বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩

আড্ডা থেকে যেভাবে সিনেমার গান হয়ে এলো ‘এখানে কেউ নেই’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
আড্ডা থেকে যেভাবে সিনেমার গান হয়ে এলো ‘এখানে কেউ নেই’

আড্ডা থেকেই শুরু, শেষ পর্যন্ত জায়গা করে নেয় সিনেমায়—এভাবেই তৈরি হয়েছে নির্মাতা মাসুদ হাসান উজ্জ্বল পরিচালিত চলচ্চিত্র বনলতা সেন-এর গান ‘এখানে কেউ নেই’। এমনটাই জানিয়েছেন সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার।

গানটি প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। রহস্যময় ভিজ্যুয়াল, আবহসংগীত এবং কাব্যিক উপস্থাপনায় গানটি দর্শকদের দৃষ্টি কাড়ছে।

বাপ্পা মজুমদার জানান, শুরুতে এই চলচ্চিত্রে কোনও গান রাখার পরিকল্পনা ছিল না। তবে এক রাতের আড্ডায় হঠাৎ করেই ‘এখানে কেউ নেই’ গানের ধারণা তৈরি হয় এবং ধীরে ধীরে সেটি পুরো সিনেমার অংশ হয়ে ওঠে।

তিনি বলেন, “আমাদের আড্ডার প্রায় পুরোটা জুড়েই থাকে গান, চলচ্চিত্র, সাহিত্য আর কবিতা। সেই আড্ডার মধ্যেই এই চলচ্চিত্রের ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর (BGM)-এর প্রস্তাব আসে, যা আমি সানন্দে গ্রহণ করি।

মজার বিষয় হলো, শুরুতে এই ছবিতে কোনও গান থাকারই কথা ছিল না। কিন্তু কোনও এক রাতের আড্ডায় হঠাৎ করেই ‘এখানে কেউ নেই’ গানটি চলচ্চিত্রটির অংশ হয়ে ওঠে। বিষয়টি এখনও আমাদের সবাইকে সময়ে সময়ে অবাক করে। এই অসাধারণ স্ক্রিপ্টের অংশ হতে পারার সুযোগ দেওয়ার জন্য নির্মাতা উজ্জ্বলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”

গানটির কথা লিখেছেন বাপ্পা মজুমদার ও শাহান কবন্ধ। একই সঙ্গে গানটির সুর, সংগীত আয়োজন এবং কণ্ঠ দিয়েছেন বাপ্পা নিজেই। তার কণ্ঠের আবেগময় উপস্থাপনা গানটিকে আরও গভীরতা দিয়েছে বলে মনে করছেন শ্রোতারা।

গানটি প্রকাশের পর ইউটিউব ও ফেসবুকে দর্শকদের মধ্যে মিশ্র আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলা চলচ্চিত্রের গানের মধ্যে এটি অন্যতম ভিন্নধর্মী ও রহস্যময় উপস্থাপনা।

চলচ্চিত্রটির ভিজ্যুয়াল নির্মাণও দর্শকদের নজর কেড়েছে। আলো-ছায়ার ব্যবহার, প্রতীকধর্মী দৃশ্য এবং চরিত্রগুলোর অভিব্যক্তিতে তৈরি হয়েছে এক ধরনের কাব্যিক ও রহস্যময় আবহ।

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বনলতা সেন শুধু প্রেমের গল্প নয়; এতে রয়েছে নিঃসঙ্গতা, স্মৃতি এবং সম্পর্কের টানাপোড়েনের ভেতরকার গল্প। সেই আবহেরই প্রথম ইঙ্গিত মিলেছে এই গানে।

এর আগে পোস্টার ও টিজার প্রকাশের পর থেকেই ছবিটি ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। এবার গান প্রকাশের পর সেই আগ্রহ আরও বেড়েছে। অনেকেই মনে করছেন, আসন্ন ঈদুল আজহায় মুক্তি পেতে যাওয়া বনলতা সেন হতে পারে বছরের অন্যতম আলোচিত চলচ্চিত্র।

সব কিছু ঠিক থাকলে ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে বনলতা সেন।

Ads small one

দেবহাটা থানা পুলিশে অভিযানে ধর্ষণ মামলার ১জন আসামী গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ
দেবহাটা থানা পুলিশে অভিযানে ধর্ষণ মামলার ১জন আসামী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেবহাটা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ধর্ষণ মামলার ১জন আসামী গ্রেফতার হয়েছে।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, (৩ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার অনুমানিক সকাল ১০ টায় দেবহাটা থানার এসআই আল-আমিন সংগীয় ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে দেবহাটা থানাধীন পলগাদা এলাকা হতে ধর্ষণ মামলা আসামী হাড়দ্দা গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে সজিব হোসেন গ্রেপ্তার করেন।

এ বিষয়ে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ এইচ এম শাহিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আসামীকে ৩ সেপ্টেম্বর যথাযথ পুলিশ প্রহরার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

শ্যামনগর থানার সামনে জেলা পরিষদের বেদখল হওয়া জমি উদ্ধার করলেন প্রশাসক হাবিব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর থানার সামনে জেলা পরিষদের বেদখল হওয়া জমি উদ্ধার করলেন প্রশাসক হাবিব

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা সদরে শ্যামনগর থানার সামনে জেলা পরিষদের অবৈধভাবে দখল হওয়া জমি উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনার কাজ বন্ধ করে জায়গাটি দখলমুক্ত করেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। দুপুর ২টায় শ্যামনগর থানা গেটের সামনে পরিচালিত এ উদ্ধার অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান। এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব জেলা পরিষদের মালিকানাধীন বিভিন্ন স্থাপনা ও সম্পত্তি পরিদর্শন করেন।

পরে তিনি শ্যামনগরের নীলডুমুর ডাকবাংলো, চন্ডিপুর ২২ বিঘা পুকুর, আকাশনীলা ইকোপার্কসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জেলা পরিষদের সম্পত্তির অবস্থা সরেজমিনে দেখেন। এসব সম্পত্তি কীভাবে অবৈধ দখলমুক্ত করে সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, “শ্যামনগর উপজেলায় জেলা পরিষদের যেসব সম্পত্তি বিভিন্ন সময়ে দখল হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে উদ্ধার করে সরকারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। এসব সম্পত্তি আইন অনুযায়ী সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

উদ্ধার অভিযান ও পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশেক এলাহী মুন্না, জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার আল-আমিন, শ্যামনগর থানার ওসি, সাংবাদিক মারুফ হুসাইন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসি কাউসার আজিজের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসি কাউসার আজিজের

পত্রদূত ডেস্ক: দুর্যোগের আগেই সাইক্লোন সেন্টারগুলো প্রস্তুত করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ।

মঙ্গলবার (০৩ সেপ্টেম্বর ) জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি, সাতক্ষীরা আয়োজনে ‘বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘূর্ণিঝড় পূর্বাভাসভিত্তিক আগাম সাড়াদান কর্মসূচি ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে দুর্যোগ প্রতিক্রিয়াশীলকরণ এবং জলবায়ু ঝুঁকি বীমা কর্মসূচি’ বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত কর্মশালায় জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ বলেন, ঘূর্ণিঝড় বা কোনো বড় ধরনের দুর্যোগ আঘাত হানার আগেই সাইক্লোন সেন্টারগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় মেরামত ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। দুর্যোগের সময় ক্ষয়ক্ষতি শুরু হওয়ার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে নিরাপদে সাইক্লোন সেন্টারে নেওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি সাইক্লোন সেন্টারের পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রস্তুত রাখতে হবে। সংশ্লিষ্ট সব কমিটি, সদস্যদের দায়িত্ব ও করণীয়সহ প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত হালনাগাদ করে উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।

কর্মশালায় প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। এতে দুর্যোগের পূর্বাভাস পাওয়ার পর আগাম সাড়াদান, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে দুর্যোগ প্রতিক্রিয়াশীল করা এবং জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বীমা কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এবং জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা।

এ ছাড়া দাতা সংস্থার প্রতিনিধি, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি খুলনা ফিল্ড অফিসের প্রধান আল মামুন আজাদ, বাস্তবায়নকারী সংস্থা সুশীলনের উপ-পরিচালক জিএম মনিরুজ্জামান, সমন্বয়কারী মো. ইমরান হোসেন, মিল কো-অর্ডিনেটর মো: খালিদ মাহমুদ উপজেলা সমন্বয়কারী নিখিল রঞ্জন ও মো: আয়ুব আলী উপস্থিত ছিলেন।