শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

নিউ ইয়র্ক টাইমসে বাংলাদেশের আর্জেন্টিনা উন্মাদনার গল্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ণ
নিউ ইয়র্ক টাইমসে বাংলাদেশের আর্জেন্টিনা উন্মাদনার গল্প

চার বছর পরপর ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই ক্রিকেটপ্রেমী বাংলাদেশ যেন বদলে যায় আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দেশে। রাজধানী ঢাকার দোকান, বাসাবাড়ি ও ভবনের ছাদে উড়তে থাকে নীল-সাদা আর্জেন্টিনার পতাকা। বিভিন্ন এলাকায় বসানো হয় বড় পর্দা, আর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আয়োজিত ওয়াচ পার্টিতে জড়ো হন হাজারো দর্শক। বিশ্বকাপ এলেই বিশ্বের বিভিন্ন শীর্ষ গণমাধ্যম ও মিডিয়া বাংলাদেশে ছুটে আসে ফুটবল উন্মাদনা নিয়ে। এবার সেই সাড়িতে যুক্ত হলো যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস।

নিউ ইয়র্ক টাইমস তার প্রতিবেদনে লিখেছে, প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের দেশ বাংলাদেশ কখনও ফুটবল বিশ্বকাপে খেলতে পারেনি। তবে বিশ্বকাপ চলাকালে হাজার হাজার মাইল দূরের আর্জেন্টিনাকেই নিজেদের দল হিসেবে বেছে নেন অনেক বাংলাদেশি। একই সময়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ খেললেও বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দল অনেকটাই আড়ালে চলে যায়।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ১৯৮২ সালে টেলিভিশনে সরাসরি বিশ্বকাপ ফুটবল সম্প্রচার করা হয়। তিন দশকের বেশি সময় ধরে ক্রীড়া সাংবাদিকতা করা শামীম চৌধুরীর মতে, তখন থেকেই বিশ্বকাপের প্রতি বাংলাদেশের ভালোবাসার শুরু।

 

তবে তার বিশ্বাস, ১৯৮৬ বিশ্বকাপে দিয়েগো ম্যারাডোনার অসাধারণ নৈপুণ্যই বাংলাদেশের মানুষের আর্জেন্টিনাপ্রীতির ভিত্তি গড়ে দেয়। ওই আসরে পশ্চিম জার্মানিকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা।

ইতিহাসবিদদের মতে, সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশ অঞ্চলের অংশ হওয়ায় ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয়কে বাংলাদেশের অনেক মানুষ প্রতীকী গুরুত্ব দিয়েও দেখেছিলেন।

রাজনীতির বাইরে শামীম চৌধুরীর ভাষায়, লাতিন আমেরিকার ফুটবলারদের ড্রিবলিং বাংলাদেশের মানুষের বেশি পছন্দ। ম্যারাডোনা যেমন করতেন, মেসিও তাই করছেন। সুন্দর ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা থেকেই আর্জেন্টিনার প্রতি এই টান তৈরি হয়েছে।

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয় এবং চলতি আসরে দলটির ফাইনালে ওঠার পর সেই ভালোবাসা আরও বেড়েছে বলে মনে করেন তিনি।

 

এই সমর্থনের বহিঃপ্রকাশও দেখা যায় নানা আয়োজনে। ঢাকার শিক্ষার্থী নাফিজ মাহমুদ আলিফ জানান, গত দুই বিশ্বকাপে তিনি ও তার বন্ধুরা ২০০ ফুট দীর্ঘ আর্জেন্টিনার পতাকা তৈরি করেছিলেন। তবে সেটি দেশের আরও বড় পতাকার ভিড়ে আলাদা করে নজর কাড়তে পারেনি।

এবার তাই তারা এক মাস পরিকল্পনা করে ৪০ ফুট উঁচু ও ৩০ ফুট চওড়া একটি বিশাল আর্জেন্টিনার জার্সি তৈরি করেন। সেটি দুটি ১০ তলা ভবনের মাঝখানে টাঙিয়ে দেওয়া হয়। আলিফের দাবি, এটি দেখতে হাজারো সমর্থকের পাশাপাশি ঢাকায় নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূতও তার প্রতিনিধিদলের সদস্যদের নিয়ে সেখানে গিয়েছিলেন।

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ের পর বাংলাদেশের বিপুল ফুটবল সমর্থকের প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে দেশটি ঢাকায় তাদের দূতাবাস পুনরায় চালু করে। ১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনার সামরিক শাসনামলে দূতাবাসটি বন্ধ করা হয়েছিল।

আলিফ জানান, তার বাবাসহ পরিবারের বড়দের কাছ থেকেই তিনি আর্জেন্টিনার সমর্থক হয়ে উঠেছেন। তার বাবা ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ম্যারাডোনার খেলায় অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।

 

নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা ৪৮ বছর বয়সী মঈনুদ্দিন দেওয়ানও ছোটবেলা থেকেই আর্জেন্টিনার সমর্থক। চলতি বিশ্বকাপে তিনি পরিবারের শিশুদের জন্য আর্জেন্টিনার জার্সি কিনে দিয়েছেন। তিনি বলেন, আর্জেন্টিনা আমার শৈশবের ভালোবাসা। তাদের হার আমি সহ্য করতে পারি না।

মিসরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনা দ্বিতীয় গোল হজম করার পর নিজের এলাকার ওয়াচ পার্টি ছেড়ে বাড়ি ফিরে যান তিনি। তার ভাষায়, দল বিদায় নেবে এই আশঙ্কা তিনি সহ্য করতে পারছিলেন না। পরে আর্জেন্টিনা সমতায় ফিরে ম্যাচ জেতার পর আবার উদযাপনে যোগ দেন।

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা ফাইনাল নিশ্চিত করার পর নিজের গ্রামে বিজয় মিছিলের নেতৃত্ব দেন দেওয়ান। তার দাবি, সেই মিছিলে ৪০০ থেকে ৫০০ মানুষ অংশ নেন। এছাড়া আশপাশে আরও অন্তত পাঁচটি মিছিল বের হয়, যেখানে ‘মেসি, মেসি’ ও ‘আর্জেন্টিনা, আর্জেন্টিনা’ স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল।

বাংলাদেশে ব্রাজিলেরও বিপুলসংখ্যক সমর্থক রয়েছে। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও তীব্র। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা গোল হজম করার পর প্রতিবেশী ব্রাজিল সমর্থকেরা তাকে খোঁচা দিয়েছিলেন বলে জানান দেওয়ান। তবে আর্জেন্টিনা জয়ের পর তাদের আর দেখা যায়নি।

সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।