মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে ফোন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে ফোন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বগুড়ার নবগঠিত দুই উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের নামকরণ নিয়ে বিতর্ক ওঠার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জেলা প্রশাসককে ফোন করে দুটির নাম পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই দুটি ইউনিয়ন হলো ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’। এগুলোর নাম পরিবর্তনে নতুন করে গণশুনানি করা হবে।

বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান জানান, শুক্রবার বিকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফোনে তাকে দুটি ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশনা দিয়েছেন। তার নির্দেশনা মোতাবেক ইউনিয়ন দুটির নাম পরিবর্তনের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে। নতুন নাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের মতামত, এলাকার ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং ভৌগোলিক পরিচিতিকে গুরুত্ব দিয়ে পুনরায় গণশুনানি করা হবে। নতুন নাম চূড়ান্ত হওয়ার পর যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।

জানা গেছে, বগুড়ার শিবগঞ্জ ও মোকামতলা উপজেলায় সম্প্রতি ‘মীরবাড়ি’ ‘সীমান্ত’, ‘দিগন্ত’ ও ‘স্বর্ণগ্রাম’ ইউনিয়ন গঠন করা হয়। ইউনিয়ন গঠনে প্রতিমন্ত্রীর ডিও লেটারের পর শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান এ বিষয়ে উদ্যোগ নেন। তিনি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেনকে প্রধান করে তিন সদস্যের গণশুনানি টিম গঠন করেন।

টিমের প্রধান সাখাওয়াত হোসেন দাবি করেন, তিনি সঠিকভাবে গণশুনানি করেছেন। কিন্তু এলাকায় সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সঠিকভাবে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি। স্থানীয় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে খুশি করতে তার পৈতৃক বাড়ির নামে ‘মীরবাড়ি’, দুই ছেলের নামে ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ এবং লন্ডন প্রবাসী ভাতিজির নামে ‘স্বর্ণগ্রাম’ ইউনিয়ন নামকরণের প্রস্তাব করেন।

এরপর গণশুনানি কমিটির সুপারিশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান গ্রহণ করেন। তিনি বগুড়া জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠালে তিনি (জেলা প্রশাসক) গত ১১ ও ১৪ জুন এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুই ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন হচ্ছে।

সাংবাদিক গ্রেফতারের ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের দুঃখ প্রকাশসাংবাদিক গ্রেফতারের ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের দুঃখ প্রকাশ
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান, নাম পরিবর্তন করলে চারটির করতে হবে। দিগন্ত ও সীমান্ত নাম পরিবর্তন করলেও মীরবাড়ি ও স্বর্ণগ্রাম ইউনিয়নের নাম থেকেই যাচ্ছে। তারা এ বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

Ads small one

ডট বিডি ও ডট বাংলা ডোমেইন সেবা দিচ্ছে আম্বার আইটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
ডট বিডি ও ডট বাংলা ডোমেইন সেবা দিচ্ছে আম্বার আইটি

ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) আম্বার আইটি লিমিটেড এখন বিটিসিএলের অনুমোদিত পুনর্বিক্রেতা (রিসেলার) হিসেবে টপ লেভেল কান্ট্রি ডোমেইন ডট বিডি ও ডট বাংলা ডোমেইন নিবন্ধন ও ব্যবস্থাপনা সেবা প্রদান করছে।
অনলাইনে দেশীয় পরিচয় ও ডিজিটাল উপস্থিতি শক্তিশালী করতে ডট বিডি এবং ডট বাংলা ডোমেইনের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। এই চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে আম্বার আইটি গ্রাহকদের জন্য সহজ, নিরাপদ এবং ঝামেলামুক্ত ডোমেইন নিবন্ধন সেবা চালু করেছে।

আম্বার আইটির মাধ্যমে ডট বিডি ও ডট বাংলা ডোমেইন নিবন্ধনের ক্ষেত্রে গ্রাহকরা দ্রুত অ্যাক্টিভিশন সুবিধা পাবেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াও তুলনামূলক সহজ করা হয়েছে। মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) ও ব্যাংকের মাধ্যমে অনলাইনে টাকা পরিশোধের সুবিধা থাকায় যেকোনও জায়গা থেকে সহজে আবেদন করা যাবে।

এছাড়া ডোমেইনের সঙ্গে বিনামূল্যে ডিএনএস হোস্টিং ও ব্যবস্থাপনা সুবিধা পাওয়া যাবে। গ্রাহকদের সুবিধার্থে ডোমেইন নবায়ন, মেয়াদ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্পর্কে নিয়মিত এসএমএস ও ই-মেইল নোটিফিকেশন পাঠানো হবে। ডোমেইন ব্যবস্থাপনার জন্য থাকছে ব্যবহারবান্ধব গ্রাহক প্যানেল, যার মাধ্যমে গ্রাহকরা নিজেরাই প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

এছাড়া ডট কম ডট বিডি, ডট কম ডট নেট, ডট কম ডট ইনফো, ডট কম ডট ওআরজি ইত্যাদি ডেমেইনও আম্বার আইটি থেকে নিবন্ধন করা যাবে। সাথে ডিএনএস হোস্টিং, ওয়েব হোস্টিং ও ইমে-ইল সার্ভিসও দেওয়া হয়। ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন সংগঠন এখন দ্রুত, সহজ ও নির্ভরযোগ্য উপায়ে নিজেদের নামে দেশীয় ডোমেইন নিবন্ধন করতে পারবেন।

অনলাইনে জুয়া খেললে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ
অনলাইনে জুয়া খেললে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড

অনলাইন জুয়া, বেটিং, ম্যাচ ফিক্সিং, স্পট ফিক্সিং, ভিপিএন বা মিরর সাইট ব্যবহার করে জুয়া পরিচালনা এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে জুয়ার অর্থ লেনদেনের শাস্তির বিধান রেখে ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
মঙ্গলবার সংসদের বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন। পরে বিরোধী দলের সদস্যদের আনা জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নিষ্পত্তির পর বিলটি পাস হয়।

বিদ্যমান পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭ রহিত করে নতুন আইনটি করা হচ্ছে। সংবিধানের ১৮(২) অনুচ্ছেদে জুয়া নিরোধে রাষ্ট্রের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নীতির কথাও বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ অংশে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, সাধারণ জুয়ার অপরাধে কোনো ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। আর অনলাইন জুয়া বা দূরবর্তী জুয়ার অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়া অনলাইন বেটিংয়ের অপরাধে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

জুয়ার স্থান পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ বা ব্যবহারের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও চার লাখ টাকা অর্থদণ্ডের পাশাপাশি আদালতের আদেশে সংশ্লিষ্ট ভবন, কক্ষ, যানবাহন, সার্ভার অবকাঠামো বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা যাবে। জুয়ার সামগ্রী সংরক্ষণ, প্রস্তুত, সরবরাহ, বিক্রি, বিতরণ, আমদানি বা ব্যবহারের জন্য সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং আদালতের মাধ্যমে এসব সামগ্রী বাজেয়াপ্ত বা ধ্বংসের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা রাখা হয়েছে। বাজিকর হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড এবং স্পট ফিক্সিংয়ের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। আদালত দোষী ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অথবা স্থায়ীভাবে সংশ্লিষ্ট খেলাধুলা, প্রতিযোগিতা বা ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশগ্রহণে অযোগ্য ঘোষণা করতে পারবেন। একইভাবে জুয়ার বিজ্ঞাপন, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা, মিথ্যা লাভের প্রতিশ্রুতি, স্পন্সরশিপ, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বা রেফারেল ক্যাম্পেইন পরিচালনার জন্য ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, ইনফ্লুয়েন্সার, শিল্পী, খেলোয়াড় বা সেলিব্রিটিকে সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

ভিপিএন, প্রক্সি, মিরর সাইট, হোস্টিং, ডোমেইন সার্ভিস, ক্লাউড অবকাঠামো বা কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে জুয়া পরিচালনার জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। ভুয়া সিম, ঘোস্ট সিম, ভুয়া এমএফএস অ্যাকাউন্ট বা বায়োমেট্রিক জালিয়াতির মাধ্যমে জুয়া পরিচালনার জন্য সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং সংঘবদ্ধভাবে বা অর্থপাচারের উদ্দেশ্যে এ অপরাধ সংঘটিত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। জুয়ার অর্থ ব্যাংক, এমএফএস, ডিজিটাল ওয়ালেট, হাওলা, হুন্ডি বা ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে লেনদেন, গোপন বা বৈধ করার চেষ্টা করলে তা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর অধীন সম্পৃক্ত অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

আইনে বলা হয়েছে, কোনো কোম্পানি, করপোরেট সংস্থা, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, হোস্টিং প্রোভাইডার, পেমেন্ট গেটওয়ে বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটিত হলে সংশ্লিষ্ট পরিচালক, নির্বাহী কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপক, অংশীদার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দায়ী করা যাবে, যদি না তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে অপরাধটি তার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হয়েছে এবং তা প্রতিরোধে তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। প্রতিষ্ঠানটিকেও পৃথকভাবে অভিযুক্ত করা যাবে এবং আদালত প্রয়োজনে তাদের নিবন্ধন, লাইসেন্স বা কার্যক্রম স্থগিত, বাতিল বা নিষিদ্ধ করতে পারবেন। একই অপরাধ পুনরায় সংঘটিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তির দ্বিগুণ পর্যন্ত দণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

নতুন আইনে অপরাধে ব্যবহৃত বা অপরাধ থেকে অর্জিত অর্থ, সম্পদ, ব্যাংক হিসাব, এমএফএস অ্যাকাউন্ট, ডিজিটাল ওয়ালেট, ক্রিপ্টো সম্পদ, সার্ভার, ডোমেইন, সিম, ডিভাইসসহ অন্যান্য সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা আদালতকে দেওয়া হয়েছে। অনলাইন জুয়া, অনলাইন বেটিং এবং সাইবার স্পেসে সংঘটিত অপরাধের বিচার সাইবার ট্রাইব্যুনালে হবে, অন্য অপরাধের বিচার হবে এখতিয়ারসম্পন্ন ফৌজদারি আদালতে। আইনের অধীন সব অপরাধ আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য এবং আপস অযোগ্য হিসেবে গণ্য হবে। তদন্তের ক্ষেত্রে সাব-ইন্সপেক্টরের নিচের পদমর্যাদার কোনো পুলিশ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না এবং প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযুক্তের ব্যাংক হিসাব, এমএফএস অ্যাকাউন্ট, ডিজিটাল ওয়ালেট বা ক্রিপ্টো ওয়ালেট সাময়িকভাবে ফ্রিজ করা যাবে।

হতাশ করলেও জার্মানির সমর্থন ছাড়ব না: স্পর্শিয়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
হতাশ করলেও জার্মানির সমর্থন ছাড়ব না: স্পর্শিয়া

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২ থেকে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানির আকস্মিক বিদায় কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না দলটির কোটি ভক্ত। এই তালিকায় আছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়াও। প্রিয় দলের এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্সে ক্ষুব্ধ ও অভিমানী হলেও জার্মানির প্রতি নিজের ভালোবাসা ও সমর্থন একটুও কমেনি বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

প্যারাগুয়ের কাছে টাইব্রেকারে হেরে জার্মানির বিশ্বকাপ মিশন শেষ হওয়ার পর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ছবি পোস্ট করেন স্পর্শিয়া। সাদা হোম জার্সির সঙ্গে ব্লু জিন্স পরা সেই ছবির ক্যাপশনেই প্রকাশ পায় তার মনের গভীর হতাশা আর দলের প্রতি অকৃত্রিম টান।

স্পর্শিয়া লেখেন, ‘হারো, ভালো খেলে হারো? হারো, বড় দলের কাছে হারো? এভাবে বারবার হতাশ করলেও আমি জার্মানির সমর্থন ছাড়ব না। ফুটবল বুঝতে শেখার পর থেকেই এই দলটাই আমার ভালোবাসা।’ তবে এখানেই দমে যাননি তিনি; দলটির ভবিষ্যতে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারেও আশা প্রকাশ করেছেন। তার ভাষ্য, ‘আমি বিশ্বাস করি, একদিন জার্মানি আবারও তাদের হারানো গৌরব ফিরে পাবে, আগের সেই কিংবদন্তি প্রজন্মের মতোই। জার্মানির প্রতি আমার ভালোবাসা সবসময় অটুট থাকবে। আপাতত বিদায়।’

উল্লেখ্য, রাউন্ড অব ৩২-এর সেই শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল জার্মানি। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় শেষে ম্যাচটি ১-১ সমতায় শেষ হলে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে ৪-৩ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেয় প্যারাগুয়ে, আর তাতেই ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে বিদায় ঘণ্টা বাজে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।