সোমবার, ১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সোমবার, ১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বেলতলায় আমের দামে ধস, লোকসানের মুখে আম চাষীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৪:২২ অপরাহ্ণ
বেলতলায় আমের দামে ধস, লোকসানের মুখে আম চাষীরা

oppo_0

বাগআঁচড়া (শার্শা) প্রতিনিধি: দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের সর্ববৃহৎ পাইকারি আমের মুকাম বেলতলা আম বাজারে চলতি মৌসুমে কাঙ্খিত দাম পাচ্ছেন না আম চাষিরা। এতে করে লোকসানের মুখে পড়েছে আমবাগান মালিক ও আমচাষিরা।

উপজেলার বিভিন্ন আম বাজারে মৌসুমের শুরুতেই বিভিন্ন জাতের আম সরবরাহ শুরু হলেও বাজারে প্রত্যাশিত পাইকারের উপস্থিতি না থাকায় আমের দাম গত বছরের চেয়ে এবার অনেক কম হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।
সরেজমিনে বেলতলা আম বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আম বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভোর থেকেই কৃষকরা গোবিন্দভোগ, হিমসাগর, ল্যাংড়া এবং অল্প পরিসরে আম্রোপালি জাতের আম নিয়ে বাজারে আসছেন।

 

শুরুতেই গবিন্দভোগ আম ১৪০০ থেকে ১৮০০ টাকা, হিমসাগর ১২০০ থেকে ১৮০০ টাকা, ল্যাংড়া ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা, আম্্েরাপালি ১৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা বিক্রয় হচ্ছে। যা গতবছর চেয়ে অনেক কম। এখানে ৪৪-৪৫ কেজিতে মণ হারে আম বিক্রয় হয়। এবছর ক্রেতা ও পাইকারদের সংখ্যা তুলনামূলক কম হওয়ায় অনেককেই কাঙ্খিত দাম না পেয়ে কম দামে আম বিক্রি করছে। আমের এই মূল্য চলতে থাকলে উৎপাদন খরচ উঠবে কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে এ অঞ্চলের আম চাষিরা।

স্থানীয় আম চাষি জামাল সরদার বলেন, এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু বাজারে পাইকার ও ক্রেতা কম থাকায় আমের কদর নেই। যে কারণে কম দামে আম বিক্রয় করতে হচ্ছে। বর্তমানে যে দামে আম বিক্রি হচ্ছে, এই দাম চলতে থাকলে লাভ তো দুরের কথা, খরচ তোলাই কঠিন হয়ে পড়বে।

শার্শার কায়বা ইউনিয়নের আম চাষি রাজ্জাক ও আহমেদ আলী জানান, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মুজুরি বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদনে খরচ অনেক বেশি হয়েছে। অথচ বাজারে আমের দাম অনেক কম। ফলে লোকসানের মুখে পড়েছে বাগান মালিক ও আম চাষিরা। অন্যান্য বছরে মৌসুমের শুরুতে সাধারণত বাজারে বেশি পাইকার থাকে। কিন্তু এবার সে তুলনায় পাইকার কম। ফলে আমের বেচাকেনাও কম হচ্ছে।

কৃষি-সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মৌসুমের প্রথমে অপরিপক্ক আম বাজারজাতের কারণে ভোক্তারা আম কম কিনছেন। জ্যৈষ্ঠ মাসে শুরু হলে এবং ঈদ পরবর্তী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আমের চাহিদা বাড়বে এবং বাজার পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি থাকবে না বলে কৃষক এবং আম ব্যবসায়ীরা মনে করেন। একাধীক আম ব্যবসায়ী জানান, এরকম আমের দাম যদি থাকে, তাহলে চাষিরা আমগাছ কর্তন করবে। এবং এ অঞ্চলের আমচাষিরা আম চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, শুধুমাত্র শার্শা উপজেলায় ১ হাজার ৬০ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আমের চাষ হচ্ছে। এখানে আমচাষি রয়েছেন ৪ হাজার ৬৬৮ জন। হিমসাগর আম ৩৩৭ হেক্টর, আম্্েরাপালি ২১৫ হেক্টর, মল্লিকা ৩৫ হেক্টর, ল্যাংড়া ১৫৫ হেক্টর, গোবিন্দভোগ ৬০ হেক্টর, গোপালভোগ ১৫৫ হেক্টর, বুম্বাই ৫৯ হেক্টর, কাটিমন ৯ হেক্টর, বারি৪ ২০ হেক্টর, বারি১১-১ হেক্টর এবং দেশিও আম রয়েছে ৩৪ হেক্টর। যশোর জেলার শার্শা, ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলায় সবচেয়ে বেশি আমের চাষ হয়। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার আম এ বাজারে বিক্রি হয়।

শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার শাহা দাবী করেন, ঈদের আগে তিনি আম বাজার পরিদর্শন করেছেন। তখন ১৬০০ থেকে ৩৬০০ টাকা ধরে প্রতি মণ আম বিক্রয় হচ্ছিল। “তবে আম বাজারের বাস্তব চিত্র ভিন্ন” প্রতি মণ আম বিক্রয় হচ্ছে ১২০০ টাকা থেকে ১৮০০ টাকা মণ দরে। আম চাষিদের দাবী, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে লোকসানের মুখে পড়েছেন আম চাষিরা।

 

Ads small one

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন

অনলাইন ডেস্ক: সাবেক মন্ত্রী ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। আজ সোমবার বিকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন।

 

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। বাধর্কজনিত বিভিন্ন সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

 

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পরিবারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

 

প্রবীণ এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইজডসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। সে দিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। অবশ্য পরবর্তীতে চিকিৎসকরা বিষয়টি নাকচ করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।

সুন্দরবনের বনদস্যু নানা বাাহিনী ডন এর সদস্য পরিচয়ে ছয় জেলেকে অপহরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনের বনদস্যু নানা বাাহিনী ডন এর সদস্য পরিচয়ে ছয় জেলেকে অপহরণ

পত্রদূত রিপোর্ট: মাথাপিছু ৩০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণের দাবিতে বনদস্যু সুন্দরবনের নানা ভাই ডন বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে পাঁচটি ছয়জন জেলেকে অপহরণ করা হয়েছে। রবিবার রাত ১১টার দিকে সুন্দরবনের মালঞ্চ নদীর চালতেবেড়ে খাল ও সুবদে খাল থেকে তাদেরকে অপহরণ করা হয়।

 

সোমবার বিকেল তিনটার মধ্যে মুক্তিপণের টাকা না পাঠালে তাদেরকে হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ সময় ইসমাইল খাঁ নামের এক জেলেকে নৌকার বৈঠা দিয়ে মাথা ফাটিয়ে জখম করেছে বনদস্যুরা।

 

আহত ইসমাইল খাঁ’কে সোমবার দুপুরে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তার বাড়ি শ্যামনগরের দক্ষিণ কদমতলীর কুলতলী এলাকায়।

 

অপহৃতরা হলেন, শ্যামনগরের দক্ষিণ কদমতলীর কুলতলী এলাকার দেলোয়ার খাঁর ছেলে ইয়াছিন খাঁ (৩২) ও আলমগীর খাঁ (৩৮), হরিনগরের আব্দুর রহিম মোল্লার ছেলে আল আমিন মোল্লা (৩৫), একই গ্রামের নুরুল হক গাজীর ছেলে কামরুল গাজী (৫০), আব্দুল গফুর গাজীর ছেলে শাহজাহান গাজী (৪৮) ও খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার মহেশ^রীপুর গ্রামের রফিকুল গাজীর ছেলে শহীদুল গাজী (৪৬)।

 

অপহৃত জেলেদের স্বজনরা জানান, শনিবার সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা স্টেশন থেকে কাঁকড়া ধরার অনুমতি (পাস) নিয়ে পাঁচটি নৌকায় ১৮জন জেলে সুন্দরবনে যান। প্রাণ ও প্রকৃতি রক্ষার সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ি পহেলা জুন সকালে তাদের বাড়ি ফেরার কথা ছিল।

 

এজন্য তারা রবিবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে সুন্দরবনের মালঞ্চ নদীর চালতেবেড়িয়া খাল ও সুবদে খাল এলাকায় অবস্থান করছিল। এ সময় বনদস্যু নানা বাহিনী ডন এর সদস্য পরিচয়ে সশস্ত্র কয়েকজন ডাকাত পাঁচটি নৌকা থেকে ছয়জনকে মাথাপিছু ৩০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

 

দাবিকৃত মুক্তিপণের টাকা সোমবার বিকেল তিনটার মধ্যে বিকাশ নাম্বারে পরিশোধ না করে তাদেরকে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এ সময় চালতেবেড়িয়া এলাকায় একটি নৌকায় অবস্থান করা দক্ষিণ কদমতলীর কুলতলী এলকার গণি খাঁ’র ছেলে ইসমাইল খাঁকে নৌকার বৈঠা দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। তাকে আশাঙ্কাজনক অবস্থায় সোমবার দুপুরে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

 

সুন্দরবনের কদমতলা স্টেশন কর্মকর্তা মনিরুল করিম জানান, বিষয়টি তার জানা নেই।
শ্যামনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ খালেদুর রহমান জানান, এ ব্যাপারে অপহৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোন অভিযোগ করা হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিন মাস সুন্দরবন প্রবেশে নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে কয়রার বনজীবীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ
তিন মাস সুন্দরবন প্রবেশে নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে কয়রার বনজীবীরা

জি এম রিয়াজুল আকবর, কয়রা (খুলনা): ৪০ বছর ধরে সুন্দরবনে কাকড়া ধরে তাই বিক্রি করে জীবন যাপন করিতেছি। আমার নিজস্ব কোন জায়গা জমি নেই, এই কাকড়া বিক্রি করে যা আয় হয় তাতে সংসার চলে। সুন্দরবন যখন বন্ধ থাকে তখন কোন কাজ কাম থাকেনা। এই তিন মাস সম্পূর্ণ বাড়ি বসে থাকতে হয়। আয় রোজগারের কোন সুযোগ নেই। বয়স হয়ে গেছে কেউ কাজে নিতে চায় না। সরকার থেকে যে চাউল দেয় তাতে চলে না। বাজার ঘাট করতে হয়, অসুখ-বিসুখ আছে ঔষধ পানি কিনতে হয়।

 

সুন্দরবন বন্ধের সময় যদি আমাকে সরকারের পাশাপাশি কোন এনজিও সংস্থা বা কেউ সাহায্য করতো তাহলে বাঁচতে পারতাম। বন্ধের সময়টা খুব কষ্টে দিন কাটে এভাবে কথাগুলো বলেছিলেন তেঁতুলতলা গ্রামের মৃত মইজুদ্দিন শেখের ছেলে সুন্দরবনের বনজীবী আব্দুল বারিক শেখ। চৌকুনি গ্রামের বনজীবী মোঃ জামাল হোসেন শেখ বলেন, আমি লেখাপড়া করতাম, অভাবের কারণে আমার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়। তখন থেকে আমার আব্বার সাথে সুন্দরবনে কাকড়া ধরার পেশা বেছে নেই। তিনি আরও বলেন, আমার আয়ের উপর আমাদের পরিবার চলে। ৩ মাস সুন্দরবন বন্ধের সময় আমাদের কোন কাজ থাকেনা, খুব কষ্টে জীবন যাপন করতে হয়।

সুন্দরবনের বনজীবী মোঃ আব্দুস সাত্তারসহ একাধিক বনজীবী জানান, সুন্দরবন বন্ধের সময় অতি কষ্টে তাদের জীবন যাপন করতে হয়। তারা কর্মহীন হয়ে পড়ে। সরকারের পাশাপাশি তারা বিভিন্ন বিভিন্ন এনজিও সংস্থাকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর দাবি জানান।

বন বিভাগ জানিয়েছে, জুন থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ, মধু সংগ্রহ এবং পর্যটকদের প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। সুন্দরবনের অধিকাংশ মাছ, বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের প্রজনন মৌসুম। এ সময়ে নদী-খালে মাছ ডিম ছাড়ে, বন্যপ্রাণীদের প্রজনন ঘটে এবং বিভিন্ন গাছের বীজ থেকে নতুন চারা গজায়। তাই প্রাকৃতিক পরিবেশ নির্বিঘ রাখতে প্রতিবছরের মতো এবারও তিন মাসের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা চলাকালে বন বিভাগের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের পাস-পারমিট ইস্যু করা হবে না। কেউ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বনে প্রবেশ করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
কাশিয়াবাদ ফরেস্ট ষ্টেশন কর্মকর্তা মোঃ নাসির উদ্দীন বলেন, জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের বেশিরভাগ বন্য প্রাণী ও জলজ প্রার্ণীর প্রজনন মৌসুম। পাশাপাশি এই সময়ে বনে প্রচুর চারা গজায়। তাই এই তিন মাস সুন্দরবন বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে সুন্দরবনের সজীবতা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরও বলেন, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পুনরায় সুন্দরবন সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

এদিকে, দীর্ঘ তিন মাসের জন্য সুন্দরবন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন উপকূলীয় এলাকার হাজারো বনজীবী। বনের সম্পদের ওপর নির্ভরশীল এসব মানুষের জীবন-জীবিকা থমকে যাওয়ায় তারা এখন দিশেহারা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংসার চালাতে সরকারি সহায়তা পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী বনজীবীরা।