বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

সুখের শুরু দৃষ্টিভঙ্গিতে/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ
সুখের শুরু দৃষ্টিভঙ্গিতে/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

মানুষের জীবন কখনোই সরলরেখায় চলে না। আনন্দের পাশাপাশি আসে বেদনা, সাফল্যের পাশে থাকে ব্যর্থতা, প্রাপ্তির সঙ্গে থাকে অপ্রাপ্তি। জীবনের এই বৈচিত্র্যই মানুষকে অভিজ্ঞ করে, পরিণত করে এবং বাস্তবতার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলোÑএকই পরিস্থিতিতে মানুষের প্রতিক্রিয়া এক রকম হয় না। কেউ সামান্য সমস্যায় ভেঙে পড়েন, আবার কেউ বড় সংকটের মধ্যেও আশার আলো খুঁজে পান। এই পার্থক্যের মূল জায়গাটি হলো মানুষের চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গি।

 

আমাদের জীবনে কতটা সুখ থাকবে, তা অনেকাংশেই নির্ভর করে আমরা জীবনকে কীভাবে দেখি তার ওপর। কারণ বাইরের সব পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। অর্থনৈতিক সংকট, সামাজিক বাধা, মানুষের আচরণ কিংবা অনাকাক্সিক্ষত ঘটনাÑএসব অনেক কিছুই আমাদের ইচ্ছার বাইরে ঘটে। কিন্তু এসব ঘটনার প্রতি আমাদের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে, সেটি অনেকটাই আমাদের নিজের হাতে। একই বৃষ্টিকে কেউ দুর্ভোগ মনে করেন, আবার কেউ প্রকৃতির সৌন্দর্য হিসেবে উপভোগ করেন। একই ব্যর্থতাকে কেউ অপমান মনে করেন, আবার কেউ সেটিকে শিক্ষা ও নতুন শুরুর সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করেন। অর্থাৎ বাস্তবতা এক হলেও মানুষের উপলব্ধি ভিন্ন হতে পারে। আর এই উপলব্ধির পার্থক্যই একজন মানুষকে সুখী কিংবা অসুখী করে তোলে।

 

বর্তমান সময়ে মানুষের অসুখী হওয়ার অন্যতম বড় কারণ হলোÑঅন্যের সঙ্গে নিজের জীবনকে তুলনা করা। আমরা প্রায়ই ভুলে যাই, প্রত্যেক মানুষের জীবনযাত্রার পথ আলাদা। কারও সাফল্য দ্রুত আসে, কারও আসে দীর্ঘ সংগ্রামের পর। কেউ অল্প বয়সে প্রতিষ্ঠিত হন, আবার কেউ জীবনের পরবর্তী সময়ে নিজের অবস্থান তৈরি করেন। তাই অন্যের জীবনের সঙ্গে নিজের জীবনকে তুলনা করলে হতাশা তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যুগে এই সমস্যা আরও বেড়েছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন মাধ্যমে মানুষ সাধারণত নিজের জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলোই তুলে ধরে। সেখানে হাসি আছে, সাফল্য আছে, অর্জন আছে; কিন্তু সেই হাসির আড়ালের কষ্ট, ব্যর্থতা ও সংগ্রামের গল্প খুব কমই দেখা যায়। ফলে আমরা অন্যের জীবনের একটি অংশ দেখে নিজের পুরো জীবনকে বিচার করতে শুরু করি। এই ভুল তুলনা মানুষের মনে অপ্রাপ্তির অনুভূতি বাড়ায়।

 

মনে হয়, সবাই এগিয়ে যাচ্ছে, শুধু আমিই পিছিয়ে আছি। অথচ বাস্তবতা হলোÑপ্রত্যেক মানুষই কোনো না কোনো সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছেন। যাকে আমরা সফল মনে করি, তার জীবনেও থাকতে পারে অজানা চাপ, দুশ্চিন্তা ও কঠিন লড়াই। অন্যের সাফল্যে হিংসা করা সহজ, কিন্তু সেই সাফল্যকে সম্মান করা এবং নিজের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে গ্রহণ করা একটি পরিণত মানসিকতার পরিচয়। কারণ হিংসা প্রথমে অন্যকে নয়, নিজের মনকেই অশান্ত করে। অন্যের ভালো দেখে আনন্দিত হতে পারলে নিজের মধ্যেও তৈরি হয় ইতিবাচক শক্তি। সমাজে অনেক সময় একটি ভুল ধারণা তৈরি হয়Ñঅন্যের এগিয়ে যাওয়া মানেই নিজের পিছিয়ে পড়া। এটি সত্য নয়। একজনের সাফল্য আরেক জনের ব্যর্থতার কারণ নয়।

 

পৃথিবীতে প্রত্যেক মানুষের জন্য আলাদা সুযোগ ও সম্ভাবনা রয়েছে। তাই অন্যের অর্জন থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজের পথ তৈরি করাই হওয়া উচিত লক্ষ্য। সুখের আরেকটি বড় বাধা হলো অতিরিক্ত প্রত্যাশা। আমরা অনেক সময় বাস্তবতার চেয়ে কল্পনার জগতে বেশি বসবাস করি। চাই সবকিছু আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটুক। কিন্তু জীবন সব সময় আমাদের ইচ্ছামতো চলে না। তাই বাস্তবতাকে গ্রহণ করার ক্ষমতাও জীবনের বড় শিক্ষা। এর অর্থ এই নয় যে মানুষ স্বপ্ন দেখবে না বা উন্নতির চেষ্টা করবে না। বরং স্বপ্ন, লক্ষ্য ও পরিশ্রম মানুষের এগিয়ে যাওয়ার শক্তি। তবে সেই সঙ্গে প্রয়োজন ধৈর্য ও বাস্তবতা বোঝার ক্ষমতা।

 

অযৌক্তিক প্রত্যাশা মানুষকে হতাশ করে, আর বাস্তবসম্মত লক্ষ্য মানুষকে সফলতার পথে এগিয়ে নেয়। ব্যর্থতার ক্ষেত্রেও আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা প্রয়োজন। আমাদের সমাজে ব্যর্থতাকে অনেক সময় নেতিবাচকভাবে দেখা হয়। পরীক্ষায় ভালো ফল না হলে, চাকরি না পেলে কিংবা ব্যবসায় ক্ষতি হলে অনেকে মনে করেন সব শেষ। অথচ ব্যর্থতা জীবনের স্বাভাবিক অংশ। পৃথিবীর বহু সফল মানুষ জীবনে একাধিকবার ব্যর্থ হয়েছেন। কিন্তু তাঁরা ব্যর্থতাকে নিজেদের পরিচয় বানাননি; বরং সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে গেছেন। জীবনের প্রতিটি অভিজ্ঞতা আমাদের কিছু না কিছু শেখায়।

 

কোনো ব্যর্থতা শেখায় নতুন পরিকল্পনা করতে, কোনো সংকট শেখায় নিজের শক্তি চিনতে, কোনো সম্পর্কের ভাঙন শেখায় মানুষকে বুঝতে। তাই কঠিন সময়কে শুধু দুর্ভাগ্য হিসেবে না দেখে শিক্ষার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করা প্রয়োজন। পরিবার, শিক্ষা ও সামাজিক পরিবেশ একজন মানুষের চিন্তাভাবনা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিশুকে ছোটবেলা থেকেই অন্যের সঙ্গে তুলনা না করে নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী এগিয়ে যেতে উৎসাহ দেওয়া উচিত। কারণ আত্মবিশ্বাসী মানুষই জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও শুধু ফলাফল নয়, শিক্ষার্থীর মানসিক বিকাশ, সৃজনশীলতা, সহমর্মিতা ও মূল্যবোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

 

একজন শিক্ষার্থীর সফলতা শুধু নম্বরে সীমাবদ্ধ নয়; তার চরিত্র, চিন্তা ও মানবিক গুণাবলিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। একটি সুন্দর সমাজ গড়ে ওঠে তখনই, যখন মানুষ শুধু নিজের সাফল্য নিয়ে ব্যস্ত থাকে না; অন্যের সুখ-দুঃখকেও গুরুত্ব দেয়। অন্যের সাফল্যে অভিনন্দন জানানো, বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং ব্যর্থ মানুষকে উৎসাহ দেওয়াÑএসব ছোট ছোট মানবিক আচরণ সমাজকে আরও সুন্দর করে। মানসিক শান্তি কোনো বাহ্যিক সম্পদের বিষয় নয়। অনেক অর্থবান মানুষও অশান্তিতে থাকেন, আবার সীমিত সামর্থ্যের মানুষও সুখী জীবন যাপন করেন। কারণ সুখের সঙ্গে মানুষের চিন্তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। যে ব্যক্তি নিজের প্রাপ্তির মূল্য বুঝতে পারেন, তিনি সীমিত সুযোগের মধ্যেও আনন্দ খুঁজে নিতে পারেন। সবশেষে বলা যায়, জীবনের সব সমস্যা দূর করা সম্ভব নয়। প্রতিকূলতা থাকবে, ব্যর্থতা আসবে, অপ্রাপ্তিও থাকবে। কিন্তু এসবের মধ্যেও ভালো থাকার ক্ষমতাই হলো জীবনের বড় প্রজ্ঞা।

 

অন্যের সাফল্যে হিংসা নয়, অনুপ্রেরণা; ব্যর্থতায় হতাশা নয়, শিক্ষা; অপ্রাপ্তিতে আফসোস নয়, প্রাপ্তির প্রতি কৃতজ্ঞতাÑএই মানসিকতাই মানুষকে সত্যিকারের সুখী করে। জীবনের সবচেয়ে বড় সত্য হলো, সুখ কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় পাওয়া যায় না। সুখের শুরু আমাদের নিজের ভেতর থেকে, আমাদের চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গি থেকে।ঘটনা নয়, ঘটনার ব্যাখ্যাই অনেক সময় আমাদের সুখ বা দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই পৃথিবীকে বদলানোর আগে বদলাতে হবে নিজের দেখার চোখ। কারণ সুখের শুরু বাইরের কোনো অর্জনে নয়, সুখের শুরু আমাদের নিজের দৃষ্টিভঙ্গিতে।

লেখক: সংবাদকর্মী

 

Ads small one

মহিলা পরিষদের আয়োজনে কর্মী সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ণ
মহিলা পরিষদের আয়োজনে কর্মী সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘বাংলাদেশ মহিলা পরিষদকে সংহত করি, নারী আন্দোলন অগ্রসর করি’ স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাংগঠনিক মাস উদযাপন উপলক্ষে গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা চারটায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখা এ কর্মসূচির আয়োজন করে। ১ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ সাংগঠনিক মাস পালিত হচ্ছে।

মহিলা পরিষদের জেলা শাখা কার্যালয়ে আয়োজিত এ কর্মী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জ্যোৎস্না দত্ত। সমাবেশে সংগঠনটির জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক রূপা মিত্র, পরিবেশ সম্পাদক ফরিদা খাতুন, প্রোগ্রাম এক্সিকিউটিভ মো. মফিজুল ইসলামসহ জেলা ও পাড়া কমিটির নেত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে নারীর অধিকার আদায়ে কাজ করে যাচ্ছে। মানবাাধিকার তথা নারীমুক্তির এই নিরবচ্ছিন্ন আন্দোলনের ঐতিহ্য সংগঠনটি বহনে অঙ্গীকারবদ্ধ। আবহমান বাংলার অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতি ও গণসংগ্রামের ধারাবাহিকতায় এর জন্ম।

বক্তারা আরও বলেন, নারী জাগরণের অগ্রদূত রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন, বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার থেকে শুরু করে নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ কবি সুফিয়া কামালসহ সংগ্রামী নারীদের অবদান সংগঠনের মূল প্রেরণা। তাঁদের দেখানো পথেই নারীর মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

 

দেবহাটার দুই বিদ্যালয়কে ‘সবুজ ও সহনশীল গ্রিন স্কুল’ ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৮ অপরাহ্ণ
দেবহাটার দুই বিদ্যালয়কে ‘সবুজ ও সহনশীল গ্রিন স্কুল’ ঘোষণা

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: পরিবেশবান্ধব ও সবুজ বিদ্যালয় গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাতক্ষীরার দেবহাটায় দুটি বিদ্যালয়কে ‘সবুজ ও সহনশীল গ্রিন স্কুল’ ঘোষণা করা হয়েছে। গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের বসন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের আমবাগান চত্বরে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সুশীলনের আয়োজনে এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের অর্থায়নে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বসন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ভাতশালা সম্মিলনী উচ্চবিদ্যালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘গ্রিন স্কুল’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর কে বাপ্পা, ওয়ার্ল্ড ভিশনের স্পনসরশিপ ও চাইল্ড প্রোটেকশন অফিসার পল্টন বিশ্বাস, টাউনশ্রীপুর শরচ্চন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আফছার আলী এবং দেবহাটা সরকারি বিবিএমপি ইনস্টিটিউশন হাইস্কুলের সাবেক শিক্ষক গৌর চন্দ্র ঘোষ।

সুশীলনের কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য কামাল হোসেন, সিভিএ সভাপতি ফিরোজ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের বিকল্প নেই। বিদ্যালয় থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

এর আগে বসন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি সবজি বাগানের উদ্বোধন করা হয়। পরে দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল দুটি বিদ্যালয়কে গ্রিন স্কুল ঘোষণা করেন।

এ সময় প্রতিটি শিক্ষার্থীকে নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ সুন্দর রাখতে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি সরকারের আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অনুরোধ জানান বক্তারা।

শ্যামনগরে দুর্যোগ বিষয়ক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে দুর্যোগ বিষয়ক কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের অর্থায়নে এবং দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের বাস্তবায়নে গ্রিন ভয়েসেসের উদ্যোগে ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের জন্য ‘পকেট বুক’ প্রস্তুতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

গত বুধবার বেলা ১১টায় শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শ্যামনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন।

 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিয়ারাজ খান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রতিনিধি আনিসুর রহমান সুমন, উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি গাজী আল ইমরান এবং ৮ নম্বর ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধি ও সুধীজন। বক্তারা দুর্যোগকালীন করণীয় বিষয়ে নানা পরামর্শমূলক দিক তুলে ধরেন।