মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রাথমিক স্কোয়াডে নেইমার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রাথমিক স্কোয়াডে নেইমার

অবশেষে সকল শঙ্কা পেছনে ফেলে জাতীয় দলে ফেরার পথে বড় এক ধাপ এগোলেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার। সোমবার কার্লো আনচেলত্তির ঘোষিত ব্রাজিলের প্রাথমিক ৫৫ সদস্যের দলে জায়গা পেয়েছেন তিনি।

দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আনচেলত্তি স্পষ্ট করে আসছিলেন, খ্যাতির জোরে দলে জায়গা মিলবে না, বরং পুরোপুরি ফিট ও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থায় থাকা খেলোয়াড়দেরই বিবেচনায় নেওয়া হবে। সে কারণেই ব্রাজিলের সর্বশেষ দলে জায়গা হয়নি নেইমারের। তখনও এসিএল ইনজুরি থেকে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ছিলেন। তবে তাকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে বেশ আলোচনা-সমালোচনাও হয়েছে।

তবে গত কয়েক মাসে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে। শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরে নিজের পুরোনো ছন্দ ও প্রভাব ফিরে পেয়েছেন নেইমার। ১২ ম্যাচে পাঁচ গোল ও তিন অ্যাসিস্ট করেছেন এই ফরোয়ার্ড। তবে তার প্রভাব শুধু পরিসংখ্যানেই সীমাবদ্ধ নয়। তার নেতৃত্বে ব্রাজিলিয়ান লিগে ঘুরে দাঁড়িয়েছে সান্তোস, পাশাপাশি কোপা সুদামেরিকানাতেও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অবস্থান ধরে রেখেছে দলটি।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী বিশ্বকাপের জন্য ৫৫ সদস্যের দল ঘোষণা করতে হবে ১১ মের মধ্যে। আর বড় এই তালিকা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয় না। এখান থেকেই মূলত ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড বেছে নিতে হয়।

আনচেলত্তির চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা হবে আগামী ১৮ মে। তখনই নিশ্চিত হওয়া যাবে বিশ্বকাপে নেইমারের প্রত্যাবর্তন। দলে জায়গা পেলে এটি হবে ব্রাজিলের হয়ে তার চতুর্থ বিশ্বকাপ।

এবার দেখে নেওয়া যাক ব্রাজিল স্কোয়াড:

ফরোয়ার্ড: ভিনি (রিয়াল মাদ্রিদ), রাফিনিহা (বার্সেলোনা), ম্যাথেউস কুনিহা (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), লুইজ হেনরিকে (জেনিত), গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি (আর্সেনাল), জোয়াও পেদ্রো (চেলসি), এস্তেভাও (চেলসি), নেইমার (সান্তোস), এন্দ্রিক (লিওঁ), রায়ান (বোর্নমাউথ), অ্যান্টনি (রিয়াল বেতিস),
ইগর থিয়াগো (ব্রেন্টফোর্ড), পেদ্রো (ফ্ল্যামেঙ্গো), রিশার্লিসন (টটেনহাম), ইগর জেসুস (নটিংহ্যাম ফরেস্ট), কাইও জর্জে (ক্রুজেইরো)

মিডফিল্ডার: কাসেমিরো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), ব্রুনো গিমারায়েস (নিউক্যাসল), ফাবিনিয়ো (আল-ইত্তিহাদ), আন্দ্রে সান্তোস (চেলসি),দানিলো (বোটাফোগো), লুকাস পাকেতা (ফ্ল্যামেঙ্গো), গ্যাব্রিয়েল সারা (গালাতাসারাই), জোয়াও গোমেস (উলভস), আন্দ্রেয়াস পেরেইরা (পালমেইরাস), জোয়েলিন্তন (নিউক্যাসল), জেরসন (ক্রুজেইরো), ম্যাথেউস পেরেইরা (ক্রুজেইরো)

ডিফেন্ডার: মারকিনিওস (পিএসজি), থিয়াগো সিলভা (পোর্তো), গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস (আর্সেনাল), ব্রেমার (ইউভেন্টাস), লিও পেরেইরা (ফ্ল্যামেঙ্গো), ইবানেজ (আল-আহলি), আলেক্সসান্দ্রো (লিল), ফ্যাব্রিসিও ব্রুনো (ক্রুজেইরো), বেরালদো (পিএসজি), ভিতর রেইস (জিরোনা), মুরিল্লো (নটিংহ্যাম ফরেস্ট), ওয়েসলি (রোমা), দানিলো (ফ্ল্যামেঙ্গো), পাওলো হেনরিকে (ভাস্কো), ভিতিনহা (বোটাফোগো), অ্যালেক্স সান্দ্রো (ফ্ল্যামেঙ্গো), ডগলাস সান্তোস (জেনিত)
লুসিয়ানো জুবা (বাহিয়া), কাইও হেনরিকে (মোনাকো), কাইকি (ক্রুজেইরো), কার্লোস অগুস্তো (ইন্টার মিলান)

গোলরক্ষক: আলিসন (লিভারপুল), এদেরসন (ফেনারবাচে), বেন্তো (আল-নাসর), হুগো সৌজা (করিন্থিয়ান্স), জন (ফরেস্ট), কার্লোস মিগেল (পালমেইরাস)

Ads small one

শফিকুলের বিদেশ যাওয়ার ঋণই শোধ হয়নি, পরিবারের সামনে এখন শুধুই অন্ধকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
শফিকুলের বিদেশ যাওয়ার ঋণই শোধ হয়নি, পরিবারের সামনে এখন শুধুই অন্ধকার

পত্রদূত রিপোর্ট: দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে কোনো রকমে চলছিল সংসার। বৃদ্ধ বাবা-মা, স্ত্রী আর দুই কন্যাসন্তানকে নিয়ে ছোট্ট সেই পরিবারে ছিল না স্বচ্ছলতার ছোঁয়া। তবুও বুকভরা স্বপ্ন ছিল শফিকুল ইসলামের-দুই মেয়েকে উচ্চশিক্ষিত করবেন, মাথার ওপর জমে থাকা ঋণের বোঝা নামাবেন, আর পরিবারের মুখে ফোটাবেন হাসি। সেই স্বপ্ন পূরণ করতেই মাত্র দুই মাস আগে সুদূর লেবাননে পাড়ি জমিয়েছিলেন সাতক্ষীরার শফিকুল। কিন্তু নির্মম এক ইসরায়েলি ড্রোন হামলা মুহূর্তেই শেষ করে দিল তার সব স্বপ্ন, সব আশা।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের আফসার আলীর একমাত্র ছেলে শফিকুল ইসলাম। সংসারের অভাব দূর করতে এনজিও, আত্মীয়-স্বজন ও বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে গত ৩ মার্চ লেবাননে যান তিনি। বিদেশের মাটিতে কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারের ভাগ্য বদলানোর স্বপ্নই ছিল তার একমাত্র লক্ষ্য।

স্বজনরা জানান, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের জেবদিন এলাকায় ফলের বাগানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন শফিকুল। গত সোমবার রাত ৮টার দিকে কর্মস্থলে কাজ করার সময় হঠাৎ ইসরায়েলি ড্রোন হামলা হয়। ভয়াবহ সেই হামলায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তিনি।

শুক্রবার রাত ১২ টার দিকে স্ত্রীর সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল শফিকুলের। ফোনে স্ত্রী রুমা খাতুনকে বলেছিলেন, মেয়েদের লেখাপড়ার দিকে খেয়াল রেখো। ওদের যেন কোনো কষ্ট না হয়। আর কিছুদিন কষ্ট করলেই সব ঋণ শোধ হয়ে যাবে। কিন্তু সেই কথাই হয়ে রইল শেষ কথা।

এখন শফিকুলের বাড়িতে গেলে শুধু কান্নার শব্দ শোনা যায়। স্বামী হারিয়ে দিশেহারা স্ত্রী রুমা খাতুন বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে পাথর হয়ে গেছেন বাবা আফসার আলী। বুকফাটা আহাজারিতে ভেঙে পড়েছেন মা আজেয়া খাতুন। ছোট দুই মেয়েও বুঝে গেছে-তাদের বাবা আর কোনোদিন ফিরবেন না।
বড় মেয়ে তামান্না আক্তার মৌ বাবার কথা মনে করে কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আব্বু বলছিলেন আমাকে অনেক পড়াশোনা করাবেন। এখন আমাদের কে দেখবে? তামান্না আক্তার মৌ ভালুকা চাঁদপুর ডিগ্রী কলেজের একাদশ শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্রী।

ছোট মেয়ে তন্নি আক্তার বৃষ্টির চোখেও শুধু অশ্রু। বাবার সঙ্গে শেষ কথোপকথনের স্মৃতি আঁকড়ে ধরে নির্বাক হয়ে বসে আছে সে। তন্নী আক্তার ও কেন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর মেধা বিষয়ক শিক্ষার্থী।

শফিকুল পেশায় ছিলেন একজন দিনমজুর। তিন কাঠা জমির ওপর ছোট্ট একটি আধাপাকা বাড়িই ছিল তাদের একমাত্র সম্বল। সংসারের অভাব ঘোচাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই বিদেশে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ভাগ্য বদলাতে গিয়ে এখন লাশ হয়ে ফিরছেন দেশে।

একদিকে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু, অন্যদিকে মাথার ওপর প্রায় ১০ লাখ টাকার ঋণের বোঝা-সব মিলিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে পুরো পরিবার।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত যেন শফিকুল ইসলামের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। শেষবারের মতো সন্তানের মুখ দেখতে চান তার বাবা-মা। গ্রামের মাটিতেই তাকে দাফন করার আকুতি জানিয়েছেন তারা।

ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজান চৌধুরী বলেন, শফিকুল খুবই ভালো ও পরিশ্রমী ছেলে ছিল। পরিবারের জন্যই বিদেশে গিয়েছিল। তার মৃত্যুতে পুরো এলাকা শোকাহত। সরকার যেন পরিবারটির পাশে দাঁড়ায়।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত জানান, মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। পরিবারটিকে সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

 

 

সাতক্ষীরায় প্রতিবেশ ও উন্নয়ন ফোরামের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রতিবেশ ও উন্নয়ন ফোরামের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ জেলার সকল সরকারি অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও সরকারি অবকাঠামোর ছাদে দ্রুত রুফটপ সোলার স্থাপনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণসহ ৫ দফা দাবীতে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা প্রতিবেশ ও উন্নয়ন ফোরাম।

 

মঙ্গলবার (১২ মে) জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রতিবেশ ও উন্নয়ন ফোরামের পক্ষে দেবজ্যেতি ঘোষ, শরিফুল ইসলাম, তাপস বিস্বাস, প্রসেনজিৎ দে ও জারিন তাসমিন।

 

বেসরকারী উন্নয়ন সংগঠন স্বদেশের পক্ষে সাতক্ষীরা জেলা প্রতিবেশ ও উন্নয়ন ফোরামের স্মারকলিপিতে রূফটপ সোলার স্থাপনে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহায়তা, সমন্বয় ও তদারকি নিশ্চিত করা; স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণে সম্পৃক্ত ও উৎসাহিত করা; নেট-মিটারিং সুবিধা সহজতর ও জনবান্ধব করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় জোরদার করা; এবং সাধারণ জনগণের মাঝে রুফটপ সোলার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করার দাবী জানানো হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

জলদস্যুদের ৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে এলা ১৮ বনজীবী, এখনও নিখোঁজ ২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ
জলদস্যুদের ৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে এলা ১৮ বনজীবী, এখনও নিখোঁজ ২

পত্রদূত রিপোর্ট: মুক্তিপণের দাবিতে সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন সুন্দরবনের নদীতে থেকে জলদস্যুদের হাতে অপহরণের শিকার ২০ জন জেলে ও মৌয়ালের মধ্যে ১৮ জন প্রায় ৭ লাখ টাকা দিয়ে জিম্মিদশা থেকে মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পাওয়া জেলে-মৌয়ালরা সোমবার (১১ মে) বিকাল পর্যন্ত ধাপে ধাপে নিজ নিজ এলাকায় ফিরে আসেন। তবে মুক্তিপণের টাকা পরিশোধের পরও এখনও মুক্তি মেলেনি দুই জেলের। ফলে নিখোঁজ দু’জনকে ঘিরে তাদের পরিবারে বিরাজ করছে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা।

ফিরে আসা জেলে ও মৌয়ালদের ভাষ্য, গত ৪ ও ৫ মে ‘আলিফ ওরফে আলিম বাহিনী’ ও ‘নানাভাই/ডন বাহিনী’র পরিচয়ে অস্ত্রধারী দস্যুরা সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন সুন্দরবনের চুনকুড়ি নদীর গোয়াল বুনিয়া দুনের মুখ, ধানোখালীর খাল, মামুন্দো নদীর মাধভাঙা খাল এবং মালঞ্চ নদীর চালতে বেড়ের খাল এলাকা থেকে ২০ জন জেলে ও মৌয়ালকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে তাদের মহাজন, সহযোগী ও পরিবারের সদস্যদের কাছে মোবাইল ফোনে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

অপহৃতদের মহাজন ও তাদের স্বজনরা জানান, দস্যুদের সঙ্গে দর-কষাকষির মাধ্যমে দাবিকৃত মুক্তিপণ থেকে কিছু টাকা কমিয়ে সমঝোতা করা হয়। পরে নির্ধারিত বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠানোর পর একে একে জেলে ও মৌয়ালদের ছেড়ে দেয় বনদস্যুরা।

জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পাওয়া বনজীবী মুরশিদ আলম ৭০ হাজার, করিম শেখ ১ লাখ ২০ হাজার, আবু ইসা ৫৫ হাজার, মমিন ফকির ৪৫ হাজার, আল-আমিন ২৫ হাজার, আবুল বাসার বাবু ৩০ হাজার, আবুল কালাম ৩০ হাজার, শাহাজান গাজী ৪০ হাজার, সিরাজ গাজী ৪০ হাজার, রবিউল ইসলাম বাবু ২০ হাজার, সঞ্জয় ২০ হাজার, আল-মামুন ২০ হাজার, হুমায়ুন ২০ হাজার, মনিরুল মোল্লা ২০ হাজার, রবিউল ইসলাম ২০ হাজার, হৃদয় মন্ডল ২০ হাজার, আব্দুল সালাম ৪০ হাজার এবং ইব্রাহিম গাজী ৫৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

তবে শুকুর আলী গাজী ও রেজাউল করিম নামে দুই জেলের পরিবারের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে বনদস্যুদের বিকাশ নম্বরে পাঠানো হলেও তারা এখনও বাড়ি ফেরেননি বলে জানা গেছে।

ফিরে আসা জেলে ও মৌয়ালরা সুন্দরবনে জলদস্যুদের দৌরাত্ম বন্ধে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি বনাঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার ও নিয়মিত টহল বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মোঃ মশিউর রহমান বলেন, জলদস্যু নির্মূলে কোস্টগার্ডের সঙ্গে যৌথ অভিযান চলমান রয়েছে। তবে অপহৃতদের পরিবার বা সহযোগীরা বিস্তারিত তথ্য দিয়ে আমাদের যথাযথ সহযোগিতা করছে না। তারা সহযোগিতা করলে আমরা সুন্দরবনের দস্যু দমনে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারি।