সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

কপিলমুনিতে শ্রেণিকক্ষে ফ্যান খুলে পড়ে এক ছাত্রী গুরুতর আহত 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
কপিলমুনিতে শ্রেণিকক্ষে ফ্যান খুলে পড়ে এক ছাত্রী গুরুতর আহত 
কপিলমুনি (খুলনা)‌ প্রতিনিধি: রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ৪৭ নম্বর হাউলী প্রতাপকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
আহত আফিয়া ইভনাত আলভী প্রতাপকাটি গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস খানের মেয়ে। সে ওই বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।
বিদ্যালয় ও আহত ছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, রোববার সকাল থেকে বিদ্যালয়ে যথারীতি পাঠদান চলছিল। এ সময় শ্রেণিকক্ষে ফ্যানটি চালু ছিল। হঠাৎ ফ্যানটির নাট খুলে সেটি নিচে পড়ে যায়। প্রথমে ফ্যানটি শ্রেণিকক্ষের একটি টেবিলের ওপর পড়ে। পরে সেখান থেকে ছিটকে ফ্যানের হাতল আফিয়ার নাক ও মুখের ওপর আঘাত করে।
এতে তার নাক ও মুখ কেটে গিয়ে রক্তপাত শুরু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও স্থানীয়রা দ্রুত তাকে কপিলমুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা প্রাথমিক চিকিৎসা ও সেলাই দেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পিনাকী সাধু বলেন, নতুন ভবনের শ্রেণিকক্ষে ফ্যানটি লাগানো হয়েছিল। ফ্যানের নাট খুলে যাওয়ার কারণে সেটি প্রথমে টেবিলের ওপর পড়ে। পরে সেখান থেকে ছিটকে ফ্যানের হাতল ওই ছাত্রীর নাকে লাগে। এতে সে আহত হয়েছে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা মোটামুটি ভালো রয়েছে।
এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ অন্যান্য সরঞ্জামের নিরাপত্তা ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ব্যবহৃত ফ্যান, বৈদ্যুতিক সংযোগ ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়মিত পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Ads small one

বাবার লাশ বারান্দায় রেখে জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের মারামারি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
বাবার লাশ বারান্দায় রেখে জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের মারামারি

 

কেশবপুর যশোর প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর উপজেলার সন্ন্যাসগাছা মানপাড়া গ্রামে বাবার মৃত্যুর পর তাঁর লাশ বাড়ির বারান্দায় রেখেই পৈতৃক সম্পত্তির জমিজমা নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ন্যাসগাছা মানপাড়া গ্রামের মাহবুর ও আছাবুর নামের দুই ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পৈতৃক সম্পত্তির জমিজমা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে এলাকাবাসী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা পারিবারিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করলেও বিরোধের স্থায়ী সমাধান হয়নি। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের পরিবারের মধ্যেও সম্পর্কের অবনতি ঘটে।


এরই মধ্যে সোমবার সকালে তাদের বাবা মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর তাঁর লাশ বাড়ির বারান্দায় রাখা অবস্থায়ই জমিজমার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি হাতাহাতি ও মারামারিতে গড়ায়। বাবার লাশ সামনে রেখেই দুই ভাইয়ের এমন আচরণে উপস্থিত স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়দের দাবি, পৈতৃক সম্পত্তির অংশীদারিত্ব নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের কারণেই এ ঘটনার সূত্রপাত। দাফনের আগে জমিজমার হিসাব-নিকাশ ও ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে স্থানীয় এলাকাবাসী এগিয়ে এসে দুই ভাইকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন এবং বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেন।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, পারিবারিক বিরোধ দ্রুত মীমাংসা না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। পরবর্তীতে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে লাশ দাফন করা হয়।

 

শ্যামনগরে দরিদ্র নারীদের মাঝে ছাগল বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে দরিদ্র নারীদের মাঝে ছাগল বিতরণ

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলায় দরিদ্র ও অসহায় নারীদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে ছাগল বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ও নকশীকাঁথা মহিলা সংগঠনের বাস্তবায়নে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে শ্যামনগর ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামের ১৩ জন নারীর মাঝে দুটি করে মোট ২৬টি ছাগল বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রিফাত হোসাইন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. তৌহিদ হাসান, উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা শারিদ বিন শফিক ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুব্রত কুমার বিশ্বাস। এ ছাড়া সিডিওর নির্বাহী পরিচালক গাজী আল ইমরান, সামসের নির্বাহী পরিচালক কৃষ্ণপদ মু-া, নকশীকাঁথার পরিচালক চন্দ্রিকা ব্যানার্জী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নষ্ট মেশিন, ভোগান্তিতে রোগীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নষ্ট মেশিন, ভোগান্তিতে রোগীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এন্ডোস্কোপি ও কোলনস্কোপি পরীক্ষার যন্ত্র দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট থাকায় রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালে স্বল্পমূল্যে নানা ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার সুযোগ থাকলেও কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণে তারা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না। বেসরকারি ক্লিনিকে এন্ডোস্কোপি ও কোলনস্কোপি করতে যেখানে এক হাজার ছয় শ থেকে দুই হাজার টাকা খরচ হয়, সেখানে হাসপাতালে মাত্র ৫০০ টাকায় এ পরীক্ষা করা সম্ভব। তবে দীর্ঘদিন ধরে দুটি যন্ত্রই বিকল হয়ে পড়ে আছে।
হাসপাতালের রোগীদের স্বজনেরা জানান, যন্ত্র দুটি প্রায়ই নষ্ট হয়ে যায়, কিন্তু কর্তৃপক্ষ দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেয় না। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক জানান, হাসপাতালের কোনো যন্ত্র নষ্ট হলে তা ঢাকার কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মেরামত করা হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ইতিমধ্যে অবহিত করা হয়েছে।