মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

কার্পেটিং শক্ত হতে প্রকৌশলগত সময়ের প্রয়োজন; তুলে ফেলার প্রবণতা রুখতে হবে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
কার্পেটিং শক্ত হতে প্রকৌশলগত সময়ের প্রয়োজন; তুলে ফেলার প্রবণতা রুখতে হবে

প্রকাশ ঘোষ বিধান

সড়ক নির্মাণে ব্যবহৃত বিটুমিনের কাঁচা কার্পেটিং শক্ত হওয়ার জন্য প্রকৌশলগত নির্দিষ্ট সময় বা কিউরিং দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এই সময় দেওয়ার আগেই কার্পেটিং তুলে ফেলার প্রবণতা রোধ করতে হবে, অন্যথায় সড়কের স্থায়িত্ব মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দ্রুত রাস্তা নষ্ট হয়ে যায়।

সড়ক নির্মাণে দুর্নীতি এবং নিম্নমানের সামগ্রীর ব্যবহার বন্ধ করার মাধ্যমেই হাত দিয়ে কার্পেটিংয়ের আস্তরণ তুলে ফেলার প্রবণতা স্থায়ীভাবে রুখতে হবে। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক সংস্কারের পরপরই স্থানীয়দের হাত দিয়ে কার্পেটিং তুলে ফেলার ঘটনা ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। এটি মূলত ঠিকাদারদের অনিয়ম এবং কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাবের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

কার্পেটিং শেষ হওয়ার পরপরই হাত দিয়ে টেনে তোলা সম্পূর্ণ নিষেধ। কাজ শেষ হওয়ার পরপরই তা টেনে তোলা সম্পূর্ণ কারিগরি জ্ঞানশূন্য কাজ। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে যেন তাৎক্ষণিকভাবে রাস্তা নষ্ট করার এই প্রবণতা থেকে বিরত থাকতে হবে।

কার্পেটিং শক্ত হওয়ার প্রকৌশলগত ধাপগুলো হলো। বিটুমিন ও পাথরের মিশ্রণটি প্রায় ১৪০ ডিগ্রি থেকে ১৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস উচ্চ তাপমাত্রায় প্রয়োগ করা হয়। রোলার দিয়ে কমপ্যাকশন করার পর, রাস্তাটির ভেতরের আর্দ্রতা শুকিয়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আসতে এবং পাথরগুলো নিখুঁতভাবে লক হতে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা সময় লাগে। রাস্তাটি পুরোপুরি স্থায়ী রূপ নিতে ও ট্রাফিকের চাপ নেওয়ার উপযোগী হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। প্রকৌশলগত এই সময়ের আগে যদি রাস্তাটিতে যানবাহন চলাচল শুরু করে বা কেউ কাঁচা কার্পেটিং খুঁচিয়ে বা হাত দিয়ে টেনে তুলে ফেলার চেষ্টা করে, এতে রাস্তার স্থায়ীত্ব নষ্ট করে দেয়।

কার্পেটিং বা বিটুমিনাস সারফেসিং শক্ত হতে এবং টেকসই রূপ নিতে প্রকৌশলগত প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজন হয়। কাজ শেষের পরপরই ভারী যানবাহন চলাচলের আগে বিটুমিনকে পুরোপুরি সেট হওয়ার জন্য এবং নিচের স্তরের সাথে স্থায়ী বন্ডিং তৈরি করার সময় দিতে হয়।

সড়ক সংস্কারের পর হাত দিয়ে কার্পেটিং টেনে তোলার প্রবণতা মূলত দুটি বড় কারণে ঘটে থাকে। ঠিকাদারি দুর্নীতি এবং প্রযুক্তিগত অজ্ঞতা। নিম্নমানের বিটুমিন ও ইটের খোয়া ব্যবহার এবং কার্পেটিংয়ের নির্ধারিত পুরুত্ব বজায় না রাখলে এই সমস্যা দেখা দেয়। কার্পেটিং করার আগে প্রয়োজনীয় প্রাইম কোট ও ট্যাক কোট বা বিটুমিন ছিটানো যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে হয়।

 

মূল খোয়া বা পাথরের ওপর জমে থাকা কাদা ও ধুলার আস্তরণ সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে তবেই পিচ ঢালাই করতে হবে। অন্যথায় নতুন আস্তরণ স্থায়ী হয় না। চুক্তি অনুযায়ী কার্পেটিংয়ের জন্য নির্ধারিত পুরুত্ব যেমন ২৫ বা ৪০ মিলিমিটার কঠোরভাবে বজায় রাখতে হবে। পোড়া মাটির খোয়া, রাবিশ বা নিম্নমানের ইটের পরিবর্তে উচ্চমানের পাথর ও সঠিক গ্রেডের বিটুমিন ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রকৌশলীদের কাজের প্রতিটি ধাপে সশরীরে উপস্থিত থেকে তদারকি করতে হবে। কার্পেটিং যেন নির্ধারিত পুরুত্বের হয় এবং সেখানে সঠিক অনুপাতে বিটুমিন ও পাথর ব্যবহার করা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। কার্পেটিং শুরুর আগে রাস্তার বেস বা ইটের খোয়ার ওপর জমে থাকা ময়লা এবং কাদার আস্তরণ অবশ্যই ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

কোনো স্থানে নিম্নমানের কাজের প্রমাণ মিললে সঙ্গে সঙ্গে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং বিল আটকে দেওয়া উচিত। অনিয়ম প্রমাণিত হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জামানত বাজেয়াপ্ত, লাইসেন্স বাতিল এবং আইনগত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ল্যাব টেস্টে কাজের মান উত্তীর্ণ না হওয়া পর্যন্ত ঠিকাদারদের চূড়ান্ত বিল প্রদান বন্ধ রাখতে হবে।

সড়ক নির্মাণ একটি অতি-প্রয়োজনীয় প্রকৌশলগত প্রক্রিয়া। কার্পেটিং শেষ হওয়ার পর তা শক্ত হতে এবং স্থায়ী বন্ধন তৈরি করতে নির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজন। সম্প্রতি কার্পেটিং শেষ হওয়ার পরপরই তা হাত দিয়ে টেনে তোলার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে তা সম্পূর্ণ কারিগরি জ্ঞানশূন্য কাজ। কার্পেটিং শেষ হওয়ার পরপরই তা নরম থাকে। এই অবস্থায় হাত দিয়ে টেনে তোলা হলো একটি নবজাতক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা। কার্পেটিং তুলা মানে কাজের গুণগত মান নয়, বরং সময়ের আগেই তার ওপর যান্ত্রিক বল প্রয়োগের ফল। রাস্তায় কার্পেটিং করার পর রোলার দিয়ে করা হয়। রোলার দেওয়ার সাথে সাথেই রাস্তাটি তার পূর্ণ শক্তি অর্জন করে না। বিটুমিনাস লেয়ারটি যখন তার স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফিরে আসে, তখনই তা টেকসই রূপ নেয়। কাজ চলাকালীন বা কাজ শেষ হওয়ার পরপরই রাস্তার কার্পেটিং খুঁচিয়ে তুলে ফেলা মানে হলো রাস্তার ইন্টারলকিং সিস্টেম ধ্বংস করা।

নতুন পাকা সড়কের কার্পেটিং স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে কাঁচা কার্পেটিং তুলে ফেলার প্রবণতা রুখতে হবে। রাস্তা শক্ত হওয়ার জন্য প্রকৌশলগত নির্দিষ্ট সময় বা কিউরিং পিরিয়ড প্রয়োজন হয়। পাকা করার পরপরই ভারী যানবাহন চললে বা কার্পেটিং তুলে ফেলা হলে রাস্তাটি দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। কাঁচা কার্পেটিং হাত বা অন্য কোনোভাবে টেনে তোলা মানে একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা এবং নষ্ট করা। কাজ শেষ হওয়ার পরপরই তা হাত দিয়ে টেনে তোলার প্রবণতা সম্পূর্ণ কারিগরি জ্ঞানশূন্য কাজ ও নির্মাণ বিধির পরিপন্থী।

কার্পেটিং এর ইন্টারলকিং সিস্টেম হলো একটি স্বয়ংক্রিয় সুরক্ষা ব্যবস্থা। কার্পেটিং শক্ত হতে বা টেকসই রূপ নিতে একটি নির্দিষ্ট প্রকৌশলগত সময়ের প্রয়োজন হয়। কাজ শেষ হওয়ার পরপরই তা হাত দিয়ে টেনে তোলা বা খুঁচে নষ্ট করা থেকে বিরত থাকতে হবে। নিম্নমানের কাজ চোখে পড়লে তা হাত দিয়ে না তুলে সরাসরি ছবি বা ভিডিওসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কিংবা স্থানীয় প্রশাসনকে লিখিতভাবে জানাতে হবে।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Ads small one

কয়রায় যথাযোগ্য মর্যাদায় কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
কয়রায় যথাযোগ্য মর্যাদায় কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী পালিত

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা, আবৃত্তি, সংগীত ও প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে খুলনার কয়রায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করে উপজেলা প্রশাসন।
দুপুর একটার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবদুল্লাহ আল বাকী। সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা জাতীয় কবির জীবন ও সাহিত্যের বিভিন্ন দিক নিয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্যসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা জি এম মাওলা বকস, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সমীর কুমার সরকার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী ইশতিয়াক আহমেদ, কয়রা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াছাদ আলী, সাংবাদিক শেখ মনিরুজ্জামান মনু এবং শিক্ষার্থী তাহসিন তাবাসসুম জাইমা ও মেহেদী হাসান।
জাতীয় কবির অমর সৃষ্টিকে স্মরণ করার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের মাঝে নজরুলচর্চা বাড়ানোর ওপর জোর দেন বক্তারা। আলোচনা সভা শেষে দিনভর অনুষ্ঠিত কবিতা আবৃত্তি, নজরুলসংগীত, নৃত্য, রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

শ্যামনগরে পিপিআর রোগ প্রতিরোধে বিনামূল্যে গবাদিপশুর টিকাদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে পিপিআর রোগ প্রতিরোধে বিনামূল্যে গবাদিপশুর টিকাদান

মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: উপকূলীয় জনপদ শ্যামনগরের মুন্সীগঞ্জ কুলতলীতে গৃহপালিত পশুর অতিসংক্রামক রোগ পিপিআর (ক্ষুরা রোগ) প্রতিরোধে বিনামূল্যে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ আগস্ট) সকাল ১০টায় কুলতলী গ্রামের হরি মন্দির প্রাঙ্গণে স্থানীয় শতাধিক পরিবারের গবাদিপশুকে এই প্রতিরোধক টিকা দেওয়া হয়।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘লিডার্স’ ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। উপকূলীয় কৃষিভিত্তিক অঞ্চলের মানুষের জীবিকার বড় অংশ আসে গরু, ছাগল ও ভেড়া পালনের মাধ্যমে। তবে গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধিতে এ অঞ্চলে প্রচুর গবাদিপশু মারা যাওয়ায় প্রান্তিক খামারিরা চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন।
টিকা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ভ্যাকসিনেটর সুদীপ্ত বিশ্বাস, মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়ন প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের এআইটি প্রতিনিধি উত্তম কুমার গাইন, লিডার্সের প্রকল্প সমন্বয়কারী (কল প্রকল্প) মৃণাল কুমার সরকার, প্রকল্প কর্মকর্তা সুব্রত কুমার গাইন, নেলসন সুমন ম-ল, কানিজুর রহমান ও অনুপ কুমার ম-ল।
সময়োপযোগী এ টিকাদান কর্মসূচির ফলে উপকূলের প্রান্তিক খামারিরা মারাত্মক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

দেবহাটায় ২৫ এতিম শিশু পেল খাদ্য, পোশাক ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
দেবহাটায় ২৫ এতিম শিশু পেল খাদ্য, পোশাক ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী

দেবহাটা প্রতিনিধি: সীমান্তবর্তী দেবহাটা উপজেলায় সুবিধাবঞ্চিত ২৫ জন এতিম শিশুর মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি। চলতি বছরের দ্বিতীয় মেয়াদে তিন মাসের খাদ্যসামগ্রী, নতুন জামাকাপড়, জুতা-মোজা ও হাইজিন প্যাক (স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী) পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিশুরা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে জাতীয় মানবিক সহায়তা ও উন্নয়ন সংস্থা ‘ইমপ্যাক্ট ইনিশিয়েটিভ’-এর ‘অরফ্যান কেয়ার প্রোগ্রাম’-এর অধীনে এই সহায়তা বিতরণ করা হয়। দেশে মোট ৪০০ এতিম শিশুকে এ প্রকল্পের আওতায় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে শিশুদের হাতে উপহার তুলে দেন সংস্থার অরফ্যান কেয়ার প্রোগ্রামের জুনিয়র প্রজেক্ট অফিসার মো. সাজিদ আল আহাদ, প্রোগ্রাম অর্গানাইজার মো. শরিফুল ইসলাম, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রবীর হ্যাজারী, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি ডা. অহিদুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন।
সহায়তা হিসেবে প্রতি শিশুর জন্য ছিল ৩০ কেজি চাল, ৬ কেজি সয়াবিন তেল, ৩ কেজি মসুরের ডাল, ৩ কেজি চিনি, ১.৫ কেজি গুঁড়ো দুধ, ৩ জার হরলিক্স, ৩ প্যাকেট নুডুলস, ১.৫ কেজি বাদাম, ৩ জার বিস্কুট, ৩ বক্স চকলেট ও ৬ কেজি মৌসুমি ফল।
এর পাশাপাশি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দেওয়া হয় ৪টি টুথপেস্ট, ৪টি ব্রাশ, ৬টি গায়ে মাখার সাবান, ১২টি কাপড় কাচার সাবান, ৪টি হ্যান্ডওয়াশ, ৪টি বডি লোশন, ৪টি পেট্রোলিয়াম জেলি, চিরুনি ও নেল কাটার। নতুন পোশাক ও জুতা পেয়ে আগামীর দিনগুলোতে আরও ভালোভাবে থাকার স্বপ্ন বুনছে এই শিশুরা।