মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

খুলনায় অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
খুলনায় অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

খুলনায় অতিবৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠান আজ (মঙ্গলবার) দিঘলিয়া উপজেলার যোগীপোল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন।

অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার যোগীপোল ও আড়ংঘাটা ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অসহায় ৭৫টি পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত সকল পরিবারের পাশে আছেন এবং সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখছেন। তারই নিদের্শনায় দুর্যোগে আক্রান্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তরা যেন সরকারি সহায়তা পায় এবং তাদের পাশে থাকতে বিভাগীয় প্রশাসনকে নিদের্শনা প্রদান করেছেন। তিনি বলেন, সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এবং দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসণে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।

খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিানে দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন দাশ গুপ্ত, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো: আব্দুল করিম সহ স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। দিঘলিয়া উপজেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

পরে খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নের বেলেঘাট পশ্চিমপাড়ায় অতিবৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ৭৫টি পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। তথ্যবিবরণী

Ads small one

তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী হত্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী হত্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন

বিএম জুলফিকার রায়হান: ‎সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানার নলতা গ্রামে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রীকে হত্যার ঘটনায় হত্যা ও সন্দেহভাজন মহিলা হত্যাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয় এবং উত্তেজনা বিরাজ করে। এ ঘটনায় সোমবার গভীর রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দিন।

‎জানা যায়, কালিগঞ্জ থানার ৬নং কালিবাটি কাজলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির ছাত্রী নলতা গ্রামের এনামুল ইসলামের কন্যা ফারজানা খানম (৮) গত ২০ জুলাই তারিখে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্কুলে যেয়ে স্কুল ব্যাগ রেখে পার্শ্ববর্তী ঝালমুড়ি ব্যবসায়ী সুমাইয়া বেগম (২৬) এর বাড়িতে যায়। দুপুরে প্রতিদিনের ন্যায় খাওয়ার জন্য বাড়িতে না যাওয়ায় ফারজানার অভিভাবক ও এলাকাবাসী খোঁজাখুঁজি করতে থাকে।

 

এক পর্যায়ে নিশ্চিত হয়ে এলাকাবাসী ঝালমুড়ি ব্যবসায়ী সুমাইয়ার বাড়ীতে তল্লাশী চালায় এবং ঘরের আলমারীর ড্রয়রের মধ্য থেকে হাত, পা বাঁধা মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর লাঠি ও ইটের আঘাতে ঝালমুড়ি ব্যবসায়ী সুমাইয়া নিহত হন। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং দুটি মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে।

‎এদিকে সোমবার গভীর রাতে খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং পরবর্তীতে সকল স্তরের পুলিশ কর্মকর্তাদের আইনশৃঙ্খলা সমুন্নত রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন। অতিরিক্ত ডিআইজি দুটি ঘটনার আইনআনুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ওসিসহ সকলকে নির্দেশ দেন এবং এলাকাবাসীকে আইন হাতে তুলে না নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

 

বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস: জ্ঞানের আলো, চেতনার কেন্দ্র ও মানবসভ্যতার চালিকাশক্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস: জ্ঞানের আলো, চেতনার কেন্দ্র ও মানবসভ্যতার চালিকাশক্তি

সাকিবুর রহমান বাবলা

প্রতিদিন আমরা চিন্তা করি, স্মরণ করি, সিদ্ধান্ত নিই, স্বপ্ন দেখি, ভালোবাসি, সৃষ্টি করি এবং পৃথিবীকে নতুনভাবে আবিষ্কার করি। এই সবকিছুর নেপথ্যে নিরলসভাবে কাজ করে আমাদের শরীরের সবচেয়ে বিস্ময়কর অঙ্গ—মস্তিষ্ক। মানুষের জ্ঞান, কল্পনাশক্তি, প্রজ্ঞা, নৈতিকতা ও সভ্যতার অগ্রযাত্রার কেন্দ্রবিন্দু এই অঙ্গটিকে ঘিরেই প্রতি বছর ২২ জুলাই বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস।

বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবসের পেছনে রয়েছে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ইতিহাস। ১৯৫৭ সালের ২২ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয় ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অব নিউরোলজি। সংগঠনটির জনসচেতনতা ও অ্যাডভোকেসি কমিটি ২০১৩ সালে ২২ জুলাইকে “বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস” হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব উত্থাপন করে। পরবর্তীতে বিশ্ব স্নায়ুবিজ্ঞান কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা প্রস্তাবটি সর্বসম্মতভাবে গ্রহণ করেন এবং ২০১৪ সাল থেকে দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়ে আসছে। এর মূল লক্ষ্য হলো স্নায়বিক রোগ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে উৎসাহ প্রদান এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য উন্নত চিকিৎসা ও সামাজিক সহায়তা নিশ্চিত করা।

মানবদেহের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র হলো মস্তিষ্ক। প্রায় ১.৪ কেজি ওজনের এই অঙ্গটি আমাদের শরীরের মোট শক্তির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ব্যবহার করে। আধুনিক স্নায়ুবিজ্ঞানের মতে, মানবমস্তিষ্কে প্রায় ৮৬ বিলিয়ন নিউরন এবং অসংখ্য সিন্যাপস রয়েছে, যেগুলো তথ্য আদান-প্রদান, স্মৃতি সংরক্ষণ, অনুভূতি প্রকাশ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের মতো জটিল কাজ সম্পাদন করে। গুরুমস্তিষ্ক, মধ্যমস্তিষ্ক ও লঘুমস্তিষ্কের সমন্বয়ে গঠিত এই বিস্ময়কর কাঠামো মানব অস্তিত্বের প্রতিটি মুহূর্তকে নিয়ন্ত্রণ করে।

এই বুদ্ধিবৃত্তিক কেন্দ্রের বিকাশ ও কার্যক্ষমতা অনেকাংশে নির্ভর করে আমাদের জীবনযাত্রার ওপর। নিয়মিত পড়াশোনা, নতুন কিছু শেখা, ধাঁধা সমাধান, বই পড়া, দাবা খেলা কিংবা নতুন ভাষা শেখা স্নায়ুকোষগুলোকে সক্রিয় রাখে। সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ সুস্থ কার্যপ্রবাহ বজায় রাখতে অপরিহার্য। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগ বজায় রাখা, ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলা এবং সৃজনশীল কর্মকা-ে অংশগ্রহণও দীর্ঘমেয়াদে জ্ঞানীয় সক্ষমতা রক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।

বিজ্ঞান যেমন মস্তিষ্কের গঠন ও কার্যপ্রণালি ব্যাখ্যা করে, তেমনি বিশ্বের বিভিন্ন ধর্ম, দর্শন ও সভ্যতায় জ্ঞান, মনন, চিন্তাশক্তি এবং আত্মশৃঙ্খলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। মানুষের চিন্তাশক্তি, নৈতিকতা, সৃজনক্ষমতা ও চেতনার বিকাশকে প্রায় সব ঐতিহ্যই মানবজীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করেছে। ফলে মস্তিষ্ক কেবল একটি জৈবিক অঙ্গ নয়; এটি ব্যক্তি, সমাজ ও সভ্যতার অগ্রগতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

অন্যদিকে এই অঙ্গের বিকৃতি বা অস্বাভাবিকতার কারণও বহুমাত্রিক। গর্ভাবস্থায় জিনগত ত্রুটি, অপুষ্টি কিংবা ক্ষতিকর পদার্থ ও মাদকের প্রভাবে শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশ ব্যাহত হতে পারে। পরবর্তী জীবনে আঘাত, টিউমার বা স্নায়বিক রোগ (যেমন—আলঝেইমারস, পার্কিনসন্স) এবং স্ট্রোক মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ক্ষতিগ্রস্ত করে যেটি বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। তাই বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস শুধু সচেতনতা নয়, প্রতিরোধ ও গবেষণার গুরুত্বও স্মরণ করিয়ে দেয়। শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি বিষণ্নতা ও উদ্বেগ রোধে মানসিক ভারসাম্য রক্ষা এবং সময়োপযোগী চিকিৎসাও সমান জরুরি।

আজকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ প্রযুক্তি, চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং ডিজিটাল বিপ্লবের যুগেও মানুষের মস্তিষ্কই সর্বশ্রেষ্ঠ বিস্ময়। বিজ্ঞান যত অগ্রসর হচ্ছে, মানবমস্তিষ্কের অজানা রহস্য ততই নতুন মাত্রায় উন্মোচিত হচ্ছে। তবুও মানবচেতনা, নৈতিকতা, মানবিক উপলব্ধি এবং সৃজনক্ষমতার অনেক প্রশ্ন এখনো গবেষণার বিষয়। ডিজিটাল আসক্তি, ঘুমের অনিয়ম, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা আজ এই মূল্যবান স্নায়ুকেন্দ্রের জন্য নতুন হুমকি হয়ে উঠেছে। তাই ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্র—সব পর্যায়ে এর সুরক্ষা ও সুস্থ বিকাশে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস আমাদের মস্তিষ্ককে স্মরণ করিয়ে দেয়—সুস্থ মস্তিষ্ক ছাড়া সুস্থ ব্যক্তি, সুস্থ সমাজ কিংবা উন্নত সভ্যতা কল্পনা করা যায় না। তাই এর যতœ নেওয়া কেবল ব্যক্তিগত দায়িত্ব নয়; এটি জাতীয় উন্নয়ন ও মানবকল্যাণেরও অন্যতম পূর্বশর্ত। জ্ঞানের আলো, মানবিক মূল্যবোধ ও সুস্থ চিন্তার বিকাশের মাধ্যমে আমরা গড়ে তুলতে পারি একটি সচেতন, সৃজনশীল এবং মেধাভিত্তিক সমাজ। আর সেই পথচলায় বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস হয়ে উঠতে পারে আত্মবিশ্লেষণ, সচেতনতা এবং অনুপ্রেরণার এক তাৎপর্যপূর্ণ উপলক্ষ।

কেশবপুরে বিপুল পরিমাণ অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে বিপুল পরিমাণ অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসারের কার্যালয়ের উদ্যোগে বিভিন্ন জলাশয়ে এই অভিযান পরিচালনা করে চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার করে ধ্বংস ও পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন, কেশবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মেশকাতুল ইসলাম।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন জলাশয়ে অবাধে অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করায় দেশীয় মাছ ও জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে সাতবাড়িয়া ও সাগরদাঁড়ির কপোতাক্ষ নদ এলাকায় মাছ ধরা হচ্ছে ইউনিয়ন আনসার দলনেতারা খবর দিলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিলের পানি থেকে আনুমানিক দুই হাজার মিটার চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করা হয়।

 

পরবর্তীতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মেশকাতুল ইসলামের নির্দেশনায় জনসম্মুখে উদ্ধারকৃত জাল পুড়িয়ে ধ্বংস ও বিনষ্ট করা হয়েছে। এ সময় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার সুদীপ বিশ্বাস, উপজেলা আনসার ভিডিপি অফিসার মিয়াজান আলীসহ পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।