বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস: দক্ষ তারুণ্যই আগামীর টেকসই ভিত্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ণ
বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস: দক্ষ তারুণ্যই আগামীর টেকসই ভিত্তি

সাকিবুর রহমান বাবলা

প্রতি বছর ১৫ জুলাই বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০১৪ সালে দিবসটি ঘোষণা করে এবং ২০১৫ সাল থেকে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্যাপিত হয়ে আসছে। দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো তরুণদের শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, কর্মদক্ষতা, কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং পরিবর্তনশীল বিশ্বের চাহিদা অনুযায়ী তাদের প্রস্তুত করে তোলা।

বর্তমান বিশ্বে যুবসমাজ শুধু একটি দেশের জনসংখ্যার অংশ নয়; তারা অর্থনীতি, প্রযুক্তি, সামাজিক পরিবর্তন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশই তরুণ। কিন্তু দক্ষতার ঘাটতি, বেকারত্ব, প্রযুক্তিগত বৈষম্য এবং শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রের অমিল অনেক দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই বাস্তবতায় বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবসের গুরুত্ব দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

২০২৬ সালের বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবসের প্রতিপাদ্যÑ ‘সবার জন্য এক অভিন্ন ভবিষ্যতের দক্ষতা’। এই প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে জাতিসংঘ এমন একটি ভবিষ্যতের কথা বলছে, যেখানে দক্ষতা শুধু ব্যক্তিগত উন্নতির উপায় নয়; বরং একটি ন্যায়ভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই সমাজ নির্মাণের অন্যতম ভিত্তি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন, রোবটিক্স এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে কর্মক্ষেত্রের প্রকৃতি বদলে যাচ্ছে। ফলে আগামী দিনের তরুণদের শুধু কারিগরি জ্ঞান নয়, ডিজিটাল সাক্ষরতা, সবুজ দক্ষতা, উদ্ভাবনী চিন্তা, সমস্যা সমাধান, যোগাযোগ এবং নেতৃত্বের মতো বহুমাত্রিক দক্ষতায় সমৃদ্ধ হতে হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অসংখ্য তরুণ ইতোমধ্যে তাদের কর্মদক্ষতা ও উদ্ভাবনী শক্তির মাধ্যমে পরিবর্তনের নজির স্থাপন করেছেন। যেমনÑ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে আলেকজান্ডার ওয়াং ও এইডান গোমেজ, সাইবার বুলিং প্রতিরোধে তৃষা প্রভু, জলবায়ু আন্দোলনে গ্রেটা থুনবার্গ ও অটাম পেলটিয়ার, শিক্ষার অধিকারের জন্য মালালা ইউসুফজাই, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে উইলিয়াম কামকোয়াম্বা এবং উদ্যোক্তা হিসেবে রিতেশ আগরওয়াল কিংবা প্যাট্রিক ও জন কলিসনের মতো তরুণরা প্রমাণ করেছেন যে সৃজনশীলতা, জ্ঞান ও সাহস থাকলে তরুণ বয়সেই বিশ্বব্যাপী ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

ইসলামের ইতিহাসে তরুণদের নেতৃত্বের অসংখ্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রয়েছে। মাত্র ১৮ বছর বয়সে উসামা ইবনে যায়িদ (রা.)-কে একটি বৃহৎ বাহিনীর সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়েছিল। আত্তাব ইবনে আসিদ (রা.) তরুণ বয়সেই মক্কার গভর্নর হন। মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) ইয়ামেনে বিচারক ও শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আলী ইবনে আবি তালিব (রা.)-এর সাহসিকতা এবং মুসআব ইবনে উমায়ের (রা.)-এর প্রজ্ঞা ইসলামের ইতিহাসে আজও অনুকরণীয়। এছাড়া বর্তমান বিশ্বে তরুণরা প্রতিনিয়ত বিশ্বের পটপরিবর্তন করে চলেছে।

আমাদের দেশের যুব’রাও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের সক্ষমতার স্বাক্ষর রাখছেন। প্রযুক্তি, ফিনটেক, উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং ডিজিটাল সেবায় বাংলাদেশের অনেক তরুণ ইতোমধ্যে বৈশ্বিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। জনমিতিক সুবিধা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ যদি দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে সফল হয়, তবে এই যুবসমাজই দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির সবচেয়ে বড় শক্তিতে পরিণত হতে পারে।

তরুণদের উন্নয়নে জাতিসংঘও বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।  Youth2030 Strategy, UN Youth Office, ECOSOC Youth Forum, UNDP Youth Engagement Strategy, UN Youth Volunteers Programme এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণদের নীতিনির্ধারণ, জলবায়ু কার্যক্রম, মানবাধিকার, সামাজিক উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। জাতিসংঘের দৃষ্টিতে তরুণসমাজ কেবল সুবিধাভোগী নয়; বরং ভবিষ্যৎ বিশ্বের সমান অংশীদার ও নির্মাতা।

বাংলাদেশ সরকারও যুব উন্নয়নকে রাষ্ট্রের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচির অন্যতম হিসেবে বিবেচনা করছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে কারিগরি প্রশিক্ষণ, তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা, ফ্রিল্যান্সিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, কৃষিভিত্তিক দক্ষতা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, যুবঋণ, ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি এবং বিভিন্ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থান প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং সামাজিকভাবে পিছিয়ে থাকা তরুণদের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য বিশেষ সুবিধাও প্রদান করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ দক্ষ, আত্মনির্ভর ও উৎপাদনমুখী যুবশক্তি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ইসলাম ধর্মও যুবসমাজকে মানবসভ্যতার অন্যতম মূল্যবান সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করেছে। পবিত্র কোরআনে কর্মদক্ষতা, সততা এবং দায়িত্বশীলতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। হজরত মুসা (আ.)-এর প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, “নিশ্চয়ই আপনার চাকরিতে নিযুক্ত করার জন্য সেই ব্যক্তিই উত্তম, যে শক্তিশালী ও বিশ্বস্ত।” (সূরা আল-কাসাস: ২৬)। এই আয়াত দক্ষতা ও আমানতদারিতাকে নেতৃত্ব ও কর্মজীবনের মৌলিক যোগ্যতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) যুবকদের শ্রম, উদ্যোগ ও আত্মনির্ভরতার শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁর যৌবনকালের ‘হিলফুল ফুজুল’-এ অংশগ্রহণ মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য উদাহরণ।

আজকের বিশ্ব একদিকে প্রযুক্তিগত বিপ্লবের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে, অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তন, বৈষম্য, বেকারত্ব, যুদ্ধ-সংঘাত ও সামাজিক অস্থিরতার মতো জটিল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ, সৃজনশীল, নৈতিক ও মানবিক যুবসমাজের বিকল্প নেই। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পরিবার, রাষ্ট্র, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, মূল্যবোধ গঠন এবং নেতৃত্ব বিকাশে বিনিয়োগ করতে হবে।

বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস আমাদের প্রতিনিয়তই স্মরণ করিয়ে দেয় যে কোনো দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, বরং দক্ষ ও মানবিক জনগোষ্ঠী। আজকের তরুণদের হাতে শুধু নিজেদের ভবিষ্যৎ নয়, মানবসভ্যতার আগামী দিনের ভাগ্যও নির্ধারিত হবে। তাই দক্ষতা অর্জন, জ্ঞানচর্চা, প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং নৈতিক নেতৃত্বের সমন্বয়ে গড়ে উঠুক এমন এক যুবসমাজ, যারা একটি শান্তিপূর্ণ, সমতাভিত্তিক, টেকসই এবং সমৃদ্ধ পৃথিবী নির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

 

Ads small one

ইংল্যান্ডকে বিদায় করে আবারও ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৩ পূর্বাহ্ণ
ইংল্যান্ডকে বিদায় করে আবারও ফাইনালে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইউরোপের অন্যতম পরাশক্তি ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে আবারও ফাইনালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। পুরো ম্যাচজুড়েই মাঠের নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল মেসিরা। এই নিয়ে সপ্তমবারের মত ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল আলবিসেলেস্তারা।

খেলার ৮৫ মিনিটে লিওনেল মেসির প্রথম অ্যাসিস্টে বল পেয়ে দুর্দান্ত এক ফিনিশিংয়ে আর্জেন্টিনাকে ১-১ সমতায় ফেরান চেলসি তারকা এনজো ফের্নান্দেস। এরপর ম্যাচ যখন নিশ্চিতভাবে অতিরিক্ত সময়ের দিকে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই ইনজুরি টাইমের প্রথম মিনিটে লিওনেল মেসির জাদুকরী পাস (দ্বিতীয় অ্যাসিস্ট) থেকে বল পেয়ে ইংল্যান্ডের জাল কাঁপিয়ে দেন বদলি নামা স্ট্রাইকার লাউতারো মার্তিনেস। তার গোলেই ফাইনালের টিকিট কাটে আলবিসেলেস্তারা।

এর আগে ১৯৩০, ১৯৭৮, ১৯৮৬, ১৯৯০, ২০১৪ ও সর্বশেষ ২০২২ সালে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছে তারা। এর মধ্যে ১৯৭৮ সালে নেদারল্যান্ডসকে ৩-১ গোলে, ১৯৮৬ সালে পশ্চিম জার্মানিকে ৩-২ গোল এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হারিয়ে মোট ৩ বার বিশ্বকাপের শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছিল লাতিন আমেরিকার এই দেশটি।

২০২৬ বিশ্বকাপে আজকের খেলাসহ এ পর্যন্ত মোট ৮ টি ম্যাচ খেলেছে মেসিরা। এর মধ্যে সব ম্যাচেই জয় পেয়েছে স্কালোনির শিষ্যরা।

আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্কের নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ফাইনালে ৮ম বারের মত খেলবে মেসি- মার্টিনেজরা। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ইউরোপিয়ান জায়েন্ট স্পেন। এখন দেখার অপেক্ষে কে হবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন নাকি আর্জেন্টিনা।

১৬ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ৪০ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

 

২-১ গোলে এগিয়ে গেলো আর্জেন্টিনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:০০ পূর্বাহ্ণ
২-১ গোলে এগিয়ে গেলো আর্জেন্টিনা

অবশেষে দ্বিতীয়ার্ধে গোলের দেখা মিলেছে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিতে ৫৫ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। গোলটি করেন অ্যান্থনি গর্ডন। তবে ৮৫ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের গোলে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। গোলটিতে অ্যাসিস্ট করেছেন মেসি। তার পর ৯০+২ মিনিটে লাউতারো মার্টিনেজের গোলে স্কোর ২-১ করেছে আর্জেন্টিনা।

দলীয় আক্রমণের মাধ্যমে যার সূচনা করেন হ্যারি কেইন। মাঝমাঠে নেমে মরগান রজার্সকে বল বাড়ানোর চেষ্টা করলেও দুর্দান্ত অ্যাক্রোবেটিক ক্লিয়ারেন্সে তা প্রতিহত করেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। তবে বিপদ কাটাতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ফিরতি বল কুড়িয়ে নিয়ে ডেকলান রাইস সেটি বাড়ান রজার্সের কাছে। ইংলিশ উইঙ্গারের নিখুঁত ক্রসে বক্সে দারুণভাবে জায়গা করে নেন অ্যান্থনি গর্ডন। এরপর এক ছোঁয়ায় এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করে বল জড়িয়ে দেন জালে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আর্জেন্টিনা একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোল করেছে ইংল্যান্ডই।

প্রথমার্ধ গোলশূন্যতে শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোলের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। ৪৭ মিনিটে গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের লম্বা ক্লিয়ারেন্স থেকে দুর্দান্তভাবে বল নামিয়ে দেন জুলিয়ানো সিমিওনে। সেখান থেকে বল পেয়ে ডিজেড স্পেন্সকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন হুলিয়ান আলভারেজ।

তার জোরালো শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। তবে বিপদ তখনও কাটেনি। ফিরতি বল আবারও পেয়ে যান আলভারেজ। কিন্তু তার দ্বিতীয় প্রচেষ্টা ইংল্যান্ডের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা পায় থ্রি লায়ন্স।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা, চলছে অতিরিক্ত সময়ের খেলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা, চলছে অতিরিক্ত সময়ের খেলা

সমতা ফেরানোর পর এগিয়ে যেতে খুব বেশি অপেক্ষা করতে হলো না আর্জেন্টিনাকে। প্রথমে ম্যাক আলিস্টারের প্রচেষ্টা ফিরে আসে পোস্টে লেগে। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির ক্রসে দারুণ এক হেডে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন লাওতারো মার্তিনেজ।