রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনও ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৯ অপরাহ্ণ
স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনও ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গুম কোনও সাধারণ অপরাধ নয়। এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ। কারণ গুম শুধু একটা মানুষকে কেড়ে নেয় না। কেড়ে নেয় মানুষের হাসি, স্বপ্ন ও অর্থনৈতিক স্বস্তি। ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘর’-এর দুঃসহ থাবা বাংলাদেশের বুকে চেপে বসেছিল।

রবিবার (৩০ আগস্ট) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান ও প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

বক্তব্যের শুরুতে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে জোরপূর্বক গুমের শিকার সব মানুষকে ও স্মরণ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, আমাদের সংবিধান নাগরিকের জীবন, ব্যক্তি স্বাধীনতা, আইনের সুরক্ষা ও মানবিক মর্যাদার নিশ্চয়তা দিয়েছে। গুম-খুনের মাধ্যমে কার্যত সেই অধিকারগুলোর সবকটিকেই একসঙ্গে ভুলুণ্ঠিত করা হয়। অথচ বিগত দিনে যারাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন, ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন, গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের জন্য যখনই আন্দোলন করেছেন, তখনই তাদের স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, গুম করা হয়েছে, গোপনে খুন করা হয়েছে। অথচ ফ্যাসিস্টের আজ্ঞাবহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এই গুরুতর অপরাধকে সর্বদা অস্বীকার করে গেছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমরা ভুলে যাইনি বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতা ইলিয়াস আলী, ওয়ার্ড কমিশনার চৌধুরী আলম, একটি ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম সুমনসহ অগণিত মানুষকে। যাদের পরিবারের প্রতিটি রাত কাটছে বুকভরা বেদনা, অনিশ্চয়তা ও প্রতীক্ষা নিয়ে। আইনজীবী ব্যারিস্টার আরমান, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজমীসহ অসংখ্য ভিন্ন মতাবলম্বী, কর্মকর্তা, লেখক, সাংবাদিক, সমাজকর্মী, এমনকি গৃহবধূ ও সাধারণ নাগরিককে বছরের পর বছর অন্ধকার, স্যাঁতসেঁতে, আলো-বাতাসহীন আয়নাঘরে আটকে রাখা হয়েছিল। সেখানে প্রতিটি মুহূর্ত ছিল মৃত্যুর চেয়েও ভয়াবহ। মঞ্চে উপবিষ্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকেও গুম করে ভিনদেশে ফেলে আসা হয়েছিল। তাদের মধ্যে কেউ কেউ সৌভাগ্যক্রমে আমাদের মাঝে ফিরে এসেছেন। এ দেশে আজও এমন বহু মানুষ আছেন, যারা আজ পর্যন্ত আর ফিরে আসেননি। যে গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য ১৯৭১ সালে আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে দেশটাকে স্বাধীন করেছিলেন, সেই স্বাধীন দেশে গুম-খুনের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে চূড়ান্ত অন্যায় আর ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে একটা ভয়ানক ও ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এ এক অত্যন্ত বেদনাদায়ক, অপমানজনক অধ্যায়।

মির্জা ফখরুল বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ফ্যাসিবাদী সরকারের গুম-খুনের বিরুদ্ধে সব সময় সোচ্চার ছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, একদিন এই গুম, খুন, অত্যাচার, নির্যাতনের বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে। শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল, সামাজিক শক্তি, গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ ও সর্বস্তরের জনগণকে, যাদের অনেকে গুম-খুনের শিকার হয়েছেন। নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে সেই ফ্যাসিবাদ বংশবদ দেশ থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছে। এখন প্রতিশোধ নয়, প্রতিকারের ব্যবস্থা নিতে হবে, প্রকৃত অপরাধীদের আইনানুগ শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

তিনি বলেন, এখানে গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে যে সত্য বেরিয়ে এসেছে, তা শুধু বেদনাদায়কই নয়, অত্যন্ত লজ্জাজনক ও ভয়াবহ। কমিশন ১ হাজার ৫৬৯টি ঘটনাকে সুনির্দিষ্টভাবে গুম হিসেবে চিহ্নিত করেছে। যার মধ্যে ২৮৭ জন নিখোঁজ ও মৃত। এই প্রতিবেদনে নির্বাচনের আগে গুমের ঘটনা বেড়ে যাওয়া, বেছে বেছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের জোরপূর্বক গুম ও গোপনে খুন করার যে চিত্র ফুটে উঠেছে তা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, রাষ্ট্রক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে রাখতেই দলীয় ও ব্যক্তি স্বার্থে এই বর্বর, পৈশাচিক ও ঘৃণ্য কাজগুলো বেশি করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, কমিশনের প্রতিবেদন আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছে, কিন্তু পথ এখনও অনেক দীর্ঘ। এবারের আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের প্রতিপাদ্য: ‘Victims first, Action now’ । গুমের শিকার ব্যক্তি ও পরিবারকে রক্ষা এবং গুমকে চিরতরে নিষিদ্ধ করতে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়েছে। বাংলাদেশ আর্ন্তজাতিক গুম প্রতিরোধ সনদে স্বাক্ষর করেছে। আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের মাধ্যমে গুম এবং গণহত্যার বিচারের কাজ স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে এগিয়ে চলছে। তবে শুধু অপরাধীদের শাস্তি দিলেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব শেষ হবে না। যেসব পরিবার বছরের পর বছর প্রিয়জনের অপেক্ষায় সীমাহীন অনিশ্চয়তা, আর্থিক সংকট ও মানসিক যন্ত্রণা বহন করেছে, তাদের মর্যাদা, সামাজিক নিরাপত্তা, চিকিৎসা, শিক্ষা, জীবিকা ও পুনর্বাসনের দায়িত্বও রাষ্ট্রকে গ্রহণ করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে—কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থাকবে না। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে—কিন্তু ভয়ের সংস্কৃতি থাকবে না। আইনশৃঙ্খলা থাকবে—কিন্তু আইনের নামে মানবাধিকার ও সুবিচার লঙ্ঘনের সুযোগ থাকবে না। রাষ্ট্রের ক্ষমতা থাকবে—কিন্তু সেই ক্ষমতার ওপর থাকবে সংবিধান ও আইনের নিয়ন্ত্রণ। আমাদের মনে রাখতে হবে, একটি দেশের উন্নয়ন ও সাফল্য শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। বরং একটি রাষ্ট্র কতটা গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমুখী, কতটা ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক এবং তার নাগরিক কতটা নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করে—সেটি একটি রাষ্ট্রের প্রকৃত উন্নয়ন ও সাফল্যের চিত্র তুলে ধরে। আর এমন একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতেই আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, এই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনও ‘আয়নাঘর’ থাকবে না। আর কোনও মাকে সন্তানের জন্য, কোনও স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না। প্রতিটি গুমের ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের—তা সে যতো বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন—বিচারের মুখোমুখি করা হবে। আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি তাদের পেতেই হবে। এই দেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সব পথ চিরতরে বন্ধ করা হবে।

Ads small one

লোকচক্ষুর অন্তরালে কয়রায় শেওড়া গ্রামের কান্তরামের জমিদারবাড়ি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
লোকচক্ষুর অন্তরালে কয়রায় শেওড়া গ্রামের কান্তরামের জমিদারবাড়ি

জি এম রিয়াজুল আকবর, কয়রা (খুলনা): খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার বাগালী ইউনিয়নের শেওড়া গ্রামে কপোতাক্ষ নদের তীরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় তিনশ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক কান্তরামের জমিদারবাড়ি। অষ্টাদশ শতকের শুরুর দিকে গহীন সুন্দরবন পরিষ্কার করে কান্তরাম মন্ডল এই জমিদারির গোড়াপত্তন করেছিলেন। ঐতিহাসিক স্থাপনাটি এখন অযতœ ও অবহেলায় ধ্বংসের মুখে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দ্বিতল বিশিষ্ট এই জমিদারবাড়িতে মোট দশটি কক্ষ রয়েছে। বর্তমানে বাড়িটির দ্বিতীয় তলার ছাদে ভাঙন ধরেছে এবং ছাদজুড়ে জন্মেছে নানা ধরনের গাছপালা।

 

দীর্ঘকাল সংস্কার না করায় এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবের কারণে এর বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত জরাজীর্ণ। বাড়িটির আশেপাশে এবং একই ইউনিয়নের বামিয়া ও বাঁশখালী গ্রামে জমিদারের কয়েকশ বংশধর বসবাস করছেন। বেঁচে থাকা বয়স্ক বংশধরদের মধ্যে চতুর্থ প্রজন্মের একমাত্র নাতি ৯০ বছর বয়সী অশ্বিনী মন্ডল বর্তমানে বাড়িটির স্মৃতি আঁকড়ে টিকে আছেন।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এই জমিদারবাড়িটি পাকিস্তানি বাহিনী ও স্থানীয় দোসরদের ব্যাপক লুটপাটের শিকার হয়। বাড়ির দেয়ালে গেঁথে থাকা অসংখ্য গুলির দাগ এখনো সেই ভয়ঙ্কর দিনগুলোর নীরব সাক্ষী বহন করছে।

যথাযথ প্রচারণার অভাব এবং লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা এই ঐতিহাসিক নিদর্শনটি রক্ষায় প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর যদি বাড়িটির দায়িত্ব নিয়ে দ্রুত সংস্কার ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়, তবে এটি দেশের একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান ও পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।

প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের খুলনা ও বরিশাল বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক মোঃ মহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা এই বাড়িটা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

কয়রায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে ক্যাম্পেইন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
কয়রায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে ক্যাম্পেইন

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: কয়রায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন উপলক্ষে ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৩০ আগষ্ট) সকাল ১০ টায় বেসরকারি এনজিও সংস্থা বারসিক এর আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

এসময় উপজেলা সুশিল সমাজ সংগঠন (সিএসও) কয়রা উপজেলার সভাপতি আনজুমানারা বেগমের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক শেখ মনিরুজ্জামান মনুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি শ্রাবনী বিশ্বাস, বক্তব্য রাখেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল্লাহ আল জাবির,সমাজ সেবা অফিসার মোঃ আবুল কালাম আজাদ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোঃ ইস্তিয়াক আহমেদ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আকরাম হোসেন, সমবায় অফিসার মোঃ তোরাব আলী, কয়রা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মোঃ সদর উদ্দীন আহমেদ, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, যুবদলের আহবায়ক মোঃ শরিফুল আলম, উপজেলা সিএসও কমিটির সদস্য বাবলু জোয়ারদার, মুক্তি রাণী, ও রাসেল আহম্মেদ, উওর বেদকাশি গ্রাম সিএসও কমিটির সভাপতি রেবেকা খাতুন প্রমুখ।

এর আগে কয়রা উপজেলা সদরে একটি রেলি বের হয় সেটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদর্শন করে।

এসময় বক্তারা, পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে নানামুখী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

দেবহাটায় সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ক মতবিনিময় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ক মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেবহাটায় সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৩০ আগস্ট) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কিম ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনা জাতীয় পেনশন সহকারী মহাব্যবস্থাপক (উপসচিব) আলমগীর হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পারুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, দেবহাটা থানার তদন্ত কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আল মাহমুদ, দেবহাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাম, সরকারি খান বাহদুর আহছানউল্লা কলেজের অধ্যাপক অলোক কুমার ব্যানার্জী, দেবহাটা উপজেলা প্রকৌশলী দ্যুতি মন্ডল, দেবহাটা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জয়দেব কুমার পাল, হাজী কিয়ামউদ্দিন মেমোরিয়াল মহিলা কলেজের অধ্যাপক আবু কালাম, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা কাজী সিদরাতুল মুনতাহা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, উপজেলা একাডেমি সুপার ভাইরাস মিজানুর রহমান, উপজেলা সরকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজাহান আলী, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শাহীনা খাতুন, উপজেলা ইন্সট্রাক্টর ইউপিইটিসি মহিতোষ কর্মকার, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সন্দীপ কুমার মন্ডল, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার আহমেদ তাহমীর সিদ্দিকী, উপজেলা পল্লী দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তাএস এম ইব্রাহিম হোসেন, শাখা ব্যবস্থাপক, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক প্রদীপ কুমার মন্ডল, দেবহাটা প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওহাব, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফরেস্টার উপজেলা সামাজিক বনায়ন কেন্দ্রের কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক, দেবহাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেন, সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সাজু পারভীন, দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক ইমরান ফহরাদ, জুলাই যুদ্ধ মুজাহিদ বিন ফিরোজ, দেবহাটা সরকারি বিবিএমপি ইনস্টিটিউট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মোদন মোহন পাল, দেবহাটা সরকারি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক অনুপ কুমার পাল প্রমুখ।