বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

উদ্ভাবকদের যথাযথ স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
উদ্ভাবকদের যথাযথ স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, উদ্ভাবক, গবেষক, উদ্যোক্তা এবং সৃজনশীল ব্যক্তিদের প্রতিভার যথাযথ স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে সরকার একটি আধুনিক, সহজ ও কার্যকর সেবা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, অনলাইন নিবন্ধন, দ্রুত সেবা প্রদান, আইনি সুরক্ষা জোরদার এবং নকল পণ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের মতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এরই মধ্যে নেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আগামীকাল উদযাপিত হতে যাওয়া ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬’ এ বছরও বাংলাদেশে উদযাপিত হচ্ছে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দেশের দ্রুত অগ্রগতির জন্য। মেধাস্বত্ব দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘মেধাস্বত্ব ও ক্রীড়া : প্রস্তুত হও, শুরু করো, উদ্ভাবন করো’। এ প্রতিপাদ্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও সময়োপযোগী দেশের তরুণদের মেধাশক্তিকে কাজে লাগানোর জন্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি ‘মেধাস্বত্ব সুরক্ষা’ যেকোনো নতুন ধারণা, উদ্ভাবন ও সৃজনশীল কর্মপ্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করে। একইসঙ্গে ক্রীড়াপ্রযুক্তি, খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, ক্রীড়াপণ্যের ব্র্যান্ডিং, সম্প্রচার শিল্প, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং উদ্যোক্তা বিকাশে এর একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তিনি বলেন, এটা বেশ আনন্দের বিষয় যে, বাংলাদেশ আজ তারুণ্যের শক্তিতে ভরপুর। আমি মনে করি— তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি, শিল্প, গবেষণা, স্টার্টআপ এবং সৃজনশীল অর্থনীতির দ্রুত বিকাশের এই সময়ে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা জাতীয় অগ্রগতির অন্যতম পূর্বশর্ত। বর্তমান সরকার এ বিষয়ে সচেতন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো— বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা। বৈশ্বিক বাজারে জামদানি, ইলিশসহ দেশীয় বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন পণ্যের মর্যাদা সংরক্ষণ অবস্থান সুদৃঢ় করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবসের প্রতিপাদ্যে এবার যৌক্তিকভাবে ক্রীড়াকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ক্রীড়া এখন শুধু বিনোদনের ক্ষেত্র নয়; এটি সম্ভাবনাময় পেশা, সামাজিক শক্তি এবং উদীয়মান অর্থনৈতিক খাত।

তিনি বলেন, জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য ভাতা ও স্পোর্টস কার্ড চালুর মাধ্যমে তাদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে দেশব্যাপী নতুন প্রতিভা অন্বেষণ, আধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া পরিবেশ গড়ে তোলার কাজ চলমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব উদ্যোগ দেশের ক্রীড়াভিত্তিক শিল্প, ক্রীড়াপণ্য উৎপাদন, ব্র্যান্ডিং, স্পোর্টস মিডিয়া, পর্যটন, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

Ads small one

সাতক্ষীরায় ডিসির বক্তব্য বিকৃত ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ওলামা দলের মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ডিসির বক্তব্য বিকৃত ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ওলামা দলের মানববন্ধন

২৪ ঘণ্টার মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরাবাসীকে ধর্মান্ধ আখ্যায়িত করার অভিযোগের প্রতিবাদে সাতক্ষীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট মোড়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দল সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে সংগঠনের আহ্বায়ক মাওলানা আনিসুর রহমান আজাদীর সভাপতিত্বে উক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মাসুম বিল্লাহ শাহীন, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান মুকুল, জেলা জাসাসের আহ্বায়ক শেখ জিল্লুর রহমান, জেলা ওলামা দলের সদস্য সচিব হাফেজ সাইফুল্লাহ আল কাফি, পৌর ওলামা দলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান কামু, সদস্য সচিব একরামুল হোসেন মিলন, পৌর বিএনপি নেতা কাজী মিয়ারাজ, জেলা তাঁতি দলের সভাপতি হাসান শাহরিয়ার রিপন, কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি শাহজালাল, শ্যামনগর উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের প্ররোচনায় জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা করে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসককে আল্টিমেটাম দিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মতো দুঃসাহস দেখিয়েছেন। আমরাও ওই ব্যক্তিকে ২৪ ঘন্টার আলটিমেটাম দিচ্ছি তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইতে হবে তা নাহলে আমরাও তাদের বিরুদ্ধে কঠিন কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ এর বক্তব্য বিকৃত করে সুবিধাবাদী দল তাদের রাজনৈতিক ফাইদা লুটার চেষ্টা করছে।

 

প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বক্তারা আরো বলেন, যারা সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের বক্তব্য বিকৃতি করে অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদেরকে দ্রুত তদন্ত পূর্বক গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসককে নিয়ে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচার সাতক্ষীরাবাসী কখনও মেনে নেবে না। মানববন্ধনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, জেলা ওলামা দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীসহ বিভিন্ন ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের তিন দিনের প্রশিক্ষণের সমাপনীতে গুজব ও অপপ্রচার রুখে দেওয়ার প্রত্যয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের তিন দিনের প্রশিক্ষণের সমাপনীতে গুজব ও অপপ্রচার রুখে দেওয়ার প্রত্যয়

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় কর্মরত সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে আয়োজিত ‘মাল্টিমিডিয়া, ফ্যাক্ট চেক ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)’ বিষয়ক তিন দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) শেষ হয়েছে। প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) ও তথ্য এবং সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে গত মঙ্গলবার (২৩ জুন) এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা ম্যানগ্রোভ সভাঘর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, “বর্তমান যুগ তথ্যপ্রযুক্তির। প্রযুক্তির এই উৎকর্ষের সময়ে সাংবাদিকদের কাজের পরিধি ও চ্যালেঞ্জ দুই-ই বেড়েছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অপতথ্য ও গুজব প্রতিরোধে ফ্যাক্ট চেকিংয়ের কোনো বিকল্প নেই। বস্তুনিষ্ঠ সাহসী সাহসী সাংবাদিকতার মাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। এই প্রশিক্ষণ সাতক্ষীরার সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে আরও বেশি সমৃদ্ধ করবে।” তিনি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন এবং জনস্বার্থে প্রচারের আহ্বান জানিয়ে সাংবাদিকদের আধুনিক প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহারের ওপর জোর দেন।

পিআইবি-এর প্রশিক্ষক সাহানোয়ার সাঈদ শাহীনের সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আবুল কাশেম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য সাংবাদিক সাইদুর রহমান, জুলহাস কবীরসহ স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।

সভাপতির বক্তব্যে সাহানোয়ার সাঈদ শাহীন বলেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং মাল্টিমিডিয়া এখন বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকতার ধরন বদলে দিচ্ছে। আমাদের দেশের মফস্বল পর্যায়ের সাংবাদিকেরাও যাতে এই বৈশ্বিক দৌড়ে পিছিয়ে না পড়েন, সেই লক্ষ্যেই এই বিশেষ প্রশিক্ষণের আয়োজন। অপতথ্য শনাক্ত করার কৌশল ও আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধনে মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকতা আরও গতিশীল হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

এর আগে গত মঙ্গলবার সকালে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন প্রধান অতিথি সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার আজিজ।

বক্তারা বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সাংবাদিকতায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, অপতথ্য ও গুজব প্রতিরোধে ফ্যাক্ট চেকিং বা তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের কোনো বিকল্প নেই। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় সাংবাদিকেরা আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হতে পেরেছেন, যা তাঁদের পেশাগত দক্ষতা আরও বৃদ্ধি করবে।

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার মোট ৭০ জন সাংবাদিক এই কর্মশালায় অংশ নেন। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে সাংবাদিকদের আধুনিক সাংবাদিকতার বিভিন্ন কৌশলের ওপর বাস্তবমুখী ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন।

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।