সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আমার ক্লান্ত চোখ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
আমার ক্লান্ত চোখ

 

জাকিয়া রহমান
আমার ক্লান্ত চোখ যখন-
সবুজের সমারোহে খানিকটা বিশ্রাম নিতে চায়
জীবনানন্দ, তোমার কবিতার শব্দ লহরী তখন মনে এলে
মনের দুগাঙ্গে শীতল স্বচ্ছ জলের ছোঁয়ায়
‘পৃথিবীকে মায়াবীর নদীর পারের দেশ ব’লে মনে হয়’।
দুচোখের সব ক্লান্তি আমার তখন,
নীলাম্বরী মেঘ গাংচিলের সাথে উড়ে উড়ে
ভেসে চলে আর নীলাম্বরীর ছাউনির ঊণ দেখে বিমূঢ়
‘মস্ত বড় ময়দান— দেবদারু পামের নিবিড় মাথা— মাইলের পর মাইল;
দুপুরবেলার জনবিরল গভীর বাতাস
দূর শূন্যে চিলের পাটকিলে ডানার ভিতর অস্পষ্ট হ’য়ে হারিয়ে যায়’।
সহসা সম্বিৎ পেয়ে আমার ক্লান্ত চোখ চেয়ে দেখে-
‘শুয়েছে ভোরের রোদ’
‘অলস গেঁয়োর মতো এইখানে’- এরিনের সবুজ মেখলায়।
আর ‘মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার—চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ’।
সে সৌরভ নিঃশ্বাসের পাপড়ির গায়ে ছুঁয়ে দিয়ে যায়,
এক আকণ্ঠ প্রাণময়তার আবেগ
আর চোখের ক্লান্তি জীবনের জানালায় উঁকি দিয়ে অনুভব করে
‘বাতাসের বুকে স্পৃহা, উৎসাহ, জীবনের ফেনা’।

Ads small one

তালা ও পাটকেলঘাটা থানা পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
তালা ও পাটকেলঘাটা থানা পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা ও পাটকেলঘাটা থানা বার্ষিক পরিদর্শনের অংশ হিসেবে পরিদর্শন করেছেন জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম। সোমবার (২৫ মে) তিনি থানা দুটিতে যান এবং দাপ্তরিক ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রম খতিয়ে দেখেন।

থানা পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার বিভিন্ন সেরেস্তার গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক রেজিস্টার পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদারকি করেন। পরে তিনি থানার কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

সভায় পুলিশ সুপার পুলিশ সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি, কর্মক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব বজায় রাখা এবং সেবার গতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, পুলিশকে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে হবে এবং আইনি সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যেন কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে।

পরিদর্শনের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এস এম রাজু আহমেদ এবং সহকারী পুলিশ সুপার (তালা সার্কেল) শেখ মোহাম্মদ নূরুল্লাহসহ থানা দুটির বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাবৃন্দ।

যুগীপোতায় ধান ও বিচলীর গাদায় আগুন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ
যুগীপোতায় ধান ও বিচলীর গাদায় আগুন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের যুগীপোতা গ্রামে ধান ও বিচলীর গাদা আগুনে পুড়ে দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

 

জানা গেছে, যুগীপোতা গ্রামের আব্দুল সামাদের পুত্র আব্দুল হাই সরদার ১৪বিঘা জমি হারি নিয়ে মৎস্য চাষের পাশাপাশি ধান চাষ করে আসছিল। এবছর ঘেরের জমিতে ইরিবোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও ২৫মে ভোররাতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষ আগুন দিয়েছে বলে আব্দুল হাই অভিযোগ করেন।

 

আগুনে পুড়ে দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগী আব্দুল হাই জানিয়েছেন। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ মাসুদুর রহমান জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শার্শায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ১৬ হাজার গবাদিপশু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
শার্শায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ১৬ হাজার গবাদিপশু

বাগআঁচড়া (শার্শা) প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্তম যশোরের শার্শা উপজেলার সাতমাইল পশুরহাট। হাট জুড়ে এখন দেশীয় গরুর সমারোহ। ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের গরু নিয়ে হাজির হয়েছেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা। তবে এবার বড় গরুর তুলনায় ছোট ও মাঝারি গরুর প্রতিই ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি।

গত শনিবার পশুহাট ঘুরে দেখা যায়, হাজারো গরুর হাঁকডাকে মুখর পুরো বাজার এলাকা। যশোরসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা খামারি ও ব্যবসায়ীরা তাদের গরু নিয়ে বসেছেন। পর্যাপ্ত পশুর সরবরাহ থাকলেও এখনো ক্রেতার চাপ তুলনামূলক কম। তবে বিক্রেতাদের আশা ঈদের আগের শেষ হাটে বেচাকেনা আরও জমে উঠবে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দফতর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর উপজেলায় কোরবানির জন্য প্রায় ১৬ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে গরুর সংখ্যা ১৩ হাজার ১০০টি। বিপরীতে উপজেলায় চাহিদা রয়েছে ১২ হাজার ৭২৬টি পশুর। ফলে কোরবানির পশুর কোনো সংকট থাকবে না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। হাটে আসা ক্রেতাদের ভাষ্য, গত বছরের তুলনায় এ বছর গরুর দাম কিছুটা সহনীয় হলেও ছোট ও মাঝারি গরুর দাম এখনো তুলনামূলক বেশি। কারণ সাধারণ মানুষের বাজেটের মধ্যে এসব গরুর চাহিদাই বেশি।

শিরাজুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা বলেন, একটি গরুর দাম প্রথমে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা চেয়েছিলেন এক খামারি। অনেক দরদামের পর ৯০ হাজার টাকায় কিনেছি। তার অভিযোগ প্রতিটি গরুর দামের চেয়ে বেশি দাম আকাছেন খামারিরা। খামারিদের অভিযোগ গো-খাদ্যের দাম যে ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, তাতে করে কাঙ্ক্ষিত দাম না পেলে লোকসানের মুখে পড়বে খামারিরা।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তপু কুমার সাহা বলেন, এবার উপজেলায় কোরবানির পশুর সরবরাহ চাহিদার তুলনায় বেশি। প্রতিটি হাটে মেডিকেল টিম কাজ করছে। পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, গর্ব পরীক্ষা, অসুস্থ পশুর চিকিৎসাসহ সার্বিক মনিটরিং করা হচ্ছে। কৃত্রিমভাবে মোটাতাজাকরণ করা পশু যাতে বাজারে না আসে, সেদিকেও কঠোর নজরদারি রয়েছে।

সাতমাইল পশুর হাটের পরিচালকের পক্ষে থেকে জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, কোরবানি ঈদ উপলক্ষে হাটে পর্যাপ্ত গবাদিপশু উঠেছে। ক্রেতার চাপ একটু কম থাকলেও ঈদের শেষ দিকে বেচাকেনা বৃদ্ধি পাবে।

সাতমাইল পশুহাটের ইজারাদার আলহাজ্ব কুদ্দুস আলী বিশ্বাস জানান, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সাতমাইল পশুরহাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক সমাগম ঘটেছে। হাটে দেশীয় গরু, ছাগল পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। আগাত ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। হাটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক টিমও কাজ করছে। আশা করছি, ঈদের আগ মুহূর্তে বেচাকেনা আরও বাড়বে।

এদিকে হাটে স্থানীয় পাইকারদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতে। গ্রাম থেকে গরু- ছাগল কিনে সাতমাইল পশুহাটে বিক্রির জন্য নিয়ে আসছেন। সব মিলিয়ে কোরবানির ঈদ সামনে রেখে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে উঠেছে দেশের দক্ষিণ- পশ্চিম অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী সাতমাইল পশুর হাট। এখানে সপ্তাহে দু’দিন শনিবার ও মঙ্গলবার হাট বসে।