বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

ঈদ-উল-আযহার সময় কাঁচা চামড়া সংরক্ষণ সংক্রান্ত নির্দেশনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৩:২৮ অপরাহ্ণ
ঈদ-উল-আযহার সময় কাঁচা চামড়া সংরক্ষণ সংক্রান্ত নির্দেশনা

কাঁচা চামড়া বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় যা বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি দেশের জিডিপিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিবছর ঈদ-উল-আযহার সময় কোরবানির এক কোটি গবাদি পশুর চামড়ার একটি বড় অংশ সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাবে নষ্ট হয়। তাই কাঁচা চামড়া যথাযথভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করার বিষয়ে সচেতনতা জরুরি।

নিজ নিজ বিভাগে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানার সংশ্লিষ্ট সুপার/অধ্যক্ষ/তত্ত্বাবধায়ক এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ নিয়ে সুষ্ঠুভাবে কোরবানি প্রদান ও চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান ও সচেতনতামূলক সভার আয়োজন; কোরবানি পশুর জবাইকালে জবাই পরবর্তী সংগৃহীত চামড়া নিয়ে যে কোন ধরণের অপপ্রচার কিংবা চামড়া বিনষ্টকারী যেকোন কার্যক্রমে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ; জেলা ও উপজেলা প্রশাসন ঈদের পরে সাত থেকে ১০দিন পর্যন্ত কাঁচা চামড়া স্থানীয় পর্যায়ে সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট সকলকে উদ্বুদ্ধকরণ; কোরবানির পশু জবাই করার দুই থেকে চার ঘন্টার মধ্যে সঠিক নিয়মে চামড়ায় লবণ দিয়ে বায়ু সঞ্চালনসম্পন্ন একটি ঘরে সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্টদের সচেতনতা সৃষ্টি; পশুর হাটে লবণ প্রাপ্তি নিশ্চিত করা এবং পশু ক্রেতাগণ যাতে লবণ ক্রয় করেন সে বিষয়ে মনিটরিং করা; জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় তথ্য অধিদপ্তর কর্তৃক কাঁচা চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণে সর্বস্তরের অবগতির জন্য প্রয়োজনীয় প্রচার-প্রচারণা এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য সংস্থা কর্তৃক কোবানির পবিত্রতা ও কাঁচা চামড়া সংরক্ষণ সংক্রান্ত সচেতনতামূলক তথ্যচিত্র, লিফলেট ও পোস্টার কার্যকরভাবে প্রদর্শন ও প্রচারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

উল্লিখিত সিদ্ধান্তসমূহ জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়ন করা জরুরি। সঠিকভাবে লবণ প্রয়োগ করা হলে কাঁচা চামড়া অন্তত তিন মাস সংরক্ষণ করা যায়। এতে তাৎক্ষণিক বিক্রয় প্রবণতা রোধ করা যায় এবং চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। ঈদের পরে জেলা পর্যায়ে অন্তত সাত থেকে ১০ দিন পর্যন্ত চামড়ার সংরক্ষণ কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হবে বলে প্রত্যাশা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) স্বাক্ষরিত এক পত্রে এসকল তথ্য জানানো হয়েছে। তথ্যবিবরণী

Ads small one

সাতক্ষীরায় অসুস্থ গরু এনে মাংস বিক্রির চেষ্টার সময় ৫ জন আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় অসুস্থ গরু এনে মাংস বিক্রির চেষ্টার সময় ৫ জন আটক

সংবাদদাতা: রোগাক্রান্ত ও পোকাধরা গরু গোপনে জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে ৫ জনকে আটক করেছে সাতক্ষীরা থানা পুলিশ। এ সময় তাদের ব্যবহৃত ১টি পিকআপ ভ্যান, ১টি মোটরসাইকেল এবং ১টি অসুস্থ গরু উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে সাতক্ষীরা ১৩নং লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা বৌবাজার এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর আনুমানিক ৪টার সময় একটি লাল-কালো রঙের বোলেরো চার চাকার পিকআপ গাড়িতে (রেজিঃ নং- খুলনা-ল-১১-১৭৪১) করে একটি রোগাক্রান্ত ফ্রিজিয়ান গরু নিয়ে আসা হয়। মাগুরা বৌবাজারের রাস্তার ধারে গরুটি নামানোর সময় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। গরুটির মুখ দিয়ে ক্রমাগত ফেনা ও লালা ঝরছিল এবং এটি নড়াচড়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকার সমাজসেবক এম সোহেল আহমেদ মানিকসহ স্থানীয়দের খবর দেন।

খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতপ্রায় গরুটি দেখতে পান এবং তৎক্ষণাৎ সাতক্ষীরা থানা পুলিশকে অবহিত করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গরু নিয়ে ব্যক্তিদের আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১টি বোলেরো পিকআপ এবং ১টি বাজাজ পালসার মোটরসাইকেল (রেজিঃ নং- সাতক্ষীরা-ল-১১-৭৯৪০) জব্দ করা হয়।

দুপুর ১২:৪০ মিনিটের সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, সাতক্ষীরা সদরের উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ অফিসার শেখ সালাহউদ্দীন সাতক্ষীরা থানায় উপস্থিত হয়ে গরুটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন এবং গরুটি মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা পরস্পর যোগসাজশে বিভিন্ন এলাকা থেকে কম দামে মারাত্মক অসুস্থ ও রোগাক্রান্ত গরু সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে এসব গরু গোপনে জবাই করে সুস্থ মাংস হিসেবে বাজারে বিক্রি করে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিল।

আটককৃতরা হলেন সাতক্ষীরার মাছখোলা শিবতলা এলাকার আনসার আলী কারিগরের ছেলে আবুল বাশার কারিগর (৩০), একই এলাকার জিয়ারুল ইসলামের ছেলে তৈয়েবুর রহমান (১৯), একই এলাকার মৃত আরশাদ আলীর ছেলে মোঃ শাহিন ইসলাম (২০), খুলনার ডুমুরিয়া থানার সাহাপুর গ্রামের হাফিজুর শেখ এর ছেলে মোঃ ইব্রাহীম শেখ (২৫) এবং যশোরের কেশবপুর থানার মঙ্গলকোট গ্রামের মতলেব মোড়লের ছেলে মোঃ রবিউল ইসলাম (৩৫)।

এ বিষয়ে এম সোহেল আহমেদ মানিক বাদী হয়ে সাতক্ষীরা থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। সাতক্ষীরা থানা পুলিশ জানায়, এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মালামাল আটক

পত্রদূত ডেস্ক: মঙ্গলবার ও বুধবার (২৫ ও ২৬ আগস্ট ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ মাদরা ও কুশখালি বিওপির টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, শাড়ি ও বাংলাদেশী পাট আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, কুশখালি বিওপির আভিযানে সদর থানার চৌরঙ্গী হতে ৪ লাখ ১১ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, মাদরা বিওপির পৃথক দুইটি আভিযানে কলারোয়া থানার ভাদিয়ালি ও চান্দা হতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ি ও বাংলাদেশী পাট আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৫ লাখ ৩১ হাজার টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

 

সাতক্ষীরা সদরের কাশেমপুর রাস্তা জনগনের মরণফাঁদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সদরের কাশেমপুর রাস্তা জনগনের মরণফাঁদ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাশেমপুর সিটি কলেজ মোড় হতে সাংবাদিক সেলিম হোসেনের বাড়ির সামনে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পিচ ও ইটের খোয়া উঠে গিয়ে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। ফলে প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় ধীরে ধীরে এর অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে গর্তে পানি জমে পথচারী ও যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক ও ভ্যানচালকদের প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, কাশেমপুরের এই সড়কটি স্থানীয়দের পাশাপাশি শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ পথ। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

স্থানীয়রা দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে নিরাপদ ও চলাচল উপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সংস্কার করা না হলে আগামী দিনে সড়কটির দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। দ্রুত সংস্কারের জন্য মাননীয় সংসদ সদস্য সহ সংশ্লিষ্টদের কাছে হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।