রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩

পাইকগাছায় নজরুল বর্ষ পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় নজরুল বর্ষ পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় নজরুল বর্ষ পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকার আলোকে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ অধ্যাপক সমরেশ রায়, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রওশনা পারভীন, সমবায় কর্মকর্তা হুমায়ূন কবির, সমাজসেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার বিশ্বাস, বন কর্মকর্তা প্রবীর কুমার দত্ত, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মরিউম আক্তার এবং এসএফডিএফ কর্মকর্তা জি এম জাকারিয়া।

রাজনীতিবিদ ও সামাজিক ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. আবদুল মজিদ, জামায়াতে ইসলামী খুলনা জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আমিনুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, সদস্যসচিব এস এম ইমদাদুল হক, তুষার কান্তি মন্ডল, বীর মুক্তিযোদ্ধা রণজিৎ কুমার সরকার, ষোলআনার সভাপতি জি এম শুক্রুজ্জামান ও মাওলানা আশরাফুল ইসলাম।

শিক্ষাবিদ ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ উৎপল বাইন, প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল ওহাব, দেবাশীষ সরদার, রহিমা আখতার শম্পা, অঞ্জলী রাণী শীল ও মডেল মসজিদের ইমাম মো. আশরাফুল ইসলাম।

এছাড়াও সভায় স্থানীয় এমসি শওকত হোসেন, প্রেসক্লাব পাইকগাছার সভাপতি প্রকাশ ঘোষ বিধান, সাংবাদিক পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল, আবুল হাশেমসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, স্থানীয় সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা আগামী ৩১ আগস্ট দেশব্যাপী একযোগে অনুষ্ঠিতব্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে উপজেলায় কিন্ডারগার্টেন, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কলেজ পর্যায়ে নজরুলসংগীত, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, একক অভিনয়, একক নৃত্য, হামদ-নাত, উপস্থিত বক্তৃতা ও রচনা প্রতিযোগিতা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

Ads small one

সাইদুর রহমানের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা ও খুলনা বিভাগীয় আম্পায়ার্স এসোসিয়েশনের শোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
সাইদুর রহমানের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা ও খুলনা বিভাগীয় আম্পায়ার্স এসোসিয়েশনের শোক

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্কোরার সাইদুর রহমান ভূঁইয়া (৫৬) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন।
রোববার (৩০ আগস্ট) ভোর ৬ টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল)-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সাইদুর রহমান ২০১৩-১৪ সেশনে বাংলাদেশ ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশন খুলনা বিভাগ থেকে ‘বেস্ট স্কোরার অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেছিলেন।
তার আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট আম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের খুলনা বিভাগীয় এবং সাতক্ষীরা জেলা শাখা। বিবৃতিতে সাতক্ষীরা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন। বিবৃতিদাতারা হলেন- এসোসিয়েশনের সভাপতি ও জেলা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম, সহ-সভাপতি খন্দকার কবির হাসান দিপু ও শেখ রবিউল ইসলাম শিবলু, সাধারণ সম্পাদক মো. লুৎফর রহমান সৈকত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জি এম সাইফুল ইসলাম বাপ্পি, কোষাধ্যক্ষ শেখ আখেরুজ্জামান তাপস, দপ্তর সম্পাদক সঞ্জীব কুমার ব্যাণার্জী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফজলুল করিম, এবং কার্যকরী সদস্য জেলা ক্রীড়া সংস্থার ক্রিকেট সম্পাদক ইকরামুল ইসলাম লালু, মো. জিয়াউর রহমান সবুজ, অহিদুজ্জামান শামিম, আরিফ হোসেন জেম, ফিরোজ রহমান, শেখ দারুজ্জামান রুবেল, শেখ রফিকুর রহমান লাল্টু, মো. মহাসীন আলী ও এস এম হাবিবুল হাসান। পৃথক বিবৃতিতে খুলনা বিভাগীয় শাখার সভাপতি আবু মোঃ আখতারুজ্জামান (মুকুল) গভীর শোক ও বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মহান আল্লাহর দরবারে মরহুমের সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাত নসিব করার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন।

 

শ্যামনগরে নারীর প্রতি সহিংসতা নিরসনে সচেতনতামূলক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে নারীর প্রতি সহিংসতা নিরসনে সচেতনতামূলক কর্মশালা

নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে এবং পারিবারিক সমতা তৈরিতে পুরুষ ও যুবদের নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩০ আগস্ট সকাল ১০টায় সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জে সিসিডিবি-শক্তি প্রকল্প কার্যালয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ‘সিসিডিবি শক্তি প্রজেক্ট’-এর বাস্তবায়নে মুন্সিগঞ্জ ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের ২৫ জন প্রতিনিধি এতে অংশ নেন।
প্রশিক্ষণে সভাপতি ও প্রধান প্রশিক্ষক ছিলেন সিসিডিবি-শক্তি প্রকল্পের এরিয়া ম্যানেজার নিলীমা রানী। সহায়ক প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন শুভ্রা রানী ম-ল ও তন্দ্রা রানী। কর্মশালায় জেন্ডার সমতা, নারীর অধিকার ও নারীদের এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে পরিবারের পুরুষের ইতিবাচক ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

গর্ভবতী নারীদের নিরাপদ সন্তান প্রসব নিশ্চিতের লক্ষ্যে সেমিনার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
গর্ভবতী নারীদের নিরাপদ সন্তান প্রসব নিশ্চিতের লক্ষ্যে সেমিনার

খেশরা (তালা) প্রতিনিধি: গর্ভবতী নারীদের নিরাপদ সন্তান প্রসব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরার তালায় এক সেমিনার ও কমিউনিটি এনগেজমেন্ট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩০ আগস্ট সকাল ১০টায় দাতা সংস্থা ‘মাল্টিজার ইন্টারন্যাশনাল’-এর সহায়তায় এবং ‘মুক্তি ফাউন্ডেশন’-এর বাস্তবায়নে খেশরা ইউনিয়নের শালিখা ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মুক্তি ফাউন্ডেশনের পরিচালক গোবিন্দ ঘোষ।
অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন শালিখা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বিধান চন্দ্র সাধু। প্রকল্প কর্মকর্তা ও প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর অ্যাডভোকেট মো. মহিউদ্দিন মোল্যা প্রজেক্টের বিভিন্ন বিষয় ও নিরাপদ প্রসবের গুরুত্ব নিয়ে একটি মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। উপস্থাপনায় মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর বর্তমান হার, বাড়িতে ও হাসপাতালে প্রসবের চিত্র এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার ধাপগুলো তুলে ধরা হয়।
আলোচনায় অংশ নেন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, স্থানীয় ইমাম, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের প্রতিনিধি, কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মকর্তা ও উপকারভোগী গর্ভবতী নারীরা।
বক্তারা বলেন, দেশে এখনো ৩৩ থেকে ৩৬ শতাংশ সন্তান প্রসব বাড়িতে হওয়ায় জটিলতা বাড়ছে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রতি লাখ জীবিত জন্মে ১৩৬ জন মা এবং প্রতি হাজার জীবিত জন্মে ২০ জন নবজাতক মারা যাচ্ছে। সচেতনতা বৃদ্ধি ও সঠিক সময়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়ার মাধ্যমে মাতৃ ও শিশু মৃত্যু শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব বলে সভায় একমত পোষণ করা হয়।