কয়রায় মৎস্য ঘেরে লুটপাট, বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানির অভিযোগ
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের ৬৩ নম্বর মহেশ্বরীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে ইউনুস আলী মোড়লের মৎস্য ঘেরে লুটপাটের সময় বাধা দেওয়ায় রোজিনা খাতুন নামের এক গৃহবধূকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর ও পরিধেয় বস্ত্র টেনেহিঁচড়ে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে।
কালিকাপুর গ্রামের মো. সোহেল গাজী, মৃত জহর আলী গাজীর দুই পুএ মো. কুদ্দুস গাজী ও মো. আছাদুল গাজী, দেয়াড়া গ্রামের মো. আ. হাই এবং মাদারবাড়িয়া গ্রামের মো. রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মহেশ্বরীপুর গ্রামের মোবারেক মোড়লের পুএ মো. ইউনুস মোড়ল কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, লোহার রড, শাবল, হাতুড়ি, ধারালো দা ও চাইনিজ কুড়াল নিয়ে মৎস্য ঘেরে প্রবেশ করে মাছ লুটপাট করতে থাকে। এ সময় পরিবারের সদস্য মোছা. রোজিনা খাতুন বাধা দিতে গেলে সোহেল গাজী তাঁর হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করেন। কুদ্দুস গাজী চুলের মুঠি ধরে হত্যার উদ্দেশ্যে পানিতে চুবিয়ে নাক, মুখ ও চোয়ালে আঘাত করেন।
অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে রোজিনা খাতুন অচেতন হয়ে পানিতে পড়ে গেলে আছাদুল গাজী পরিধেয় কাপড় টেনেহিঁচড়ে শ্লীলতাহানি ঘটান। এ ছাড়া রবিউল ইসলাম গলার স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল ছিনিয়ে নেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে অবস্থার অবনতি ঘটায় চিকিৎসকের পরামর্শে খুলনায় পাঠানো হয়। কয়রা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল জানান, তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






