শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

নিঃশ্বাসে মায়াবী আবাস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ণ
নিঃশ্বাসে মায়াবী আবাস

বাপী নাগ

কোনো একদিন যদি বোঝো আমার মায়ার কত গভীরতা,
অনুভব হবে কতখানি জুড়ে আছো-অস্তিত্বের তুমি পূর্ণতা।
শুধু হৃদয়ের গভীরে নয়, রেখেছি তোমায় নিঃশ্বাসে,
সয়নে-স্বপনে তোমারই ছবি ভাসে মনের আকাশে।
তোমায় প্রতিটি ক্ষণ দেখতে ইচ্ছে করে, জানি না কী যে হয়.!
তোমার মুখের মায়াবী হাসি দেখলেই এ হৃদয় ভরে যায়।
বিধাতা তোমায় গড়েছেন কী অপরূপ ওই মায়ায়,
আমার দুটি নয়ন সৃষ্টি করেছেন তোমায় দেখার আশায়।
জানো কি তুমি, প্রতিটি প্রভাতে প্রথম তোমাকেই দেখি,
নয়ন মেলে তোমার ছবি দেখে দিনের সূচনা লিখি।
এ কেমন মায়া, এ কেমন টান-বোঝানো যে ভার,
তুমি আছো হৃদয় জুড়ে, এ অনুভব অনিবার্য।
পাওয়া-না-পাওয়ার ঊর্ধ্বে তুমি, অনুভূতির এক ঠিকানা,
তোমায় ঘিরেই বেঁচে থাকাÑএ মায়ার নেই কোনো সীমানা।

Ads small one

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহী-জনতার বিপ্লবে দেশের তৎকালীন রাজনীতির গতিধারা পাল্টে গিয়েছিল। দেশ ও জাতি পেয়েছিল নতুন দিশা।

১৯৭৫ সালের এ দিনে জেনারেল জিয়াউর রহমান দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। এরপর সেনাবাহিনীর ভেতর ও বাইরে অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থানের মধ্যেও জিয়াউর রহমান দেশকে স্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যান।

ইতিহাস পর্যালোচনা করে জানা যায়, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে তৎকালীন সরকারপ্রধান শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড এবং ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনার ধারাবাহিকতায় সেনাবাহিনীর তৎকালীন উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফ তার অনুসারী সেনা সদস্যদের নিয়ে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করেন। নিজেকে সেনাপ্রধান হিসেবে ঘোষণা দিয়ে ৬ নভেম্বর বঙ্গভবনে গিয়ে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদকে গ্রেফতার করে মন্ত্রিসভা বাতিল ও জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেন খালেদ। প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে দেশের প্রেসিডেন্টের পদে বসান। ওই রাতেই সেনাবাহিনীর সাধারণ সিপাহিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

সেই অভ্যুত্থানে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন দিয়ে সর্বস্তরের জনতা রাজপথে নেমে আসে। সিপাহি-জনতার মিলিত সেই বিপ্লবে বন্দি অবস্থায় থেকে মুক্ত হন জিয়াউর রহমান। পাল্টা অভ্যুত্থান ঠেকাতে গিয়ে ৭ নভেম্বর সকালে কয়েকজন অনুসারীসহ প্রাণ হারান খালেদ মোশাররফ। অভূতপূর্ব এক সংহতির নজির সৃষ্টি হয় দেশের রাজনীতিতে। জিয়াউর রহমান চলে আসেন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বিএনপির কর্মসূচি

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। প্রথম দিন শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টায় শেরে বাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

এরপর নয়াপল্টন দলীয় কার্যালয়ের সামনে শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের কাছে গিয়ে ডান দিকে মোড় নেবে। এরপর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দিয়ে বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হবে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।

 

 

মন খারাপের দিন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ
মন খারাপের দিন

ফারুক আহম্মেদ জীবন
তুমি কি জানো সখি…
সেদিন কোন কষ্টে গগন বক্ষ বিদীর্ণ হয়ে
করুণ রোদন করেছিল?
অঝোর ধারায় সারাটাদিন নেমেছিল প্রবল বৃষ্টি?
গগন জুড়ে জমেছিল খ- মেঘ
উঠেছিল দমকা হাওয়ার কালবৈশাখী ঝড়ের বেগ?
বিকট শব্দে বিদ্যুৎ চমকায়
ঝলকে ঝলকে হয়েছিল বজ্রপাত?
জানো..সেদিন সমস্ত সৃষ্টি কুলও নিরবে কেঁদেছিল
ঝাপসা হয়ে গিয়েছিল তাদের দৃষ্টি।
তুমি জানো নাতো?
সেদিনটা ছিল আমার ভীষণ মন খারাপের দিন,
তোমার অবজ্ঞা অবহেলা
আর তোমার তাচ্ছিল্য ভরা আঘাত
আমার বুকের পাঁজর ভেঙ্গে চৌচির করে দিয়েছিল
কষ্টের মেঘে ভরেছিল মন গগন
বুকে চিনচিনে প্রচ- ব্যথা উঠেছিল সেদিন।

তুমি জানো সখি…..
সেদিন তুমি যে বিকট বজ্রের ধ্বনি শুনেছিলে
সেটি ছিল আমার মনের আর্তনাদ
আর আমার বুকের পাঁজর ভাঙ্গার শব্দ
সেদিন তুমি আকাশের বৃষ্টি ঝরা যে কান্না দেখেছিলে
সেটা ছিল আমার কলিজার রক্ত ক্ষরণ
যা- আঁখি থেকে গড়িয়ে পড়েছিল
অথচ সেটা ছিল জল সাদৃশ্য বুকের রক্তপাত।

অন্তরের হাকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
অন্তরের হাকার

 

বাপী নাগকে
খুঁজে পাওয়া যায় না আপন,
প্রার্থনা মেলে না সর্বদা হৃদয়ের স্বপন।
যে সম্পর্কে অধিকার ভিক্ষা করতে হয়,
সে সম্পর্কে অন্তরালে জমে অভিকুল আঁধার।
যে সময়টুকু পেতে গুনেতে হয় প্রতীক্ষার প্রহর,
সে সময়ে মায়ার প্রদীপ নিভে যায় নির্ণয়।

যে বিশ্ব তার নিজের গুরুত্বের ভাষা,
সান্নিধ্য মলন হয়ে যায় হৃদয়ের দুরাশা।
মায়ার বন্ধন সত্য হলে দূরত্ব থাকে না ব্যাধান
নীরবতার অন্তরা, পুলিশের জেগে থাকে আত্মিক তান।
একতরফা অনুরাগে ক্ষয় হয় অন্তরাত্মা,
হাসির অন্তরালে নীরবে ঝরে বেদনার বার্তা।
তাই চাই এমন কেউ, যার স্বতঃস্ফূর্ত,
সন্নিধ্যে কিছুক্ষণ হবে অনির্বচ মধুর।
যার কাছে টাকা হবে না গুরুত্বের অধিকার,
মায়ার টানে আগলে রাখবে, বুঝবে হৃদয়ের হাকার।