ঈদ-উল-আযহার সময় কাঁচা চামড়া সংরক্ষণ সংক্রান্ত নির্দেশনা
কাঁচা চামড়া বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় যা বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি দেশের জিডিপিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিবছর ঈদ-উল-আযহার সময় কোরবানির এক কোটি গবাদি পশুর চামড়ার একটি বড় অংশ সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাবে নষ্ট হয়। তাই কাঁচা চামড়া যথাযথভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করার বিষয়ে সচেতনতা জরুরি।
নিজ নিজ বিভাগে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানার সংশ্লিষ্ট সুপার/অধ্যক্ষ/তত্ত্বাবধায়ক এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ নিয়ে সুষ্ঠুভাবে কোরবানি প্রদান ও চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান ও সচেতনতামূলক সভার আয়োজন; কোরবানি পশুর জবাইকালে জবাই পরবর্তী সংগৃহীত চামড়া নিয়ে যে কোন ধরণের অপপ্রচার কিংবা চামড়া বিনষ্টকারী যেকোন কার্যক্রমে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ; জেলা ও উপজেলা প্রশাসন ঈদের পরে সাত থেকে ১০দিন পর্যন্ত কাঁচা চামড়া স্থানীয় পর্যায়ে সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট সকলকে উদ্বুদ্ধকরণ; কোরবানির পশু জবাই করার দুই থেকে চার ঘন্টার মধ্যে সঠিক নিয়মে চামড়ায় লবণ দিয়ে বায়ু সঞ্চালনসম্পন্ন একটি ঘরে সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্টদের সচেতনতা সৃষ্টি; পশুর হাটে লবণ প্রাপ্তি নিশ্চিত করা এবং পশু ক্রেতাগণ যাতে লবণ ক্রয় করেন সে বিষয়ে মনিটরিং করা; জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় তথ্য অধিদপ্তর কর্তৃক কাঁচা চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণে সর্বস্তরের অবগতির জন্য প্রয়োজনীয় প্রচার-প্রচারণা এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য সংস্থা কর্তৃক কোবানির পবিত্রতা ও কাঁচা চামড়া সংরক্ষণ সংক্রান্ত সচেতনতামূলক তথ্যচিত্র, লিফলেট ও পোস্টার কার্যকরভাবে প্রদর্শন ও প্রচারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
উল্লিখিত সিদ্ধান্তসমূহ জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়ন করা জরুরি। সঠিকভাবে লবণ প্রয়োগ করা হলে কাঁচা চামড়া অন্তত তিন মাস সংরক্ষণ করা যায়। এতে তাৎক্ষণিক বিক্রয় প্রবণতা রোধ করা যায় এবং চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। ঈদের পরে জেলা পর্যায়ে অন্তত সাত থেকে ১০ দিন পর্যন্ত চামড়ার সংরক্ষণ কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হবে বলে প্রত্যাশা।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) স্বাক্ষরিত এক পত্রে এসকল তথ্য জানানো হয়েছে। তথ্যবিবরণী






