বল্লি মো. মজিবুর রহমান হাইস্কুলের অ্যাডহক কমিটির আদেশ ছয় মাসের জন্য স্থগিত
নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লি মো. মজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটি অনুমোদনসংক্রান্ত একটি অফিস আদেশের কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই আদেশ কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও নিষ্ফল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
গত ১ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. তৌফিক ইনাম ও বিচারপতি মাহমুদ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শকের স্বাক্ষরে গত ১৩ অক্টোবর বিদ্যালয়টির জন্য চার সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি অনুমোদনসংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়। প্রধান শিক্ষকের ২৩ আগস্টের অনলাইন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়মিত ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রবিধানমালা অনুযায়ী এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। আদেশে বলা হয়, পত্র জারির তারিখ থেকে অনধিক ছয় মাস এ কমিটি বহাল থাকবে।
অনুমোদিত কমিটির সভাপতি করা হয় বোর্ড মনোনীত মো. আব্দুল গনিকে। সাধারণ শিক্ষক সদস্য হিসেবে রয়েছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মনোনীত সহকারী শিক্ষক মো. সাইদুর রহমান। অভিভাবক সদস্য হিসেবে রয়েছেন জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীত জাহাঙ্গীর কবীর। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সদস্যসচিব করা হয়।
ওই অফিস আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. সোফিউল আলমসহ সংশ্লিষ্টরা হাইকোর্টে রিট পিটিশন (নম্বর ১৫২৭৩/২০২৬) দায়ের করেন। রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা উপস্থিত ছিলেন।
শুনানি শেষে আদালত ১৩ অক্টোবর জারি করা অফিস আদেশের কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন এবং সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের প্রতি রুল জারি করেন। মামলায় শিক্ষা সচিব, যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, স্থগিত হওয়া অফিস আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রবিধানমালার ১০(১) উপপ্রবিধান অনুযায়ী নিয়মিত ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অনুমোদনের জন্য বোর্ডে পাঠানোর নির্দেশনা ছিল।









