বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

২৮০ বছরের ইতিহাস কিন্তু পর্যটনে অবহেলিত মাইকেলের ‘মধুপল্লী’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ
২৮০ বছরের ইতিহাস কিন্তু পর্যটনে অবহেলিত মাইকেলের ‘মধুপল্লী’

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়িতে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক ‘মধুপল্লী’ আজও পূর্ণাঙ্গ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠেনি। দীর্ঘ ২৮০ বছরের পুরোনো এই স্থানে পরিকল্পিত উন্নয়নের অভাব এবং নাগরিক সুবিধার ঘাটতি থাকায় দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করছেন।

যশোর শহর থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই মধুপল্লীতে কবির দ্বিতল জন্মভিটা, মধুসূদন জাদুঘর, লাইব্রেরি ও সাগরদাঁড়ি পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর বাড়িটিকে পুরাকীর্তি ঘোষণা করলেও এখানে দর্শনার্থীদের জন্য ভালো কোনো রেস্টহাউজ বা বিনোদনের ব্যবস্থা নেই। শিশুদের জন্য চাইল্ড কর্নার না থাকায় সপরিবারে আসা পর্যটকেরা দীর্ঘ সময় অবস্থান করতে পারেন না। এ ছাড়া ঐতিহাসিক দত্তপুকুর পাড়টি এখনো ভালো করে বাঁধানো হয়নি এবং দর্শনার্থীদের বসার পর্যাপ্ত জায়গা নেই।

দর্শনার্থীদের অভিযোগ, মূল ক্যাম্পাসের বাইরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় প্রায়ই কিশোর গ্যাং ও বখাটেদের উপদ্রব দেখা যায়। এদিকে কবির স্মৃতিবিজড়িত কপোতাক্ষ নদও পলি পড়ে প্রায় মৃত। স্থানীয়রা নদটি খনন এবং সাতক্ষীরার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে একটি দৃষ্টিনন্দন ব্রিজের দাবি জানিয়েছেন। প্রতিবছর জানুয়ারিতে এখানে ‘মধুমেলা’ উপলক্ষে মানুষের ঢল নামলেও বছরের বাকি সময় এলাকাটি স্থবির থাকে।

মধুসূদন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও কবি খসরু পারভেজ মনে করেন, মধুপল্লী সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের আরও উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। ভেতর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পোস্ট অফিসটি সরিয়ে সেখানে পুরোনো আদলের ভবন নির্মাণ করা দরকার। পর্যটকদের আবাসন সংকট দূর করার পাশাপাশি বখাটেদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা জরুরি।

সাগরদাঁড়ি মাইকেল মধুসূদন দত্তবাড়ির কাস্টোডিয়ান মো. হাসানুজ্জামান জানান, ক্যাম্পাসটি উত্তর দিকে সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। জমি অধিগ্রহণ করে ওয়াকওয়ে নির্মাণ, পুকুরঘাট বাঁধানো এবং কবির আঁতুরঘরকে নান্দনিক রূপ দেওয়া গেলে এটি আরও আকর্ষণীয় হবে।

প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর খুলনার আঞ্চলিক পরিচালক মো. মহিদুল ইসলাম জানান, চলতি অর্থবছর কিছু সংস্কার কাজ হয়েছে এবং তা চলমান থাকবে। পর্যটকদের সুরক্ষায় আনসার সদস্য রয়েছে। পুরো মধুপল্লীকে ঘিরে একটি বৃহৎ কমপ্লেক্স তৈরির প্রকল্প পরিকল্পনা রয়েছে, যা বাস্তবায়ন হলে পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা আরও বাড়বে।

 

Ads small one

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত হচ্ছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪০ অপরাহ্ণ
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালিত হচ্ছে

পত্রদূত রিপোর্ট: বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিবিজড়িত ১২ রবিউল আউয়াল আজ। মহানবী (সা.)-এর জীবন, আদর্শ, শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ স্মরণ করে দিনটিকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে পালন করছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা।
সাতক্ষীরায়ও যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হচ্ছে।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আজ দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া আজ সংবাদপত্রের প্রকাশনাও বন্ধ রয়েছে।

হজরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন ইসলামের সর্বশেষ নবী ও রাসুল। তিনি মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদতের দিকে আহ্বান করেছেন এবং তাওহিদ, ন্যায়, সত্য, দয়া, সহমর্মিতা ও মানবিক মর্যাদার শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁর প্রচারিত ইসলামের শান্তি, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের বাণী মানবসমাজে ব্যাপক পরিবর্তনের সূচনা করে।

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কার কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মের আগেই বাবা আবদুল্লাহ ইন্তেকাল করেন। ছয় বছর বয়সে তিনি মা আমিনা (রা.)-কেও হারান। এতিম অবস্থায় বেড়ে উঠলেও তাঁর চরিত্রে সততা, আমানতদারি, সংযম ও উত্তম নৈতিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত ফুটে ওঠে। এ কারণে মক্কার মানুষ তাঁকে ‘আল-আমিন’ বা বিশ্বস্ত ও আমানতদার হিসেবে অভিহিত করেন।

মহানবী (সা.) এমন এক সময়ে পৃথিবীতে আগমন করেন, যখন আরব সমাজ নানা ধরনের সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ে নিমজ্জিত ছিল। পৌত্তলিকতা, কুসংস্কার, গোত্রীয় সংঘাত, হিংসা, অন্যায় ও বৈষম্য তখন সমাজ জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গভীরভাবে প্রভাব বিস্তার করেছিল। এমন পরিস্থিতিতে মহান আল্লাহ তাঁকে মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেন।

চল্লিশ বছর বয়সে মক্কার হেরা গুহায় মহানবী (সা.)-এর ওপর প্রথম ওহি নাজিল হয়। এর মধ্য দিয়ে তাঁর নবুওয়াতের দায়িত্ব শুরু হয়। তিনি মানুষকে এক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মিথ্যা, জুলুম, শোষণ, অন্যায় ও বৈষম্য পরিহার করে ন্যায়, সততা, দয়া ও মানবিকতার পথে চলার শিক্ষা দেন।

মক্কার জীবনে মহানবী (সা.) ও তাঁর অনুসারীদের কঠিন নির্যাতন ও নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়। পরে আল্লাহর নির্দেশে তিনি মদিনায় হিজরত করেন। সেখানে তিনি একটি শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। মদিনার সমাজব্যবস্থায় পারস্পরিক দায়িত্ববোধ, সহাবস্থান, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রায় ২৩ বছর নবুওয়াতের দায়িত্ব পালন করে মহানবী (সা.) মানুষকে সত্য ও কল্যাণের পথে আহ্বান করেন। তাঁর জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে মানুষের প্রতি দয়া, ক্ষমাশীলতা, সহিষ্ণুতা ও সহমর্মিতার অসংখ্য দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়। এতিম, দরিদ্র, অসহায়, নারী, শিশু ও সমাজের দুর্বল মানুষের অধিকার রক্ষার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ শুধু ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে ন্যায়, সততা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার শিক্ষা রয়েছে। তাঁল আদর্শ অনুসরণ করে শান্তি, সম্প্রীতি ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হচ্ছে আজকের দিনেও।
মহানবী (সা.) ৬৩ বছর বয়সে মদিনায় ইন্তেকাল করেন। তাঁর ওফাত মুসলিম উম্মাহর জন্য ছিল অত্যন্ত বেদনাবিধুর ঘটনা। তাঁর সাহাবিদের কাছে তিনি ছিলেন সবচেয়ে প্রিয় ব্যক্তিত্ব। তাঁর পার্থিব জীবনের অবসান তাঁদের জন্য গভীর শোকের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ পাঠ, দোয়া, দান-খয়রাত ও বিভিন্ন নফল ইবাদতের মাধ্যমে দিনটি পালন করছেন। অনেকে নফল রোজাও রাখছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা, মিলাদ-মাহফিল, ওয়াজ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

 

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন

সংবাদদাতা: পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, হিজরি ১৪৪৮ উদযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসনের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন।

আলোচনা সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ও সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের প্রতিনিধিসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ছিলেন সমগ্র মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। তাঁর জীবন ও কর্মে রয়েছে মানবতা, ন্যায়, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, শান্তি ও সম্প্রীতির অনন্য শিক্ষা।

বক্তারা আরও বলেন, মহানবী (সা.) মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি অন্যায়, অবিচার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করলে সমাজে শান্তি, শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

আলোচনা সভায় মহানবী (সা.)-এর জীবন, কর্ম ও আদর্শের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন অতিথিরা। বক্তারা নতুন প্রজন্মের কাছে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ ও চরিত্র তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

ঢাকার পূর্বাঞ্চলে ওয়াইল্ড ৭০.৩ চ্যাম্পিয়ন সাতক্ষীরার তৌফিকুজ্জামান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:২২ অপরাহ্ণ
ঢাকার পূর্বাঞ্চলে ওয়াইল্ড ৭০.৩ চ্যাম্পিয়ন সাতক্ষীরার তৌফিকুজ্জামান

সংবাদদাতা: ঢাকার পূর্বাঞ্চলে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ওয়াইল্ড ৭০.৩ চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন সাতক্ষীরার কৃতী ক্রীড়াবিদ তৌফিকুজ্জামান। তিনি সাতক্ষীরা জেলার ভোমরা ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের বাসিন্দা এম এম আব্দুর রউফের ছেলে।
বিশ্বের অন্যতম কঠিন সহনশীলতাভিত্তিক এই প্রতিযোগিতায় এমটিভি ক্যাটাগরিতে সাঁতার, সাইক্লিং ও দৌড়—তিনটি ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করে প্রথম স্থান অর্জন করেন তৌফিকুজ্জামান।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের ১ দশমিক ৯ কিলোমিটার সাঁতার, ৯০ কিলোমিটার সাইক্লিং এবং ২১ দশমিক ১ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করতে হয়। দীর্ঘদিনের কঠোর অনুশীলন, শারীরিক সক্ষমতা, আত্মনিবেদন ও দৃঢ় মানসিকতার মাধ্যমে তৌফিকুজ্জামান এ সাফল্য অর্জন করেন।
এর আগে একই প্রতিযোগিতায় ২০২৪ সালে চ্যাম্পিয়ন এবং ২০২৫ সালে প্রথম রানারআপ হওয়ার কৃতিত্বও রয়েছে তাঁর। ধারাবাহিক এই সাফল্যে সাতক্ষীরার ক্রীড়াঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন, শুভানুধ্যায়ী ও সাধারণ মানুষ তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তৌফিকুজ্জামানের এই সাফল্য দেশের তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও সুস্থ জীবনধারার প্রতি আরও উৎসাহিত করবে।

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর তৌফিকুজ্জামান বলেন, এই অর্জন শুধু আমার নয়; এটি আমার পরিবার, কোচ ও সকল শুভাকাঙ্খীর। ভবিষ্যতে দেশের জন্য আরও বড় সাফল্য অর্জনের লক্ষ্যে আমি নিরলস পরিশ্রম করে যাব।