মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

আলিপুর হাটখোলা দাসপাড়াসহ বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শনে আব্দুর রউফ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ণ
আলিপুর হাটখোলা দাসপাড়াসহ বিভিন্ন পূজাম-প পরিদর্শনে আব্দুর রউফ

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যার পর সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের আলিপুর হাটখোলা দাসপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় দুর্গোৎসবের ম-প পরিদর্শন করেছেন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রউফ। আলিপুর হাটখোলা দাসপাড়া পূজাম-প পরিদর্শনকালে সার্বজনীন দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি রথীন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক জীবন দাস ও উপদেষ্টা নিমাই দাসসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যদের কাছে ১০ হাজার টাকার একটি চেক হস্তান্তর করেন আব্দুর রউফ। এ সময় পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

Ads small one

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট শেয়ার করার আগে ফেক না আসল যাচাই করবেন যেভাবে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট শেয়ার করার আগে ফেক না আসল যাচাই করবেন যেভাবে

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমভিত্তিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম, পেজ ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়াই নানা খবর প্রকাশের প্রবণতা বেড়েছে। দ্রুত সংবাদ প্রকাশ কিংবা বেশি ভিউ পাওয়ার প্রতিযোগিতায় অনেক সময় তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি যথাযথ গুরুত্ব পায় না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সহজলভ্য হওয়ায় সব শ্রেণি-পেশা ও বয়সের মানুষ এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছেন। তবে অনেকেই কোনো খবরের সত্যতা যাচাই না করেই তা বিশ্বাস করেন কিংবা নিজের প্রোফাইলে শেয়ার করেন অথবা অন্যদের কাছে পাঠিয়ে দেন। এতে বিভ্রান্তি ছড়ানোর পাশাপাশি ভুল তথ্য দ্রুত ভাইরাল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো পোস্ট শেয়ার করার আগে কয়েকটি সহজ পদ্ধতি অনুসরণ করে এর সত্যতা যাচাই করা জরুরি।

 

পোস্টের উৎস যাচাই করুন

প্রথমে পোস্টটি কে প্রকাশ করেছে, তা দেখুন। কোনো সংবাদমাধ্যম, সরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তি তথ্যটি দিয়েছেন কি না, তা যাচাই করুন। অ্যাকাউন্টের নাম, ইউজারনেম, অনুসারী সংখ্যা ও আগের পোস্টগুলোও পরীক্ষা করুন। পরিচিত সংবাদমাধ্যমের নাম বা লোগো ব্যবহার করলেই কোনো অ্যাকাউন্ট আসল হয়ে যায় না। নামের বানানে কিংবা লোগোতে সামান্য পরিবর্তন থাকলেও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। নামের পাশে ভেরিফায়েড ব্যাজ দেখে কোনো অ্যাকাউন্টের সব তথ্যকে সত্য বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। অ্যাকাউন্টটি আসল হলেও সেখান থেকে প্রকাশিত প্রতিটি তথ্য সঠিক নাও হতে পারে।

মূল সূত্র খুঁজে বের করুন

কোনো পোস্টে সংবাদ, গবেষণা, সরকারি ঘোষণা বা পরিসংখ্যানের উল্লেখ থাকলে মূল সূত্র খুঁজে দেখুন। শুধু স্ক্রিনশটের ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্ঠানের মূল প্রকাশনা খুঁজে বের করুন। সূত্রের লিংক না থাকলে পোস্টের গুরুত্বপূর্ণ দাবিটি গুগলে লিখে অনুসন্ধান করতে পারেন। একাধিক নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমে একই ঘটনার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে কি না, তা-ও যাচাই করুন।

প্রকাশের তারিখ ও প্রেক্ষাপট দেখুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরোনো খবর বা ছবি নতুন ঘটনার বলে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই পোস্টের প্রকাশের তারিখের পাশাপাশি মূল সংবাদ প্রথম কবে প্রকাশিত হয়েছিল, তা যাচাই করুন। ভিডিওর ক্ষেত্রে ঘটনার আগে-পরে কী ঘটেছিল, তা বুঝতে সম্পূর্ণ ভিডিও দেখুন। ছবির ক্যাপশনে উল্লেখ করা স্থান ও সময়ের সঙ্গে মূল ছবির তথ্য মিলছে কি না, সেটিও পরীক্ষা করা জরুরি।

ছবি ও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করুন

কোনো ছবি সত্য হলেও সেটি যে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে শেয়ার করা হচ্ছে, তার সঙ্গে সম্পর্কিত নাও হতে পারে। এ ক্ষেত্রে গুগল লেন্সের মতো রিভার্স ইমেজ সার্চ সুবিধা ব্যবহার করে ছবিটি আগে কোথায় প্রকাশিত হয়েছিল, তা খুঁজে দেখা যায়। ভিডিওর গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যের স্ক্রিনশট নিয়েও অনুসন্ধান করা সম্ভব।

ফ্যাক্ট-চেকিং ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করুন

কোনো দাবি নিজে যাচাই করতে না পারলে স্নোপস, ফ্যাক্টচেক ডট অর্গ কিংবা রয়টার্স ফ্যাক্ট চেকের মতো ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করুন। দাবিটির মূল শব্দের সঙ্গে ‘ফ্যাক্ট চেক’ লিখে গুগলেও খুঁজতে পারেন।

নিশ্চিত না হলে শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন

সব তথ্য যাচাই করার পরও কোনো দাবির সত্যতা নিশ্চিত না হলে সেটি শেয়ার না করাই ভালো। মনে রাখতে হবে, কোনো পোস্টে বেশি লাইক, মন্তব্য বা শেয়ার থাকলেই তার তথ্য সত্য হয়ে যায় না। বরং নির্ভরযোগ্য সূত্রে তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পরই তা অন্যদের সাথে শেয়ার করা উচিৎ।

নতুন ফোন বা হার্ডড্রাইভে পুরো স্টোরেজ ব্যবহার করা যায় না কেন?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
নতুন ফোন বা হার্ডড্রাইভে পুরো স্টোরেজ ব্যবহার করা যায় না কেন?

নতুন হার্ডড্রাইভ, এসএসডি কিংবা স্মার্টফোন কেনার পর স্টোরেজে গেলে দেখা যায়, বিজ্ঞাপনে বা বক্সে উল্লেখ করা স্টোরেজের পুরোটা ব্যবহার করা যাচ্ছে না। যেমন, ৫১২ গিগাবাইটের একটি ড্রাইভ উইন্ডোজ কম্পিউটারে মাত্র ৪৭৭ গিগাবাইট ব্যবহারযোগ্য জায়গা দেখায়। এতে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, বাকি জায়গা কোথায় গেল বা কেনার সময় প্রতারণার শিকার হয়েছেন কি না। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর কারণ হলো স্টোরেজের ধারণক্ষমতা গণনার পদ্ধতিতে পার্থক্য এবং ডিভাইসে আগে থেকেই ইনস্টল করা অপারেটিং সিস্টেম ও অন্যান্য সিস্টেম ফাইল।

স্টোরেজ নির্মাতারা সাধারণত দশমিক বা ডেসিমেল পদ্ধতিতে ধারণক্ষমতা হিসাব করে থাকে। এ পদ্ধতিতে এক কিলোবাইটে ১ হাজার বাইট, এক মেগাবাইটে ১০ লাখ বাইট এবং এক গিগাবাইটে ১০০ কোটি বাইট ধরা হয়। ফলে নির্মাতারা যখন কোনো ড্রাইভের ধারণক্ষমতা ১ টেরাবাইট বলে উল্লেখ করেন, তখন সেটির মোট ধারণক্ষমতা হয় ১ লাখ কোটি বাইট।

অন্যদিকে, উইন্ডোজের মতো অপারেটিং সিস্টেম স্টোরেজের হিসাব করতে বাইনারি পদ্ধতি ব্যবহার করে। এ পদ্ধতিতে এক কিলোবাইটের সমতুল্য পরিমাণ ১ হাজার ২৪ বাইট এবং এক গিগাবাইটের সমতুল্য পরিমাণ ১ হাজার ৭৩৭ লাখ ৪১ হাজার ৮২৪ বাইট। ফলে একই পরিমাণ তথ্যকে দুই পদ্ধতিতে হিসাব করলে সংখ্যায় পার্থক্য দেখা যায়। এ কারণেই ১ টেরাবাইটের ড্রাইভ উইন্ডোজে প্রায় ৯৩১ গিগাবাইট হিসেবে দেখা যায়। অর্থাৎ, এখানে ধারণক্ষমতা কমে যায়নি। হিসাবের একক আলাদা হওয়ায় প্রদর্শিত সংখ্যাটি ছোট দেখাচ্ছে। অন্যদিকে, ম্যাক কম্পিউটারে দশমিক পদ্ধতি ব্যবহার করায় একই ড্রাইভের ধারণক্ষমতা প্রায় পুরো ১ টেরাবাইট হিসেবেই দেখা যায়।

তবে স্টোরেজ কম দেখানোর পেছনে আরেকটি কারণ হলো অপারেটিং সিস্টেম ও প্রয়োজনীয় সিস্টেম ফাইল। নতুন ফোন, ট্যাবলেট বা কম্পিউটার চালু করতে এসব সফটওয়্যার আগে থেকেই ইনস্টল করা থাকে, যা ডিভাইসের মোট স্টোরেজের একটি অংশ ব্যবহার করে। উদাহরণ স্বরূপ, ১২৮ গিগাবাইট স্টোরেজের আইফোন ১৬ প্রোতে আইওএস ২৭ অপারেটিং সিস্টেমই ২২ গিগাবাইটের বেশি জায়গা নেয়। একইভাবে কিছু গেমিং ল্যাপটপে উইন্ডোজ ১১-এর জন্য ৮১ গিগাবাইটের বেশি জায়গা প্রয়োজন হয়।

এ ছাড়া অপারেটিং সিস্টেমের অস্থায়ী ফাইল, ক্যাশ মেমোরি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজের জন্যও অতিরিক্ত জায়গা দরকার হয়। স্টোরেজ প্রায় পূর্ণ হয়ে গেলে কম্পিউটার বা ফোনের গতি কমে যেতে পারে, এমনকি অ্যাপ আটকে যাওয়া বা বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই নতুন ডিভাইস কেনার সময় শুধু বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করা ধারণক্ষমতা নয়, অপারেটিং সিস্টেম ও অন্যান্য ফাইল বাদ দেওয়ার পর ব্যবহারযোগ্য জায়গাও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

টোকিওতে তারেক রহমান-সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ২৭ অক্টোবর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
টোকিওতে তারেক রহমান-সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ২৭ অক্টোবর

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব প্রসারের লক্ষ্যে আগামী ২৭ অক্টোবর টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জাপান সফর উপলক্ষে সোমবার (২০ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এ তথ্য জানান। এ সময় তিনি আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রধানমন্ত্রীর সরকারি সফরের কর্মসূচি তুলে ধরেন।

পররাষ্ট্র সচিব জানান, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে এ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ঢাকা ও টোকিও থেকে একই সঙ্গে সফরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

সফরের দ্বিতীয় দিন ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করবেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, কৃষি, মৎস্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমঝোতা স্মারক ও সহযোগিতা চুক্তির খসড়া নিয়ে দুই পক্ষের আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি, এই সফরের সময় বেশ কিছু সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।’

সিয়াম বলেন, বিদ্যমান কৌশলগত অংশীদারত্বের প্রসার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য এ সফর সময়োপযোগী সুযোগ তৈরি করবে।

তিনি জানান, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ‘বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি’ (ইপিএ) স্বাক্ষরের ফলে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের প্রসারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। সফরকালে এ চুক্তির বাস্তবায়ন, জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের সুযোগ বৃদ্ধি, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে বিশেষ আলোচনা হবে।

এ ছাড়া বৈঠকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ডিজিটাল রূপান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন এবং মানবসম্পদ প্রশিক্ষণের বিষয়গুলোও আলোচনায় স্থান পাবে।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ‘জাপান-বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরাম’-এ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন। তাঁর খসড়া সফরসূচিতে ‘জাপান-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ লিগ’ এবং ‘জাপান-বাংলাদেশ কমিটি ফর কমার্শিয়াল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন’-এর চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে।

এ ছাড়া জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা), জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি), জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেট্রো) এবং সাকাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রধানদের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

পররাষ্ট্র সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র, একটি পারমাণবিক কেন্দ্র এবং নাগোয়ায় টয়োটার উৎপাদন প্ল্যান্টসহ বিভিন্ন জ্বালানি ও শিল্প স্থাপনা পরিদর্শন করতে পারেন।

তিনি বলেন, মেট্রোরেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ির মতো বড় অবকাঠামো ও পরিবহন প্রকল্পে সহায়তার মাধ্যমে জাপান দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে। খবর বাসস।

এ সফরের ফলে চলমান প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত করার পাশাপাশি নতুন বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং অর্থনৈতিক, উন্নয়ন ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন পররাষ্ট্র সচিব।

প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশে কারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপানি সহায়তার বিষয়টি সফরে বিশেষ গুরুত্ব পাবে।

দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণ সমাধান, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক সংঘাত নিরসনের প্রচেষ্টা নিয়েও দুই নেতা আলোচনা করবেন বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব।

উল্লেখ্য, গত এপ্রিলে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি অনলাইন বৈঠকে অংশ নেন। ওই বৈঠকে এশিয়াজুড়ে জ্বালানি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাপানের নেতৃত্বাধীন উদ্যোগকে স্বাগত জানায় বাংলাদেশ।