রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

তিন দশকেও নগর হলো না পূর্বাচল, বন্দি মধ্যবিত্তের স্বপ্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ণ
তিন দশকেও নগর হলো না পূর্বাচল, বন্দি মধ্যবিত্তের স্বপ্ন

রাজধানীর জনসংখ্যার চাপ কমিয়ে তিন দশকেরও বেশি সময় আগে পরিকল্পিত নগর গড়ার স্বপ্নে শুরু হয়েছিল পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প। জীবনের সব সঞ্চয় বিনিয়োগ করে হাজার হাজার মানুষ প্লট নিলেও আজও সেখানে গড়ে ওঠেনি প্রত্যাশিত নগরজীবন। যে জায়গায় এতোদিন বসবাসের কথা ছিলো সেখানে নির্মাণ হয়েছে মাত্র কিছু বাড়ি। বাকি জায়গায় এখনো চলছে চাষাবাদ। রাতের অন্ধকারে সড়কবাতির অভাবে পুরো এলাকা নির্জন হয়ে যায়।
সম্প্রতি প্রশাসনিক সীমানা বদলে পূর্বাচলকে ঢাকা জেলা ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতায় আনা হয়েছে। এই পরিবর্তনকে অনেকেই নতুন সম্ভাবনার দরজা হিসেবে দেখছেন। তবে বাস্তবতা বলছে, শুধু কাগজে সীমানা বদলালেই তিন দশকের জমে থাকা সমস্যা কেটে যাবে না।

১৯৯৫ সালে শুরু হওয়া রাজউকের এই প্রকল্প ছিলো রাজধানীর ওপর ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ কমিয়ে একটি পরিকল্পিত, স্বয়ংসম্পূর্ণ উপনগরী গড়ে তোলা। ৬ হাজার ১৫০ একর জমিতে ৩০টি সেক্টরে প্রায় ২৬ হাজার আবাসিক প্লট ও লক্ষাধিক অ্যাপার্টমেন্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ব্যয় করা হয়েছে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু নির্ধারিত সময় ২০১৩ সাল পেরিয়ে গেলেও আজও প্রকল্প পূর্ণতা পায়নি এই প্রকল্প। ভূমি উন্নয়ন ও কিছু সড়ক নির্মাণে অগ্রগতি হলেও নাগরিক সুবিধার অভাব আজও প্রকট। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, গ্যাস সংযোগ, নিয়মিত বাজার ও পর্যাপ্ত যানবাহন নেই বললেই চলে। ফলে প্লট হস্তান্তরের সংখ্যা ২১ হাজারের ঘর ছুঁলেও নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে মাত্র তিন শতাধিক প্লটে।

জহিরুল ইসলাম ২০০৯ সালে প্লট বরাদ্দ পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, রাজউক যেসব সুবিধার কথা বলেছিল- স্কুল-কলেজ, সড়কবাতি, নিরাপত্তা- সেগুলোর অভাবে বছরের পর বছর অপেক্ষা করেছেন। প্ল্যান পাশের সময় তিন বছরের মেয়াদ দেওয়া হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই সুবিধা ছাড়াই নির্মাণ শুরু করেছেন। শাহজাহান মিয়ার অবস্থাও একই রকম। ২০১৪ সালে বরাদ্দ পেয়েও তিনি এখনো জায়গা ফাঁকা রেখেছেন। পানি-বিদ্যুৎ কিছুটা থাকলেও সড়কবাতি ও নিরাপত্তার অভাবে বাড়ি বানানোর সাহস পাচ্ছেন না। মালিকরা জানান, এখানে গ্যাস নেই, বাজার নেই, নিয়মিত যানবাহন নেই। সীমানা প্রাচীর না থাকায় অনেক প্লটে স্থানীয়রা চাষাবাদ করছেন। তিন জেলার সীমানা বিরোধ ও রাজউকের আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ফাইল আটকে থাকায় হয়রানির শিকার হতে হয় প্রায় প্রতিদিন।

এই অচলাবস্থা কাটাতে সম্প্রতি বড় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এসেছে। প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে পূর্বাচলকে নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের অংশ থেকে ঢাকা জেলার অন্তর্ভুক্ত করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ডিএমপি ও ঢাকা ওয়াসার আওতায় আনা হয়েছে। ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানান, নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে রাজউকের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, শিগগিরই প্রশাসনিক ভবন ও জোনাল অফিস স্থাপন করা হবে। কাজ শুরু হলে প্লট মালিকরা নিজ উদ্যোগে নির্মাণে এগিয়ে আসবেন এবং প্রয়োজনে সময়সীমা নির্ধারণের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

 

রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, পূর্বাচলকে দ্রুত বাসযোগ্য করতে নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। শুধু অবকাঠামো নয়, প্লট মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় চালিয়ে তাদের সমস্যা শোনা হচ্ছে। ফাইল দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। নতুন করে প্রায় ৮ হাজার ৮৭০ কোটি টাকার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এতে সড়ক সম্প্রসারণ, ড্রেনেজ, মার্কেট, খেলার মাঠ ও অন্যান্য সুবিধা অন্তর্ভুক্ত। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ এবং পুলিশের বড় অবকাঠামো গড়ার পরিকল্পনাও চলছে। চারটি থানা, ছয়টি তদন্ত কেন্দ্র ও হাজার হাজার পদ সৃষ্টির প্রস্তাব রয়েছে যাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

নগর পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, সরকারের বিকেন্দ্রীকরণ নীতির বিপরীতে আমরা হাঁটছি। পূর্বাচলকে ঢাকার সঙ্গে যুক্ত করে ঢাকা আরও বড় করা হচ্ছে। এতে ঢাকামুখিতা কমবে না বরং বাড়বে। যদি আলাদা সিটি করপোরেশন বা নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে রাখা হতো তাহলে ভিন্ন কেন্দ্র গড়ে উঠত। কাগজে সীমানা বদলালেও মাঠপর্যায়ে উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ ও সেবা সমন্বয় না হলে মূল উদ্দেশ্য ব্যর্থ হতে পারে।

ঢাকার আবাসন সংকট সমাধানে যে প্রকল্পকে আদর্শ ভাবা হয়েছিল, তা এখন নিজেই সংকটের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজধানীর জনসংখ্যার চাপ কমানোর যে বড় লক্ষ্য নিয়ে প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল তা পূরণ করতে হলে এখনই সমন্বিত ও স্বচ্ছ উদ্যোগ দরকার। অন্যথায় এই বিশাল এলাকা আধুনিক নগরীর বদলে মধ্যবিত্তের স্বপ্ন আরও কয়েক বছর বন্দি থাকবে।

Ads small one

সম্পাদকীয়/বিষ ঢেলে জলজ ধ্বংসযজ্ঞ: সুন্দরবন রক্ষায় প্রয়োজন মূল হোতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/বিষ ঢেলে জলজ ধ্বংসযজ্ঞ: সুন্দরবন রক্ষায় প্রয়োজন মূল হোতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি

বিশ্ব ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক সুরক্ষাব্যূহ সুন্দরবনের নদী-খালে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকারের অসাধু তৎপরতা চরম রূপ ধারণ করেছে। বন বিভাগের নিয়মিত ও জোরালো টহল অভিযান, অবৈধ সরঞ্জাম জব্দ এবং অপরাধীদের আটকের খবর প্রকাশিত হলেও থামানো যাচ্ছে না এই জলজ ধ্বংসযজ্ঞ। একশ্রেণীর সংঘবদ্ধ অসাধু চক্র নিজস্ব ক্ষুদ্র স্বার্থে গোপনে খাল-নদীতে বিষ ঢেলে বিষাক্ত পন্থায় মাছ আহরণ চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযানের মুখেও এই অপতৎপরতার পুনরাবৃত্তি প্রমাণ করে যে, বিদ্যমান পদক্ষেপগুলো অপরাধীদের মনে ভয় ঢোকাতে কিংবা এই চক্রের শিকড় উপড়ে ফেলতে সক্ষম হচ্ছে না।
বিষ দিয়ে মাছ শিকারের এই ভয়াবহ প্রবণতা কেবল মৎস্য সম্পদের ক্ষতিতেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি সুন্দরবনের পুরো জলজ বাস্তবতন্ত্রকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। জলে বিষ ছড়ানোর ফলে মাছের পাশাপাশি কাঁকড়া, ছোট চিংড়ি, প্লাংকটন এবং অন্যান্য বিরল জলজ প্রাণী তাৎক্ষণিকভাবে মারা যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জলজ উদ্ভিদের খাদ্যশৃঙ্খল। এই অবক্ষয় দীর্ঘমেয়াদে সুন্দরবনের অনন্য জীববৈচিত্র্যের ওপর অপূরণীয় বিপর্যয় ডেকে আনবে। যে সুন্দরবন উপকূলীয় কোটি মানুষের প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে, সেই বনের মূল ভিত্তি এভাবে বিষাক্ত করে তোলা জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও এক বড় হুমকি।
বন বিভাগের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন থেকে শুরু করে অন্যান্য অঞ্চলের বনকর্মীরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছেন এবং আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন—যা প্রশংসনীয়। কিন্তু শুধু প্রান্তিক জেলে কিংবা বিষ প্রয়োগে জড়িত মাঠপর্যায়ের ব্যক্তিদের আটক ও সরঞ্জাম জব্দ করাই এই সমস্যা সমাধানের শেষ কথা হতে পারে না। এই অসাধু বাণিজ্যের পেছনে রয়েছে প্রভাবশালী কিছু চক্র বা ‘মূল হোতা’, যারা নেপথ্যে থেকে বিষ সরবরাহ করে এবং বিষাক্ত মাছের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। এই মূল চক্রটিকে চিহ্নিত করে কঠোর আইনের আওতায় না আনলে কেবল সাময়িক অভিযানে অপরাধ দমন সম্ভব হবে না।
সুন্দরবনের পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় বন বিভাগকে এখন কৌশলী ও কঠোর ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। প্রথমত, অপরাধীদের ধরতে কেবল প্রথাগত টহলের ওপর নির্ভর না করে জলপথে আধুনিক প্রযুক্তিগত নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, বিষ প্রয়োগের নেপথ্য নায়কদের চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তা অন্যদের জন্য চরম বার্তা হিসেবে কাজ করে। তৃতীয়ত, বনজ সম্পদের সুরক্ষায় স্থানীয় উপকূলীয় সম্প্রদায়কে সম্পৃক্ত করা সবচেয়ে জরুরি। স্থানীয় পরিবেশ সচেতন মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাঁদের বিকল্প জীবিকায় সহায়তা ও তথ্যসংগ্রহের অংশীদার করতে পারলে এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ অনেক সহজ হবে।
সুন্দরবন কেবল একটি বন নয়, এটি আমাদের অস্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কোনো অসাধু চক্রের লোভের বলিকাঁঠা হিসেবে এর জীববৈচিত্র্যকে ধ্বংস হতে দেওয়া যায় না। সুন্দরবন ও এর অনবদ্য বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় শূন্য-সহনশীলতা নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে বিষচক্রকে স্থায়ীভাবে নির্মূল করতে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ নেওয়াই সময়ের দাবি।

আশাশুনিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের আন্তঃসংযোজক ব্যবস্থা চালু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের আন্তঃসংযোজক ব্যবস্থা চালু

আশাশুনি প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের সঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইটের সমন্বিত আন্তঃসংযোগ ও মনিটরিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে। শিক্ষা মনিটরিং খাত আধুনিকীকরণে এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো কোনো উপজেলা এই নেটওয়ার্কের আওতায় এল।
রোববার আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় নতুন এই ব্যবস্থাপনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম। আয়োজনের সার্বিক সঞ্চালনায় ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) শিক্ষক আসিফ ইকবাল।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের বাস্তবায়নে ও ‘মমতাজ ট্রেডিং (প্রা:) লিমিটেড’ যশোরের সহযোগিতায় কাজটি সম্পন্ন হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলার ৪৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৪টি কলেজের মোট ৫১ জন আইসিটি শিক্ষককে নিয়ে নতুন এই আন্তঃসংযোগ ও ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মুরাদুজ্জামান জানান, উপজেলা শিক্ষা অফিসের মূল ওয়েবসাইট থেকে (ধংংধংঁহর.ঁংবড়.মড়া.নফ) সরাসরি প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যাবে। প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারি জোরদারে ইতিমধ্যে আইপিসিসি ক্যামেরা স্থাপন ও সচল ওয়েবসাইটসংক্রান্ত গুগল ফরম সাবমিট প্রক্রিয়াও সফলভাবে শেষ হয়েছে।

বড়বাড়ি ও কপোতাক্ষ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নতুন কমিটির সভাপতি কাজল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
বড়বাড়ি ও কপোতাক্ষ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নতুন কমিটির সভাপতি কাজল

 

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বড়বাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কপোতাক্ষ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুটি বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা যুবদলের সদস্য ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ কাজল। যশোর শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক মুহা. এনামুল কবির স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বড়বাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এবং রবিবার (২ আগস্ট) কপোতাক্ষ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।
একসঙ্গে উপজেলার দুটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে আবুল কালাম আজাদ কাজলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে বিদ্যালয় দুটির শিক্ষা কার্যক্রম, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং সার্বিক উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে।