বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩

আড্ডা থেকে যেভাবে সিনেমার গান হয়ে এলো ‘এখানে কেউ নেই’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
আড্ডা থেকে যেভাবে সিনেমার গান হয়ে এলো ‘এখানে কেউ নেই’

আড্ডা থেকেই শুরু, শেষ পর্যন্ত জায়গা করে নেয় সিনেমায়—এভাবেই তৈরি হয়েছে নির্মাতা মাসুদ হাসান উজ্জ্বল পরিচালিত চলচ্চিত্র বনলতা সেন-এর গান ‘এখানে কেউ নেই’। এমনটাই জানিয়েছেন সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার।

গানটি প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। রহস্যময় ভিজ্যুয়াল, আবহসংগীত এবং কাব্যিক উপস্থাপনায় গানটি দর্শকদের দৃষ্টি কাড়ছে।

বাপ্পা মজুমদার জানান, শুরুতে এই চলচ্চিত্রে কোনও গান রাখার পরিকল্পনা ছিল না। তবে এক রাতের আড্ডায় হঠাৎ করেই ‘এখানে কেউ নেই’ গানের ধারণা তৈরি হয় এবং ধীরে ধীরে সেটি পুরো সিনেমার অংশ হয়ে ওঠে।

তিনি বলেন, “আমাদের আড্ডার প্রায় পুরোটা জুড়েই থাকে গান, চলচ্চিত্র, সাহিত্য আর কবিতা। সেই আড্ডার মধ্যেই এই চলচ্চিত্রের ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর (BGM)-এর প্রস্তাব আসে, যা আমি সানন্দে গ্রহণ করি।

মজার বিষয় হলো, শুরুতে এই ছবিতে কোনও গান থাকারই কথা ছিল না। কিন্তু কোনও এক রাতের আড্ডায় হঠাৎ করেই ‘এখানে কেউ নেই’ গানটি চলচ্চিত্রটির অংশ হয়ে ওঠে। বিষয়টি এখনও আমাদের সবাইকে সময়ে সময়ে অবাক করে। এই অসাধারণ স্ক্রিপ্টের অংশ হতে পারার সুযোগ দেওয়ার জন্য নির্মাতা উজ্জ্বলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”

গানটির কথা লিখেছেন বাপ্পা মজুমদার ও শাহান কবন্ধ। একই সঙ্গে গানটির সুর, সংগীত আয়োজন এবং কণ্ঠ দিয়েছেন বাপ্পা নিজেই। তার কণ্ঠের আবেগময় উপস্থাপনা গানটিকে আরও গভীরতা দিয়েছে বলে মনে করছেন শ্রোতারা।

গানটি প্রকাশের পর ইউটিউব ও ফেসবুকে দর্শকদের মধ্যে মিশ্র আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলা চলচ্চিত্রের গানের মধ্যে এটি অন্যতম ভিন্নধর্মী ও রহস্যময় উপস্থাপনা।

চলচ্চিত্রটির ভিজ্যুয়াল নির্মাণও দর্শকদের নজর কেড়েছে। আলো-ছায়ার ব্যবহার, প্রতীকধর্মী দৃশ্য এবং চরিত্রগুলোর অভিব্যক্তিতে তৈরি হয়েছে এক ধরনের কাব্যিক ও রহস্যময় আবহ।

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বনলতা সেন শুধু প্রেমের গল্প নয়; এতে রয়েছে নিঃসঙ্গতা, স্মৃতি এবং সম্পর্কের টানাপোড়েনের ভেতরকার গল্প। সেই আবহেরই প্রথম ইঙ্গিত মিলেছে এই গানে।

এর আগে পোস্টার ও টিজার প্রকাশের পর থেকেই ছবিটি ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। এবার গান প্রকাশের পর সেই আগ্রহ আরও বেড়েছে। অনেকেই মনে করছেন, আসন্ন ঈদুল আজহায় মুক্তি পেতে যাওয়া বনলতা সেন হতে পারে বছরের অন্যতম আলোচিত চলচ্চিত্র।

সব কিছু ঠিক থাকলে ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে বনলতা সেন।

Ads small one

খালের মাঝে ৩৩ লাখ টাকার সেতু, সংযোগ সড়ক না থাকায় ৫ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
খালের মাঝে ৩৩ লাখ টাকার সেতু, সংযোগ সড়ক না থাকায় ৫ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

Oplus_131072

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের টেংরাখালী এলাকায় প্রায় ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি পাকা সেতু এখন এলাকাবাসীর কাছে যেন ‘খালের মাঝখানের দ্বীপ’। সেতুর মূল কাঠামোর নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে প্রায় এক মাস আগে। কিন্তু এখনো দুই পাশে সংযোগ সড়ক (অ্যাপ্রোচ রোড) নির্মাণ না হওয়ায় সেটি কোনো কাজেই আসছে না। ফলে টেংরাখালীসহ আশপাশের পাঁচ গ্রামের হাজারো মানুষ এবং স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একটি নড়বড়ে কাঠের সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন।

​স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতু নির্মাণে নানা অনিয়ম করা হয়েছে। এমনকি সংযোগ সড়কের জন্য নির্ধারিত স্থান থেকে মাটি কেটে বাইরে বিক্রি করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এতে স্থানীয়দের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

​উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে টেংরাখালী গ্রামের দাউদ গাজীর বাড়ির সামনে সীমানার খালের ওপর সেতুটি নির্মাণ করা হয়। প্রায় ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির কাজ বাস্তবায়ন করে ‘আরিফ এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

​এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় এক মাস আগে সেতুর মূল ঢালাই ও নির্মাণকাজ শেষ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চলে যায়। কিন্তু দুই পাশে মাটি ভরাট করে সংযোগ সড়ক তৈরি না করায় সেতুতে ওঠানামার কোনো সুযোগ নেই। ফলে টেংরাখালী, পার্শ্বেখালী, মিরগাং, কালিঞ্চী ও ঠাকুরঘেরী গ্রামের মানুষ এখনো পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও রোগীরা।

​স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময় সংযোগ সড়কের জন্য নির্ধারিত স্থান থেকে স্কেভেটর (ভেকু) দিয়ে বিপুল পরিমাণ মাটি কেটে বাইরে বিক্রি করে দিয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। অপরিকল্পিতভাবে মাটি কাটার কারণে সড়কের দুই পাশে গভীর খাদের সৃষ্টি হয়েছে। এতে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় মাটির সংকট তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে খাদের কারণে আশপাশের কয়েকটি বসতবাড়িও ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

​ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ গাজী অভিযোগ করে বলেন, “সেতু হয়েছে ঠিকই, কিন্তু আমাদের ওঠানামার কোনো রাস্তা নেই। উল্টো ঠিকাদার মাটি কাটতে গিয়ে আমার বসতঘর খালের মধ্যে ভেঙে পড়েছে। পিআইও অফিসে বিষয়টি জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি।”

​রমজাননগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল হামিদ লাল্টু বলেন, “সেতুটির সংযোগ সড়ক না থাকায় মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি সত্য। আমি নিজে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে (পিআইও) বিষয়টি জানিয়েছি। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।”

​জানতে চাইলে শ্যামনগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মিরাজ হোসেন বলেন, “ঠিকাদারকে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্ষা ও বৃষ্টির কারণে কাজ কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। বৃষ্টি কমলেই সংযোগ সড়কের কাজ শুরু করা হবে।”

​তবে স্থানীয়দের দাবি, বৃষ্টি কোনো অজুহাত হতে পারে না। সংযোগ সড়কের জায়গা থেকে মাটি কেটে বিক্রি করে দেওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে দ্রুত সেতুটিকে চলাচলের উপযোগী করে জনগণের ভোগান্তি দূর করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।##

৯.৭.২৬

সাতক্ষীরায় শিশু ও যুবদের সুরক্ষায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শিশু ও যুবদের সুরক্ষায় কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: শিশু ও যুবদের জন্য মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও কমিউনিটি ভিত্তিক নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ তৈরিতে কমিউনিটি ভিত্তিক শিশু সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং বেসরকারী সংস্থা ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স এর আয়োজনে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শহরের অদূরে এল্লারচর চিংড়ি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কনফারেন্স রুমে উক্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা-তুজ-জোহরা।
মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সখিপুর কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর পবিত্র মোহন দাস, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি প্রমুখ। সভায় এসময় গণ্যমাধ্যম কর্র্মী, সিএসও প্রতিনিধি, শিশু সুরক্ষা কমিটির সদস্য, স্কুল-কলেজের শিক্ষক, মসজিদের ইমামসহ কমিউনিটির বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় প্রজেক্টারের মাধ্যমে প্রোগ্রাম সেশন পরিচালনা করেন, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স এর প্রতিনিধি নূর জামান ও মনির হোসেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, আফরোজা সুলতানা ও আব্দুল মান্নাণ।
মতবিনিময় সভায় বক্তরা বলেন, শিশু ও তরুণ প্রজন্মের সার্বিক সুরক্ষা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে তাদের নিরাপদ বিচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ভিড়ে শিশুরা যাতে কোনো ধরনের সাইবার ঝুঁকি বা অনাকাঙ্খিত পরিবেশের শিকার না হয়, তার জন্য একটি শক্তিশালী কমিউনিটি ভিত্তিক সুরক্ষা বলয় গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। একই সাথে, তাদের নিজস্ব মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রাখার ব্যাপারেও আলোচনা করা হয়।

শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রী কলেজে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রী কলেজে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

 

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা,জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব মোকাবেলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রী কলেজে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার(৯ জুলাই) সকালে সরকারি মহসীন কলেজ চত্তরে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপনের মাধ্যমে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক।

কলেজর অধ্যক্ষ প্রফেসর ড.এ কে এম আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য সচিব ড.প্রতাপ কুমার রায়, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক আল মোকাররম বিল্লাহ, আলাউদ্দীন, গিয়াসউদ্দীন প্রমুখ।

বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে নারকেল, কদবেল, আম, অর্জুন, পেয়ারা সহ অন্যান্য বৃক্ষ রোপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন পরিবেশ সুরক্ষা ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির বিকল্প নাই। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ ব্যক্তি পর্যায়ে গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলোর পরিচর্যাও প্রয়োজন।

অনুষ্ঠান শেষে কলেজ ক্যাম্পাসে আরও সবুজয়ানের ব্যাপারে আয়োজকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।