রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিনকে দুদকে তলব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ
সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিনকে দুদকে তলব

বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) এস এম শফিউদ্দিন আহমেদকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টায় তাকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হয়ে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে।

রবিবার (৩০ আগস্ট) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের পরিচালক মো. আবুল হাসনাতের সই করা নোটিশে বলা হয়েছে, এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ‘বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ’ অনুসন্ধান করছে কমিশন।

অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদকের পরিচালক আবুল হাসনাতকে দলনেতা এবং উপপরিচালক মোজাম্মিল হোসেনকে সদস্য করে দুই সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে শফিউদ্দিন আহমেদের বক্তব্য শোনা ও গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ জন্য নির্ধারিত দিনে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিসহ তাকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

দুদকের নথি অনুযায়ী, শফিউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর।

জেনারেল (অব.) এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ২০২১ সালের ২৪ জুন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিন বছর সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ২০২৪ সালের ২৩ জুন অবসরে যান।

সেনাপ্রধানের দায়িত্বে থাকার সময় তিনি বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

Ads small one

মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: মাদার তেরেসার ১১৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ‘মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা মিলনায়তনে সাউথ এশিয়া সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। মাদার তেরেসার মানবসেবা ও মানবিক আদর্শকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বরেণ্য কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, গবেষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন।

পাখি, পরিবেশ ও সাংবাদিকতায় অসামান্য ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ অনুষ্ঠানে সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধানকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সাউথ এশিয়া সাহিত্য পরিষদের সভাপতি গাজী আব্দুল আলীমের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব মো. আজগর হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত রূপ নেয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার সম্পাদক ও প্রকাশক, কবি ও সাংবাদিক অশোক ধর। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সাউথ এশিয়া সাহিত্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব আবু ওবায়েদ বাদল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিহাব রিফাত আলম, রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট আলেয়া বেগম লাকী, এম ইমরান উদ্দিন, জামাল উদ্দিন নাসির, অনির্বাণ ভক্ত, অধ্যাপক মো. আমীর হোসেন, মো. শামসুল আলম, মাহবুবা শাহরীন মিতু, মোছা. আলেয়া বেগম, মো. সাজ্জাদ হোসেন বিশ্বাস, মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, সাংবাদিক সানোয়ার খান, সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান, কবি ও সাংবাদিক মো. শফিউল্লাহ মিয়া, সবুজ রায় প্রমুখ।

সাংস্কৃতিক পর্বে সংগীত ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন সুরমা আক্তার, সাকিনা কাইউমসহ অন্যান্য শিল্পীরা। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সেলিম মাহবুব ও সাকিনা কাইউম। যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন শেখ মো. আসিফ হোসেন ও দীপংকর ঘোষ। সমাপনী পর্বে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সাউথ এশিয়া সাহিত্য পরিষদের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. আল আমিন সিকদার।

 

চিনাডাঙ্গায় তিলেরআটী খাল পরিষ্কার ও তালের বীজ রোপণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
চিনাডাঙ্গায় তিলেরআটী খাল পরিষ্কার ও তালের বীজ রোপণ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার চিনাডাঙ্গা এলাকায় ‘সফল ফর ইন্টিগ্রেটেড ওয়াটার রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট’ প্রকল্পের আওতায় তিলের আটী খাল পরিষ্কার ও তালের বীজ রোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার সকালে চিনাডাঙ্গা তিলেরআটী খাল ব্যবস্থাপনা কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, দেবহাটা উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফি, উত্তরণের ওয়াটার ক্লাস্টার ফ্যাসিলিটেটর মশিয়ার রহমান, ওয়াটার ক্লাস্টার অফিসার নাজমুল বাশার, সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়ার প্রোগ্রাম অফিসার আব্দুর রহমান নাহিদ, প্রোগ্রাম অফিসার মশিউর রহমান, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের ম্যানেজার সোহেল মাহমুদ, সাবেক ইউপি সদস্য ও ওয়াটারশেড কমিটির সভাপতি মোনাজাত আলী, ওয়াটারশেড কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল গফ্ফারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

বক্তারা উল্লেখ করেন, খাল পরিষ্কার ও তালের বীজ রোপণের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এই উদ্যোগ। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে টেকসই পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।

সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: নিত্যপণ্যের লাগামহীন দরদাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: নিত্যপণ্যের লাগামহীন দরদাম

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নি¤œ ও মধ্যবিত্ত মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে চরম সংকটের মুখে ফেলেছে। চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, আটা থেকে শুরু করে কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ ও সবজির মতো নিত্যদিনের অনুষঙ্গগুলোর আকাশছোঁয়া দামে পরিবার চালনা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। লাগাতার ভারী বৃষ্টি ও দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার মতো প্রাকৃতিক কারণে সবজির উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার বিষয়টি সত্য হলেও, খুচরা বাজারে যেভাবে রাতারাতি দাম দ্বিগুণের কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছে, তা কেবল প্রাকৃতিক দুর্যোগ দিয়েই ব্যাখ্যা করা যায় না।

প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার সুযোগ নিয়ে বাজারের একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের পাঁয়তারা করছেÑএমন অভিযোগ ক্রেতাসাধারণের। নিয়মিত কার্যকর তদারকি ও বাজার মনিটরিংয়ের ঘাটতিই সিন্ডিকেট ও অসাধু ব্যবসায়ীদের এমন বেপরোয়া আচরণের মূল সুযোগ করে দিচ্ছে। আয়ের পরিধি স্থবির থাকলেও দৈনন্দিন ব্যয় প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষ পুষ্টিকর খাবার ও অন্যান্য মৌলিক প্রয়োজন কাটছাঁট করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে জনস্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

এই পরিস্থিতি থেকে সাধারণ মানুষকে মুক্তি দিতে স্থানীয় প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে আরও সক্রিয় ও কঠোর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে। পাইকারি থেকে খুচরা—বাজার ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপে তদারকি নিশ্চিত করা এবং অহেতুক মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। একই সাথে কৃষি পণ্যের সরবরাহ শৃঙ্খল স্বাভাবিক রাখতে পরিবহন ব্যবস্থার জট নিরসন এবং কৃষক পর্যায় থেকে সরাসরি বাজারজাতকরণের সুযোগ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। উপকূলের মেহনতি ও সীমিত আয়ের মানুষের জীবনযাত্রাকে সহনীয় পর্যায়ে রাখতে অবিলম্বে দ্রব্যমূল্যের এই লাগামহীন গতি রোধ করাই এখন স্থানীয় প্রশাসনের প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।