মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিশ্ব স্টিলপ্যান দিবস: প্রতিবাদ, সৃজনশীলতা ও সুরের অনন্য ঐতিহ্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
বিশ্ব স্টিলপ্যান দিবস: প্রতিবাদ, সৃজনশীলতা ও সুরের অনন্য ঐতিহ্য

সাকিবুর রহমান বাবলা
প্রতি বছর ১১ আগস্ট বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব স্টিলপ্যান দিবস। ২০২৩ সালের ২৪ জুলাই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত এ/আরইএস/৭৭/৩১৬ প্রস্তাবের মাধ্যমে দিবসটির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। এর মাধ্যমে শুধু একটি বাদ্যযন্ত্রকে সম্মান জানানো হয়নি; বরং স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে একটি জাতির ইতিহাস, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, সৃজনশীলতা এবং মানবিক সংগ্রামের এক অনন্য অধ্যায়কে।
স্টিলপ্যানের জন্ম ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে। এটি ব্যাপকভাবে বিংশ শতাব্দীতে আবিষ্কৃত একমাত্র নতুন অ্যাকোস্টিক বাদ্যযন্ত্র হিসেবে স্বীকৃত। সাধারণত পরিত্যক্ত তেলের ড্রামকে বিশেষ কারিগরি প্রক্রিয়ায় রূপান্তর করে এই বাদ্যযন্ত্র তৈরি করা হয়। রাবার-আবৃত মাথাযুক্ত কাঠি দিয়ে এটি বাজানো হয় এবং ধাতব তলের বিভিন্ন অংশ থেকে ভিন্ন ভিন্ন সুর সৃষ্টি করা হয়। মানব উদ্ভাবনী শক্তি, কারিগরি দক্ষতা এবং সঙ্গীতচর্চার এক অনন্য সমন্বয় হিসেবে স্টিলপ্যান আজ বিশ্ব সংস্কৃতির মূল্যবান সম্পদ।
স্টিলপ্যানের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর ঔপনিবেশিক অতীত। আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মানুষদের ঐতিহ্যবাহী ড্রাম একসময় নিষিদ্ধ করা হলে তারা বিকল্প উপায়ে নিজেদের সঙ্গীত ও সাংস্কৃতিক পরিচয় ধরে রাখার চেষ্টা করেন। প্রথমে বাঁশের তৈরি ‘টাম্বু-বাঁশ’, পরে বিভিন্ন ধাতব পাত্র এবং শেষ পর্যন্ত পরিত্যক্ত তেলের ড্রাম ব্যবহার করে নতুন সুরের জগৎ নির্মাণ করেন। বিংশ শতাব্দীর ত্রিশ ও চল্লিশের দশকে উইনস্টন ‘স্প্রি’ সাইমন, এলি ম্যানেটসহ একদল অগ্রগামী শিল্পীর হাতে আধুনিক স্টিলপ্যানের বিকাশ ঘটে। সেই থেকে এটি ধীরে ধীরে ক্যারিবীয় সংস্কৃতির অন্যতম শক্তিশালী পরিচয়ে পরিণত হয়।
একটি সাধারণ তেলের ড্রামকে সুরেলা বাদ্যযন্ত্রে রূপান্তরের প্রক্রিয়া অত্যন্ত নিখুঁত। ড্রামের তলাকে বিশেষভাবে পিটিয়ে অবতল আকৃতি দেওয়া হয়, বিভিন্ন নোটের জন্য নির্দিষ্ট অংশ চিহ্নিত করা হয় এবং তাপ প্রয়োগের মাধ্যমে ধাতুর গুণগত মান উন্নত করা হয়। পরে দক্ষ কারিগররা প্রতিটি অংশকে নির্দিষ্ট সুরে টিউন করেন। এই কারণে স্টিলপ্যানকে কেবল একটি বাদ্যযন্ত্র নয়, বরং শিল্প, বিজ্ঞান এবং কারুশিল্পের এক অসাধারণ সম্মিলন হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।
স্টিলপ্যানের রয়েছে নানা ধরন। টেনর প্যান সাধারণত মূল সুর পরিবেশন করে, ডাবল সেকেন্ড প্যান কর্ড ও হারমনি তৈরি করে, গিটার ও সেলো প্যান ছন্দকে সমৃদ্ধ করে এবং বেস প্যান গভীর সুরের ভিত্তি গড়ে তোলে। একাধিক প্যান একত্রে বাজিয়ে গড়ে ওঠে স্টিল অর্কেস্ট্রা, যা একটি পূর্ণাঙ্গ সিম্ফনি অর্কেস্ট্রার মতো বহুমাত্রিক সুর সৃষ্টি করতে সক্ষম।
ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর কার্নিভাল সংস্কৃতির সঙ্গে স্টিলপ্যানের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে ওঠা ‘প্যান ইয়ার্ড’ শুধু অনুশীলনের স্থান নয়; বরং এটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনকেন্দ্র। এখানে শিশু, তরুণ, নারী ও প্রবীণ সবাই একসঙ্গে সঙ্গীতচর্চায় অংশগ্রহণ করেন। প্রতি বছর অনুষ্ঠিত বিশ্বখ্যাত ‘প্যানোরামা’ প্রতিযোগিতায় শতাধিক শিল্পী নিয়ে গঠিত স্টিল অর্কেস্ট্রাগুলো অংশগ্রহণ করে এবং সুরের অনন্য পরিবেশনা উপহার দেয়। এই ঐতিহ্য স্টিলপ্যানকে একটি বাদ্যযন্ত্রের সীমা ছাড়িয়ে সামাজিক সংহতি ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীকে পরিণত করেছে।
একসময় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বাদ্যযন্ত্র হিসেবে পরিচিত স্টিলপ্যান আজ আন্তর্জাতিক মর্যাদা অর্জন করেছে। ক্যালিপসো ও সোকা সঙ্গীতের পাশাপাশি এটি জ্যাজ, পপ, ধ্রুপদী এবং সমকালীন নানা ধারার সংগীতে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশ্বের বহু স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টিলপ্যান শেখানো হয়। তরুণদের সৃজনশীলতা বিকাশ, শৃঙ্খলা, দলগত চেতনা এবং সাংস্কৃতিক অংশগ্রহণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
স্টিলপ্যানের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলোÑএর পরিবেশবান্ধব দর্শন। পরিত্যক্ত তেলের ড্রামকে পুনর্ব্যবহার করে একটি আন্তর্জাতিক মানের বাদ্যযন্ত্রে রূপান্তর করা টেকসই উন্নয়নের এক অনন্য উদাহরণ। এ কারণে জাতিসংঘ মনে করে, স্টিলপ্যান সংস্কৃতি, পর্যটন, শিক্ষা এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। একই সঙ্গে এটি মানসিক সুস্থতা, লিঙ্গসমতা, যুবসমাজের ক্ষমতায়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সৃজনশীল প্রকাশের বিকাশ আজ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সংস্কৃতি মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, সম্প্রীতি ও সম্মানের ভিত্তি গড়ে তোলে। স্টিলপ্যান সেই বার্তাই বহন করে—সৃজনশীলতা মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি, যা সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে।
বিশ্ব স্টিলপ্যান দিবস তাই কেবল ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর কোনো বাদ্যযন্ত্রের উদযাপন নয়; এটি মানবজাতির অবদমিত আত্মার চিরন্তন মুক্তির প্রতীক। যেভাবে আমাদের বাংলার বাউল গান, একতারা কিংবা দক্ষিণ এশিয়ার লোকশিল্প প্রান্তিক মানুষের না বলা বেদনাকে সুরে রূপ দেয়, ঠিক তেমনি পরিত্যক্ত ইস্পাতের ড্রামের এই সুরের ঝংকারও সমস্ত ভৌগোলিক সীমানার প্রাচীর ভেঙে বিশ্বজুড়ে ঐক্য, সম্প্রীতি ও আশার অবিনশ্বর বার্তা পৌঁছে দেয়। সৃজনশীলতা প্রমাণ করেÑমানুষের হাত দিয়েই একদিন রচিত হবে এক সুন্দরতর, বৈষম্যহীন পৃথিবী।

Ads small one

অসময়ে হলুদ তরমুজ চাষে স্বাবলম্বী সাতক্ষীরার কৃষকেরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ
অসময়ে হলুদ তরমুজ চাষে স্বাবলম্বী সাতক্ষীরার কৃষকেরা

মীর মোস্তফা আলী: প্রাকৃতিক দূর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় চিংড়ি ঘেরের আইল ও পতিত জমিতে আধুনিক মালচিং পদ্ধতিতে শুরু হয়েছে অসময়ের বা বর্ষাকালীন তরমুজ চাষ। সবজির পাশাপাশি এখন ক্ষেতজুড়ে শোভা পাচ্ছে বাংলালিংক ও আকর্ষণীয় হলুদ জাতের তরমুজ। চলতি মৌসুমে জেলার ১০৮ হেক্টর জমিতে এই তরমুজের সফল আবাদ হয়েছে।
উপকূলীয় সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলাতেই এখন ঝুলছে মিষ্টি ও রসালো এই ফল। বিশেষ করে তালা, কলারোয়া, কালিগঞ্জ ও আশাশুনি উপজেলায় বাংলালিংক ও হলুদ তরমুজের ফলন বেশি হয়েছে।
তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের তিনটি গ্রামের ২৮ জন কৃষক বেসরকারি সংস্থা ‘উন্নয়ন প্রচেষ্টা’ ও পিকেএসএফের সহযোগিতায় ২১ বিঘা জমিতে প্রথম এই হলুদ তরমুজের আবাদ শুরু করেন। মাত্র ৬৫ দিনে ফলন আসায় অল্প খরচে অধিক মুনাফা পাচ্ছেন চাষিরা।
উপজেলার কৃষক ইকবাল, শিপন ও হান্নান জানান, জমি প্রস্তুত, সার, মালচিং পেপার, মাচা ও জাল বাবদ প্রায় ৩৫ হাজার টাকা খরচ হলেও এই ফল বিক্রি করে বিঘা প্রতি ১ লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা আয়ের আশা করছেন তারা। অল্প সময়ে ফলন পাওয়ায় একই জমিতে বছরে দুইবার তরমুজ চাষ করা সম্ভব।
উন্নয়ন প্রচেষ্টার কৃষিবিদ নয়ন হোসেনের মতে, সাতক্ষীরার মাটি অসময়ের তরমুজ চাষের জন্য বেশ উপযোগী। চাকরির পেছনে না ঘুরে শিক্ষিত তরুণরা কৃষি উদ্যোগে যুক্ত হলে নিজেদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি দেশের পুষ্টি চাহিদা মেটাতে বড় অবদান রাখতে পারবেন।

বইয়ের বিকল্প কেবল বই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
বইয়ের বিকল্প কেবল বই

 

‎তারিক ইসলাম
‎সভ্যতার সূচনা থেকে আজ পর্যন্ত মানবজাতির জ্ঞানচর্চা, মননশীলতা এবং উৎকর্ষ সাধনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত বাহন হলো বই। প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল মাধ্যমের অভূতপূর্ব বিপ্লবের যুগে আজ চারদিকে নানা প্রশ্ন ও সংশয় দানা বাঁধছে—ডিজিটাল স্ক্রিন, ই-বুক বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই সময়েও কি বইয়ের আবেদন অপরিবর্তিত থাকবে? নাকি এর কোনো বিকল্প চলে এসেছে? গভীর ও সূক্ষ্মভাবে বিবেচনা করলে একটি সত্যই সামনে ভেসে ওঠে—তা হলো, বইয়ের বিকল্প কেবল আরেকটি বই-ই হতে পারে, অন্য কিছু নয়।
‎আজকের দিনে তথ্য প্রাপ্তির পথ অত্যন্ত সহজলভ্য। ইন্টারনেটের এক ক্লিকেই হাজারো তথ্য, নিবন্ধ ও সারসংক্ষেপ চোখের সামনে চলে আসে। কিন্তু তথ্য আর জ্ঞান এক জিনিস নয়। তথ্য আমাদের সাময়িক কৌতূহল মেটায় বা কাজের সুবিধা করে দেয়, আর জ্ঞান আমাদের ভেতরটাকে সমৃদ্ধ করে, চিন্তাশক্তিকে শাণিত করে এবং জীবনদর্শনের ভিত্তি গড়ে দেয়। এই পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানলাভের একমাত্র এবং প্রধান মাধ্যম হলো বই পড়া। একটি পূর্ণাঙ্গ বইয়ের পাতায় পাতার সঙ্গে যখন একজন পাঠকের চোখ ও মনের সংযোগ ঘটে, তখন সেখানে এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক যাত্রা শুরু হয়, যা কোনো টুকরো তথ্য বা ডিজিটাল স্ক্রিনের ক্ষণস্থায়ী স্ক্রোলিংয়ে পাওয়া অসম্ভব।
‎বই পড়ার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত গভীর ও ইন্দ্রিয়গ্রাহী। কাগজের ঘ্রাণ, পাতা উল্টানোর শব্দ এবং একটি আস্ত কাহিনীর ভেতরে ডুবে যাওয়ার অনুভূতি কেবল একটি বস্তুগত বইই দিতে পারে। এর বিপরীতে, ডিজিটাল মাধ্যমে পড়ার সময় মনোযোগ বিক্ষিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বেশি থাকে। নোটিফিকেশন, পপ-আপ বিজ্ঞাপন বা ইন্টারনেটের নানা প্রলোভন পাঠকের মনোযোগকে বারবার ছিন্ন করে। ফলে লেখকের মূল ভাবনার গভীরে পৌঁছানো বা তার সাথে মানসিক ঐক্য স্থাপন করা কঠিন হয়ে পড়ে। বই আমাদের এক ধরনের একাগ্রতা শেখায়, যা আজকের দ্রুতগতির বিক্ষিপ্ত যুগে বড় বেশি দুর্লভ।
‎অনেকে মনে করেন, ই-বুক বা অডিওবুক বইয়ের বিকল্প হয়ে উঠতে পারে। নিঃসন্দেহে এগুলো প্রযুক্তির চমৎকার উপহার এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে অত্যন্ত উপযোগী। কিন্তু এগুলোকে বইয়ের পরিপূরক বলা চলে, বিকল্প নয়। অডিওবুক শোনার সময় আমাদের কল্পনাশক্তির ওপর শ্রোতা হিসেবে একধরনের সীমাবদ্বতা তৈরি হয়, কারণ কথক বা কণ্ঠশিল্পীর উচ্চারণের ওপর আমাদের নির্ভর করতে হয়। অথচ নিজে বই পড়ার সময় পাঠক নিজেই তার কল্পনার রঙে চরিত্র ও দৃশ্যপটকে জীবন্ত করে তোলেন। বই পড়ার এই সৃজনশীল প্রক্রিয়াটি একান্তই পাঠকের নিজস্ব।
‎সবশেষে বলা যায়, সমাজ পরিবর্তনশীল, প্রযুক্তির রূপ বদলায়, বিনোদনের মাধ্যমও নতুন থেকে নতুনতর হয়; কিন্তু মানুষের মননশীলতার খোরাক জোগাতে বইয়ের আসন চিরকাল অক্ষুণ্ণ থাকে। একটি ভালো বই মানুষের শ্রেষ্ঠ বন্ধু, সুসময়ের আনন্দ এবং দুর্দিনের সান্ত¡না। তাই যত আধুনিকতাই আসুক না কেন, মানুষের বিবেক, বুদ্ধি ও আবেগের সঠিক বিকাশ ঘটাতে বইয়ের স্থান কেউ দখল করতে পারবে না। বইয়ের বিকল্প কেবল বই-ই। লেখক: তারিক ইসলাম, ‎সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি।

 

কলারোয়ায় হাজী কল্যাণ সংস্থার মতবিনিময় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় হাজী কল্যাণ সংস্থার মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় আগামী ২২ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য হাজী সম্মেলন উপলক্ষে কলারোয়ায় এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে কলারোয়ার মরহুম ডাক্তার আনিসুর রহমান ভবনের দ্বিতীয় তলায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কলারোয়া উপজেলা হাজী কল্যাণ সংস্থার সভাপতি ও কলারোয়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবু নসরের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা হাজী কল্যাণ সংস্থার সভাপতি আলহাজ মো. দ্বীন আলী। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ গোলাম মোস্তফা। উপজেলা হাজী কল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কাজী শামসুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইউনুস আলী, শাহীনুর রহমান ও আব্দুর রউফ উপস্থিত ছিলেন।