বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

ইজারা নেওয়া জলমহাল নিয়ে মুখ খুললেন মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
ইজারা নেওয়া জলমহাল নিয়ে মুখ খুললেন মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার সলুয়া ও হাঁড়িয়া নদী খাল জলমহাল দখল নিয়ে মুখ খুলেছেন বিল নাটানা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি সঞ্জয় মন্ডল। বৃহস্পতিবার আশাশুনি প্রেসক্লাবে দেওয়া এক লিখিত বিবৃতিতে সঞ্জয় মন্ডল জানান, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তিনি সলুয়া ও হাঁড়িয়া নদী খালের জলমহাল দুটি গত ১ বৈশাখ ১৪৩২ থেকে ১৪৩৪ বাংলা সন পর্যন্ত তিন বছরের জন্য ইজারা গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে তিনি বৈধভাবেই এই জলমহাল ভোগদখল করছেন।

Ads small one

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালন উপলক্ষে ২টি সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালন উপলক্ষে ২টি সংবাদ সম্মেলন

বাংলাদেশ থেকে অপুষ্টি জনিত অন্ধত্ব নির্মূল এবং অপুষ্টি জনিত শিশুমৃত্যু প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে ২৮ জুন সারাদেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালন করা হবে। ঐ দিন সারাদেশের ন্যায় সিটি কর্পোরেশনের ৩১ ওয়ার্ডে বিভিন্ন স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে ৬-১১ মাস বয়সী সকল শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিট ‘এ’ ক্যাপসুল (এক লাখ আইইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (দুই লাখ আইইউ) খাওয়ানোসহ শিশুর বয়স ছয় মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর বিষয়ে পুষ্টি বার্তা প্রচার করা হবে।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে পালন উপলক্ষ্যে সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ আয়োজিত আজ (বৃহস্পতিবার) নগরীর শেরে বাংলা রোডস্থ নগর স্বাস্থ্য ভবনের সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিক অবহিতকরণ ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

অনুষ্ঠানে প্রশাসক বলেন, ভিটামিন এ ক্যাপসুল শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ রাতকানা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করার মাধ্যমে এ ক্যাম্পেইনকে সফল করার অনুরোধ করেন।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো: মেহেদী হাসান, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো: তরিকুল ইলসাম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলামসহ প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার কর্মীরা অংশ নেন।

সম্মেলনে জানানো হয়, মহানগরীতে মোট এক লাখ আট হাজার নয়শত ৫২ জন শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (এক লাখ আইইউ) খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা ১২ হাজার তিন শত ৩৭ এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুর সংখ্যা ৯৬ হাজার ৬৫৫ জন। এবছর সিটি কর্পোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডে মোট এক হাজর চারশত ২০জন ভলেন্টিয়ার, ওয়ার্ড ভিক্তিক কেন্দ্র সংখ্যা ৫৮০টি, মোট কেন্দ্র সংখ্যা ৭১০ টি, মোবাইল কেন্দ্র ৮০টি, এনজিও পরিচালিত কেন্দ্র ৫০টি এবং ৬২ জন সুপারভাইজার কাজ করবে। তথ্যবিবরণী

 

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালনে জেলা পর্যায়ে অ্যাডভোকেসি ও পরিকল্পনা সভা
বাংলাদেশ থেকে অপুষ্টি জনিত অন্ধত্ব নির্মূল এবং অপুষ্টি জনিত শিশুমৃত্যু প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে ২৮ জুন সারাদেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালন করা হবে। ঐ দিন সারাদেশে ৬-১১ মাস বয়সী সকল শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিট ‘এ’ ক্যাপসুল (এক লাখ আইইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (দুই লাখ আইইউ) খাওয়ানোসহ শিশুর বয়স ছয় মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানের বিষয়ে পুষ্টি বার্তা প্রচার করা হবে।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে পালন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার খুলনা নগরীর স্কুল হেলথ ক্লিনিকের সম্মেলনকক্ষে জেলা পর্যায়ে অ্যাডভোকেসি ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিভিল সার্জন ডা. মোছা. মাহফুজা খাতুন সভাপতিত্ব করেন।

সভাপতি বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে বিশেষ করে অভিভাবকগণকে শিশুদের ক্যাপসুল গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তিনি জানান, জেলার সকল সরকারি দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত সহযোগিতায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। এ লক্ষ্যে নিজ নিজ কর্মপরিধিতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে জনগণকে সচেতন করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, গত চার মাসের মধ্যে অথবা এরও আগে যারা ভিটামিন এ ক্যাপসুল গ্রহণ করেছে, তাদের এবার ক্যাপসুল প্রদান করা হবে না। শিশুকে অবশ্যই ভরা পেটে ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে। এ বছর ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের আওতায় নির্ধারিত একদিনই শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সভায় সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. মো: রফিকুল ইসলাম গাজী, পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের উপপরিচালক মো: আকিব উদ্দিন, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ উপজেলা স্বাস্থ্য প.প কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সভায় জানানো হয়, জেলার ৯ টি উপজেলার এবং ২ টি পৌর সভায় মোট তিন লাখ ২৩ হাজার আটশ ৫৭ জন শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিট ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ (দুই লাখ আইইউ) ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা ৩৯ হাজার তিনশত ৮৯ এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুর সংখ্যা দুই লাখ ৮৪ হাজার চারশ ৬৮জন। মোট এক হাজার সাতশত ৬২টি স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে টিকা প্রদান করা হবে। তথ্যবিবরণী

 

 

সাতক্ষীরায় এনজিও কর্মীর মোটরসাইকেল চুরি, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল চেহারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় এনজিও কর্মীর মোটরসাইকেল চুরি, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল চেহারা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে এক এনজিও কর্মীর মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলের মালিক মো. তৌহিদুজ্জামান সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিডো বাস্তবায়িত যুব-নেতৃত্বে দুর্যোগের ওপর স্থায়ী আদেশাবলী (এসওডি) ও আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা বিষয়ে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে এক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ওই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসে সিডোর প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. তৌহিদুজ্জামান তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উপজেলা পরিষদ চত্বরে রেখে সভায় যোগ দেন। অনুষ্ঠান শেষে বাইরে এসে তিনি দেখতে পান মোটরসাইকেলটি সেখানে নেই। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান না পেয়ে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্তকে অবহিত করেন। ইউএনওর পরামর্শে তিনি সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি মো. তৌহিদুজ্জামানের নামে নিবন্ধিত একটি হিরো স্পেন্ডার। এর রেজিস্ট্রেশন নম্বর সাতক্ষীরা-হ-১৪-৯৬১৫। অজ্ঞাত ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা উপজেলা পরিষদের নিচতলা থেকে মোটরসাইকেলটি চুরি করে নিয়ে গেছে বলে জিডি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় জিডি নং-১৫৬৫, তারিখ ২৩ জুন ২০২৬ দাখিল করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ও বিভিন্ন দোকানে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তির স্পষ্ট চেহারা দেখা গেছে। পুলিশ ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানা গেছে।

এদিকে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর ও আশপাশের এলাকায় মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও ভ্যানচুরির ঘটনা বেড়েছে।
বারবার এমন ঘটনা ঘটলেও কার্যকর নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

উপকূলের জন্য জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দসহ ২১ দফা সম্বলিত অর্থমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
উপকূলের জন্য জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দসহ ২১ দফা সম্বলিত অর্থমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ

পত্রদূত ডেস্ক: জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটে উপকূলের সংকট নিরসনে বিশেষ বরাদ্দ প্রদানসহ ২১দফা প্রস্তাব অন্তর্ভূক্ত করার দাবিতে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার গবেষণা সংস্থা ‘ড্রিম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (ডিআরডিএফ)’ এবং নাগরিক সংগঠন ‘সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন’-এর পক্ষ থেকে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। একই স্মারকলিপি পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোতে পাঠানো হয়েছে।

ডিআরডিএফ’র সভাপতি, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী এবং সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, উপকূলে প্রতিনিয়ত দুর্যোগ আঘাত হানছে। একইসঙ্গে লবণাক্ততা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেখানে সুপেয় পানি ও খাদ্য সংকট বেড়েছে। কৃষি ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ছে। এতে মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ছে এবং বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

এই সংকট মোকাবেলায় স্থানীয় জনগণ, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি, নাগরিক নেতৃবৃন্দ ও বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে উপকূলের জন্য সুনির্দ্দিষ্ট সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দসহ ২১দফা প্রস্তাবনা প্রণয়ন করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও প্রস্তাবিত বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাবসহ বেশকিছু প্রস্তাব অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি। যা সংসদে বাজেট আলোচনায় সংসদ সদস্যরাও বাজেট আলোচনায় তুলে ধরেছেন। বাজেট পাসের আগে উপকূলের জীবন-জীবিকা রক্ষায় ওই সকল গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবগুলো অন্তর্ভূক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে স্মারকলিপিতে।

স্মারকলিপিতে উল্লিখিত ২১ দফায় বলা হয়েছে, উপকূলীয় অঞ্চলকে জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করতে হবে। সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উপকূলীয় উন্নয়ন বোর্ড গঠন করতে হবে। পরিবেশবান্ধব ইকোনমিক জোন গঠন করতে হবে। টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ সংস্কার করতে হবে। উপকূলে সুপেয় পানি নিশ্চিত করতে হবে। ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো সংস্কার করে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও প্রবীণবান্ধব করে গড়ে তুলতে হবে। সুন্দরবন সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

এ বিষয়ে শিক্ষক ও গবেষক মীর মোহাম্মদ আলী বলেন, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অভাব এবং দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রত্যন্ত এলাকা উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রয়েছে। তাই উপকূলের মানুষের জীবন-জীবিকা, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দসহ সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা এখন সময়ের দাবি। বাজেট পাসের আগেই এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।