শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

গ্রামীণ নারী দিবসের মেলায় জলবায়ু সহনশীল কৃষি ও নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্ব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
গ্রামীণ নারী দিবসের মেলায় জলবায়ু সহনশীল কৃষি ও নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্ব

পত্রদূত ডেস্ক: জলবায়ু সহনশীল কৃষিচর্চা, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে বাগেরহাটের রামপালে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেলায় গ্রামীণ নারী কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য, হস্ত ও কুটিরশিল্পের সামগ্রী, দেশীয় খাবার এবং পরিবেশবান্ধব কৃষিপ্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রামপাল উপজেলার ফয়লা বাজারে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় ইনিশিয়েটিভ ফর রাইট ভিউ (আইআরভি) এ মেলার আয়োজন করে। ‘জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন, টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতির প্রাণ’ স্লোগানে আয়োজিত মেলার উদ্বোধন করেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামান্না ফেরদৌসী। তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ নারী কৃষকদের উৎপাদন ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বিকাশের পাশাপাশি অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে এবং স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষিব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

উজলকুড় ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বিউটি বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উত্থাপন করেন আইআরভির ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ফার্মিং-মার্কেট অ্যাকসেস (সিআরএফএমএ) প্রকল্পের সমন্বয়কারী সৌরভ ভদ্র। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শাহিনুর রহমান, উপজেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সদস্য মো. আক্তার মোড়ল, ইউনিয়ন পরিষদের নারী সদস্য আসমা বেগম এবং সিআরএফএমএ প্রকল্পের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মো. আলমুজ্জামান ও জান্নাতুল ফেরদৌস।

মেলায় বিভিন্ন স্টলে স্থান পায় মৌসুমি শাকসবজি, দেশীয় ফল, পিঠাপুলি, নকশিকাঁথা, কুশিকাটার সামগ্রী, বেতের তৈরি ল্যাম্পশেড, ঝুড়ি, ধামা, ফুলদানি, বাঁশের কুলা ও পুঁতির ব্যাগ। এসব পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রির মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের সৃজনশীলতা, দক্ষতা এবং আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।

মেলার অন্যতম আকর্ষণ ছিল জলবায়ু সহনশীল কৃষি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিনির্ভর প্রযুক্তি। সিআরএফএমএ প্রকল্পের স্টলে প্রদর্শন করা হয় নারী কৃষকদের ব্যবহারের জন্য সহায়তাপ্রাপ্ত সৌরচালিত সেচপাম্প, সৌরবিদ্যুৎচালিত ডিম ফোটানোর ইনকিউবেটর, বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি, দেশীয় ফল ও ভার্মি কম্পোস্ট সার। পাশাপাশি আইআরভির বিভিন্ন প্রকাশনাও প্রদর্শিত হয়। এসব প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলার সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে কৃষিপণ্যের বাজারজাতকরণ ও বাজারসংযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে নারীদের আয় বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

Ads small one

সাতক্ষীরায় মাছ চুরি সন্দেহে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যা, ১০ জনের নামে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় মাছ চুরি সন্দেহে মৎস্যজীবীকে পিটিয়ে হত্যা, ১০ জনের নামে মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জিয়ালা এলাকায় ঘেরে মাছ চুরির সন্দেহে ক্ষিতিশ মন্ডল (৫৩) নামের এক মাছ চাষীকে গাছে বেঁধে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার নিহতের স্ত্রী সুলেখা মন্ডল বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামী করে তালা থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। এদিন ভোর রাতে জিয়ালা গ্রামের উত্তর খোলা বিলে ক্ষিতিশ মন্ডলকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত হয়। বেলা ১২ টার দিকে তালা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার ।

নিহত ক্ষিতিশ মন্ডল তালা সদরের জেয়ালা গ্রামের মৃত মনিন্দ্র নাথ মন্ডলের ছেলে। তিনি নিজেও একজন ঘের ব্যবসায়ী ছিলেন।

নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে জেয়ালা উত্তরখোলা বিলে বিশ্বনাথ ঘোষের মাছের ঘেরে চুরি সন্দেহে ক্ষিতিশ মন্ডলকে আটক করা হয়। আটকের পর স্থানীয় বিশ্বনাথ ঘোষ, শিমুল ঘোষ, সমর ঘোষ, ইব্রাহিম খাঁ, হাবিবুর গাজী, গফফার শেখসহ ১০-১৫ জন তাকে জেয়ালা শ্মশান ঘাট এলাকায় নিয়ে গাছে বেঁধে নির্মম নির্যাতন চালায়। নির্যাতনকারীরা তার হাত-পা ভেঙে দেয়, মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায় এবং চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা করে। ভোর পর্যন্ত তার ওপর এই বর্বর নির্যাতন চালানো হয়।

শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা ১২টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

নিহতের চাচাতো ভাই পার্থ মন্ডল বলেন, আমার চাচাতো ভাই ক্ষিতিশ মন্ডলের নিজেরই চার বিঘা জমির মাছের ঘের রয়েছে। চুরি সন্দেহে একটা মানুষকে রাতভর এভাবে গাছে বেঁধে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মেরে ফেলবে? আমরা এই নৃশংস হত্যাকান্ডের ন্যায়বিচার চাই।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসিন আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাছ চুরির অপবাদে পিটিয়ে ক্ষিতিশ মন্ডলকে হত্যা করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণের ব্যবস্থা করেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

সাতক্ষীরা পৃথক অভিযানে দুই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা পৃথক অভিযানে দুই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সদর ও তালায় পৃথক অভিযান চালিয়ে দুটি বাল্যবিবাহ সফলভাবে প্রতিরোধ করেছে প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। এর মধ্যে একটি ঘটনায় বরের পিতাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদরের বাঁকাল এলাকায় ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীর বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে তৎপর হয় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহারের নির্দেশে কিশোর-কিশোরী ক্লাবের ফিল্ড সুপারভাইজার আজিবর রহমান, করবী সুলতানা এবং প্রশিক্ষক তাসরিনা খাতুন ঘটনাস্থলে যান। তাদের সঙ্গে সদর থানা পুলিশের একটি দলও উপস্থিত হয়।

পুলিশ ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে বর পালিয়ে যায়। পরে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজের নির্দেশে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপপরিচালক নাজমুন নাহার ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এ সময় মেয়ের চাচার বাড়িতে বরের পিতা ও উভয় পক্ষের আত্মীয়স্বজনকে পাওয়া যায়।

বাল্যবিবাহের আয়োজন করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা গ্রামের বরের পিতাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধ করে মুচলেকা দিয়ে তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এ ছাড়া মেয়ের পিতা ও চাচার কাছ থেকেও মুচলেকা নেওয়া হয় এবং মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

অপরদিকে, একই দিনে তালা উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়নে আরেকটি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা হয়েছে। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর তালার কিশোর-কিশোরী ক্লাবের জেন্ডার প্রমোটার প্রসেনজিৎ ঘোষ ও প্রশিক্ষক রাজিবুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের খবর পেয়ে বরের গাড়ি মাঝপথ থেকে ফিরে যায়। পরে মেয়ের পিতার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয় এবং বিয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

 

কেনাকাটা, ঘোরাঘুরি ও পছন্দের পণ্য গুড়পুকুর মেলায় নারীদের অভিজ্ঞতা 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
কেনাকাটা, ঘোরাঘুরি ও পছন্দের পণ্য গুড়পুকুর মেলায় নারীদের অভিজ্ঞতা 

0-0x0-0-0#

মিলন বিশ্বাস : শারদীয় দুর্গাপূজার উৎসবমুখর পরিবেশে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলায় বেড়েছে দর্শনার্থীদের ভিড়। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) মেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছিল মানুষের সরব উপস্থিতি। দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রতিমা দর্শনে আসা মানুষও ঘুরে দেখছেন গুড়পুকুর মেলা। এতে মেলার প্রাণচাঞ্চল্য বাড়ার পাশাপাশি বেচাকেনায় গতি ফিরছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

মেলার মাঠজুড়ে সাজানো হয়েছে নানা ধরনের পণ্যের পসরা। পোশাক, প্রসাধনী, গৃহস্থালির সামগ্রী, শিশুদের খেলনা ও বাহারি সাজসজ্জার পণ্যের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের আনাগোনা দেখা গেছে। বিশেষ করে নারীরা পছন্দের পণ্য বেছে নিতে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরছেন। কেউ প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনছেন, আবার কেউ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মেলা ঘুরে উপভোগ করছেন উৎসবের আনন্দ।

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা দর্শনার্থীদের উপস্থিতি মেলায় বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে। প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে গুড়পুকুর মেলায় আসছেন। কেনাকাটা, ঘোরাঘুরি ও পছন্দের খাবার উপভোগের মধ্য দিয়ে সময় কাটাচ্ছেন তাঁরা। এতে মেলায় দর্শনার্থীদের সমাগম বাড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দোকানে বিক্রিও বাড়ছে।

মেলায় কেনাকাটা করতে আসা তালা উপজেলার জেয়ালা এলাকার কাকুলী ঘোষ বলেন, “গুড়পুকুর মেলায় এসে বেশ ভালো লাগছে। বিভিন্ন দোকানে ঘুরে পছন্দের জিনিস দেখেছি এবং কিছু প্রসাধনী কিনেছি। দামও সাধ্যের মধ্যে রয়েছে। সব মিলিয়ে কেনাকাটা করে আমি খুশি।”
খুলনার ডুমুরিয়া এলাকা থেকে আসা অরণ্য সাবিহা বলেন, “মেলায় অনেক ধরনের পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। ঘুরে ঘুরে পছন্দের কিছু পোশাক ও সাজসজ্জার সামগ্রী কিনেছি। দাম মোটামুটি সাধ্যের মধ্যে রয়েছে। পরিবারের সঙ্গে মেলায় ঘোরাঘুরি ও কেনাকাটা দুটিই উপভোগ করছি।”

আশাশুনির মানিকখালি এলাকা থেকে আসা বীথি রানী বলেন, “মেলায় এসে বিভিন্ন ধরনের গৃহস্থালির সামগ্রী দেখেছি। প্রয়োজন অনুযায়ী পছন্দের কিছু জিনিস কিনেছি। দাম সাধ্যের মধ্যে থাকায় কেনাকাটা করতে সুবিধা হয়েছে। সব মিলিয়ে মেলায় এসে ভালো সময় কাটিয়েছি।”
এদিকে মেলায় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা দেখা গেছে। ভিড়ের মধ্যে যাতে দর্শনার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারেন, সে জন্য নিরাপত্তাব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বাড়লেও সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ভালো রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলাকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি দূরদূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের আগ্রহও চোখে পড়ার মতো। দুর্গাপূজার আনন্দ, পরিবারের সঙ্গে ঘোরাঘুরি এবং পছন্দের পণ্য কেনার সুযোগ সব মিলিয়ে মেলাটি হয়ে উঠেছে মানুষের মিলনমেলা। দর্শনার্থীদের বাড়তি উপস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের বেচাকেনা আরও বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।