বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩

কয়রায় দুর্যোগ প্রস্তুতিতে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের তাগিদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ
কয়রায় দুর্যোগ প্রস্তুতিতে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের তাগিদ

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: সিডর, আইলা, আম্পান, ইয়াস কিংবা রিমালের মতো ঘূর্ণিঝড়ের ভয়াবহ স্মৃতি এখনো তাড়া করে ফেরে উপকূলীয় জনপদ কয়রার মানুষকে। এ প্রেক্ষাপটে দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জোরদার, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সরকারি-বেসরকারি সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভায়।

বুধবার (১৩ মে) দুপুরে কয়রা উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জাগ্রত যুব সংঘের (জেজেএস) সহযোগিতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, কয়রা অত্যন্ত দুর্যোগপ্রবণ এলাকা। সিডর, আইলা ও আম্পানের মতো ঘূর্ণিঝড় আমাদের শিখিয়েছে, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই। প্রকৃতিকে থামানো সম্ভব না হলেও সঠিক প্রস্তুতির মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা যায়।

তিনি আরও বলেন, সরকারি ও বিভিন্ন এনজিও মানুষের কল্যাণে কাজ করলেও অনেক ক্ষেত্রে একই ধরনের কার্যক্রমের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। আগামী সভায় দুর্যোগ সংশ্লিষ্ট সব এনজিওকে তাদের কার্যক্রম উপস্থাপনের আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নে ‘নিড বেইজড’ জরিপের মাধ্যমে প্রকৃত চাহিদা নিরূপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সমীর কুমার সরকার বলেন, কয়রার ভৌগোলিক অবস্থান এমন যে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্যোগ আঘাত হানতে পারে। তাই আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর ধারণক্ষমতা নতুন করে মূল্যায়ন করা জরুরি। শুধু মানুষ নয়, গবাদিপশুর জন্যও নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, দুর্যোগের সময় অনেক আশ্রয়কেন্দ্রে ধারণক্ষমতার বেশি মানুষ আশ্রয় নেয়। ফলে নারী-পুরুষের পৃথক ব্যবস্থা ও স্যানিটেশন সংকট বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। সরকারি-বেসরকারি সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা গেলে সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার সম্ভব হবে।

উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসচিব ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল্যাহ আল জাবির বলেন, কিছু এনজিও যথাযথ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির নাম ব্যবহার করে সভা আয়োজন করছে, যা সমন্বিত কার্যক্রমের জন্য ইতিবাচক নয়। তিনি সব কার্যক্রম উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালনার আহ্বান জানান।

সভায় জাগ্রত যুব সংঘের প্রকল্প কর্মকর্তা অশোক কুমার জানান, ‘প্রস্তুতি’ প্রকল্পের মাধ্যমে গত দুই বছরে কয়রার নারী ও শিশুদের দুর্যোগ সহনশীল করতে কাজ করা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় ১২ হাজার ৫৯টি দরিদ্র পরিবার উপকৃত হয়েছে। পাশাপাশি ৩৬টি দুর্যোগ সহনশীল টয়লেট নির্মাণ, ৩৬টি বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা স্থাপন এবং ৩৬টি নলকূপের পাটাতন উঁচুকরণ করা হয়েছে। এছাড়া ৫ দশমিক ১৬৮ কিলোমিটার সাইক্লোন শেল্টার সংযোগ সড়ক সংস্কার করা হয়েছে।

সভায় বক্তারা বলেন, শাকবাড়িয়া, কয়রা ও কপোতাক্ষ নদের তীরবর্তী কয়রা উপজেলার প্রায় ৯ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে বা জোয়ারের পানিতে উপচে লোকালয়ে লোনাপানি প্রবেশ করতে পারে। ঝড়-বৃষ্টি ও জোয়ারের সময় এ ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। তাই সম্ভাব্য দুর্যোগের আগেই এসব ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান তারা।

সভায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, কয়রা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ, কয়রা বাজার কমিটির সভাপতি মো. জুলফিকার আলমসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

Ads small one

দেবহাটায় গ্রাম আদালতের ত্রৈমাসিক সমম্বয় সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় গ্রাম আদালতের ত্রৈমাসিক সমম্বয় সভা অনুষ্ঠিত

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলায় গ্রাম আদালতের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) বেলা ২টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কনফারেন্স রুমে এ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা ।

গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী রেবেকা সুলতানা এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন, দেবহাটা উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ।
গ্রাম আদালতের গুরুত্ব ও বিচারিক সেবার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, গ্রামের ছোটখাটো বিরোধ গ্রাম আদালতে নিস্পত্তি করতে হবে।

 

গ্রাম আদালতের মাধ্যমে ছোটখাটো ফৌজদারী ও দেওয়ানী মামলা নিষ্পত্তির মাধ্যমে স্থানীয় বিরোধ স্থানীয়ভাবে নিস্পত্তি করে প্রান্তিক সাধারণ মানুষের আইনী সেবা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি উচ্চ আদালতের মামলা জট কমাতে নিয়মিত গ্রাম আদালত পরিচালনা করার নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় তিনি, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের গ্রাম আদালতের এখতিয়ারভুক্ত মামলা গ্রহণ, আইন ও বিধি অনুযায়ী গ্রাম আদালত পরিচালনা, উচ্চ আদালতের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি এবং প্রতিবেদন দাখিল, মামলা নিস্পত্তি, এজলাস ব্যবহার এবং মামলার নথি, রেজিস্টার সংরক্ষণ করার জন্য বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন। একইসাথে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ইউপি সদস্যসহ সবাইকে গুরুত্ব সহকারে কাজ করার জন্য বলেন।

ত্রৈমাসিক সভায় উপজেলা সমন্বয়কারী রেবেকা সুলতানা দেবহাটা উপজেলার ইউনিয়ন ভিত্তিক গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতিসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন এবং কার্যক্রম বাস্তবায়নে উপজেলার সকল ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের বার্ষিক বাজেটে গ্রাম আদালত পরিচালনায় ব্যায়ের জন্য আলাদা বরাদ্দ রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

ত্রৈমাসিক সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসের অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এস কে সাদেক হোসেন।

বাড়ি বিক্রি করে ছেলেকে লেবাননে পাঠিয়েছিলেন কলারোয়ার ভ্যান চালক সুরঞ্জন দাস, কে জানতো শুভকে লাশ হয়ে ফরিতে হবে!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
বাড়ি বিক্রি করে ছেলেকে লেবাননে পাঠিয়েছিলেন কলারোয়ার ভ্যান চালক সুরঞ্জন দাস, কে জানতো শুভকে লাশ হয়ে ফরিতে হবে!

 

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভার শ্রীপতিপুর গ্রামের সুরঞ্জন দাস ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। তিন ছেলে, এক মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে তার অভাবের সংসার। বড় ছেলে শান্তি দাস বিয়ে করে অন্যত্র বসবাস করে। মেঝ ছেলে শুভ দাস কয়লা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করার পর পড়াশুনার ফাঁকে ফাঁকে ট্রলি চালাতো। একমাত্র মেয়ে সাধনা দাস কলারোয়া সরকারি বাালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীতে পড়াশুনা করে।

 

ছোট ছেলে সুদীপ দাস পড়ে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। স্ত্রী শিখা দাস একজন গৃহিনী। তাই সংসারের বিরাট খরচ বহন করতে না পেরে মেঝ ছেলে শুভকে তিন বছর আগে লেবাননে পাঠিয়েছিলেন। সেখানে শুভ মাইফাদুন এলাকায় একটি বাড়ি দেখাশুনা ও বাড়ি সংলগ্ন বাগানে কাজ করতো।

শেষ সম্বল মাত্র এক শতক জমির উপর শেষ আশ্রয়স্থলটি বিক্রি করে আরো চার লাখ টাকা সমিতি ও স্থানীয়দের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে শুভকে লেবাননে পাঠান সুরঞ্জন দাস। বাড়ি বিক্রির পর একই গ্রামে এক হাজার টাকার ভাড়া বাসায় বসবাস করেন সুরঞ্জন দাস (৫৫)। প্রতি মাসে শুভ’র পাঠানো ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে ঋণ শোধের পাশাপাশি ছেলে মেয়েদের পড়াশুনা ও সংসার খরচ চালানো হতো। শেষের দুই মাস টাকা পাঠায়নি শুভ। গত সোমবার রাতে লেবাননের মাইফাদুন এলাকায় সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে চলাচলের সময় ইজরাইলি ড্রোন হামলায় শুভ মারা যায়। একই সময়ে বাংলাদেশের আরো দুইজন মারা যায়।

বুধবার সকালে শ্রীপতিপুর গ্রামে গেলে দেখা গেছে শুভ’র বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। পরিবারের সদস্যরা লাশ ফিরে পাওয়ার জন্য প্রহর গুনছেন। সাধনা দাস জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে মুঠোফোনে তার দাদার মৃত্যুর খবর পান তারা। রবিবার রাতে তাদের সঙ্গে দাদার শেষ কথা হয়। দুই মাস টাকা পাঠাতে না পারার জন্য কষ্ট পাচ্ছিল সে। আয়ক্ষম দাদার অকাল মৃত্যুতে তাদের বড় ক্ষতি হয়ে গেল। হয়তো তার ও ছোট ভাইয়ের আর পড়াশুনা করা সম্ভব হবে না। এ ছাড়া বাবা বকেয়া ঋণের টাকা কিভাবে পরিশোধ করবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা বেড়ে গেছে।

শিখা রানী দাস জানান, সংসারের হাল ফেরাতে যেয়ে বিয়ে না করেই লেবাননে যায় শুভ। ভেবেছিলেন আরো কিছু দিন লেবাননে থাকার পর দেশে নিয়ে এসে শুভকে বিয়ে দেবেন। ভগবান বুঝি তাদের সুখ সহ্য করতে পারলেন না। তাই এভাবেই কেড়ে নিলেন তার ছেলে শুভকে। তার ছেলের লাশ যাতে দ্রুত ফিরে পান সেজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করবেন।

শুভ’র বাবা সুরঞ্জন দাস বলেন, ঈশ^র যেন তাকে ছেলের শোক সহ্য করার ক্ষমতা দেওয়ার পাশাপাশি কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেন। নইলে অন্যের বাড়িতে ভাড়া থেকে সংসার চালাবেন কিভাবে?

শ্রীপতিপুর গ্রামের সুমন দাস বলেন, শুভ খুব ভাল চেলে ছিলো। কারো সাথে বিরোধ করতো না। ঈশ^র যেন তাকে স্বর্গবাসি করে।

কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম জানান, শুভ’র পরিবার যাতে দ্রুত লাশ ফিরে পেতে পারে সেজন্য তারা সার্বিক চেষ্টা চালাবেন। একইসাথে সরকারি সব ধরণের সহায়তা পাওয়ার জন্য তারা উদ্যোগ নেবেন।
প্রসঙ্গত, এ নিয়ে রবিবার ও সোমবার লেবাননে কর্মরত সাতক্ষীরা জেলার তিনজন রেমিটেন্স যোদ্ধার ইজরাইলি ড্রোন হামলায় মৃত্যু হলো।

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল জানান, শুভসহ তিনজনের লাশ লেবানন থেকে ফেরানোর জন্য চেষ্টা চলছে।

 

তালায় সাস’র সার্বিক উন্নয়ন কর্মসূচির উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
তালায় সাস’র সার্বিক উন্নয়ন কর্মসূচির উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

তালা সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার তালায় সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থা (সাস)-এর চলমান কার্যক্রম অবহিতকরণ ও সার্বিক উন্নয়ন কর্মসূচির উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) দুপুর ১২টায় সাস’র নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থা “সাস”-এর পরিচালক শেখ ইমান আলী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন হাবিবুর রহমান।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ। তিনি বলেন, এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাতক্ষীরা জেলাকে উন্নত ও সমৃদ্ধ জেলায় পরিণত করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সাস’র চলমান কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও গতিশীল হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দীদার বখত, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ মো. শহিদুল ইসলাম (মুকুল), উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মামুন হাসান এবং তালা থানার এসআই মো. হেমায়েত উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. মাহামুদুল হক, জেলা সহ-সেক্রেটারি গাজী সুজায়েত আলী, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ডা. আফতাব উদ্দিন, সাবেক অধ্যক্ষ আ. রহমান, অধ্যক্ষ কামরুল ইসলাম সেলিম, সাস’র সহকারী পরিচালক সাধন কুমার দাশ, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক গোলাম ফারুক, অধ্যাপক হাফেজ আজিজুর রহমান, সেতু (এনজিও)-এর পরিচালক এসএম আবুল হোসেন, অধ্যাপক আবু হাসান, তালা সদর প্যানেল চেয়ারম্যান আ. রাজ্জাক, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম, সাংবাদিক এসএম মতাহিরুল হক শাহিনসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ এবং সাস’র প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

সভায় সাস’র চলমান প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি ও সাতক্ষীরা জেলার উন্নয়নের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা স্থানীয় সমস্যা সমাধান ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সাস’র ভূমিকার প্রশংসা করেন।
এর আগে সকালে তালা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ।

তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুনের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সৌরভ দেবনাথের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. মাহমুদুল হক।

এসময় বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ডা. আফতাব উদ্দিন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. ইদ্রিস আলী, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. বিল্লাল হোসেন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পিয়াজু কান্তি পাল, আজমিরা পারভীনসহ অন্যান্য কৃষি কর্মকর্তারা।