বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

হাদির নাম মুছে আগের নামেই ফিরছে ঢাবির ‘শেখ মুজিবুর রহমান’ হল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ণ
হাদির নাম মুছে আগের নামেই ফিরছে ঢাবির ‘শেখ মুজিবুর রহমান’ হল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লেখা হলেও প্রশাসনিকভাবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তাই হলের নামফলক থেকে ওসমান হাদির নাম মুছে আগের নাম ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ লেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হল প্রশাসন।

গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর রাত আড়াইটার দিকে হলের মূল ফটকে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লেখা একটি ব্যানার টানানো হয়। তখন হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক আল সাবাহ গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, হলের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছে এবং অধিকাংশ শিক্ষার্থী নাম পরিবর্তনের দাবির পক্ষে মত দিয়েছেন।

হলের সিনিয়র অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার মো. জবান আলী বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নামটি সরিয়ে ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ লেখা হচ্ছে।

লিখিত আবেদন করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘লিখিত আবেদন আমাদের কাছে নেই। মৌখিকভাবে বারবার এসে তারা আমাদের বিরক্ত করছে। অভিভাবকরা বিভ্রান্ত হন। তাদের সার্টিফিকেটে এক নাম, আর বলা হচ্ছে আরেক নাম। এখন শুধু শেখ মুজিবুর রহমান হল লেখা হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, ‘গত সিনেটে আগের সব নাম আগের মতো রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন সেটাই করা হচ্ছে।’

এর আগে ২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর রাতে হলের মূল ফটক থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মুছে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লেখা হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা ওই নাম পরিবর্তন করেন।

শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তনের দাবিতে এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছিলেন ডাকসুর নেতারা। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৮ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ করার সুপারিশ করা হয়।

একই সভায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তন করে ‘বীর প্রতীক ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম হল’ করারও সুপারিশ করা হয়।

তবে ২৯ জুন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট অধিবেশনে শেখ পরিবারের নামে থাকা পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ ঘটনায় ডাকসুর পাঁচ সিনেট সদস্য অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন। পরে প্রস্তাবটি পুনরায় সিন্ডিকেটে পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে হলের প্রধান ফটক থেকে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নামটি মুছে ফেলার কাজ শুরু হয়। পরে সেখানে পুরোনো নাম ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ লেখার প্রস্তুতি নেওয়া হয়।

হল প্রশাসনের পক্ষ থেকেই নামটি সরিয়ে ফেলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন হল সংসদের বহিরাঙ্গন ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নামফলক সরানোর একটি ছবি দিয়ে তিনি লেখেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজিব হলের সামনে এসে অনেকে বিভ্রান্ত হয়ে যায় হল চিনতে। আজ থেকে আর সেই বিভ্রান্তি থাকবে না। আগের নামটি ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে।’

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে হলটির নাম বর্তমানে ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’ হিসেবেই উল্লেখ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হল-সংক্রান্ত তথ্যে বলা হয়েছে, ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত এ হলটির নাম শেখ মুজিবুর রহমানের নামে করা হয়।

Ads small one

আদালত থেকে হাতকড়া খুলে পালানো পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
আদালত থেকে হাতকড়া খুলে পালানো পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় দুটি মাদক মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামি আদালত থেকে পালিয়ে যাওয়ার তিন ঘণ্টা পর আবার গ্রেপ্তার হয়েছেন। বুধবার দুপুরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম প্রথম আদালতের বারান্দা থেকে তিনি পালিয়ে যান। গ্রেপ্তার আসামির নাম শফিকুল ইসলাম (৩২)। তিনি সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার রাড়িপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ শফিকুলকে গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। জামিনে মুক্তির পর ২০২৫ সাল থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। এ ছাড়া পাটকেলঘাটা থানার অপর একটি মাদক মামলায় তাঁর দুই বছরের সাজা হয়। মঙ্গলবার রাতে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। বুধবার দুপুরে আদালতের ভবনে নেওয়ার সময় হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান শফিকুল।
সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক নাজমুল হক জানান, পালিয়ে যাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের পাশের একটি অটোস্ট্যান্ড থেকে বিকেল চারটার দিকে শফিকুলকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়। সাড়ে পাঁচটার দিকে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

আশাশুনিতে সড়কের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ মরা গাছ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে সড়কের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ মরা গাছ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের মানিকখালী ব্রিজ থেকে বড়দল সড়কের ফকরাবাদ এলাকায় রাস্তার পাশে একটি বড় শিশু-চটকা গাছ দীর্ঘদিন ধরে শুকিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ফকরাবাদ শ্যামা মিস্ত্রীর মিলের মোড় সংলগ্ন ওই সড়কে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী, পথচারী ও যানবাহন চলাচল করে। মরা গাছটির বড় দুটি ডাল হেলে থাকায় যেকোনো সময় তা ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিক ও ইটভাটা ব্যবসায়ী এস এম শরিফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জেলা পরিষদকে জানানো হলেও গাছটি অপসারণ করা হয়নি। আশাশুনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাও শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় দ্রুত গাছটি কেটে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন।

উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মারধর, গ্রেপ্তার ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ
উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মারধর, গ্রেপ্তার ২

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার চিলেডাঙ্গা গ্রামে এক তরুণীকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় রবিউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে জখম ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলে পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ মে চিলেডাঙ্গা মাঠে স্থানীয় এক তরুণীকে উত্ত্যক্তের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সাইমুন ও রফিকুল ঘটনার প্রতিবাদ করলে তাঁদের সঙ্গে হামলাকারীদের বাকবিত-া হয়। বিষয়টি সমাধানের জন্য সালিশের উদ্দেশে যাওয়ার পথে রবিউল ইসলামের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা তাঁকে লাঠিপেটা করে এবং টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেয়।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আরিফ জানান, ৬ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুই আসামিকে বুধবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।