ি) পরিয়ে একদল কুকুরকে নিয়ে প্রতিদিন রাজধানীর সান ক্রিস্তোবাল এলাকার রাস্তায় বের হচ্ছেন। নানো বলেন, দেশ, বিশ্বকাপ এবং এই কুকুরগুলোর প্রতি ভালোবাসা থেকেই আমি এটি করেছি।

ডগ ওয়াকারের নিজের পরনেও ছিল ভক্তদের মতো পোশাক। সরু ফুটপাত দিয়ে একসঙ্গে এতগুলো কুকুরকে দক্ষ হাতে সামলে নিয়ে যাওয়ার সময় পথচারীরা হেসে উঠছেন এবং মুঠোফোনে ছবি তুলছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই দলটিকে ডাকা হচ্ছে ‘লা পেরোনেতা’ নামে। নামটির মাধ্যমে মূলত কোচ লিওনেল স্কালোনির অধীনে থাকা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ডাকনাম ‘লা স্ক্যালোনেতা’কে ইঙ্গিত করা হয়েছে। দলটির এই কাণ্ড দেখে ৮০ বছর বয়সী এদগার্দো পেরেস ছবি তুলতে তুলতে বলেন, শ্রমিক বা পেনশনভোগী আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জীবনে এখন কোনও কিছুই ঠিকঠাক চলছে না। আমাদের ভালো থাকার একমাত্র আনন্দ এখন এগুলোই।

গত সপ্তাহে আর্জেন্টিনা গ্রুপ পর্ব পার হওয়ার পর নানোর মাথায় এই ভাবনা আসে। তিনি নিয়মিত যে কুকুরগুলোকে নিয়ে হাঁটেন, তাদের মধ্যে ‘সিরিও’ ও ‘রবার্তা’ নামের দুটি কুকুরের মালিক মেসির ১০ নম্বর জার্সি কিনে দিয়েছিলেন। তা দেখে নানো অনুপ্রাণিত হয়ে একটি পোষা প্রাণীর দোকান থেকে বিভিন্ন আকারের আর্জেন্টিনার জার্সি কিনে বাকি কুকুরগুলোকেও পরিয়ে দেন। শুধু তা-ই নেই, আর্জেন্টিনার পতাকার সঙ্গে মিলিয়ে হালকা নীল ও সাদা রঙের লিশ এবং কলারও তৈরি করেন তিনি। লিশের মধ্যে তিনি তিনটি রিভেট বা বোতাম যুক্ত করেছেন, যা যথাক্রমে ১৯৭৮, ১৯৮৬ এবং ২০২২ সালের তিনটি বিশ্বকাপ জয়ের প্রতীক। আর কলারে ঝুলিয়ে দিয়েছেন ‘নানোর কুকুর’ লেখা ট্যাগ।

প্রতিদিন প্রায় ৬০টি ব্লক চষে বেড়ানো এই কুকুরগুলো এখন স্থানীয় সেলিব্রিটি। ৭৩ বছর বয়সী দোরা মাইসানো এদের দেখে বলেন, সবাই ১০ নম্বর জার্সি পরে আছে। একেই বলে দেশপ্রেম! দেখতে ভীষণ মিষ্টি লাগছে।

নানো জানিয়েছেন, আর্জেন্টিনা যদি বিশ্বকাপ থেকে বাদও পড়ে, তবুও এই কুকুরগুলো ‘চিরকাল’ এই জার্সি পরে থাকবে। তবে তার বিশ্বাস দল এবার চতুর্থ ট্রফি জিতবে এবং সেটি হলে তিনি কুকুরের দড়িতে আরেকটি বোতাম যুক্ত করবেন।

সূত্র: এপি

১০ মিনিটে ৬৬টি হটডগ সাবাড়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
১০ মিনিটে ৬৬টি হটডগ সাবাড়

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে নিউ ইয়র্কের কোনি আইল্যান্ডে বসেছিল ঐতিহ্যবাহী হটডগ খাওয়ার প্রতিযোগিতা। তীব্র দাবদাহ ও ভ্যাপসা গরম উপেক্ষা করে হাজারো মানুষের সামনে মাত্র ১০ মিনিটে ৬৬টি হটডগ সাবাড় করে আবারও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের মুকুট ধরে রেখেছেন বিখ্যাত প্রতিযোগী জোয়ি ‘জজ’ চেস্টনাট। নারীদের বিভাগেও নিজের শিরোপা ধরে রেখেছেন মিকি সুডো।

টেলিভিশনে সম্প্রচারিত নাথানস ফেমাস ফোর্থ অব জুলাই প্রতিযোগিতায় ২১ বার অংশ নিয়ে ৪২ বছর বয়সী চেস্টনাট এ নিয়ে ১৮ বারের মতো চ্যাম্পিয়নের প্রতীক ‘মাস্টার্ড বেল্ট’ জিতলেন। চেক প্রজাতন্ত্র, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ১৩ জন প্রতিযোগীকে হারিয়েছেন তিনি। প্রতিযোগিতা শেষে স্পোর্টস বেটিং কোম্পানি পলিমার্কেট-এর লোগোযুক্ত জমকালো নেকলেস গলায় জড়িয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে চেস্টনাট বলেন, এটি একটি স্বপ্ন, অসাধারণ অনুভূতি। পৃথিবীর আর কোথাও এর চেয়ে ভালো জায়গা নেই।

প্রতিযোগিতার আগে ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক ভিডিওতে একে তিনি ‘সবচেয়ে দেশপ্রেমমূলক খেলা’ বলে আখ্যা দেন।

প্রতিযোগিতায় চেস্টনাট দ্বিতীয় স্থান অধিকারী ৪১ বছর বয়সী প্যাট্রিক বার্টোলেত্তিকে (যিনি ৫০টি হটডগ খেয়েছেন) সহজেই পরাজিত করেন। তবে তিনি ২০২১ সালে নিজের গড়া ৭৬টি হটডগ খাওয়ার রেকর্ডটি ভাঙতে পারেননি।

অন্যদিকে, নারীদের বিভাগে ফ্লোরিডার ৪০ বছর বয়সী মিকি সুডো ৩৮টি হটডগ খেয়ে দ্বাদশবারের মতো গোলাপি রঙের মাস্টার্ড বেল্টটি নিজের করে নেন। ২০২৪ সালে তিনি রেকর্ড ৫১টি হটডগ খেয়েছিলেন। খেলা শেষে সুডো তার স্বামীর পারফরম্যান্স দেখতে দর্শকদের সঙ্গে যোগ দেন। উল্লেখ্য, তার স্বামী ২০২১ সালে মাত্র ৩ মিনিটে ৫০টি সেদ্ধ ডিম খেয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়ার পর সুডোকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

ব্রুকলিনের প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং তীব্র আর্দ্রতার কারণে হটডগের নরম ভাব পরিবর্তন হয়ে যাওয়ায় এবার প্রতিযোগিতা বেশ কঠিন ছিল বলে জানান দুই চ্যাম্পিয়নই। ১৯৭২ সাল থেকে কোনি আইল্যান্ডে থাকা মূল নাথানস ফেমাস রেস্তোরাঁর বাইরে মাথায় ফোমের হটডগ আকৃতির ক্যাপ পরে ভক্তরা ভিড় করেছিলেন। মঞ্চের সবচেয়ে কাছে থাকা অতি-উৎসাহী ভক্তরা আবার রেইনকোট পরে এসেছিলেন, যাতে কোনও প্রতিযোগী বমি করে দিলে গা বেঁচে যায়।

সূত্র: এপি