শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

বল্লি মো. মজিবুর রহমান হাইস্কুলের অ্যাডহক কমিটির আদেশ ছয় মাসের জন্য স্থগিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
বল্লি মো. মজিবুর রহমান হাইস্কুলের অ্যাডহক কমিটির আদেশ ছয় মাসের জন্য স্থগিত

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লি মো. মজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটি অনুমোদনসংক্রান্ত একটি অফিস আদেশের কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই আদেশ কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও নিষ্ফল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

গত ১ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. তৌফিক ইনাম ও বিচারপতি মাহমুদ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শকের স্বাক্ষরে গত ১৩ অক্টোবর বিদ্যালয়টির জন্য চার সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি অনুমোদনসংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়। প্রধান শিক্ষকের ২৩ আগস্টের অনলাইন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়মিত ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রবিধানমালা অনুযায়ী এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। আদেশে বলা হয়, পত্র জারির তারিখ থেকে অনধিক ছয় মাস এ কমিটি বহাল থাকবে।

অনুমোদিত কমিটির সভাপতি করা হয় বোর্ড মনোনীত মো. আব্দুল গনিকে। সাধারণ শিক্ষক সদস্য হিসেবে রয়েছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মনোনীত সহকারী শিক্ষক মো. সাইদুর রহমান। অভিভাবক সদস্য হিসেবে রয়েছেন জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীত জাহাঙ্গীর কবীর। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সদস্যসচিব করা হয়।

ওই অফিস আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো. সোফিউল আলমসহ সংশ্লিষ্টরা হাইকোর্টে রিট পিটিশন (নম্বর ১৫২৭৩/২০২৬) দায়ের করেন। রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা উপস্থিত ছিলেন।

শুনানি শেষে আদালত ১৩ অক্টোবর জারি করা অফিস আদেশের কার্যকারিতা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন এবং সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের প্রতি রুল জারি করেন। মামলায় শিক্ষা সচিব, যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, স্থগিত হওয়া অফিস আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রবিধানমালার ১০(১) উপপ্রবিধান অনুযায়ী নিয়মিত ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অনুমোদনের জন্য বোর্ডে পাঠানোর নির্দেশনা ছিল।

 

Ads small one

হেমন্তের পরশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
হেমন্তের পরশ

 

ইশরাত জাহান
শিশিরভেজা ঘাসের ওপর
ভোরের আলো পড়ে,
হেমন্তকাল নতুন সাজে
নামলো গ্রামের ঘরে।

আশ্বিন শেষে কার্তিক আসে
কুয়াশারই টানে,
সোনার ধানে ভরলো রে মাঠ
কৃষক ভাইয়ের গানে।

নবান্নেরই সুবাস ভাসে
সারাটা গাঁ জুড়ে,
আনন্দে মন মেতে ওঠে
অজানা এক সুরে।

হালকা শীতের নরম ছোঁয়া
রাতের শীতল বায়ে,
স্বপ্ন আঁকে হেমন্ত কাল
আমার শ্যামল গায়ে।

স্বপ্নগুলো তোমাকেই খোঁজে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
স্বপ্নগুলো তোমাকেই খোঁজে

অরুণ সান্যাল
প্রতিটি রাতের নিঃশব্দ অন্ধকারে
আমার স্বপ্নগুলো শুধু তোমাকেই খোঁজে,
চোখের পাতায় ঘুম নেমে এলেই
তোমার মুখটি ভেসে ওঠে অজান্তে।

জানি না,
কী এমন মায়ায় তুমি আমার হৃদয়জুড়ে রয়েছ?
তবুও প্রতিটি নিঃশ্বাসে
তোমার অস্তিত্ব অনুভব করি অবিরত।

ভোরের প্রথম আলোয়
তোমাকে নিয়ে নতুন স্বপ্ন আঁকি,
সন্ধ্যার বিষণœ আকাশে
তোমার স্মৃতির প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখি।

হাজার মানুষের ভিড়েও
আমার চোখ দুটি তোমাকেই খুঁজে ফেরে,
অথচ তুমি জানো না-
কতটা ভালোবাসা জমে আছে এই অন্তরে।

কখনো ভাবি,
তুমি যদি একবার আমার মনের ভাষা বুঝতে,
তাহলে হয়তো নীরব অভিমানগুলো
অশ্রু হয়ে ঝরত না চোখের কোণে।

তোমাকে পাওয়ার আকাক্সক্ষা
আজও হৃদয়ের গভীরে বেঁচে আছে,
না পাওয়ার যন্ত্রণাটুকুও
তোমার ভালোবাসার স্মৃতি হয়ে পাশে আছে।

আমার প্রতিটি কবিতার শব্দে
তোমারই ছায়া খুঁজে পাই,
প্রতিটি অসমাপ্ত গল্পের শেষে
তোমাকেই ফিরে পেতে চাই।

যদি কোনোদিন হঠাৎ আমার কথা মনে পড়ে
তবে বুঝবে,
কেউ একজন আজও অপেক্ষায় আছে তোমার।

আমার স্বপ্নের কোনো ঠিকানা নেই
নেই অন্য কোনো চাওয়া,
আমার সমস্ত স্বপ্নের একমাত্র নাম তুমিÑ
তোমাকেই শুধু পাওয়া।

দহনদগ্ধ হেমন্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ণ
দহনদগ্ধ হেমন্ত

আসাদুজ্জামান খান মুকুল
হেমন্তের আজ রূপ ভয়ংকর মাটি চিরে বাড়ছে জ্বালা,
তৃষ্ণায় ফাটে ধূ-ধূ প্রান্তর দিনের বুকে আগুন ঢালা।
হিমের দোরে ক্রুদ্ধ তপন গ্রীষ্মকালের দর্প হারে,
দহন-দাপে জ্বলছে জীবন বাঁচা দায় এই তাপের ভারে।

ধানের গাছও মুমূর্ষু প্রায় শিকড়ে নেই রসের ধারা,
শস্য পুড়ে যায় মাঠে প্রায় কৃষক কেঁদে দিশেহারা!
তপ্ত বাতাস চাবুক হানে শুকিয়েছে খাল-বিল নদী,
বিবর্ণ মাঠ ছাতকসম চায় বরিষা নিরবধি!

আকাশ-জোড়া ঘোর শূন্যতা, সূর্য ছোড়ে বিষাক্ত শর,
দেশের বুকে হাহাকার আজ প্রকৃতির রঙ মলিন ধূসর।
ঊর্ধপানে মেঘ ভেসে যায় নেমে এসে দেয় না সাড়া,
শিউলি-কুঁড়ি শুকায় তাপে শারদ-শোভা ছন্নছাড়া!