মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

আশাশুনির বুধহাটায় নষ্ট রাস্তা সংস্কার করলেন এড. শহিদুল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনির বুধহাটায় নষ্ট রাস্তা সংস্কার করলেন এড. শহিদুল

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা গ্রামে দীর্ঘদিনের অবহেলিত ও চলাচলের অনুপযোগী একটি কাঁচা-ইটের রাস্তা নিজ খরচে সংস্কার করছেন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট শহিদুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার সকালে শ্রমিক দিয়ে রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়।
বুধহাটা দক্ষিণপাড়া, পোদ্দারপাড়া ও নাথপাড়া সংযোগকারী এই সড়কটি দীর্ঘদিন ভাঙাচোরা থাকায় বর্ষাকালে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। চলাচলের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংস্কারকাজ তদারকিকালে এডভোকেট শহিদুল ইসলাম বলেন, জনগণের কষ্ট লাঘব করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। নির্বাচন সামনে থাকলেও তিনি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এলাকার জরুরি উন্নয়নমূলক ও সেবামূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় জামায়াতের ওয়ার্ড সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা যুব বিভাগের সম্পাদক আজহারুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

Ads small one

মনি মণ্ডল থেকে মনি কিশোর, ‘কী ছিলে তুমি আমার’ গানেই বাজিমাত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
মনি মণ্ডল থেকে মনি কিশোর, ‘কী ছিলে তুমি আমার’ গানেই বাজিমাত

নব্বই দশকের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মনি কিশোর। ২০২৪ সালের এই দিনে (২০ অক্টোবর) রামপুরার বাসায় মেলে তার লাশ। নড়াইলের লক্ষ্মীপুরে জন্ম নেওয়া মনি কিশোর সংগীতপ্রেমী পরিবারে বড় হন।

শৈশব থেকে গানই ছিল তার নেশা। আশির দশকের শেষের দিকে ঢাকায় এসে যোগ দেন সংগীতের দুনিয়ায়। খুব দ্রুত তার কণ্ঠ আলাদা করে চিনে নেন শ্রোতারা।

শিল্পী হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার আগে মনি কিশোরের নাম ছিল মনি মণ্ডল। মৃত্যুর আগে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে মনি মণ্ডল থেকে কীভাবে মনি কিশোর হয়ে উঠেছেন তা জানিয়েছিলেন তিনি। মনি ছিলেন কিশোর কুমারের ভক্ত।

তিনি বলেন, ‘কুমার শানু নিয়েছেন ‘ওস্তাদের’ নামের একাংশ। আমি নিয়েছি তার নামের আরেক অংশ’।

‘চার্মিং বউ’ অ্যালবাম দিয়ে মনি কিশোরের সংগীত ক্যারিয়ার শুরু করেন। এই অ্যালবামের ‘কী ছিলে তুমি আমার’ গান দিয়ে রাতারাতি তারকা বনে যান তিনি। তিন দশক পরেও এ গান শ্রোতাদের মুখে মুখে শোনা যায়। নব্বই দশকের শেষের দিকে ‘কে অপরাধী’ সিনেমাতেও গানটি ব্যবহার করা হয়। এতে পর্দায় ঠোঁট মেলান জনপ্রিয় অভিনেতা ওমর সানী।

নড়াইল জেলার লক্ষ্মীপুরে ১৯৬১ সালের ৯ জানুয়ারি জন্ম মনি কিশোরের।

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট শেয়ার করার আগে ফেক না আসল যাচাই করবেন যেভাবে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট শেয়ার করার আগে ফেক না আসল যাচাই করবেন যেভাবে

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমভিত্তিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম, পেজ ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়াই নানা খবর প্রকাশের প্রবণতা বেড়েছে। দ্রুত সংবাদ প্রকাশ কিংবা বেশি ভিউ পাওয়ার প্রতিযোগিতায় অনেক সময় তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি যথাযথ গুরুত্ব পায় না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সহজলভ্য হওয়ায় সব শ্রেণি-পেশা ও বয়সের মানুষ এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছেন। তবে অনেকেই কোনো খবরের সত্যতা যাচাই না করেই তা বিশ্বাস করেন কিংবা নিজের প্রোফাইলে শেয়ার করেন অথবা অন্যদের কাছে পাঠিয়ে দেন। এতে বিভ্রান্তি ছড়ানোর পাশাপাশি ভুল তথ্য দ্রুত ভাইরাল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো পোস্ট শেয়ার করার আগে কয়েকটি সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করে এর সত্যতা যাচাই করা জরুরি।

 

পোস্টের উৎস যাচাই করুন

প্রথমে পোস্টটি কে প্রকাশ করেছে, তা দেখুন। কোনো সংবাদমাধ্যম, সরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তি তথ্যটি দিয়েছেন কি না, তা যাচাই করুন। অ্যাকাউন্টের নাম, ইউজারনেম, অনুসারী সংখ্যা ও আগের পোস্টগুলোও পরীক্ষা করুন। পরিচিত সংবাদমাধ্যমের নাম বা লোগো ব্যবহার করলেই কোনো অ্যাকাউন্ট আসল হয়ে যায় না। নামের বানানে কিংবা লোগোতে সামান্য পরিবর্তন থাকলেও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। নামের পাশে ভেরিফায়েড ব্যাজ দেখে কোনো অ্যাকাউন্টের সব তথ্যকে সত্য বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। অ্যাকাউন্টটি আসল হলেও সেখান থেকে প্রকাশিত প্রতিটি তথ্য সঠিক নাও হতে পারে।

মূল সূত্র খুঁজে বের করুন

কোনো পোস্টে সংবাদ, গবেষণা, সরকারি ঘোষণা বা পরিসংখ্যানের উল্লেখ থাকলে মূল সূত্র খুঁজে দেখুন। শুধু স্ক্রিনশটের ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্ঠানের মূল প্রকাশনা খুঁজে বের করুন। সূত্রের লিংক না থাকলে পোস্টের গুরুত্বপূর্ণ দাবিটি গুগলে লিখে অনুসন্ধান করতে পারেন। একাধিক নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমে একই ঘটনার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে কি না, তা-ও যাচাই করুন।

প্রকাশের তারিখ ও প্রেক্ষাপট দেখুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরোনো খবর বা ছবি নতুন ঘটনার বলে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই পোস্টের প্রকাশের তারিখের পাশাপাশি মূল সংবাদ প্রথম কবে প্রকাশিত হয়েছিল, তা যাচাই করুন। ভিডিওর ক্ষেত্রে ঘটনার আগে-পরে কী ঘটেছিল, তা বুঝতে সম্পূর্ণ ভিডিও দেখুন। ছবির ক্যাপশনে উল্লেখ করা স্থান ও সময়ের সঙ্গে মূল ছবির তথ্য মিলছে কি না, সেটিও পরীক্ষা করা জরুরি।

ছবি ও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করুন

কোনো ছবি সত্য হলেও সেটি যে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে শেয়ার করা হচ্ছে, তার সঙ্গে সম্পর্কিত নাও হতে পারে। এ ক্ষেত্রে গুগল লেন্সের মতো রিভার্স ইমেজ সার্চ সুবিধা ব্যবহার করে ছবিটি আগে কোথায় প্রকাশিত হয়েছিল, তা খুঁজে দেখা যায়। ভিডিওর গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যের স্ক্রিনশট নিয়েও অনুসন্ধান করা সম্ভব।

ফ্যাক্ট-চেকিং ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করুন

কোনো দাবি নিজে যাচাই করতে না পারলে স্নোপস, ফ্যাক্টচেক ডট অর্গ কিংবা রয়টার্স ফ্যাক্ট চেকের মতো ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করুন। দাবিটির মূল শব্দের সঙ্গে ‘ফ্যাক্ট চেক’ লিখে গুগলেও খুঁজতে পারেন।

নিশ্চিত না হলে শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন

সব তথ্য যাচাই করার পরও কোনো দাবির সত্যতা নিশ্চিত না হলে সেটি শেয়ার না করাই ভালো। মনে রাখতে হবে, কোনো পোস্টে বেশি লাইক, মন্তব্য বা শেয়ার থাকলেই তার তথ্য সত্য হয়ে যায় না। বরং নির্ভরযোগ্য সূত্রে তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পরই তা অন্যদের সাথে শেয়ার করা উচিৎ।

নতুন ফোন বা হার্ডড্রাইভে পুরো স্টোরেজ ব্যবহার করা যায় না কেন?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
নতুন ফোন বা হার্ডড্রাইভে পুরো স্টোরেজ ব্যবহার করা যায় না কেন?

নতুন হার্ডড্রাইভ, এসএসডি কিংবা স্মার্টফোন কেনার পর স্টোরেজে গেলে দেখা যায়, বিজ্ঞাপনে বা বক্সে উল্লেখ করা স্টোরেজের পুরোটা ব্যবহার করা যাচ্ছে না। যেমন, ৫১২ গিগাবাইটের একটি ড্রাইভ উইন্ডোজ কম্পিউটারে মাত্র ৪৭৭ গিগাবাইট ব্যবহারযোগ্য জায়গা দেখায়। এতে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, বাকি জায়গা কোথায় গেল বা কেনার সময় প্রতারণার শিকার হয়েছেন কি না। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর কারণ হলো স্টোরেজের ধারণক্ষমতা গণনার পদ্ধতিতে পার্থক্য এবং ডিভাইসে আগে থেকেই ইনস্টল করা অপারেটিং সিস্টেম ও অন্যান্য সিস্টেম ফাইল।

স্টোরেজ নির্মাতারা সাধারণত দশমিক বা ডেসিমেল পদ্ধতিতে ধারণক্ষমতা হিসাব করে থাকে। এ পদ্ধতিতে এক কিলোবাইটে ১ হাজার বাইট, এক মেগাবাইটে ১০ লাখ বাইট এবং এক গিগাবাইটে ১০০ কোটি বাইট ধরা হয়। ফলে নির্মাতারা যখন কোনো ড্রাইভের ধারণক্ষমতা ১ টেরাবাইট বলে উল্লেখ করেন, তখন সেটির মোট ধারণক্ষমতা হয় ১ লাখ কোটি বাইট।

অন্যদিকে, উইন্ডোজের মতো অপারেটিং সিস্টেম স্টোরেজের হিসাব করতে বাইনারি পদ্ধতি ব্যবহার করে। এ পদ্ধতিতে এক কিলোবাইটের সমতুল্য পরিমাণ ১ হাজার ২৪ বাইট এবং এক গিগাবাইটের সমতুল্য পরিমাণ ১ হাজার ৭৩৭ লাখ ৪১ হাজার ৮২৪ বাইট। ফলে একই পরিমাণ তথ্যকে দুই পদ্ধতিতে হিসাব করলে সংখ্যায় পার্থক্য দেখা যায়। এ কারণেই ১ টেরাবাইটের ড্রাইভ উইন্ডোজে প্রায় ৯৩১ গিগাবাইট হিসেবে দেখা যায়। অর্থাৎ, এখানে ধারণক্ষমতা কমে যায়নি। হিসাবের একক আলাদা হওয়ায় প্রদর্শিত সংখ্যাটি ছোট দেখাচ্ছে। অন্যদিকে, ম্যাক কম্পিউটারে দশমিক পদ্ধতি ব্যবহার করায় একই ড্রাইভের ধারণক্ষমতা প্রায় পুরো ১ টেরাবাইট হিসেবেই দেখা যায়।

তবে স্টোরেজ কম দেখানোর পেছনে আরেকটি কারণ হলো অপারেটিং সিস্টেম ও প্রয়োজনীয় সিস্টেম ফাইল। নতুন ফোন, ট্যাবলেট বা কম্পিউটার চালু করতে এসব সফটওয়্যার আগে থেকেই ইনস্টল করা থাকে, যা ডিভাইসের মোট স্টোরেজের একটি অংশ ব্যবহার করে। উদাহরণ স্বরূপ, ১২৮ গিগাবাইট স্টোরেজের আইফোন ১৬ প্রোতে আইওএস ২৭ অপারেটিং সিস্টেমই ২২ গিগাবাইটের বেশি জায়গা নেয়। একইভাবে কিছু গেমিং ল্যাপটপে উইন্ডোজ ১১-এর জন্য ৮১ গিগাবাইটের বেশি জায়গা প্রয়োজন হয়।

এ ছাড়া অপারেটিং সিস্টেমের অস্থায়ী ফাইল, ক্যাশ মেমোরি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজের জন্যও অতিরিক্ত জায়গা দরকার হয়। স্টোরেজ প্রায় পূর্ণ হয়ে গেলে কম্পিউটার বা ফোনের গতি কমে যেতে পারে, এমনকি অ্যাপ আটকে যাওয়া বা বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই নতুন ডিভাইস কেনার সময় শুধু বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করা ধারণক্ষমতা নয়, অপারেটিং সিস্টেম ও অন্যান্য ফাইল বাদ দেওয়ার পর ব্যবহারযোগ্য জায়গাও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।