রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কয়রার ছাত্রদলের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
কয়রার ছাত্রদলের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ, দলের অব্যাহতিপ্রাপ্ত এক নেতার স্থায়ী বহিষ্কার এবং খুলনা জেলা ছাত্রদলের কমিটি পুনর্গঠনের দাবিতে সাতক্ষীরার কয়রায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে উপজেলা ছাত্রদল।

 

রবিবার বিকেলে কয়রা উপজেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে কপোতাক্ষ কলেজের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মধুর মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আরিফ বিল্লাহ সবুজ, সদস্যসচিব মো. মাহমুদ হাসান, ছাত্রনেতা ইমরান হোসেন, মামুন হোসেন, তাজমিরুল, ইয়াসিন আরাফাত, কপোতাক্ষ কলেজ ছাত্রদলের সহসভাপতি তামিম আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল, খান সাহেব কোমরউদ্দিন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সহসভাপতি নূর আলম, কয়রা সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মাশরাফি আজাদ, মহারাজপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান, বেদকাশি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন এবং মহেশ্বরীপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ওয়েজকুরনি প্রমুখ।

Ads small one

লবণাক্ততার আগ্রাসন ও দুর্যোগ: উপকূলে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
লবণাক্ততার আগ্রাসন ও দুর্যোগ: উপকূলে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর

মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে একসময় মাটির তৈরি দেওয়াল আর খড়ের ছাউনির ঘরই ছিল সাধারণ মানুষের প্রধান আশ্রয়। কৃষি-নির্ভর এই জনপদে যুগ যুগ ধরে মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে মিশে এই মাটির ঘরেই বাস করত। তবে ২০০৯ সালের ২৫ মে আঘাত হানা প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ‘আইলা’র পর থেকে মাটির ঘর নির্মাণ এ অঞ্চলে নেই বললেই চলে। আইলার পর বুলবুল, আম্পান, ইয়াসের মতো একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপকূলের মাটি ও মানুষের জীবনকে ওলটপালট করে দিয়ে গেছে। জলোচ্ছ্বাসের লোনা পানি বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় সংকুচিত হয়েছে কৃষিজমি, আর তাতেই হারিয়ে যেতে বসেছে উপকূলের চিরচেনা এই মাটির ঘর।
স্থানীয় প্রবীণদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপকূলের বেলে-দোঁয়াশ ও এঁটেল মাটি মিশিয়ে ম- তৈরি করা হতো। এরপর হাতের সুনিপুণ কারুকাজে মাটির ‘চাফ’ (দলা) কেটে ধাপে ধাপে তৈরি হতো ঘরের মজবুত দেওয়াল। কিন্তু ক্রমাগত প্রাকৃতিক দুর্যোগে মাটির দেওয়াল ধসে আসবাবপত্র নষ্ট হওয়া এবং শিশুসহ মানুষ চাপা পড়ার ঘটনার পর থেকে এই ঘরের প্রতি মানুষের আগ্রহ কমতে থাকে। এর ওপর বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মাটির সংকট। চিংড়ি ঘেরের কারণে লোনা পানি ঢুকে টপ-সয়েলের (মাটির উপরিভাগ) বুনট নষ্ট হয়ে গেছে, ফলে ঘর তৈরির উপযোগী আঠালো মাটি এখন আর পাওয়াই যায় না।
উপকূলের মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্বকালিনগর গ্রামে এখনো কোনোমতে টিকে আছে একটি মাটির ঘর। ঘরের কারিগর কৃষক শ্যামাপদ বৈদ্য বলেন, “এখন আর মাটির ঘর চোখেই পড়ে না। অথচ ২০-২৫ বছর আগে পৌষ থেকে চৈত্র মাস পর্যন্ত মাটির দেওয়াল তৈরির কাজে আমাকে দিন-রাত ব্যস্ত থাকতে হতো। এই ঘরগুলোতে খরচ কম, আরাম বেশি। বাইরে ঝড়-বৃষ্টি হলেও ভেতরে সহজে টের পাওয়া যেত না। এখনকার বেড়ার ঘরে সামান্য বাতাসেই বুক কাঁপে। আগেকার মাটির উঁচু ঘর চোর-ডাকাতদের থেকেও নিরাপদ ছিল।”
শ্যামাপদ বৈদ্যের স্ত্রী কৃষ্ণা রানী বৈদ্য বলেন, “আইলার আগে আমাদের তিনটি মাটির ঘর ছিল, সব ভেঙে গেছে। এবার খরচ ও পরিশ্রম কমাতে শুধু গোয়ালঘরটা আবার মাটি দিয়েই তৈরি করছি। বছরে একবার গোবর-মাটি দিয়ে লেপে দিলেই এক বছর চলে যায়।”
স্থানীয় শিক্ষক মনোজিৎ কর্মকার বলেন, “আগে গ্রামে প্রায় সব ঘরই ছিল মাটির। মানুষ তখন শান্তিতে থাকত, রোগবালাই কম ছিল। মাটির ঘর তৈরির জন্য গ্রামে কিছু লোকায়ত জ্ঞানসম্পন্ন প্রবীণ মানুষ ছিলেন। বছরের শুরুতে পৌষ-মাঘ মাসে কৃষিজমির বিশেষ মাটি তুলে ঘর বাঁধার প্রস্তুতি নেওয়া হতো। মাটি পেটানো, শুকানো আর ধাপে ধাপে দেওয়াল তুলতে তিন-চার মাস সময় লেগে যেত।” তিনি আফসোস করে বলেন, মাটির ঘরের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী মাটির হাঁড়ি, পাতিল, কলসের ব্যবহারও এখন বিলুপ্তির পথে।
বেসরকারি একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিভাগীয় সমন্বয়কারী শাহিন ইসলাম এই পরিস্থিতিকে ‘সংস্কৃতি হারিয়ে যাওয়ার নীরব বিপ্লব’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, “উপকূলে মাটির ঘর ছিল প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের ঐতিহ্য। একান্নবর্তী পরিবারগুলোতে থাকার ঘর, গোয়াল ঘর, খড় রাখার ঘরÑসবই মাটির তৈরি হতো। এগুলো ছিল প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে বেঁচে থাকার প্রতীক। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ভূগর্ভস্থ এবং উপরিভাগের পানি ও মাটি অতিরিক্ত লবণাক্ত হয়ে পড়েছে, যা মাটির স্বাভাবিক আঠালো বুনট নষ্ট করে দিয়েছে। মাটি ও পানির সংকটে এ অঞ্চলের কুমারদের পেশাও বদলে যাচ্ছে।”
শাহিন ইসলাম আরও বলেন, উপকূলে লবণ পানির এই আগ্রাসন ও জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব রুখতে না পারলে শুধু মাটির ঘরই নয়, প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল স্থানীয় সংস্কৃতি ও প্রাণবৈচিত্র্যকেও টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

কোন আবেদন ফুরিয়ে যায় না, জানালেন অপু বিশ্বাস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ
কোন আবেদন ফুরিয়ে যায় না, জানালেন অপু বিশ্বাস

ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাস সবসময়ই তার অভিনয় দক্ষতা, ফ্যাশন সেন্স এবং পর্দার উপস্থিতি দিয়ে আলোচনায় থাকেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি বেশ সক্রিয়, যেখানে তার প্রতিটি পোস্টই ভক্তদের মধ্যে আলাদা আগ্রহ তৈরি করে।
সম্প্রতি তিনি নতুন একটি ফটোশুটের একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনটি ভিন্ন লুকে ধরা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ছবিগুলো প্রকাশের পরপরই সামাজিক মাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়ে এবং ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ফ্যাশনেবল ও স্টাইলিশ উপস্থিতির মাধ্যমে আবারও নিজের জনপ্রিয়তা ও আকর্ষণীয় ইমেজের প্রমাণ দিয়েছেন অপু বিশ্বাস।

ছবিগুলোতে তাকে একদম ভিন্ন রূপে, পরিচ্ছন্ন এবং রাজকীয় ভঙ্গিতে দেখা গেছে। ছবি শেয়ার করে অপু ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘চিরায়ত রূপের আবেদন কখনো ফুরিয়ে যায় না।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় অপু বিশ্বাসের এই ছবিগুলো শেয়ার করার পর থেকেই ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে গেছে। অনেকেই তার মন্তব্যের ঘরে প্রশংসার ঝড় তুলেছেন। কেউ লিখেছেন ‘কিউট’, কেউ বা বলেছেন ‘রানী’। তার এই নতুন লুকে তার ভক্তরা পুরোপুরি মুগ্ধ।

প্রসঙ্গত, অপু বিশ্বাস ‘কোটি টাকার কাবিন’ দিয়ে ২০০৬ সালের পরিচিত পান। এর আগে ‘কাল সকালে’ সিনেমায় পার্শ্ব চরিত্র দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু হয় তার। সিনেমাটি পরিচালনা করেন আমজাদ হোসেন। এরপর শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে নিয়মিত হোন অপু বিশ্বাস। অনেকদিন পর এমন নিয়মিত জুটি পায় বাংলা সিনেমা।

ঈদের ছুটিতেও ব্যাংক খোলা যেসব এলাকায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ণ
ঈদের ছুটিতেও ব্যাংক খোলা যেসব এলাকায়

দুয়ারে পবিত্র ঈদুল আজহা। উৎসবের আনন্দ প্রিয়জনদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে সোমবার (২৫ মে) থেকে (৩১ মে) রোববার পর্যন্ত টানা সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। তবে দেশের পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্ধারিত কোরবানির হাট এলাকায় ঈদুল আজহার আগের দিন রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
রোববার (২৪ মে) প্রতিটি তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের দেওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের এক চিঠির মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেয়।

এতে বলা হয়, এই সময়কালে ব্যাংক নির্ধারিত শাখা, উপশাখা বা হাটে স্থাপিত বুথগুলো সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখতে হবে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, খুলনা সিটি করপোরেশন, রাজশাহী সিটি করপোরেশন ও রংপুর সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনায় কোরবানির পশুর হাট পরিচালিত হতে যাচ্ছে।

এসব হাটে অধিক সংখ্যক ক্রেতা ও ব্যবসায়ীর সমাগম এবং বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থের লেনদেন হচ্ছে। ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের আর্থিক লেনদেনের নিরাপত্তা বিধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোরবানির পশুর হাটের কাছাকাছি ব্যাংকের শাখা বা উপশাখা এবং সংশ্লিষ্ট পশুর হাটে স্থাপন করা অস্থায়ী বুথ ব্যবহার করে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা যেন ক্রয়-বিক্রয়ের অর্থ সহজে লেনদেন করতে পারেন সেটা নিশ্চিত করতে ব্যাংকিং সহায়তা জরুরি।

হাটগুলো হলো—

ঢাকা উত্তর করপোরেশন
১. বনরূপা আবাসিক প্রকল্পের খালি জায়গা
২. মিরপুর সেকশন-৬, ওয়ার্ড নম্বর-৬ (ইস্টার্ন হাউজিং) এর খালি জায়গা
৩. মিরপুর কালশী বালুর মাঠের (১৬ বিঘা) খালি জায়গা
৪. ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সংলগ্ন খালি জায়গা
৫. বাড্ডা থানার অন্তর্গত স্বদেশ প্রপার্টির খালি জায়গা
৬. ২৩ নং ওয়ার্ডের পূর্ব হাজীপাড়া, ইশরা মাদ্রাসার পাশে খালি জায়গা
৭. উত্তরা দিয়াবাড়ী ১৬ ও ১৮ নং সেক্টরসংলগ্ন বউ বাজার এলাকার খালি জায়গা
৮. গাবতলী পশুর হাট
৯. খিলক্ষেত থানাধীন ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের মস্তুল চেকপোস্ট সংলগ্ন পশ্চিম পাড়া এলাকা
১০. বড় বেরাইদ বসুন্ধরা গ্রুপের খালি জায়গা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন
১. কাজলা ব্রীজ থেকে মাতুয়াইল মৃধাবাড়ী পানির পাম্প পর্যন্ত
২. মোস্তমামি মোড় সংলগ্ন গ্রীণ বনশ্রী হাউজিং
৩. ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের দক্ষিণ পূর্ব পাশ এলাকা
৪. রহমতগঞ্জ ক্লাবসংলগ্ন এলাকা
৫. পোস্তগোলা শ্মশানঘাটের পশ্চিমপার্শ্বে নদীর পাড় এলাকা
৬. উত্তর শাহজাহানপুর খিলগাঁও রেলগেট বাজারের মৈত্রী সংঘ ক্লাবসংলগ্ন আশপাশ এলাকা
৭. শিকদার মেডিক্যাল সংলগ্ন আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের এলাকা
৮. গোলাপবাগস্থ আউটফল স্টাফ কোয়ার্টার এলাকা
৯. আমুলিয়া মডেল টাউন
১০. সারুলিয়া
১১. সাদেক হোসেন খোকা মাঠের দক্ষিণ পার্শ্বের খালি জায়গা অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
১. বিবির হাট
২. সাগরিকা

রংপুর সিটি করপোরেশন
১. লালবাগ সদর হাট

খুলনা সিটি করপোরেশন
১. জোড়া হাট

রাজশাহী সিটি করপোরেশন
১. সিটি হাট