শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

কালিগঞ্জে মসজিদের জমি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
কালিগঞ্জে মসজিদের জমি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ

কৃষ্ণনগর (কালিগঞ্জ) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে পিত্তিরাজতলা বায়তুল আমান জামে মসজিদের জমি জবরদখলের চেষ্টা, মসজিদ কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং অপপ্রচার বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) জুমার নামাজ শেষে কৃষ্ণনগরের রঘুনাথপুরে মসজিদ প্রাঙ্গণে মুসল্লি ও স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে আলতাফ মোড়ল, লোকমান মোড়ল, আক্কাস আলী ও জিয়াদ আলী গাজীর বিরুদ্ধে মসজিদের জমি দখলের চেষ্টা, কমিটির সদস্যদের হয়রানিমূলক মামলায় জড়ানো এবং তাঁদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ তোলা হয়। বক্তারা এসব কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবি জানান।

বক্তারা দাবি করেন, কাগজপত্র অনুযায়ী মসজিদের জমির পরিমাণ ২৩ শতাংশ হলেও বর্তমানে এর মধ্যে মাত্র ১১ শতাংশ মসজিদের দখলে রয়েছে। ওই ১১ শতাংশ জমির অংশও কৌশলে দখলের চেষ্টা করছেন আলতাফ মোড়ল ও তাঁর সহযোগীরা। তাঁদের অভিযোগ, মসজিদ কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থানে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তাঁদের চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন বক্তারা।

তাঁরা আরও বলেন, আলতাফ মোড়ল ও তাঁর সহযোগীরা মসজিদ কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালতে পাঁচটি মামলা করেছেন, যা তাঁদের মতে হয়রানিমূলক। এসব মামলার মাধ্যমে কমিটির সদস্যদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।

বক্তারা দাবি করেন, আলতাফ ও লোকমান মোড়লদের শত বছরের পুরোনো চলাচলের পথ এখনো উন্মুক্ত রয়েছে এবং তাঁদের চলাচল স্বাভাবিক। তা সত্ত্বেও সহানুভূতি আদায়ের উদ্দেশ্যে পথ বন্ধের অভিযোগ প্রচার করা হচ্ছে বলে তাঁদের দাবি। তাঁদের অভিযোগ, চলাচলের পথের বিষয়টি সামনে এনে মসজিদের জমি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল মজিদ, সহসভাপতি আস ফারুকুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক ফারুক হোসেন, অর্থ সম্পাদক আব্দুল খালেকসহ স্থানীয় মুসল্লিরা।

মানববন্ধন থেকে মসজিদের জমি নিয়ে বিরোধের সুষ্ঠু সমাধান, দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহার এবং কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও সামাজিক মর্যাদাহানির অপচেষ্টা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

Ads small one

তালার জলাশয়ে কচুরিপানার বেগুনি-সাদা ফুলের সমারোহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
তালার জলাশয়ে কচুরিপানার বেগুনি-সাদা ফুলের সমারোহ

এম এম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: শরৎ পেরিয়ে হেমন্তের আগমনী আবহে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জলাশয়, বিল ও নিচু জমিতে ফুটেছে কচুরিপানার বেগুনি ও সাদা ফুল। একসময় অবহেলিত এই জলজ উদ্ভিদের ফুল এখন প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলেছে। সবুজের বুকে বেগুনি-সাদা ফুলের সমারোহ মুগ্ধ করছে পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।

উপজেলার বিভিন্ন জলাশয় ঘুরে দেখা যায়, পানির ওপর ছড়িয়ে থাকা কচুরিপানার ফুলে কোথাও কোথাও তৈরি হয়েছে প্রাকৃতিক গালিচার মতো দৃশ্য। নিভৃত জলাশয়ে ফুটে থাকা এসব ফুল দেখতে চলার পথে থমকে দাঁড়াচ্ছেন স্থানীয় তরুণ-তরুণী ও পথচারীরা। কেউ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে সৌন্দর্য উপভোগ করছেন, কেউবা মুঠোফোনে ছবি তুলে রাখছেন।

কচুরিপানার ফুল দেখতে আসা স্থানীয় শিক্ষার্থী আহনাফ হক বলেন, “প্রতিদিনের পড়ালেখার ক্লান্তি কাটাতে প্রকৃতির এই রূপ সত্যিই মনকে প্রফুল্ল করে তোলে।”

কাজের ফাঁকে ঘুরতে আসা আবুল হোসেন বলেন, “যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততার পর গ্রামবাংলার এমন শান্ত পরিবেশ ও ফুলের সৌন্দর্য দেখতে চমৎকার লাগে। প্রকৃতির এই স্বাভাবিক রূপ মনে একধরনের প্রশান্তি এনে দেয়।”

গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ বাসিন্দা হায়দার আলী বলেন, “একসময় বিল-ঝিলে এমন কচুরিপানার ফুল অনেক দেখেছি। কিন্তু এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না।” কচুরিপানাকে ঘিরে তাঁর জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

পরিবেশবিদদের মতে, কচুরিপানার ফুল সাময়িকভাবে জলাশয়ের সৌন্দর্য বাড়ালেও অতিরিক্ত কচুরিপানা জলাশয়ের স্বাভাবিক পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এর নান্দনিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি জলাশয়ের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

জেলা সবুজ পরিবেশ আন্দোলনের সভাপতি এজাজ আহম্মেদ স্বপন বলেন, ঋতুবদলের এই সময়ে কচুরিপানার বেগুনি ও সাদা ফুল গ্রামীণ পরিবেশে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। সাধারণ এই জলজ উদ্ভিদের ফুল প্রকৃতিপ্রেমীদের মনে করিয়ে দিচ্ছে, গ্রামবাংলার চিরচেনা সৌন্দর্য আজও লুকিয়ে আছে নিভৃত জলাশয় ও সবুজের মাঝে।

৭ নভেম্বরের কর্মসূচি সফল করতে তালা উপজেলা বিএনপির প্রস্তুতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
৭ নভেম্বরের কর্মসূচি সফল করতে তালা উপজেলা বিএনপির প্রস্তুতি সভা

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে তালা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বিকেল ৪টায় পাটকেলঘাটা প্রেসক্লাবে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়ের সভাপতিত্বে সভা সঞ্চালনা করেন অধ্যক্ষ মো. শফিকুল ইসলাম।

সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ, জেলা কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলী, শরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশেদুল রাজু ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব এবং সরুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ডা. মো. রফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন।

সভায় নেতারা জানান, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে তালা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের বিকেল ৩টায় পাটকেলঘাটার পাঁচ রাস্তার মোড়ে শহীদ স ম আলাউদ্দীন চত্বরে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

লাবসা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
লাবসা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন

oplus_0

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লাবসা ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. আব্দুল আলীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবুল হাসান, শেখ জাহাঙ্গীর হাসেমী, সাংবাদিক আবু সাঈদ ও বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান মনি।

এ সময় বক্তব্য দেন আবুল হাসান, ডা. আনোয়ার হোসেন, শাহজাহান আলী, কবীর হোসেন, যশোর আলী, মাসুম বিল্লাহ ও রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সাতক্ষীরার কয়েকটি ইউনিয়নে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। লাবসা ইউনিয়নেও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, এ কার্ডের মাধ্যমে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারগুলো প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে সহায়তা পাবে।

অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য, বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।