রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

পাইকগাছায় আমন চাষিদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এলো বৃষ্টি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় আমন চাষিদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এলো বৃষ্টি

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): পাইকগাছায় রোপা আমন ধানের চারা রোপন পুরাদমে এগিয়ে চলেছে। কৃষকরা আমনের আবাদ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাঁটাচ্ছে। আমন ধান চাষ মূলত পুরোপুরি বৃষ্টিনির্ভর, তাই সময়মতো বৃষ্টি আমন আবাদে বড় ধরনের আশীর্বাদ হিসেবে কাজ করে। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে ফসলি জমিতে পানি জমেছে। বৃষ্টির এই সুফল কাজে লাগিয়ে কৃষকরা আমন চাষে মনোযোগী হয়ে উঠেছেন। এই ভারি বৃষ্টি যেন আমন চাষিদের স্বপ্নে আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে।

জলবায়ু পরিবর্তন ও আবহাওয়া জনিত কারণে উপকূল এলাকায় কৃষির মৌসুম দেরিতে শুরু হয়। লবণাক্ত উপকূল এলাকার পানি ও মাটি আমন চাষের জন্য লবনমুক্ত তৈরী করতে কিছুটা সময় বেশি লাগে। মাটি থেকে অতিরিক্ত লবণ দূর করে চাষ উপযোগী ও লবণমুক্ত হলে চারা রোপন করা হয়। তাছাড়া মৎস্য লীজ ঘের গুলো কিছুটা নিচু হওয়ায় আমন চাষের উপযোগি করতে আরো বেশি সময় লাগে। সে কারণে উপকূলের এ অঞ্চলে কৃষির আবাদ অন্যান্য এলাকা থেকে ২০ থেকে এক মাস পরে আবাদ শুরু হয়।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে উপজেলায় ১৩ হাজার ৩৩০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। আমন আবাদের জন্য ৭২৬ হেক্টর বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ১০ হাজার ৬শ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। কৃষকরা জমি তৈরি ও চারা রোপন নিয়ে ব্যস্ত দিন পার করছে। উপজেলার গদাইপুর গ্রামের কৃষক রফিকুল বলেন, বৃস্টির কারণে আউশ ধান কাটতে দেরী হওয়ায় আমনের চাষও দেরিতে শুরু হয়েছে। গোপালপুর গ্রামের কৃষক শহিদুল বলেন, এলাকায় চাহিদার তুলনায় ধানের চারা কম থাকায় বিভিন্ন এলাকা থেকে অধিক মূল্য দিয়ে ধানের চারা ক্রয় করতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন জানান, উপকূলের পাইকগাছা অঞ্চলের চাষাবাদ কিছুটা আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে। সে জন্য অন্য এলাকার তুলনায় এ এলাকার কৃষি কাজ কিছুটা দেরিতে শুরু হয়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমনের আবাদ ভাল হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।

Ads small one

সোনাবাড়ীয়ায় প্রভাতী সংঘের ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
সোনাবাড়ীয়ায় প্রভাতী সংঘের ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ৬নং সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়নে সোনাবাড়ীয়া প্রভাতী সংঘ আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টের বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল খেলা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় সোনাবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয় সোনাবাড়ীয়া ইউনাইটেড ফুটবল একাদশ ও সোনাবাড়ীয়া দুরন্ত ফুটবল একাদশ। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ খেলায় দুরন্ত ফুটবল একাদশকে ২-১ গোলে পরাজিত করে সোনাবাড়ীয়া ইউনাইটেড ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

ফাইনাল খেলাকে ঘিরে সকাল থেকেই সোনাবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ ও আশপাশের এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করে। খেলা উপভোগ করতে সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়নসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো ফুটবলপ্রেমী দর্শক মাঠে উপস্থিত হন। দর্শকদের করতালি, উচ্ছ্বাস ও খেলোয়াড়দের নান্দনিক ফুটবল নৈপুণ্যে পুরো মাঠ পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত ক্রীড়াঙ্গনে।

সোনাবাড়ীয়া প্রভাতী সংঘের আহবায়ক মেহেদী হাসান রাজুর সভাপতিত্বে সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান এর সঞ্চালনায় খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়।

খেলাটি উপভোগ করেন ৬নং সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী মোকলেছুর রহমান, আকবর আলী বুলবুল, মাস্টার আব্দুল আজিজ বাবু, লেয়াকত আলী,আব্দুস সবুর, আরশাদ আলী,উজ্জল হোসেন, আমির হোসেন, আব্দুর রউফ, মাসুদ রানা, আরশাদ আলী, খালিদ হোসেন, খোরশেদ আলম, রুবেল হোসেন, শফিকুল ইসলাম, তুহিনুজ্জামান তুহিন, আব্দুল্লাহ, সোহাগ, জুয়েল, শাহাজান, তারেক, আলমগীর, ডাবলু, হাসান, রাজ্জাক, আলামিনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ফাইনাল ম্যাচটি দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করেন রেফারি আনার হোসেন বাচ্চু। তার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিচালনায় খেলাটি আরও উপভোগ্য হয়ে ওঠে। মাঠে প্রাণবন্ত ধারাভাষ্য দেন আনারুল ইসলাম ও আব্দুস সাত্তার। তাদের সাবলীল ধারাভাষ্য দর্শকদের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে।
আয়োজকরা জানান, যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা, মাদক ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে তরুণদের দূরে রাখা এবং স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়াচর্চার পরিবেশ সৃষ্টি করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজনের মাধ্যমে এলাকার তরুণদের সুস্থ, সুন্দর ও সুশৃঙ্খল জীবনযাপনে উৎসাহিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

ফাইনাল খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় আয়োজক ও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

তালা কামেল মডেল হাইস্কুল পরিদর্শন করেন ইউএনও জান্নাতুল আফরোজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
তালা কামেল মডেল হাইস্কুল পরিদর্শন করেন ইউএনও জান্নাতুল আফরোজ

তালা প্রতিনিধি: রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ টায় তালা শহীদ কামেল মডেল হাইস্কুল পরিদর্শন করেন বিদ্যালয়ের সভাপতি ও তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নিয়মিত পড়াশোনা, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা এবং বড় স্বপ্ন দেখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বাল্যবিবাহ, মাদকের কুফল ও স্মার্ট ফোনের অপব্যবহার নিয়েও কথা বলেন।

 

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, গান, ছবি আঁকা ও স্কাউটিংয়ের মতো সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেয়ার কথা বলেন। এতে যেমন তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটবে, তেমনি নেতৃত্বের গুণাবলী তৈরি হবে। এছাড়া মন দিয়ে পড়ালেখা করা এবং স্কুলে নিয়মিত উপস্থিত থাকা, শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করা, পিতা-মাতাসহ বড়দের মান্য করা, নিয়মমতো চলা, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, অসদুপায় বর্জন করা, সত্য কথা বলা, ভালো মানুষ হয়ে গড়ে ওঠা, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং দেশের একজন সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করার কথা তুলে ধরেন।

 

পরে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর সহযোগিতায় পরিচালিত স্কুলের ‘সততা স্টোর’ ঘুরে দেখেন এবং কিছু পরামর্শ প্রদান করেন। এদিকে ইউএনও মহোদয়ের এমন অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য তালা শহীদ কামেল মডেল হাইস্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি করে। তালা শহীদ কামেল মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক গাজী জাহিদুর রহমানসহ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।

ধামরাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণির অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
ধামরাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণির অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় ধামরাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সাকিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিদ্যালয়টির ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ সাকিবুর রহমান বলেন, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের শতভাগ পাসের লক্ষ্য নিয়ে অভিভাবকদের এগিয়ে আসতে হবে। অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে চমৎকার একটি সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে। বিগত বছরের তুলনায় আগামী বছরগুলোতে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও এসএসসি পরীক্ষায় সব শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন।

অনুষ্ঠানে গত আগস্ট মাসে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে ৮৫ শতাংশ উপস্থিতি নিশ্চিত করা ১৪ জন শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা সামগ্রী উপহার দেন সভাপতি।

সভায় আরও বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিএম মফিজুল ইসলাম ও সিনিয়র শিক্ষক মো. আবুল বাশার। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষকমন্ডলী, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে মো. হাসানুজ্জামান, প্রতিষ্ঠাতার পক্ষে তারকনিষ্ঠ পুত্র সালমান হাবিব চয়ন এবং অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।