আশাশুনিতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কালাম হত্যা, থানায় মামলা
সংবাদদাতা: আশাশুনি উপজেলার আগরদাঁড়ি গ্রামের ক্ষুদ্র মৌসুমি ব্যবসায়ী আবুল কালাম সরদারকে (৬০) হত্যা ও লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগে থানায় একটি মামলা হয়েছে। নিহত ব্যবসায়ীর স্ত্রী আলেয়া খাতুন বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে আশাশুনি থানায় এই মামলা করেন। নিহত আবুল কালাম সরদার আগরদাঁড়ি গ্রামের রহিম সরদারের ছেলে।
এদিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার দুপুরে নিহত আবুল কালামের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। বিকেল পাঁচটায় স্থানীয় মসজিদের মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়, শনিবার রাতে পার্শ্ববর্তী আগরদাঁড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মোড়ে চা খেতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন আবুল কালাম। রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। স্বজনরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে ব্যর্থ হয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আঙুর হোসেনকে বিষয়টি জানান। সোমবার সকালে বাড়ির পাশে শফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন ঘরের পেছনে কাদামাখা লাশ পড়ে থাকতে দেখেন এক প্রতিবেশী। পরে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।
অভিযোগে বলা হয়, শনিবার রাত থেকে সোমবার সকালের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা তাঁকে হত্যা করে নির্মাণাধীন ঘরের পেছনে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ফেলে রেখে যায়। তবে নিহতের পকেটে কয়েকটি নাম সম্বলিত চিরকুট রেখে হত্যাকা-ের মূল ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালানো হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহম্মদ খান জানান, লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা (মামলা নং- ১৬) দায়ের করেছেন। মামলাটির তদন্তভার উপপরিদর্শক কাছেদ মুন্সির ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।











